শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০৯ মার্চ, ২০২৬

রোজা নিয়ে কিছু কথা...

অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ
প্রিন্ট ভার্সন
রোজা নিয়ে কিছু কথা...

“আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের সুচিন্তিত অভিমত হলো, রোজা স্বাস্থ্যের কোনো ক্ষতি তো করেই না বরং শরীর ও মনের উন্নতি লাভের সহায়ক। পেপটিক আলসার, ডায়াবেটিস, হৃদ্রোগী, বাত ব্যথার রোগীও রোজায় উপকার পান“

 

পবিত্র রমজান মাস চলছে। ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ রমজানের রোজা। শুধু আত্মশুদ্ধিরই নয়, এ মাস আত্মনিয়ন্ত্রণেরও। রোজা রাখলে অনেকে স্বাস্থ্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় করেন কিন্তু প্রকৃত পক্ষে রোজায় কারও স্বাস্থ্য নষ্ট হয়ে গেছে বা রোজা রেখে ক্ষুধা-তৃষ্ণায় কাতর হয়ে কারও মৃত্যু হয়েছে এমন কোনো ঘটনার কথা শোনা যায়নি। রোজা কিছুটা কষ্টকর ইবাদত এবং রোজার দ্বারা শরীরে চাপ পড়ে বলে অনেকেই রোজা ছেড়ে দেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, শরিয়তের বিধান অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়া রোজা পরিত্যাগ করা সম্পূর্ণ অনুচিত। সুস্থ ব্যক্তি তো বটেই, অনেক অসুস্থ ব্যক্তিরও রোজা ছেড়ে দেওয়া উচিত হবে না। রমজান মাসে রোজা রাখা সম্পর্কে আল্লাহর নির্দেশ-‘যে ব্যক্তি রোজার মাসটি পাবে, তারই কর্তব্য হচ্ছে রোজা রাখা’ (সুরা বাকারা-১৮৫)। অন্য আয়াতে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘সিয়াম নির্দিষ্ট কয়েকটি দিনের। তোমাদের মধ্যে কেউ ব্যাধিগ্রস্ত হলে বা সফরে থাকলে, অন্য সময় এ সংখ্যা পূরণ করে নিতে হবে। এটা যাদের অতিশয় কষ্ট দেয় তাদের কর্তব্য এর পরিবর্তে ফিদরা অর্থাৎ একজন অভাবগ্রস্তকে খাদ্য দান করা। যদি কেউ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সৎ কাজ করে, এটা তার পক্ষে অধিক কল্যাণকর। আর সিয়াম পালন তথা রোজা রাখাই তোমাদের জন্য অধিকতর কল্যাণপ্রসূ যদি তোমরা জানতে।’ অতিশয় কষ্ট বলতে অতি বার্ধক্য বা চিরস্থায়ী রোগ যা অতীব কষ্টকর তার জন্য ওই মাসে রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে। পরে কাজা আদায় করলেই চলবে। রোজা রাখায় প্রাণনাশের আশঙ্কা আছে এ কথাটি কোনো আলেম এবং ইসলামি জ্ঞানসম্পন্ন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হতে হবে। গর্ভবতী মহিলার যদি গর্ভস্থ সন্তানের ক্ষতির আশঙ্কা হয় অথবা স্তন্যদায়ী মা যদি রোজা দ্বারা তার নিজের বা তার স্তন্যপানকারী শিশুর ক্ষতির আশঙ্কা থাকে তবে সেও এই মাসে রোজা না রেখে পরে সুবিধামতো সময়ে কাজা আদায় করতে পারেন। অনেক রোগীই যে কোনো অবস্থায় রোজা রাখতে বদ্ধপরিকর। আবার অনেকেই নিজের মতো অজুহাত তৈরি করে রোজা না রাখার যুক্তি খোঁজেন। আসলে দীর্ঘস্থায়ী রোগেও রোজা রাখা সম্ভব। রোজার মাসে পেপটিক আলসার রোগীরা খালি পেটে থাকবেন, ডায়াবেটিস রোগীরা কীভাবে রোজা রেখে ইনসুলিন নেবেন, উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা কীভাবে দুই বেলা বা তিন বেলা ওষুধ সেবন করবেন এসব চিন্তায় অস্থির হয়ে পড়েন। আবার কিছু সংখ্যক অসুস্থ ব্যক্তি এমনকি সুস্থ ব্যক্তিও দুর্বলতা এবং নানারকম দুশ্চিন্তা-দুর্ভাবনায় রোজা রাখতে গড়িমসি করেন। আসলে রোজা রাখলে শরীরে তেমন কোনো বিরূপ প্রভাব পড়ে না। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের সুচিন্তিত অভিমত হলো, রোজা স্বাস্থ্যের কোনো ক্ষতি তো করেই না বরং শরীর ও মনের উন্নতি লাভের সহায়ক। পেপটিক আলসার, ডায়াবেটিস, হৃদ্রোগী, বাত ব্যথার রোগীও সরাসরি রোজায় উপকার পান। পেপটিক আলসারের কারণে অনেকেই রোজা ছেড়ে দেন। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, পেপটিক আলসারে রোজা বিশেষ উপকারী। মানুষের পেটই হলো সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু। পেট ঠিক থাকলে সবকিছু ঠিক থাকে। আর পেটে সমস্যা দেখা দিলে স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দেয়। সারা বছর একবার পেটের নিষ্কাশন প্রয়োজন। এক মাস সিয়াম পালন করলে উত্তম রূপে পেটের দূষিত ক্ষতিকর পদার্থের নিষ্কাশন ঘটে। পাকস্থলীতে এক ধরনের উপকারী জীবাণু খাদ্য হজমে সাহায্য করে। বছরের ১১ মাস এসব জীবাণু অনবরত খাদ্য হজমের কাজে লিপ্ত থাকার ফলে দুর্বল হয়ে পড়ে। দীর্ঘ এক মাস রোজার ফলে এ কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য জীবাণুগুলো বিশ্রাম পায়। বিশ্রামের ফলে এরা শক্তিশালী হয়ে ওঠে। ফলে বাকি ১১ মাস আবার খাদ্য হজমে ভালোভাবে সাহায্য করতে পারে। মানবদেহে চর্বি ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে গেলে হৃদ্রোগ, রক্তচাপ, বহুমূত্র রোগসহ নানান জটিল রোগের সৃষ্টি হয়। রোজা চর্বি বা কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে শরীরকে বিভিন্ন রোগ থেকে নিরাপদ রাখে। রোজা মস্তিষ্কের কার্যক্রম সুষমভাবে পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অধিক খাদ্য গ্রহণে শরীরের ওপর যেমন চাপ বৃদ্ধি পায় তেমনই এই চাপ মস্তিষ্কের ওপরও পড়ে। এ জন্যই বলা হয় ক্ষুধার্ত উদর জ্ঞানের আধার। রোজায় শরীরের প্রোটিন, ফ্যাট ও শর্করা স্বয়ং পরিচালিত হয়। গুরুত্বপূর্ণ কোষগুলো পুষ্টি পায়। ফলে শরীরে উৎপন্ন উৎসেচকগুলো বিভিন্ন কোষে ছড়িয়ে পড়ে। এটি হচ্ছে শরীর বিক্রিয়ার এক স্বাভাবিক পদ্ধতি। রোজা এ পদ্ধতিকে সহজ, সাবলীল ও গতিময় করে। রোজায় শরীরের ক্ষতিকারক টক্সিনের মাত্রা কমে যায়।

