শিরোনাম
প্রকাশ : ৮ জুলাই, ২০২০ ২১:০৭

ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা দেখতে বিশাল প্রাসাদ বানিয়েছেন কিম জং উন!

অনলাইন ডেস্ক

ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা দেখতে বিশাল প্রাসাদ বানিয়েছেন কিম জং উন!
কিম জং উন

তার অস্ত্র-প্রেম অজানা নয় বিশ্বের কাছে। একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করে চমক লাগিয়েছেন তিনি। কোনও উচ্চবাচ্য নয়। শুধু অল্প দূরত্বের বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র নয়, মার্কিন রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষাও করেছেন। কথা হচ্ছে উত্তর কোরিয়ার দাপুটে শাসক কিম জং উনকে।

বিভিন্ন ব্যালিস্টিক মিসাইলের উৎক্ষেপণ কীভাবে দেখেন উত্তর কোরিয়ার কিম জং উন? তথ্য সত্যিই চাঞ্চল্যকর!

বছরের বেশিরভাগ সময় রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে থাকতে ভালোবাসেন কোরিয়ার এই সর্বোচ্চ নেতা। তবে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সময় উপকূলবর্তী শহর ওনসানে অবস্থান করেন তিনি। কোরীয় দ্বীপপুঞ্জের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত এই শহরেই অধিকাংশ মিসাইল পরীক্ষা করেছে কিম প্রশাসন। ২০১৭ সালে এই নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল সংবাদসংস্থা রয়টার্স। যা অনুযায়ী, নিজের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য উপকূলবর্তী শহরে বিলাসবহুল বিশালাকার প্রাসাদ রয়েছে কিমের। যেখানে বসে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৪০টি অস্ত্র পরীক্ষার সাক্ষী থেকেছেন কিম জং উন। এরমধ্যে শুধু ২০১৯ সালেই তিনটি মিসাইল পরীক্ষা করেছেন উত্তর কোরিয়ার শাসক।

উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতি বিশেষজ্ঞ লিম উন-চুলের সঙ্গে এ নিয়ে যোগাযোগ করেছিল ব্রিটেনের এক্সপ্রেস সংবাদমাধ্যম। 

তিনি বলেন, 'শুনতে আশ্চর্য লাগলেও, শুধু মিসাইল পরীক্ষা দেখার জন্য গোটা শহরকে দেখতে সুন্দর বানিয়েছেন কিম। উনি এভাবেই উত্তর কোরিয়া শাসন করছেন।' তার কথায়, স্পেনের লাক্সারি হোটেলগুলির আদলেই ওনসান শহরে রিসোর্ট বানিয়েছেন কিম জং উন। শহরের ভোল বদলে ১৬ জন কর্মকর্তাকে স্পেনে পাঠিয়েছিলেন কিম। মাদ্রিদে উত্তর কোরিয়ার দূতাবাস সূত্রে জানানো হয়েছে, কর্মকর্তারা এসে ছবি ও ভিডিও তুলেছিলেন।

এক্সপ্রেসের খবর অনুযায়ী, ২০১৪ সালে সেনা কর্মকর্তাদের ওনসান শহরে নিয়ে গিয়েছিলেন কিম। সেখানে সুইমিং কস্টিউমে প্রায় ১০ কিলোমিটার সাঁতার কাটতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। যা ভিডিও করে রাখা হয়েছিল।

এদিকে, পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা নিয়ে ফের আমেরিকার সঙ্গে সংঘাতের ইঙ্গিত দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। কিমের প্রশাসনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো সন-হুই সম্প্রতি বলেছেন, 'পরমাণু অস্ত্র আত্মসমর্পণের কোনও ইচ্ছা কিম জং উন-এর নেই।'


বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর