শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ০০:৩৬, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ, ২০২৬

সা ক্ষা ৎ কা র

নির্মাণ খাতে আস্থা অর্জন করেছে আকিজ রিসোর্স গ্রুপ

প্রিন্ট ভার্সন
নির্মাণ খাতে আস্থা অর্জন করেছে আকিজ রিসোর্স গ্রুপ

বাংলাদেশের বিল্ডিং ম্যাটেরিয়াল সলিউশন ইন্ডাস্ট্রির বর্তমান অবস্থাসহ নানা বিষয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে কথা বলেছেন আকিজ বিল্ডিং সলিউশনস লিমিটেডের ক্লাস্টার সিইও আসাদুল হক সুফিয়ানী

বাংলাদেশ প্রতিদিন : বিল্ডিং ম্যাটেরিয়াল সলিউশন ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?

আসাদুল হক সুফিয়ানী : দেশের বিল্ডিং ম্যাটেরিয়াল খাত একটা ক্রান্তিলগ্নের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ মুহূর্তে আমাদের আশা যেসব অবকাঠামোগত প্রকল্পগুলো বন্ধ আছে, স্থগিত আছে বা ধীরগতিতে যাচ্ছে নতুন সরকার সেগুলো পুনরায় পুরোদমে চালু করবে। এগুলো পুনরায় যদি চালু হয়, তাহলে আমাদের উৎপাদনক্ষমতা বাড়বে। সেক্ষেত্রে আমাদের ব্যবসায় গতি ফিরে আসবে। করোনার পর থেকেই মূলত আমাদের এ খাতে সমস্যা শুরু হয়। পরে ডলার সংকট ও উচ্চ দামের কারণে ব্যবসার বড় ক্ষতি হয়েছে। এর পরও ভেবেছিলাম আমরা এগিয়ে যেতে পারব। কিন্তু ডলারের দাম স্থিতিশীল হলেও অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিল্ডিং ম্যাটেরিয়াল খাত ধীরগতি থেকে বের হতে পারেনি। এ খাতের অবস্থা খুব ভালো না। আমরা সরকারের কাছে আশা করব কাঁচামালের কর কমানো, নৌপথে মালামাল পরিবহনের যে রেট রয়েছে তা আরও সাশ্রয়ী করা। এ ক্ষেত্রে সরকার আমাদের ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করলে আমরা মনে করি যেসব সমস্যা আছে সেখান থেকে বের হতে পারব এবং বাংলাদেশের এ খাতের কোম্পানিগুলো দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে। এটা একটা বাল্ক ইন্ডাস্ট্রি। এ খাতে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিল্ডিং ম্যাটেরিয়াল খাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এ জায়গাটাতে সরকারকে সচেতন হওয়ার জন্য অনুরোধ করব আমরা যেন এ ইন্ডাস্ট্রিকে টিকিয়ে রাখতে পারি এবং ভবিষ্যতে দেশ গড়ার ক্ষেত্রে এ খাতের কোম্পানিগুলো আরও অবদান রাখতে পারে।

 

বাংলাদেশ প্রতিদিন :  নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করায় বিল্ডিং ম্যাটেরিয়াল ও অবকাঠামো খাতে কোনো ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করেন?

আসাদুল হক সুফিয়ানী :  অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দেশ একটি জটিল অর্থনৈতিক বাস্তবতার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল। বিভিন্ন অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, বৈদেশিক বিনিয়োগের স্থবিরতা এবং সামগ্রিক অনিশ্চয়তার কারণে প্রত্যাশিত হারে ব্যবসায়িক অগ্রগতি সম্ভব হয়নি। বিশেষ করে অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম সরকারের নীতিগত সীমাবদ্ধতার কারণে মন্থর হয়ে পড়ায় আমাদের কাজের পরিধিও সংকুচিত ছিল। তবে এখন আশার বিষয় হলো- বাংলাদেশে একটি নতুন গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে এবং আমরা ইতিবাচক পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি। গত দুই বছরে যে অবকাঠামো প্রকল্পগুলো অর্ধসমাপ্ত অবস্থায় আটকে ছিল, সেগুলো পুনরায় চালু হবে বলে আমরা আশাবাদী।

 

বাংলাদেশ প্রতিদিন :  নতুন সরকারের জন্য অবকাঠামো খাতে প্রধান চ্যালেঞ্জ কী? একই সঙ্গে এ খাতে কী কী নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে?