রোজা অবস্থায় কিডনি ও লিভার বিশ্রাম পায়। কিডনির মাধ্যমে শরীরে প্রতি মিনিটে ১ থেকে ৩ লিটার রক্ত সঞ্চালিত হয়। অপ্রয়োজনীয় পদার্থগুলো প্রস্রাবের সঙ্গে নির্গমন হয়। সুস্থ রোগীর লিভার আরও সুষ্ঠুভাবে কার্যক্ষম হয়। তবে লিভারে বা কিডনিতে আক্রান্ত রোগীরা রোজা রাখার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন। যারা ধূমপান ও নেশাজাতীয় দ্রব্য ব্যবহার করেন, রোজায় এগুলো পরিহার করার সুবর্ণ সুযোগ। এর ফলে অনেক রোগ যেমন-ক্যানসার, হৃদ্রোগ, স্ট্রোকসহ বহু জটিল রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ তার দৈহিক গঠন প্রকৃতি ও স্থিতিশীলতায় অবদান রাখে। কিন্তু এর কাজের একটি সীমাবদ্ধতা আছে। সাধারণত সারা বছর এগুলো ন্যূনতম বিশ্রামের সুযোগও পায় না। কিন্তু রোজায় শরীরের সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দৈনিক প্রায় পাঁচ-ছয় ঘণ্টা বিশ্রামের সুযোগ পায়। ফলে পরবর্তী সময়ে এগুলো আরও শক্তি নিয়ে সুন্দরভাবে মানবদেহে কাজ করতে পারে। অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সুস্থতার পাশাপাশি রোজায় মানসিক শক্তি, স্মরণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি, আধ্যাত্মিক শক্তিসহ সবকিছুই বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া জেনে রাখা ভালো, শরীরে রোগ নিরাময়ের যতগুলো প্রতিকার এবং প্রতিষেধক রয়েছে, রোজা তার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ও ফলপ্রসূ।

