শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ০২:১০, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬

ঈদের আনন্দ ও খাওয়া দাওয়া

অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ
প্রিন্ট ভার্সন
ঈদের আনন্দ ও খাওয়া দাওয়া

এক মাস রমজানের সিয়াম সাধনার পর আসছে ঈদ, যা বয়ে আনবে সবার জন্য অনাবিল আনন্দ। ঈদ মানেই খুশি, ঈদ মানেই আনন্দ, খাওয়াদাওয়া, নতুন জামা-কাপড় আর ঘোরাঘুরি। ছোট বাচ্চা থেকে বয়স্করা সবাই ঈদের আনন্দকে বরণ করে নেওয়ার জন্য উদগ্রীব। রোজার এক মাসে মানুষের খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনে যে পরিবর্তন আসে, সেটাতেই অনেকে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। মাসখানেক সিয়াম সাধনার পর ঈদের দিন সকালেই শুরু হয় খাওয়াদাওয়া। আর ঈদের দিনে আনন্দের অন্যতম আয়োজনটাই হলো নানা রকমের খাবারদাবার। সকালবেলা উৎসবের শুরুটাই হয় মিষ্টি, সেমাই, পোলাও, কোর্মাসহ আরও কত রকমের খাবার দিয়ে। অনেকে এই সুযোগে বেশ একটা ভূরিভোজ করে ফেলেন। আসলে ঈদের দিন এভাবে লাগামছাড়া খাওয়াদাওয়া করাটা হতে পারে স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর। হঠাৎ ঈদের দিনে অতি ভোজনের ফলে পাকস্থলী তথা পেটের ওপর চাপটা পড়ে বেশি। নিজের ঘরে হরেক রকমের খাবারের সঙ্গে বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনের বাসায় বেড়াতে গেলেই ইচ্ছা-অনিচ্ছায় আরও বেশি খেতে হয়। ফলে অধিক চাপে অনেক সময় পাকস্থলীর এনজাইম ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। এ কারণে পেট ব্যথা, গ্যাস্ট্রাইটিস, ডায়রিয়া, বমি, পেটফাঁপা ইত্যাদি হরহামেশাই দেখা যায়। সাধারণত ঈদের দিন প্রচুর তৈলাক্ত খাবার যেমন পোলাও, বিরিয়ানি, মুরগি, খাসি বা গরুর গোশত, কাবাব, রেজালা আর এর সঙ্গে মিষ্টি জাতীয় খাবার আমরা সবাই খাই। একসঙ্গে বেশি খাওয়ার ফলে পেটে অস্বস্তিকর অনুভূতি, ভরা ভরা ভাব, বারবার ঢেকুর ওঠা এমনকি বুকে ব্যথা পর্যন্ত হতে পারে। যাদের পেপটিক আলসার আছে, তাদের রোজা রাখার ফলে দীর্ঘক্ষণ পেট খালি থাকার জন্য নিঃসরিত হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড পাকস্থলী ও ডিওডেনামে ক্ষত করতে পারে। তৈলাক্ত ও ঝাল মসলাযুক্ত খাবার খাওয়ায় পাকস্থলী ও ডিওডেনামের ক্ষতে পুনরায় প্রদাহের সৃষ্টি হয়। ফলে বুক জ্বালা, পেট জ্বালা ইত্যাদি অনেক বেড়ে যায়। আইবিএস বা ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম রোগে যারা ভোগেন, তাদের সমস্যাটা আরও বেশি দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে দুধ ও দুগ্ধজাত খাবারগুলো যেমন পায়েস, সেমাই, হালুয়া ইত্যাদি খাবারে অস্বস্তি, ঘন ঘন মলত্যাগ ও অসম্পূর্ণ মলত্যাগের অনুভূতি হয়। আবার বিভিন্ন খাবার অন্ত্র থেকে অতিরিক্ত পানি শোষণ করে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। যাদের অ্যানাল ফিশার ও পায়ুপথে জ্বালাপোড়া, ব্যথা ইত্যাদি আগে থেকেই আছে, তাদের এ সমস্যা আরও বেশি প্রকট হয়। যাদের হিমোরয়েড বা পাইলসের সমস্যা আছে, তাদের পায়ুপথে রক্তক্ষরণও হতে পারে। আসলে ছোট বাচ্চাদের ঈদ আনন্দটা সবচেয়ে বেশি। তারা শখ করে দু-একটা রোজা রাখে, রোজা শেষে ঈদের দিন মজার মজার খাবার খেতে বেশি পছন্দ। তবে অতিভোজনে যে কারও মতো ছোটদেরও সমস্যা হতে পারে।