আসাদুল হক সুফিয়ানী : আমার উপলব্ধি অনুযায়ী, নতুন সরকারের জন্য আসন্ন বাজেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় ধীরগতির অর্থনীতির কারণে অনেক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প শুরু বা পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে উন্নয়ন কার্যক্রমে একটি স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। এদিকে সাম্প্রতিক পট পরিবর্তনের প্রভাবে অনেক নির্মাণ প্রতিষ্ঠান কাজের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে অথবা আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। এটি নতুন সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ প্রকল্প বরাদ্দ দিলেও এসব প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ে ও মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করতে পারবে কি না, সে প্রশ্ন থেকে যায়। তাদের সক্ষমতা পুনর্গঠন এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। আরেকটি চ্যালেঞ্জ হলো যোগ্য ও অভিজ্ঞ নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্যতা। অতীতে যারা দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামো খাতে সফলভাবে কাজ করেছে, তাদের অনেকে এখন এই খাতে সক্রিয় নেই। নতুন উদ্যোক্তা ও নতুন কোম্পানিকে যুক্ত করে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতি আনা অবশ্যই প্রয়োজন, তবে একই সঙ্গে অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানগুলোকেও মূলধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিতে হবে।

আমরা মনে করি, গত ২৫-৪০ বছরে গড়ে ওঠা বড় অবকাঠামো নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রণোদনা, নীতিগত সহায়তা ও আর্থিক সুবিধা দিয়ে পুনরুজ্জীবিত করা গেলে সরকারই সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে। কারণ এসব প্রতিষ্ঠান সক্রিয় হলে কর্মসংস্থান বাড়বে, সরকার কর ও ভ্যাট পাবে এবং অর্থনীতির চাকা আরও গতিশীল হবে। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পাঁচ দশকের বেশি সময় অতিক্রম করলেও অবকাঠামো উন্নয়নের বিপুল সম্ভাবনা এখনো রয়ে গেছে। গত কয়েক বছরে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি, সেগুলো পুনরায় চালু করে অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়া এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়ন করা নতুন সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

 

বাংলাদেশ প্রতিদিন :  গুণগত মানসম্পন্ন, টেকসই এবং সাশ্রয়ী অবকাঠামো নির্মাণ নিশ্চিত করতে গ্রাহক ও নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর কোন কোন বিষয় বিবেচনায় রাখা উচিত?

আসাদুল হক সুফিয়ানী : যেহেতু এটি একটি টেকনিক্যাল পণ্য, তাই এর সঙ্গে মানুষের আবেগ গভীরভাবে জড়িত। একজন মানুষ তার বহু বছরের সঞ্চয় দিয়ে নিজের বাড়ি, ঘর বা অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণ করেন। অন্যদিকে সরকার যখন সেতু, কালভার্ট বা বৃহৎ অবকাঠামো নির্মাণ করে, তখন লাখো মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা সেই নির্মাণের মানের ওপর নির্ভর করে। তাই টেকসই, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী অবকাঠামো নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য গ্রাহকদের সচেতনভাবে কিছু বিষয় বিবেচনা করে পণ্য নির্বাচন করা উচিত। যেমন- প্রথমত, কোম্পানির অভিজ্ঞতা ও সুনাম। কত বছর ধরে তারা বাজারে রয়েছে এবং প্রকৌশলী বা পেশাজীবী মহলে তাদের গ্রহণযোগ্যতা কেমন। দ্বিতীয়ত, তাদের পণ্য দিয়ে কত বড় ও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। বড় অবকাঠামো প্রকল্পে ব্যবহৃত হওয়া মানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। তৃতীয়ত, সময়মতো সরবরাহ দেওয়ার সক্ষমতা। নির্মাণকাজে সময় অত্যন্ত মূল্যবান, তাই নির্ধারিত সময়ে পণ্য সরবরাহ করতে পারে এমন প্রতিষ্ঠান বেছে নেওয়া জরুরি। চতুর্থত, বিক্রয়োত্তর সেবা শুধু পণ্য বিক্রি করাই নয়, বরং যেসব কোম্পানির নিজস্ব ইঞ্জিনিয়ারিং টিম রয়েছে এবং প্রয়োজনে গ্রাহককে সহায়তা দিতে পারে তাদের প্রতি আস্থা রাখা যায়। নৈতিকতা, স্বচ্ছতা ও সাহসিকতার সঙ্গে যারা কাজ করে অর্থাৎ মানের বিষয়ে আপস করে না- এমন প্রতিষ্ঠানকেই বেছে নেওয়া উচিত। সঠিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করলে গুণগত মান নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন থাকে না।

 

বাংলাদেশ প্রতিদিন :  উন্নতমানের ও নির্ভরযোগ্য বিল্ডিং সলিউশন নিশ্চিত করতে আকিজ বিল্ডিং সলিউশনের পক্ষ থেকে কী কী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে?

আসাদুল হক সুফিয়ানী : আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, আকিজ রিসোর্স গ্রুপ দেশের অন্যতম শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এর অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আকিজ সিমেন্ট, আকিজ ইস্পাত, আকিজ আস্ফাল্ট এবং আকিজ রেডিমিক্স গত দুই যুগ ধরে বাংলাদেশের নির্মাণ খাতে গুণগত মান ও নির্ভরযোগ্য সেবার মাধ্যমে আস্থা অর্জন করেছে। শুধু বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস নয়, আমরা যেসব খাতে কাজ করছি প্রতিটি ক্ষেত্রেই মান, সেবা ও বিশ্বাসযোগ্যতায় নেতৃত্ব দেওয়ার চেষ্টা করেছি এবং সে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছি। বিশেষ করে বিল্ডিং ম্যাটেরিয়াল সলিউশনের ক্ষেত্রে একটি পূর্ণাঙ্গ স্থাপনা নির্মাণের জন্য যা যা প্রয়োজন সেগুলোর সমন্বিত সমাধান আমরা দিতে সক্ষম। এই বিল্ডিং সলিউশনের মাধ্যমে আমরা সরকারি ও বেসরকারি ছোট থেকে বড় সব ধরনের প্রকল্পে নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসরণ করে সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সারা দেশে আমাদের শক্তিশালী ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্ক, করপোরেট সেলস টিম এবং অভিজ্ঞ টেকনিক্যাল সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়াররা যে কোনো সময় গ্রাহকের প্রয়োজন অনুযায়ী সমাধান দিতে প্রস্তুত। আমরা বিশ্বাস করি, আপনারা যদি আমাদের সঙ্গে থাকেন, তাহলে এক ছাতার নিচে সমন্বিত, মানসম্মত ও নির্ভরযোগ্য নির্মাণ সমাধান পাবেন।

এই বিভাগের আরও খবর
ক্ষুদ্র আমানতকারীদের জন্য করছাড়ের উদ্যোগ
ক্ষুদ্র আমানতকারীদের জন্য করছাড়ের উদ্যোগ
সিএসআরে এক পয়সাও খরচ করেনি ২১ ব্যাংক- আর্থিক প্রতিষ্ঠান
সিএসআরে এক পয়সাও খরচ করেনি ২১ ব্যাংক- আর্থিক প্রতিষ্ঠান
সিটিজেনস ব্যাংকের ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
সিটিজেনস ব্যাংকের ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
বসুন্ধরা আবাসিকে রাইডো ইলেকট্রিক স্কুটারের শোরুম
বসুন্ধরা আবাসিকে রাইডো ইলেকট্রিক স্কুটারের শোরুম
এসএমসি প্লাস ইডব্লিউইউ উইন্টার স্ম্যাশ ২০২৬ শুরু
এসএমসি প্লাস ইডব্লিউইউ উইন্টার স্ম্যাশ ২০২৬ শুরু
টেকসই প্রবৃদ্ধিতে শক্ত ভিতে এসবিএসি ব্যাংক
টেকসই প্রবৃদ্ধিতে শক্ত ভিতে এসবিএসি ব্যাংক
বিকাশ এজেন্ট পয়েন্টেই পরিশোধ করা যাবে মেটাল মোটরসের কিস্তি
বিকাশ এজেন্ট পয়েন্টেই পরিশোধ করা যাবে মেটাল মোটরসের কিস্তি
ব্যাংক থেকে আরও ঋণ নিচ্ছে সরকার
ব্যাংক থেকে আরও ঋণ নিচ্ছে সরকার
অর্থনীতির গেমচেঞ্জার আবাসন খাত
অর্থনীতির গেমচেঞ্জার আবাসন খাত
ইবিএল সহায়তা করবে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিকে
ইবিএল সহায়তা করবে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিকে
প্রাইম ব্যাংক-মোটর হেড বিডির চুক্তি
প্রাইম ব্যাংক-মোটর হেড বিডির চুক্তি
এরিস্টোফার্মার স্টেকহোল্ডারদের পেমেন্ট বিকাশে
এরিস্টোফার্মার স্টেকহোল্ডারদের পেমেন্ট বিকাশে
সর্বশেষ খবর
ইপিএলকে 'মিনি লিগ' মনে হচ্ছে লিভারপুল কোচ স্লটের
ইপিএলকে 'মিনি লিগ' মনে হচ্ছে লিভারপুল কোচ স্লটের

৫০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আর্সেনালের কাছে হারলেই ম্যানসিটির শিরোপার দৌড় শেষ : গার্দিওলা
আর্সেনালের কাছে হারলেই ম্যানসিটির শিরোপার দৌড় শেষ : গার্দিওলা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হবিগঞ্জে মাঠে শুরু ফুটবল খেলা, শেষ হলো মৃত্যুতে
হবিগঞ্জে মাঠে শুরু ফুটবল খেলা, শেষ হলো মৃত্যুতে

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

২০২৫ সালে আন্দামান-বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে ৯০০ রোহিঙ্গার মৃত্যু বা নিখোঁজ
২০২৫ সালে আন্দামান-বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে ৯০০ রোহিঙ্গার মৃত্যু বা নিখোঁজ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নোয়াখালীতে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় পথচারীর মৃত্যু
নোয়াখালীতে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় পথচারীর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সকালের মধ্যেই দেশের ৫ জেলায় শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ের শঙ্কা
সকালের মধ্যেই দেশের ৫ জেলায় শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ের শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চলন্ত অটোরিকশার চাকার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে নারীর মৃত্যু
চলন্ত অটোরিকশার চাকার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে নারীর মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যথেষ্ট হয়েছে, লেবাননে আর হামলা নয় : ইসরায়েলকে ট্রাম্প
যথেষ্ট হয়েছে, লেবাননে আর হামলা নয় : ইসরায়েলকে ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গরমে স্বস্তি দেবে কফি-দুধের মজাদার স্মুদি
গরমে স্বস্তি দেবে কফি-দুধের মজাদার স্মুদি

৩ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

যাত্রাবাড়ীতে ছাদ থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু
যাত্রাবাড়ীতে ছাদ থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জুলকান অ্যারেনায় আন্তর্জাতিক ফাইট নাইট
জুলকান অ্যারেনায় আন্তর্জাতিক ফাইট নাইট

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিচ্ছে বাংলার জয়যাত্রা
হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিচ্ছে বাংলার জয়যাত্রা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসলামে স্বাবলম্বী হওয়ার তাগিদ
ইসলামে স্বাবলম্বী হওয়ার তাগিদ

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

আস্থা থাকা না-থাকা
আস্থা থাকা না-থাকা

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

হজ ক্যাম্পে গিয়ে হজযাত্রীদের খোঁজখবর নিলেন প্রধানমন্ত্রী
হজ ক্যাম্পে গিয়ে হজযাত্রীদের খোঁজখবর নিলেন প্রধানমন্ত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরাইলের শহরে ঝাঁকে ঝাঁকে মৌমাছির হানা: আতঙ্ক, থেমে গেল বিমান
ইসরাইলের শহরে ঝাঁকে ঝাঁকে মৌমাছির হানা: আতঙ্ক, থেমে গেল বিমান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেগম খালেদা জিয়ার গৃহকর্মী ফাতেমার ভাতিজিকে দেখতে হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়ার গৃহকর্মী ফাতেমার ভাতিজিকে দেখতে হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ মে থেকে শুরু হচ্ছে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ
৪ মে থেকে শুরু হচ্ছে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তুরস্কে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
তুরস্কে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