মূলত, এ জন্যই রমজান মাসে হাসপাতাল ও প্রাইভেট চেম্বারে রোগীর উপস্থিতি তুলনামূলক কম হয়। সব মিলিয়ে রোজা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তো নয়ই বরং খুবই উপকারী। আসলে রোজা কিন্তু শুধু উপবাস নয়, এটি হলো প্রার্থনা, যা মনের কালিমা দূর করে দেয়। সঙ্গে সঙ্গে শরীরের রোগ জরা আর ক্লান্তি হয় বিলীন। মাহাত্ম্য অর্জনে, আত্মার প্রশান্তি মেটাতে এবং আধ্যাত্মিক উন্নতি ঘটাতে তাই যথাশুদ্ধভাবে রোজা যেন নষ্ট না হয়, ছুটে না যায়, যেন একটি রোজাও সেদিকে তীক্ষè দৃষ্টি রাখা খুবই জরুরি। তাই অবহেলা না করে রমজান মাস নিয়ে যথেষ্ট সচেতন ও যত্নবান হতে হবে। জানাতে হবে রমজান মাসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য।

লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

এই বিভাগের আরও খবর
ক্ষণিকের ব্যথা এনজিনা
ক্ষণিকের ব্যথা এনজিনা
ভাইরাস প্রতিরোধে সহজ উপায় খুঁজছে বিজ্ঞানীরা
ভাইরাস প্রতিরোধে সহজ উপায় খুঁজছে বিজ্ঞানীরা
হাম প্রতিরোধ জরুরি
হাম প্রতিরোধ জরুরি
পিঠের ব্যথায় করণীয়
পিঠের ব্যথায় করণীয়
ঈদের দিনের খাবারদাবার
ঈদের দিনের খাবারদাবার
ঈদের আনন্দ ও খাওয়া দাওয়া
ঈদের আনন্দ ও খাওয়া দাওয়া
ইফতারে রাখুন ফলমূল
ইফতারে রাখুন ফলমূল
পুষ্টিবিদের পরামর্শ
পুষ্টিবিদের পরামর্শ
শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি হলে...
শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি হলে...
খেজুরের পুষ্টিগুণ
খেজুরের পুষ্টিগুণ
নীরব ঘাতক হৃদরোগ
নীরব ঘাতক হৃদরোগ
ত্বক ও চুলের যত্নে নিমপাতা
ত্বক ও চুলের যত্নে নিমপাতা
সর্বশেষ খবর
চীনা ও তাইওয়ানি জনগণ এক হবে : তাইওয়ানের বিরোধী নেতাকে শি জিনপিং
চীনা ও তাইওয়ানি জনগণ এক হবে : তাইওয়ানের বিরোধী নেতাকে শি জিনপিং

এই মাত্র | পূর্ব-পশ্চিম

‘এটা কালি নয়, আমার মেয়ের রক্ত’
‘এটা কালি নয়, আমার মেয়ের রক্ত’

১১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সারা দিনে হরমুজ পার হলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থাকা একমাত্র তেলবাহী জাহাজ
সারা দিনে হরমুজ পার হলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থাকা একমাত্র তেলবাহী জাহাজ

