শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:৫৬, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

জাপানে বাজার খুললেও শর্ত কঠিন

বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
জাপানে বাজার খুললেও শর্ত কঠিন

দীর্ঘ দর কষাকষির পর জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি (ইপিএ) সই করেছে বাংলাদেশ। জাপানের রাজধানী টোকিওতে গত শুক্রবার চুক্তিতে সই করেন বাংলাদেশের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ও জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হোরি ইওয়াও। ১ হাজার ২৭২ পৃষ্ঠার এই চুক্তিতে ২২টি অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা পণ্য ও সেবা বাণিজ্য থেকে শুরু করে বিনিয়োগ, মেধাস্বত্ব, শ্রম, পরিবেশ এবং বিরোধ নিষ্পত্তি পর্যন্ত বিস্তৃত।

সরকার বলছে, এই ইপিএ কেবল বাণিজ্যিক চুক্তি নয়; বরং বাংলাদেশ ও জাপানের ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব’ জোরদারের একটি কাঠামোগত ভিত্তি। তবে অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের একাংশ মনে করছেন, এই চুক্তি যতটা সুযোগ তৈরি করছে, ততটাই সামনে আনছে প্রতিযোগিতা, নীতি সংস্কার ও সক্ষমতা বৃদ্ধির কঠিন চ্যালেঞ্জ। চুক্তির সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো প্রায় ৭ হাজার ৩৭৯টি বাংলাদেশি পণ্য জাপানের বাজারে শতভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। বিপরীতে বাংলাদেশের বাজারে শুল্কমুক্ত বা অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পাবে ১ হাজার ৩৯টি জাপানি পণ্য।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এই শুল্ক ছাড় বাংলাদেশের রপ্তানিযোগ্য পণ্যের দাম কমাবে এবং জাপানের মতো উচ্চমূল্যের বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করবে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক, চামড়া, কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য, হালকা প্রকৌশল ও আইটি-সংশ্লিষ্ট পণ্যের জন্য এটি বড় সুযোগ। তবে এই সুবিধা এক দিনে আসছে না। চুক্তি অনুযায়ী, কিছু পণ্যে চুক্তি কার্যকর হওয়ার দিন থেকেই শুল্ক শূন্য হবে, আবার কিছু পণ্যে ৪, ৬, ৮, ১১ বা ১৬ বছরে ধাপে ধাপে শুল্ক কমিয়ে শূন্যে নামানো হবে। ফলে বাস্তব সুফল পেতে সময় লাগবে এবং ধারাবাহিক প্রস্তুতি প্রয়োজন হবে।

ইপিএর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো রুলস অব অরিজিন ও শুল্ক প্রক্রিয়া সহজীকরণ। চুক্তি অনুযায়ী, উভয় দেশ একে অপরকে পণ্যের উৎপত্তির প্রমাণপত্র দেবে এবং প্রয়োজনে তথ্য যাচাই ও বিনিময় করবে। নির্দিষ্ট পণ্যের জন্য আলাদা উৎস বিধিও নির্ধারিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উৎস বিধি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে না পারলে শুল্কমুক্ত সুবিধা কাগজেই থেকে যাবে। শুল্ক, সনদ, প্রত্যয়ন ও কম্পিউটারাইজড ব্যবস্থাপনায় প্রশাসনিক সক্ষমতা না বাড়লে রপ্তানিকারকের খরচ ও সময় কমার বদলে বাড়তেও পারে।