খাবার পরিমাণের দিকে নজর দিন : যেকোনো কিছু খেলেই সব সময় শরীরে সমস্যা হবে এমন কথা নেই। শুধু পরিমাণটা ঠিক রাখলেই হলো। কোনো শারীরিক সমস্যা না থাকলে হজমে সহায়ক সব ধরনের এনজাইম সঠিকভাবেই কাজ করে। এমনকি গুরুপাক তৈলাক্ত বা চর্বিযুক্ত খাদ্যগুলো সহজে হজম হয়ে যায়। তবে অবশ্যই অতিভোজন না করাই ভালো। ঈদের নামাজ পড়তে যাওয়ার আগে অল্প করে সেমাই বা পায়েস খাওয়া ভালো। এগুলোর সঙ্গে কিশমিশ, বাদাম, ফলের জুস, যেমন পেঁপে, আম ইত্যাদি খেতে পারেন। খাবার আধঘণ্টা পর দেড় থেকে দুই গ্লাস পানি খেয়ে ঈদের নামাজ পড়তে যাবেন। দিনে বিভিন্ন ধরনের খাবার খাওয়ার ফাঁকে ফাঁকে প্রচুর পানি ও অন্যান্য তরল খাবার খাওয়া ভালো। একবারে বেশি করে না খেয়ে অল্প করে বারবার খাবেন। পোলাও বা বিরিয়ানির সঙ্গে সালাদ জাতীয় খাবার এবং দই খেতে পারেন।

যাদের বেশি সতর্কতা দরকার : যারা মাঝবয়সি বা বয়োবৃদ্ধ বা যাদের অন্যান্য শারীরিক সমস্যা আছে, যেমন ডায়াবেটিস, হাই- ব্লাডপ্রেসার বা হৃদরোগ ইত্যাদি, তাদের খাবারের ব্যাপারে সতর্ক থাকা জরুরি। ডায়াবেটিস রোগীকে অবশ্যই মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। তবে কৃত্রিম চিনি দিয়ে তৈরি খাবার খেতে পারেন এবং টক খাবারের মাধ্যমে রসনা পূরণ করতে পারেন। সবজি বা টক ফল দিয়ে মজাদার খাবার আগেই বানিয়ে রাখুন। এগুলো আপনাকে অন্য খাবার থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করবে। নেহায়েত মিষ্টি খেতে চাইলে চিনির বিকল্প দিয়ে তৈরি করে নেবেন। পোলাও বিরিয়ানি কম খাবেন, ভাত খাওয়াই ভালো। তাই বলে অতিরিক্ত খাবার অবশ্যই পরিহার করবেন। মুরগি বা গরুর মাংস খাওয়া যাবে যদি অতিরিক্ত তেল বা চর্বি না থাকে। সঙ্গে কিডনির সমস্যা থাকলে মাংস পরিহার করতে হবে। খাসি, কলিজা, মগজ, চিংড়ি ইত্যাদি খাবেন না। খাবারের পরিমাণটা ডায়াবেটিস রোগীর জন্য সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ। সবচেয়ে বড় কথা এসব খাবার একবেলাই খাওয়া উচিত, অন্য বেলা স্বাভাবিক খেতে হবে। রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য এদিন একটু বেশি হাঁটাহাঁটি করতে পারেন, প্রয়োজনে ডায়াবেটিসের ওষুধ বা ইনসুলিনের মাত্রা একটু বাড়াতে হতে পারে। এ ব্যাপারে ঈদের আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। যাদের রক্তে কোলেস্টেরল বেশি বা উচ্চরক্তচাপ আছে অথবা হার্টের সমস্যা আছে অথবা যারা মুটিয়ে যাচ্ছেন, তাদের অবশ্যই তেল ও চর্বি এড়িয়ে যেতে হবে। তবে চর্বি ছাড়া গরুর মাংস খাওয়া যাবে পরিমাণমতো। ভাজাপোড়া খাবেন না, বিশেষ করে বাইরের। মিষ্টিও পরিমাণের বেশি খাওয়া যাবে না। পোলাও কম খাবেন, ভাত হলেই ভালো। ফল বা ফলের রস, সালাদ ইত্যাদি বেশি করে খাবেন। বিশেষ করে খাবারের শুরুতে সালাদ খেলে অন্য খাবারের জন্য জায়গা কমে যাবে। এ ছাড়া টক দই খেলে উপকার পাবেন। কিডনির সমস্যা থাকলে প্রোটিন জাতীয় খাদ্য যেমন মাছ-মাংস অবশ্যই নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ফল খাবার ব্যাপারেও নিষেধাজ্ঞা থাকে। তাদের অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নেওয়া উচিত ঈদের আগেই।