নিয়োগ বাণিজ্যে লাগাম টানতেই চক্রের নিশানায় সাবেক এমডি
নিয়োগ বাণিজ্যে লাগাম টানতেই চক্রের নিশানায় সাবেক এমডি

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কাল ঢাকায় আসছেন মার্কিন বিশেষ দূত হার্ডার
কাল ঢাকায় আসছেন মার্কিন বিশেষ দূত হার্ডার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীলঙ্কার জ্বালানি মন্ত্রীর পদত্যাগ
শ্রীলঙ্কার জ্বালানি মন্ত্রীর পদত্যাগ

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে কিরগিজ প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূতের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে কিরগিজ প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূতের সাক্ষাৎ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট সিরিজের সূচি প্রকাশ
পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট সিরিজের সূচি প্রকাশ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঘুরতে গিয়ে ফেরা হলো না ৯ পর্যটকের, তামিলনাড়ুর ঘটনায় শোকাতুর মোদি
ঘুরতে গিয়ে ফেরা হলো না ৯ পর্যটকের, তামিলনাড়ুর ঘটনায় শোকাতুর মোদি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিফটি করেও কেন আফসোসে ভুগছেন সাইফ, জানালেন নিজেই
ফিফটি করেও কেন আফসোসে ভুগছেন সাইফ, জানালেন নিজেই

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুমিল্লায় বর্ষবরণে বিতর্ক উৎসব, অংশ নিলেন দেশসেরা বিতার্কিকরা
কুমিল্লায় বর্ষবরণে বিতর্ক উৎসব, অংশ নিলেন দেশসেরা বিতার্কিকরা

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নতুন ফিচার আনছে গুগল: ইউটিউবে এখন বন্ধ করা যাবে ‘শর্টস’
নতুন ফিচার আনছে গুগল: ইউটিউবে এখন বন্ধ করা যাবে ‘শর্টস’

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বগুড়ায় ছুরিকাঘাতে কিশোরকে হত্যা, দুজন আহত
বগুড়ায় ছুরিকাঘাতে কিশোরকে হত্যা, দুজন আহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
হরমুজ প্রণালি ‘সম্পূর্ণ উন্মুক্ত’ ঘোষণা করল ইরান
হরমুজ প্রণালি ‘সম্পূর্ণ উন্মুক্ত’ ঘোষণা করল ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশে রাশিয়ার জ্বালানি আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের ছাড়ের খবর ভিত্তিহীন : মন্ত্রণালয়
দেশে রাশিয়ার জ্বালানি আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের ছাড়ের খবর ভিত্তিহীন : মন্ত্রণালয়

১৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

শেষমুহূর্তে ছিটকে গেলেন মুস্তাফিজ, নেই একাদশে
শেষমুহূর্তে ছিটকে গেলেন মুস্তাফিজ, নেই একাদশে

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্প বলছেন ইরান ধ্বংস, গোয়েন্দারা বলছে উল্টো গল্প
ট্রাম্প বলছেন ইরান ধ্বংস, গোয়েন্দারা বলছে উল্টো গল্প

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান মারা গেছেন
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান মারা গেছেন

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাড়ছে বাৎসরিক ছুটি
বাড়ছে বাৎসরিক ছুটি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে নতুন নির্দেশনা ইরানের
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে নতুন নির্দেশনা ইরানের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হুট করেই তুরস্কে হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল?
হুট করেই তুরস্কে হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মানিকগঞ্জে নিখোঁজ শিশুর লাশ ভুট্টা খেতে, গণপিটুনিতে নিহত ২
মানিকগঞ্জে নিখোঁজ শিশুর লাশ ভুট্টা খেতে, গণপিটুনিতে নিহত ২