চুক্তির একটি বড় অংশজুড়ে রয়েছে সেবা ও বিনিয়োগ। এতে বলা হয়েছে, উভয় দেশের বিনিয়োগকারীরা সমান সুযোগ ও আইনি সুরক্ষা পাবে এবং কোনো বিরোধ সৃষ্টি হলে তা আলোচনার মাধ্যমে বা প্রয়োজনে মধ্যস্থতা ও আরবিট্রেশনের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হবে। তবে বাস্তবতা হলো জাপানি কোম্পানির জন্য বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বড় কোনো নতুন ছাড় দেওয়া হয়নি। বিদেশি নাগরিকদের একক মালিকানায় ব্যবসা বা শাখা কার্যালয় খোলার সুযোগ এখনো সীমিত। অর্থাৎ বাংলাদেশ নীতিগতভাবে দরজা খোলা রেখেছে, কিন্তু নিয়ন্ত্রণও বজায় রাখতে চায়। জাপান বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (জেবিসিসিআই) সাধারণ সম্পাদক মারিয়া হাওলাদার বলেন, এই চুক্তির ফলে জাপানের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছি এবং জাপানের বিনিয়োগ বাড়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। তবে সুযোগটা কাজে লাগানোই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ইপিএতে ই-কমার্স, অনলাইন লেনদেন, ডিজিটাল স্বাক্ষর ও ই-চুক্তিকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এতে ডিজিটাল বাণিজ্য আরও নিরাপদ ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক করার কথা বলা হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশের যোগ্য আইটি, প্রকৌশল ও সেবা কোম্পানির জন্য জাপানের সরকারি কেনাকাটায় অংশ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে এতে আন্তর্জাতিক মান, স্বচ্ছতা ও নথিপত্র ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা থাকলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হতে পারে। চুক্তিতে শ্রমিকের অধিকার, ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। পাশাপাশি মেধাস্বত্ব সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে, যদিও কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে ৫ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সময় শেষ হলে মেধাস্বত্ব আইন ও প্রশাসন শক্তিশালী করতে বড় ধরনের ব্যয় ও নীতি সংস্কার প্রয়োজন হবে। এতে কিছু শিল্পে নীতিগত ভারসাম্য রক্ষা কঠিন হয়ে উঠতে পারে। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশও জাপানি পণ্যে ধাপে ধাপে শুল্ক কমাবে। এতে আমদানি শুল্ক-আয় কমতে পারে এবং রাজস্ব ঘাটতির চাপ বাড়তে পারে। একই সঙ্গে জাপানি যন্ত্রপাতি ও উচ্চমানের ভোগ্যপণ্য সস্তা হলে দেশি শিল্প, বিশেষ করে নবীন শিল্পগুলো প্রতিযোগিতার মুখে পড়বে।

এ ছাড়া কৃষি, খাদ্য ও মৎস্যপণ্যে কঠোর স্যানিটারি ও ফাইটোস্যানিটারি বিধি মানতে গিয়ে উৎপাদন ব্যয় বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ ব্যাংক ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে জাপানের সঙ্গে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জাপানে বাংলাদেশের রপ্তানি ছিল ১৪১ কোটি মার্কিন ডলার, বিপরীতে আমদানি হয়েছে ১৮৭ কোটি ডলারের পণ্য। জেট্রোর কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ কাজুয়াকি কাতাওকা বলেন, শুল্কমুক্ত সুবিধা দামের প্রতিযোগিতায় সহায়তা করবে। তবে জাপানি ভোক্তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য উচ্চমানের পণ্য উৎপাদনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। জাপানের সঙ্গে ইপিএ বাংলাদেশের জন্য একটি কৌশলগত সুযোগ, বিশেষ করে এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী সময়ে। তবে এই চুক্তি কোনো স্বয়ংক্রিয় সুফলের নিশ্চয়তা নয়। শুল্ক ছাড়ের পাশাপাশি মান, দক্ষতা, প্রশাসনিক সক্ষমতা ও নীতি সংস্কার সব মিলিয়ে একটি সমন্বিত প্রস্তুতি ছাড়া এই সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার ঝুঁকিও কম নয়।