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিদ্ধিরগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল জব্দ, গ্রেপ্তার ২
সিদ্ধিরগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল জব্দ, গ্রেপ্তার ২

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

থাইল্যান্ডের রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেফতার
থাইল্যান্ডের রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেফতার

৩০ মিনিট আগে | পরবাস

সোনারগাঁয়ে মহাসড়কে প্রবাসীর গাড়িতে ডাকাতি
সোনারগাঁয়ে মহাসড়কে প্রবাসীর গাড়িতে ডাকাতি

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান
যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান

৩৮ মিনিট আগে | জাতীয়

অবসর ভেঙে কাউন্টি ক্রিকেটে ফিরছেন উইল স্মিড
অবসর ভেঙে কাউন্টি ক্রিকেটে ফিরছেন উইল স্মিড

৪০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভোটের আগে হাওড়ায় রাজনৈতিক পতাকা তৈরির কারখানায় ব্যস্ততা তুঙ্গে
ভোটের আগে হাওড়ায় রাজনৈতিক পতাকা তৈরির কারখানায় ব্যস্ততা তুঙ্গে

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় গাঁজাসহ মা-ছেলে গ্রেফতার
কুমিল্লায় গাঁজাসহ মা-ছেলে গ্রেফতার

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, অগ্নিপরীক্ষায় পাকিস্তান
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, অগ্নিপরীক্ষায় পাকিস্তান

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টেকনাফে মুরগির খামারে মিলল ৫ লাখ ইয়াবা
টেকনাফে মুরগির খামারে মিলল ৫ লাখ ইয়াবা

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত

৫৫ মিনিট আগে | পরবাস

কিশোরগঞ্জে কুকুরের কামড়ে আহত ১৫
কিশোরগঞ্জে কুকুরের কামড়ে আহত ১৫

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টেবিল টেনিসে ৮ পদক জিতল বাংলাদেশ
টেবিল টেনিসে ৮ পদক জিতল বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাতীয় সংসদ অধিবেশন বুধবার বেলা ১১টা পর্যন্ত মুলতবি
জাতীয় সংসদ অধিবেশন বুধবার বেলা ১১টা পর্যন্ত মুলতবি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দিনাজপুরে ভুট্টা চাষে নতুন সম্ভাবনা
দিনাজপুরে ভুট্টা চাষে নতুন সম্ভাবনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফুটবল তারকার সঙ্গে টেইলর সুইফটের বিয়ে
ফুটবল তারকার সঙ্গে টেইলর সুইফটের বিয়ে

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আরব সাগর থেকে বাংলাদেশিসহ ১৮ নাবিক উদ্ধার
আরব সাগর থেকে বাংলাদেশিসহ ১৮ নাবিক উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মিস্টার আব্দুল্লাহ দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ দি পার্লামেন্ট’
‘মিস্টার আব্দুল্লাহ দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ দি পার্লামেন্ট’

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের ‘স্পষ্ট গাইডলাইন’ নিয়ে পাকিস্তানের পথে ভ্যান্স
ট্রাম্পের ‘স্পষ্ট গাইডলাইন’ নিয়ে পাকিস্তানের পথে ভ্যান্স

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে শারজাহে ফিরছে বাংলাদেশি জাহাজ
হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে শারজাহে ফিরছে বাংলাদেশি জাহাজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকা পেঁপে কী রাসায়নিকমুক্ত? চেনার সহজ উপায়
পাকা পেঁপে কী রাসায়নিকমুক্ত? চেনার সহজ উপায়

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

ইসরায়েল কর্তৃক ফিলিস্তিনি শিশু নির্যাতন নিয়ে যা বললেন দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট
ইসরায়েল কর্তৃক ফিলিস্তিনি শিশু নির্যাতন নিয়ে যা বললেন দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় সংসদে আজ ২৪ বিল পাস
জাতীয় সংসদে আজ ২৪ বিল পাস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার
ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান যুদ্ধে জয়ের কথা বিশ্বাস করেন না ইসরায়েলের অধিকাংশ নাগরিক: জরিপ
ইরান যুদ্ধে জয়ের কথা বিশ্বাস করেন না ইসরায়েলের অধিকাংশ নাগরিক: জরিপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিগগিরই জনতার সামনে আসবেন মোজতবা খামেনি?
শিগগিরই জনতার সামনে আসবেন মোজতবা খামেনি?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপরাধ বন্ধে হটলাইন খুলবেন এমপি
অপরাধ বন্ধে হটলাইন খুলবেন এমপি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, নৌকাসহ সরঞ্জাম জব্দ
সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, নৌকাসহ সরঞ্জাম জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ঝড়ো ইনিংসে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন বাবর আজম
ঝড়ো ইনিংসে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন বাবর আজম