মনে রাখতে হবে :

(১) খাবারের পরিমাণের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখাটা সবার জন্যই জরুরি। পেটপুরে খাওয়া মানসিক তৃপ্তি দিতে পারে বটে কিন্তু শরীরের জন্য ভয়ানক ক্ষতিকর। একবারে বেশি না খেয়ে বারে বারে কম পরিমাণে খাওয়া ভালো। সকালের নাশতা একটু বেশি হলেও দুপুরের খাবার হবে হালকা। রাতের খাবার মসলাদার না হওয়াই উচিত।

(২) গুরুপাক জাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো। যদি একান্তই খেতে ইচ্ছে হয়, তবে পরিমাণে কম খেতে হবে। যে খাবারে সমস্যা বেশি হয়, তা পরিহার করা উচিত। অতিরিক্ত পোলাও চর্বি জাতীয় খাবার পরিহার করবেন।

(৩) যারা গ্যাস্ট্রিক আলসার বা আইবিএস বা অন্যান্য পেটের রোগে ভোগেন, তারা ডমপেরিডন, ওমিপ্রাজল বা প্যান্ট্রোপ্রাজল জাতীয় ওষুধ খাবেন। এন্টাসিড জাতীয় ওষুধ এবং বিভিন্ন এনজাইম খেতে পারেন। যাদের আইবিএস আছে, তারা দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার পরিহার করবেন। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা, এনাল ফিসার ও পায়ুপথে জ্বালাপোড়া বা ব্যথা ইত্যাদি সমস্যা আছে, তারা ইসবগুলের ভুসি, বেল, পেপে ইত্যাদি খেতে পারেন।

(৪) রাতে কোনো দাওয়াতে গেলে অল্প পরিমাণে খাবেন। খাওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা পর বিছানায় যাবেন।

(৫) ঈদের সময় সাধারণত সবাই একত্রে বসে খায় এবং অনেক গল্প গুজব করেন। এতে অতিরিক্ত বাতাস পাকস্থলীতে ঢুকে, ফলে বারবার ঢেকুর তোলার সমস্যা হয়। খাবারের সময় যতটা সম্ভব কম গল্পগুজব করা উচিত এবং গোগ্রাসে না খেয়ে ভালো করে চিবিয়ে খেতে হবে।

(৬) খাবারের সময় একটু পরপর পানি না খাওয়া উচিত, এতে হজমে রসগুলো পাতলা হয় এবং হজমের অসুবিধা হতে পারে। তাই খাওয়ার অন্তত আধা বা এক ঘণ্টা পর পানি পান করা উচিত।

(৭) অতিরিক্ত কোমল পানীয় ও চিনিযুক্ত পানীয় পরিহার করবেন। এসবের বদলে চিনি ছাড়া ফলের জুস, বোরহানি, টক দই, পুদিনা লাচ্ছি, ডাবের পানি ইত্যাদি খেতে পারেন।

(৮) কোনো সময় বেশি খেয়ে ফেললে বা দাওয়াত থাকলে অন্য সময় রুটি, সালাদ বা স্যুপ খেতে পারেন।

(৯) রাতে খাবারের পরপরই ঘুমাতে যাবেন না। সম্ভব হলে কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করবেন এবং দু-তিন ঘণ্টা পর ঘুমাবেন।

(১০) মনে রাখতে হবে খাওয়াদাওয়ার ফলে যদি শারীরিক সমস্যা হয়, তবে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। তাই অবহেলা না করে এসব বিষয়ে আমাদের যথেষ্ট যত্নবান ও সচেতন হতে হবে।

লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ।

এই বিভাগের আরও খবর
ডায়াবেটিস রোগীর কাঁধে ব্যথা
ডায়াবেটিস রোগীর কাঁধে ব্যথা
দৈহিক স্থূলতা আসলে কী?
দৈহিক স্থূলতা আসলে কী?
হৃদরোগের সাতকাহন
হৃদরোগের সাতকাহন
হামের লক্ষণ ও প্রতিকার
হামের লক্ষণ ও প্রতিকার
হিটস্ট্রোকে করণীয়
হিটস্ট্রোকে করণীয়
ক্ষণিকের ব্যথা এনজিনা
ক্ষণিকের ব্যথা এনজিনা
ভাইরাস প্রতিরোধে সহজ উপায় খুঁজছে বিজ্ঞানীরা
ভাইরাস প্রতিরোধে সহজ উপায় খুঁজছে বিজ্ঞানীরা
হাম প্রতিরোধ জরুরি
হাম প্রতিরোধ জরুরি
পিঠের ব্যথায় করণীয়
পিঠের ব্যথায় করণীয়
ঈদের দিনের খাবারদাবার
ঈদের দিনের খাবারদাবার
ইফতারে রাখুন ফলমূল
ইফতারে রাখুন ফলমূল
পুষ্টিবিদের পরামর্শ
পুষ্টিবিদের পরামর্শ
সর্বশেষ খবর
নওগাঁয় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজে ধাক্কা, নিহত ২
নওগাঁয় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজে ধাক্কা, নিহত ২

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মক্কার জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে ৬০ পৃষ্ঠার হাতে লেখা কোরআন
মক্কার জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে ৬০ পৃষ্ঠার হাতে লেখা কোরআন

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

রিয়ালকে উড়িয়ে টানা দ্বিতীয়বার লিগ চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা
রিয়ালকে উড়িয়ে টানা দ্বিতীয়বার লিগ চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমবারের মতো কিং আবদুল আজিজ কোরআন প্রতিযোগিতায় সুযোগ পাচ্ছেন নারীরা
প্রথমবারের মতো কিং আবদুল আজিজ কোরআন প্রতিযোগিতায় সুযোগ পাচ্ছেন নারীরা

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

তেজগাঁও এলাকায় অভিযানে গ্রেফতার ৬৫
তেজগাঁও এলাকায় অভিযানে গ্রেফতার ৬৫

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ওপেনএআইয়ের নতুন মূল্য নীতিতে বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বাজার
ওপেনএআইয়ের নতুন মূল্য নীতিতে বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বাজার

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া
জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাফ শিরোপা জেতায় র‌্যাংকিংয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল
সাফ শিরোপা জেতায় র‌্যাংকিংয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সৌরজগতের দূরবর্তী বরফাচ্ছন্ন মহাজাগতিক বস্তুর চারপাশে মিলল বায়ুমণ্ডল
সৌরজগতের দূরবর্তী বরফাচ্ছন্ন মহাজাগতিক বস্তুর চারপাশে মিলল বায়ুমণ্ডল

৩ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

প্রযুক্তি ও পরিবর্তিত বাজারে শ্রমজীবীদের সুরক্ষায় নতুন নীতির তাগিদ
প্রযুক্তি ও পরিবর্তিত বাজারে শ্রমজীবীদের সুরক্ষায় নতুন নীতির তাগিদ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপের সেই পেনাল্টি এখনো ভুলতে পারেননি বাজ্জো
বিশ্বকাপের সেই পেনাল্টি এখনো ভুলতে পারেননি বাজ্জো

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা
ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা
১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের
ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তে বুথ বসাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ
পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তে বুথ বসাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

গোলরক্ষকের বীরত্বে শিরোপার আরও কাছে আর্সেনাল
গোলরক্ষকের বীরত্বে শিরোপার আরও কাছে আর্সেনাল

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিকলীতে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
নিকলীতে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হামজাদের কোচ বাছাইয়ে চূড়ান্ত তালিকায় ৬ জন
হামজাদের কোচ বাছাইয়ে চূড়ান্ত তালিকায় ৬ জন

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হান্টাভাইরাস আতঙ্কে নোঙর করা প্রমোদতরী থেকে যাত্রী সরানো শুরু
হান্টাভাইরাস আতঙ্কে নোঙর করা প্রমোদতরী থেকে যাত্রী সরানো শুরু

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আফ্রিকার চলচ্চিত্র অনুষ্ঠানে ৫০০ পাউরুটির পোশাকে নজর কাড়লেন তারকা
আফ্রিকার চলচ্চিত্র অনুষ্ঠানে ৫০০ পাউরুটির পোশাকে নজর কাড়লেন তারকা

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সাভারে পিস্তল ও গুলিসহ আটক-৩
সাভারে পিস্তল ও গুলিসহ আটক-৩

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসপাতালের আবাসিক ভবনের ছাদে মুরগির খামার, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ রোগী-স্বজন
হাসপাতালের আবাসিক ভবনের ছাদে মুরগির খামার, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ রোগী-স্বজন

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস'র সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ
ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস'র সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এআইয়ের ঝুঁকি ঠেকাতে সাংবিধানিক পরিবর্তনের পথে গ্রিস
এআইয়ের ঝুঁকি ঠেকাতে সাংবিধানিক পরিবর্তনের পথে গ্রিস

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিদেশি হামলায় কিম ‘নিহত হলেই’ পারমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া
বিদেশি হামলায় কিম ‘নিহত হলেই’ পারমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

গাড়িতে আসছে গুগলের জেমিনি এআই: বদলে যাবে চালকের অভিজ্ঞতা
গাড়িতে আসছে গুগলের জেমিনি এআই: বদলে যাবে চালকের অভিজ্ঞতা

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

দুই বন্ধু মিলে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ
দুই বন্ধু মিলে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সংকট সমাধানে গরুর মাংস আমদানিসহ রেস্তোরাঁ মালিকদের ১১ দাবি
সংকট সমাধানে গরুর মাংস আমদানিসহ রেস্তোরাঁ মালিকদের ১১ দাবি

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নেতানিয়াহুর পদত্যাগ দাবিতে ইসরায়েলিদের বিক্ষোভ
নেতানিয়াহুর পদত্যাগ দাবিতে ইসরায়েলিদের বিক্ষোভ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
শপথের ঘণ্টা না পেরোতেই যা করলেন বিজয়, অবাক পুরো তামিলনাড়ু
শপথের ঘণ্টা না পেরোতেই যা করলেন বিজয়, অবাক পুরো তামিলনাড়ু

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজশাহীর কোন আম কবে বাজারে আসবে, সময়সূচি ঘোষণা
রাজশাহীর কোন আম কবে বাজারে আসবে, সময়সূচি ঘোষণা

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শেষ ১ ঘণ্টার নাটকেই খেলা ঘুরে গেল, কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী হলেন বিজয়
শেষ ১ ঘণ্টার নাটকেই খেলা ঘুরে গেল, কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী হলেন বিজয়

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় সংরক্ষণের প্রস্তাব পুতিনের
ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় সংরক্ষণের প্রস্তাব পুতিনের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে হামলায় ইরাকে গোপন সামরিক ঘাঁটি বানিয়েছিল ইসরায়েল: রিপোর্ট
ইরানে হামলায় ইরাকে গোপন সামরিক ঘাঁটি বানিয়েছিল ইসরায়েল: রিপোর্ট

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে খেলবে ইরান, তবে ৭ শর্ত মেনে নিতে হবে ফিফা ও যুক্তরাষ্ট্রকে
বিশ্বকাপে খেলবে ইরান, তবে ৭ শর্ত মেনে নিতে হবে ফিফা ও যুক্তরাষ্ট্রকে

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানা ৫ দিন বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা
টানা ৫ দিন বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সেই নবদম্পতির জন্য উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী
সেই নবদম্পতির জন্য উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে ‘টানাটানি’ ট্রাম্প-পুতিনের, কোন দিকে যাবে তেহরান?
ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে ‘টানাটানি’ ট্রাম্প-পুতিনের, কোন দিকে যাবে তেহরান?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে হরমুজ প্রণালীতে এবার সাবমেরিন মোতায়েন করল ইরান
উত্তেজনা বাড়িয়ে হরমুজ প্রণালীতে এবার সাবমেরিন মোতায়েন করল ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ থেকে ১৩ দিন ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
আজ থেকে ১৩ দিন ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন
সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

২০ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

৫৪ বছর পর বাড়ি ফিরলেন সাগরে হারিয়ে যাওয়া জেলে
৫৪ বছর পর বাড়ি ফিরলেন সাগরে হারিয়ে যাওয়া জেলে

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যেসব দেশ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করবে, হরমুজে তারাই বাধার সম্মুখীন হবে: ইরান
যেসব দেশ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করবে, হরমুজে তারাই বাধার সম্মুখীন হবে: ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিদেশি হামলায় কিম ‘নিহত হলেই’ পারমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া
বিদেশি হামলায় কিম ‘নিহত হলেই’ পারমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামরিক নেতৃত্বকে নতুন নির্দেশনা দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা
সামরিক নেতৃত্বকে নতুন নির্দেশনা দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শতকোটি রুপির এফডিআরসহ যে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক থালাপতি বিজয়
শতকোটি রুপির এফডিআরসহ যে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক থালাপতি বিজয়