এই বিভাগের আরও খবর
ইবিএল-টার্কিশ এয়ারলাইনস চুক্তি
ইবিএল-টার্কিশ এয়ারলাইনস চুক্তি
প্রাইম ব্যাংক ও ফ্রেন্ডশিপের জলবায়ু সহনশীল উদ্যোগ
প্রাইম ব্যাংক ও ফ্রেন্ডশিপের জলবায়ু সহনশীল উদ্যোগ
এসিআই লজিস্টিকস-মিতসুই অ্যান্ড কোম্পানির চুক্তি
এসিআই লজিস্টিকস-মিতসুই অ্যান্ড কোম্পানির চুক্তি
বাংলাদেশে প্রথম আর্জেন্টিনার ফ্যান জার্সি উন্মোচন করল ওয়ালটন
বাংলাদেশে প্রথম আর্জেন্টিনার ফ্যান জার্সি উন্মোচন করল ওয়ালটন
মেটলাইফের বিমা সুবিধা পাবেন ভিসার কর্মীরা
মেটলাইফের বিমা সুবিধা পাবেন ভিসার কর্মীরা
নির্মাণ খাতে আস্থা অর্জন করেছে আকিজ রিসোর্স গ্রুপ
নির্মাণ খাতে আস্থা অর্জন করেছে আকিজ রিসোর্স গ্রুপ
হরমুজ সমস্যায় ঝুঁকিতে আমদানি-রপ্তানি
হরমুজ সমস্যায় ঝুঁকিতে আমদানি-রপ্তানি
শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত
আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত
ইসলামী ব্যাংকের রেমিট্যান্স উৎসবে বিজয়ী শাবনুর
ইসলামী ব্যাংকের রেমিট্যান্স উৎসবে বিজয়ী শাবনুর
রমজানে নিত্যপণ্যে বিশেষ মূল্যছাড় নাবিল গ্রুপে
রমজানে নিত্যপণ্যে বিশেষ মূল্যছাড় নাবিল গ্রুপে
এপেক্সের ঈদ ক্যাম্পেইন : থাকছে ফ্যামিলি ম্যাচিং কালেকশন
এপেক্সের ঈদ ক্যাম্পেইন : থাকছে ফ্যামিলি ম্যাচিং কালেকশন
সর্বশেষ খবর
রাজবাড়ীতে আলুবোঝাই ট্রাকচাপায় চালকের সহকারী নিহত
রাজবাড়ীতে আলুবোঝাই ট্রাকচাপায় চালকের সহকারী নিহত

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

রাজশাহীতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের ইফতার মাহফিল
রাজশাহীতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের ইফতার মাহফিল

১০ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

লোকালয়ে মদের ভাটি, অবাধ বিক্রিতে কিশোর-তরুণদের আসক্তির শঙ্কা
লোকালয়ে মদের ভাটি, অবাধ বিক্রিতে কিশোর-তরুণদের আসক্তির শঙ্কা

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা
দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা

১৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিদ্ধিরগঞ্জে সাড়ে ৪ হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ
সিদ্ধিরগঞ্জে সাড়ে ৪ হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

১৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রাথমিকে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি যুক্তিসংগত নয়, ২০২৭ থেকে নতুন সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী
প্রাথমিকে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি যুক্তিসংগত নয়, ২০২৭ থেকে নতুন সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী

১৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভাতার তালিকা সংশোধন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভাতার তালিকা সংশোধন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা

১৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড বৃষ্টিপাত
সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড বৃষ্টিপাত

২৩ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বিশ্বকাপের প্লে-অফ খেলতে মেক্সিকো যাচ্ছে ইরাক
বিশ্বকাপের প্লে-অফ খেলতে মেক্সিকো যাচ্ছে ইরাক

৩৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানে কারখানায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৫
ইরানে কারখানায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৫

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলে তথ্যপাচারের অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ২০
ইসরায়েলে তথ্যপাচারের অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ২০

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বনাথে হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
বিশ্বনাথে হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরান যুদ্ধ সর্বশেষ আপডেট : কী ঘটছে দেখুন এক নজরে
ইরান যুদ্ধ সর্বশেষ আপডেট : কী ঘটছে দেখুন এক নজরে

৪৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় প্রথম জিরা চাষ, ফলনে খুশি কৃষক
ভাঙ্গায় প্রথম জিরা চাষ, ফলনে খুশি কৃষক

