সিডনির সমুদ্র সৈকতে একটি ইহুদি উৎসবকে লক্ষ্য করে বন্দুকধারীদের গুলিতে ১৬ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনার একদিন পর ‘আরও কঠোর বন্দুক আইন’-এর প্রস্তাব দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে সিডনির বন্ডি বিচে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহত হয়েছে ১৬ জন।
এটি একটি ইহুদিবিদ্বেষী সন্ত্রাসী হামলা বলে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ উল্লেখ করেছেন এবং এই ঘটনার পর দেশটিতে কঠোর আগ্নেয়াস্ত্র আইন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ১৯৯৬ সালের পোর্ট আর্থার গণহত্যার পর এ হামলাটি ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ।
প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ বলেন, ‘সরকার প্রয়োজনীয় যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। এর মধ্যে কঠোর বন্দুক আইনও রয়েছে।’
আলবানিজ বলেছেন, আজ রাজ্য ও অঞ্চলের নেতাদের সাথে বৈঠকে কঠোর বন্দুক আইন কার্যকর করা হবে।
তিনি বলেন, ‘সরকার প্রয়োজনীয় যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত, যার মধ্যে প্রয়োজন হলে, কঠোর বন্দুক আইনও অন্তর্ভুক্ত।’
আলবানিজ বলেছেন যে তিনি ‘ব্যক্তিদের দ্বারা ব্যবহৃত বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুকের সংখ্যার সীমা নির্ধারণ’ এবং ‘সময়ের সাথে সাথে লাইসেন্সের পর্যালোচনা’ প্রস্তাব করবেন।
তিনি ১৯৯৬ সালে দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ রাজ্য তাসমানিয়ার একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রে এক আক্রমণকারীর ৩৫ জন নিহত এবং ২৩ জন আহত হওয়ার পর জন হাওয়ার্ডের সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত বন্দুক বিধিনিষেধের প্রশংসা করেন।
পুলিশ নিশ্চিত করেছে, হামলাকারীদের মধ্যে একজন ছয়টি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার লাইসেন্স পেয়েছিল।
সূত্র : এবিসি।
বিডি-প্রতিদিন/বাজিত