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন ও মজুত সক্ষমতা ফেলে রেখেছে বাংলাদেশ
হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন ও মজুত সক্ষমতা ফেলে রেখেছে বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য অত্যন্ত নিন্দনীয়: ইসরায়েল
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য অত্যন্ত নিন্দনীয়: ইসরায়েল

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি দিয়ে আপাতত দিনে ১৫ জাহাজ যেতে পারবে: ইরান
হরমুজ প্রণালি দিয়ে আপাতত দিনে ১৫ জাহাজ যেতে পারবে: ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ কেন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল রাশিয়া
হঠাৎ কেন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল রাশিয়া

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নয় : ইরান
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নয় : ইরান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুয়েজ খালে মিশরের মাশুল নেয়া বৈধ, হরমুজে ইরান নিলে আপত্তি কেন?
সুয়েজ খালে মিশরের মাশুল নেয়া বৈধ, হরমুজে ইরান নিলে আপত্তি কেন?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলো এখন ‘অকেজো’ : বিশ্লেষণ
ইরানের হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলো এখন ‘অকেজো’ : বিশ্লেষণ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংরিক্ষত নারী আসনের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংরিক্ষত নারী আসনের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে কারণে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যেতে পারে
যে কারণে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যেতে পারে

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পিএসএলে নাহিদ রানার জাদু, বড় জয় পেশোয়ারের
পিএসএলে নাহিদ রানার জাদু, বড় জয় পেশোয়ারের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ডট বলের রেকর্ডে এলিটদের ক্লাবে মুস্তাফিজ
ডট বলের রেকর্ডে এলিটদের ক্লাবে মুস্তাফিজ

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমান্ত এলাকা সম্প্রসারণের কথা বলে নিজ দেশেই তোপের মুখে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী
সীমান্ত এলাকা সম্প্রসারণের কথা বলে নিজ দেশেই তোপের মুখে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে উধাও ২০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন ড্রোন
হরমুজে উধাও ২০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন ড্রোন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরানের এক ধাক্কায় ডলারের রেকর্ড পতন, উড়ছে চীনের ইউয়ান
ইরানের এক ধাক্কায় ডলারের রেকর্ড পতন, উড়ছে চীনের ইউয়ান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান যা করছে তা চুক্তিতে নেই:  ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান যা করছে তা চুক্তিতে নেই:  ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল ‘মানবতার জন্য অভিশাপ’: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ইসরায়েল ‘মানবতার জন্য অভিশাপ’: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউরোপের বেহাল দশা ফাঁস করে দিল ইরান
ইউরোপের বেহাল দশা ফাঁস করে দিল ইরান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মিস্টার আব্দুল্লাহ দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ দি পার্লামেন্ট’
‘মিস্টার আব্দুল্লাহ দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ দি পার্লামেন্ট’

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আহত ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী খারাজি মারা গেছেন
ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আহত ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী খারাজি মারা গেছেন

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আগে ইরানকে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট
পাকিস্তানে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আগে ইরানকে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবাননে ইসরায়েলি হামলা নিয়ে যে প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা নিয়ে যে প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ সচল করতে ‘কার্যকর পরিকল্পনা’ নিয়ে ট্রাম্প-স্টারমারের ফোনালাপ
হরমুজ সচল করতে ‘কার্যকর পরিকল্পনা’ নিয়ে ট্রাম্প-স্টারমারের ফোনালাপ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইতিহাস গড়লেন সুনীল নারাইন
ইতিহাস গড়লেন সুনীল নারাইন

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রবিবার থেকেই শুরু হচ্ছে নেতানিয়াহুর দুর্নীতির বিচার
রবিবার থেকেই শুরু হচ্ছে নেতানিয়াহুর দুর্নীতির বিচার