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা
হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ধরা পড়ল ইসরায়েলি গুপ্তচর নেটওয়ার্ক, গ্রেফতার ২০
ইরানে ধরা পড়ল ইসরায়েলি গুপ্তচর নেটওয়ার্ক, গ্রেফতার ২০

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্ট্রেলিয়ার আশ্রয় ছাড়ছেন আরও তিন ইরানি নারী ফুটবলার
অস্ট্রেলিয়ার আশ্রয় ছাড়ছেন আরও তিন ইরানি নারী ফুটবলার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আন্তর্জাতিক নদী কৃত্য দিবসে নৌকায় আলোচনা সভা
আন্তর্জাতিক নদী কৃত্য দিবসে নৌকায় আলোচনা সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা
যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের কাপড়ের বাজারে হুমড়ি খাওয়া ভিড়
নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের কাপড়ের বাজারে হুমড়ি খাওয়া ভিড়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান যুদ্ধ: বাহরাইন-সৌদি আরবে ফর্মুলা ওয়ান বাতিল
ইরান যুদ্ধ: বাহরাইন-সৌদি আরবে ফর্মুলা ওয়ান বাতিল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুকে হত্যার হুমকি দিল ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী
নেতানিয়াহুকে হত্যার হুমকি দিল ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কয়েকটি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
কয়েকটি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

যুদ্ধ নিয়ে ‘বিকৃত তথ্য’ ছড়ালে লাইসেন্স বাতিল: মার্কিন গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা
যুদ্ধ নিয়ে ‘বিকৃত তথ্য’ ছড়ালে লাইসেন্স বাতিল: মার্কিন গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে কেন চীন-জাপান-যুক্তরাজ্যকে পাশে চান ট্রাম্প?
হরমুজ প্রণালিতে কেন চীন-জাপান-যুক্তরাজ্যকে পাশে চান ট্রাম্প?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাংবিধানিকভাবে অধিবেশনে অংশগ্রহণ, সংস্কার পরিষদের অস্তিত্ব তো নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সাংবিধানিকভাবে অধিবেশনে অংশগ্রহণ, সংস্কার পরিষদের অস্তিত্ব তো নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

‘ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া ও হয়রানি ঠেকাতে থাকছে মোবাইল কোর্ট’
‘ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া ও হয়রানি ঠেকাতে থাকছে মোবাইল কোর্ট’

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনির আখড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
শনির আখড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের
তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস, কোথায় আঘাত হানতে পারে
৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস, কোথায় আঘাত হানতে পারে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন
ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একযোগে ১০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার
একযোগে ১০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন
এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য
ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ
ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’
‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের দিকে একযোগে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান
ইসরায়েলের দিকে একযোগে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি
আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি
আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির
জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের
ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক
মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি
ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি
যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান
ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আটকে গেল সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের কারামুক্তি
আটকে গেল সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের কারামুক্তি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের
তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন
জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প
মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?
হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প
মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরাকে দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ২৪ ঘণ্টায় আটবার হামলা
ইরাকে দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ২৪ ঘণ্টায় আটবার হামলা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা
বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?
১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতে থাকা মার্কিন আস্তানাকে বৈধ লক্ষ্যবস্তুর হুঁশিয়ারি আইআরজিসির
আমিরাতে থাকা মার্কিন আস্তানাকে বৈধ লক্ষ্যবস্তুর হুঁশিয়ারি আইআরজিসির

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা
আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু
বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সেই ১৮ মাস
আমাদের সেই ১৮ মাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত
সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত

পেছনের পৃষ্ঠা

দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা
তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে
সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

এক সুতোয় বাঁধা
এক সুতোয় বাঁধা

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা
আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু
চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু

মাঠে ময়দানে

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু
ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু

প্রথম পৃষ্ঠা

গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী
গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক
আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে
শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে

দেশগ্রাম

‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’
‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’

পেছনের পৃষ্ঠা

রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু
রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু

সম্পাদকীয়

হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার
হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন
এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন

সম্পাদকীয়

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি

প্রথম পৃষ্ঠা