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্প্যানিশ ক্লাবের মালিকানা কিনলেন মেসি
স্প্যানিশ ক্লাবের মালিকানা কিনলেন মেসি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ উন্মুক্ত ঘোষণার পর ইরানকে ‘ধন্যবাদ’ জানিয়ে যা বললেন ট্রাম্প
হরমুজ উন্মুক্ত ঘোষণার পর ইরানকে ‘ধন্যবাদ’ জানিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের এক ঘোষণাতেই ১০ ডলার কমল তেলের দাম
ইরানের এক ঘোষণাতেই ১০ ডলার কমল তেলের দাম

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে চুক্তির ‘খুবই কাছাকাছি’ যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে চুক্তির ‘খুবই কাছাকাছি’ যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন আলোচনার ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বললেন ইরান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হবে
নতুন আলোচনার ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বললেন ইরান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হবে

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের অন্য যেকোনো অঞ্চলের চেয়ে মধ্যপ্রাচ্যে তেল, গ্যাস বেশি কেন?
বিশ্বের অন্য যেকোনো অঞ্চলের চেয়ে মধ্যপ্রাচ্যে তেল, গ্যাস বেশি কেন?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ সফরের সূচি চূড়ান্ত করল অস্ট্রেলিয়া
বাংলাদেশ সফরের সূচি চূড়ান্ত করল অস্ট্রেলিয়া

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের এক ঘণ্টারও কম সময়ে লঙ্ঘনের অভিযোগ
লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের এক ঘণ্টারও কম সময়ে লঙ্ঘনের অভিযোগ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে উপবৃত্তি নিয়ে যে বার্তা প্রতিমন্ত্রীর
শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে উপবৃত্তি নিয়ে যে বার্তা প্রতিমন্ত্রীর

১৬ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

বট বাহিনী আমাকে নিয়ে ভুয়া ফটোকার্ড বানায়, ট্রল করে: শিক্ষামন্ত্রী
বট বাহিনী আমাকে নিয়ে ভুয়া ফটোকার্ড বানায়, ট্রল করে: শিক্ষামন্ত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

মহাকাশে রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু যুদ্ধের মহড়া, বড়সড় বিপদ আসছে?
মহাকাশে রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু যুদ্ধের মহড়া, বড়সড় বিপদ আসছে?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশেদ প্রধানের মন্তব্যে তার বাসার সামনে উত্তেজনা, পুলিশ হেফাজতে পিএস
রাশেদ প্রধানের মন্তব্যে তার বাসার সামনে উত্তেজনা, পুলিশ হেফাজতে পিএস

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রকে ‘ঘায়েল’ করে বিশ্বকে হতবাক করল ইরানি তরুণরা
যুক্তরাষ্ট্রকে ‘ঘায়েল’ করে বিশ্বকে হতবাক করল ইরানি তরুণরা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের কবজায় নেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের কবজায় নেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম
বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দাবি না মানায় কুষ্টিয়ায় বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা
দাবি না মানায় কুষ্টিয়ায় বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেষ হলো প্রথম ধাপের বিএনপির ৪০০ মনোনয়ন প্রত্যাশীর সাক্ষাৎকার
শেষ হলো প্রথম ধাপের বিএনপির ৪০০ মনোনয়ন প্রত্যাশীর সাক্ষাৎকার

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

অবরোধের পর এই প্রথম তেলবাহী তিন ইরানি ট্যাঙ্কারের হরমুজ অতিক্রম : কেপলার
অবরোধের পর এই প্রথম তেলবাহী তিন ইরানি ট্যাঙ্কারের হরমুজ অতিক্রম : কেপলার

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেগম খালেদা জিয়ার গৃহকর্মী ফাতেমার ভাতিজিকে দেখতে হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়ার গৃহকর্মী ফাতেমার ভাতিজিকে দেখতে হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
আলোচনায় দুই সিটি নির্বাচন
আলোচনায় দুই সিটি নির্বাচন

পেছনের পৃষ্ঠা

হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান
হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান

প্রথম পৃষ্ঠা

খরচের চাপে মানুষ
খরচের চাপে মানুষ

প্রথম পৃষ্ঠা

সিলেটে আতঙ্কের নাম ওয়াকওয়ে
সিলেটে আতঙ্কের নাম ওয়াকওয়ে

পেছনের পৃষ্ঠা

মাস্টারপ্ল্যান সাজাচ্ছে এনসিপি
মাস্টারপ্ল্যান সাজাচ্ছে এনসিপি

পেছনের পৃষ্ঠা

নিত্যপণ্যের বাজারে অলিগোপলি
নিত্যপণ্যের বাজারে অলিগোপলি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাজে ব্যাটিংয়ে হারল বাংলাদেশ
বাজে ব্যাটিংয়ে হারল বাংলাদেশ

মাঠে ময়দানে

স্বামীর কাছ থেকে গৃহবধূকে নিয়ে ধর্ষণ
স্বামীর কাছ থেকে গৃহবধূকে নিয়ে ধর্ষণ

পেছনের পৃষ্ঠা

অসুস্থ বন্ধুর মন ভালো রাখতে ন্যাড়া হলেন ৯ বন্ধু
অসুস্থ বন্ধুর মন ভালো রাখতে ন্যাড়া হলেন ৯ বন্ধু

পেছনের পৃষ্ঠা

কৃষিতে আশীর্বাদ সৌরবিদ্যুৎ
কৃষিতে আশীর্বাদ সৌরবিদ্যুৎ

নগর জীবন

দুই সরকারের ব্যর্থতায় ঋণের কিস্তি আটকাল আইএমএফ
দুই সরকারের ব্যর্থতায় ঋণের কিস্তি আটকাল আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন সাজে সেজেছে বগুড়া
নতুন সাজে সেজেছে বগুড়া

নগর জীবন

টক শো-সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে ভাবতে হবে
টক শো-সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে ভাবতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

পোশাক রপ্তানিতে পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশ
পোশাক রপ্তানিতে পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

নদীপথে নিঃশব্দ মাদকপ্রবাহ
নদীপথে নিঃশব্দ মাদকপ্রবাহ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাত হলেই বুনো উল্লাস দমে না সিসা লাউঞ্জ
রাত হলেই বুনো উল্লাস দমে না সিসা লাউঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ দেখা হচ্ছে
হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ দেখা হচ্ছে

প্রথম পৃষ্ঠা

রাশেদ প্রধানের বাড়ির সামনে অবস্থান পিএস আটক
রাশেদ প্রধানের বাড়ির সামনে অবস্থান পিএস আটক

পেছনের পৃষ্ঠা

তেলের লাইনেই ঘুম খাওয়া
তেলের লাইনেই ঘুম খাওয়া

পেছনের পৃষ্ঠা

সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যু, জীবিত করতে ঝাড়ফুঁক
সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যু, জীবিত করতে ঝাড়ফুঁক

পেছনের পৃষ্ঠা

মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে হয় হামলা
মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে হয় হামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

আস্থা থাকা না-থাকা
আস্থা থাকা না-থাকা

সম্পাদকীয়

বিএনপি ভুল পথে আছে
বিএনপি ভুল পথে আছে

প্রথম পৃষ্ঠা

মানিকগঞ্জে নিখোঁজ শিশুর লাশ উদ্ধার পিটুনিতে নিহত ২
মানিকগঞ্জে নিখোঁজ শিশুর লাশ উদ্ধার পিটুনিতে নিহত ২

পেছনের পৃষ্ঠা

উপজেলা হচ্ছে মোকামতলা
উপজেলা হচ্ছে মোকামতলা

দেশগ্রাম

ইসলামে স্বাবলম্বী হওয়ার তাগিদ
ইসলামে স্বাবলম্বী হওয়ার তাগিদ

সম্পাদকীয়

চট্টগ্রামে মাদক কারবারে ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেল
চট্টগ্রামে মাদক কারবারে ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেল

প্রথম পৃষ্ঠা

লোডশেডিং দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন
লোডশেডিং দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

প্রথম পৃষ্ঠা

লাখ টন জ্বালানি তেল নিয়ে চার জাহাজ বন্দরে
লাখ টন জ্বালানি তেল নিয়ে চার জাহাজ বন্দরে

পেছনের পৃষ্ঠা

নেপথ্যে মাদকের দ্বন্দ্ব
নেপথ্যে মাদকের দ্বন্দ্ব

পেছনের পৃষ্ঠা