১১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মৃত্যুর পরও ইসরায়েলিদের নিষ্ঠুরতা থেকে রেহাই মেলেনি ফিলিস্তিনি বৃদ্ধের
মৃত্যুর পরও ইসরায়েলিদের নিষ্ঠুরতা থেকে রেহাই মেলেনি ফিলিস্তিনি বৃদ্ধের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া ও সন্দেহের জেরে ‘ও’ লেভেল ছাত্র ইয়াছিনকে হত্যা, গ্রেফতার ৩
পরকীয়া ও সন্দেহের জেরে ‘ও’ লেভেল ছাত্র ইয়াছিনকে হত্যা, গ্রেফতার ৩

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে এনসিপির ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা
উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে এনসিপির ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে নাচে-গানে ঝড় তুলবেন নোরা
ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে নাচে-গানে ঝড় তুলবেন নোরা

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হরমুজ নিয়ে ফের হুঁশিয়ারি ইরানের, বিস্ময়কর প্রতিশোধের হুমকি
হরমুজ নিয়ে ফের হুঁশিয়ারি ইরানের, বিস্ময়কর প্রতিশোধের হুমকি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আমার বাজান নতুন জামা পরে হাসতে হাসতে বোনের বাড়ি গেছিল, কে জানত এটাই শেষ যাওয়া’
‘আমার বাজান নতুন জামা পরে হাসতে হাসতে বোনের বাড়ি গেছিল, কে জানত এটাই শেষ যাওয়া’

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টাইগারদের বোলিং তোপে ধুঁকছে পাকিস্তান
টাইগারদের বোলিং তোপে ধুঁকছে পাকিস্তান

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন, এভাবে তো ভালো সম্পর্ক হবে না’
‘বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন, এভাবে তো ভালো সম্পর্ক হবে না’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার হরমুজ পাড়ি দিল কাতারের এলএনজি ট্যাংকার
যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার হরমুজ পাড়ি দিল কাতারের এলএনজি ট্যাংকার

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিজয়ের উত্থানের অবিশ্বাস্য গল্প
বিজয়ের উত্থানের অবিশ্বাস্য গল্প

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ভবিষ্যৎ যুদ্ধ হবে আরও ভয়ংকর, শত্রুর পরিণতি হবে ‘বেদনাদায়ক’ : পাকিস্তান সেনাপ্রধান
ভবিষ্যৎ যুদ্ধ হবে আরও ভয়ংকর, শত্রুর পরিণতি হবে ‘বেদনাদায়ক’ : পাকিস্তান সেনাপ্রধান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে বিমানবন্দরের রানওয়েতে উড়োজাহাজের ধাক্কায় নিহত ১
যুক্তরাষ্ট্রে বিমানবন্দরের রানওয়েতে উড়োজাহাজের ধাক্কায় নিহত ১

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব

প্রথম পৃষ্ঠা

সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন
সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারত চায় নবযাত্রা
ভারত চায় নবযাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি
পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি

নগর জীবন

প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ
প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ

সম্পাদকীয়

ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা
ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা
ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ
১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ

প্রথম পৃষ্ঠা

কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ
কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ

মাঠে ময়দানে

কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান
কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান

নগর জীবন

বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ
বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ

পেছনের পৃষ্ঠা

আমি একজন গর্বিত মা
আমি একজন গর্বিত মা

শোবিজ

জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়
জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন
ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা
মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা

দেশগ্রাম

রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন
রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন

শোবিজ

বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি
বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি

শোবিজ

মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ
মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ

শোবিজ

পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা
পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা

প্রথম পৃষ্ঠা

এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ
এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ

মাঠে ময়দানে

অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি
অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি

শোবিজ

ভক্তদের মাঝে হামজা
ভক্তদের মাঝে হামজা

মাঠে ময়দানে

বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না
বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না

প্রথম পৃষ্ঠা

তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু
তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু

দেশগ্রাম

সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!
সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!

প্রথম পৃষ্ঠা

অভিষেক টেস্টেই আজানের সেঞ্চুরি
অভিষেক টেস্টেই আজানের সেঞ্চুরি

মাঠে ময়দানে

এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী
এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত
অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

এনসিপির হয়ে যারা নির্বাচন করতে পারবেন
এনসিপির হয়ে যারা নির্বাচন করতে পারবেন

নগর জীবন