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার ৩১টি বিল পাস
জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার ৩১টি বিল পাস

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান
যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে উন্নীতকরণের কাজ চলমান
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে উন্নীতকরণের কাজ চলমান

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় সংসদে আরও ১০টি বিল পাস
জাতীয় সংসদে আরও ১০টি বিল পাস

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ভেঙে যেতে পারে যুদ্ধবিরতি
ভেঙে যেতে পারে যুদ্ধবিরতি

প্রথম পৃষ্ঠা

৪৮ বছর পর ট্রেন ভাড়া পরিশোধ!
৪৮ বছর পর ট্রেন ভাড়া পরিশোধ!

পেছনের পৃষ্ঠা

জুয়ার নেশায় ভয়ংকর চোরচক্র
জুয়ার নেশায় ভয়ংকর চোরচক্র

পেছনের পৃষ্ঠা

জ্বালানির বিকল্প উৎস খুঁজতে হবে
জ্বালানির বিকল্প উৎস খুঁজতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

দাম কমেছে সোনা ও রুপার
দাম কমেছে সোনা ও রুপার

পেছনের পৃষ্ঠা

আবাহনী-মোহামেডান লড়াইয়ের ৫৩ বছর
আবাহনী-মোহামেডান লড়াইয়ের ৫৩ বছর

মাঠে ময়দানে

বগুড়া ও শেরপুরে বিপুল ভোটে বিএনপির জয়
বগুড়া ও শেরপুরে বিপুল ভোটে বিএনপির জয়

প্রথম পৃষ্ঠা

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে

প্রথম পৃষ্ঠা

পৃথিবীর পথে আর্টেমিস-২
পৃথিবীর পথে আর্টেমিস-২

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দাম কেজিতে বেড়েছে ৫০০ টাকা
ইলিশের দাম কেজিতে বেড়েছে ৫০০ টাকা

নগর জীবন

সংসদে আবার ওয়াকআউট
সংসদে আবার ওয়াকআউট

প্রথম পৃষ্ঠা

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এখনো মৃত্যুফাঁদ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এখনো মৃত্যুফাঁদ

পেছনের পৃষ্ঠা

হকার উচ্ছেদের পাশাপাশি পুনর্বাসন করার পরামর্শ
হকার উচ্ছেদের পাশাপাশি পুনর্বাসন করার পরামর্শ

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার করতে ব্যর্থ অন্তর্বর্তী সরকার
সংস্কার করতে ব্যর্থ অন্তর্বর্তী সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
দুই পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

গ্রামীণ বিনোদন কেন হারিয়ে যাচ্ছে
গ্রামীণ বিনোদন কেন হারিয়ে যাচ্ছে

শোবিজ

বাবার ইচ্ছা পূরণে হাতির পিঠে ঘোড়ার গাড়িতে বরযাত্রা
বাবার ইচ্ছা পূরণে হাতির পিঠে ঘোড়ার গাড়িতে বরযাত্রা

দেশগ্রাম

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

শোবিজ

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ

সম্পাদকীয়

মে মাসের শুরুতেই প্রিমিয়ার লিগ!
মে মাসের শুরুতেই প্রিমিয়ার লিগ!

মাঠে ময়দানে

নীল সিগন্যালের পর
নীল সিগন্যালের পর

সাহিত্য

বৈশাখী মেলা
বৈশাখী মেলা

ডাংগুলি

তোমার পরিচয়
তোমার পরিচয়

সাহিত্য

বোশেখ মাসের পয়লা তারিখ
বোশেখ মাসের পয়লা তারিখ

ডাংগুলি

তাক ডুমা ডুম ডুম
তাক ডুমা ডুম ডুম

ডাংগুলি

পহেলা বৈশাখ
পহেলা বৈশাখ

ডাংগুলি

বৈশাখ মেলায়
বৈশাখ মেলায়

ডাংগুলি

ভালোবাসার কয়েক পঙ্ক্তি
ভালোবাসার কয়েক পঙ্ক্তি

সাহিত্য

বৈশাখ এলো বছর ঘুরে!
বৈশাখ এলো বছর ঘুরে!

ডাংগুলি

বৈশাখ আসে
বৈশাখ আসে

ডাংগুলি