আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থাইল্যান্ডের পার্লামেন্টারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। দেশটির নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান নারোং ক্লুনওয়ারিন পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে বলছেন নিশ্চিত করেছেন।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দেশটির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম থাই পিবিএস, টেলিভিশন চ্যানেল পিপিটিভি এবং ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম প্রচাথাই এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে গত শুক্রবার থাই পার্লামেন্ট ভেঙে দেন প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির আইন অনুযায়ী, পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার পর ৪৫ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ লক্ষ্যে আগামী কমিশন ১৫ এবং ১৬ ডিসেম্বর বৈঠক করবে ইসি।
এদিকে, নির্বাচন কমিশন বর্তমানে নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত করতে একটি বৈঠক করছে বলে জানিয়েছেন কমিশনের এক কর্মকর্তা। তবে তিনি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তারিখ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করতে অস্বীকৃতি জানান।
প্রত্যাশার চেয়ে আগেভাগে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এমন সময়, যখন প্রধানমন্ত্রী আনুতিন গত সপ্তাহে পার্লামেন্টের সবচেয়ে বড় দল পিপলস পার্টির সঙ্গে মতবিরোধে জড়িয়ে পড়েন। একই সময়ে প্রতিবেশী কম্বোডিয়ার সঙ্গে চলমান সীমান্ত উত্তেজনার মধ্যেই তিনি পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
এর আগে, গত সেপ্টেম্বর আনুতিনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পক্ষে সমর্থন দিয়েছিল পিপলস পার্টি। এর বিনিময়ে তিনি সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া শুরু করা এবং জানুয়ারির শেষ নাগাদ পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
৫৯ বছর বয়সী আনুতিন একজন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক সমঝোতাকারী হিসেবে পরিচিত। সাম্প্রতিক সময়ে থাইল্যান্ডে জাতীয়তাবাদী আবেগের উত্থান তার জন্য রাজনৈতিকভাবে লাভজনক হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে, বিশেষ করে যখন থাই সেনাবাহিনী কম্বোডিয়ার বিরুদ্ধে সার্বভৌমত্ব রক্ষার নামে সামরিক অবস্থানে রয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
বিডি প্রতিদিন/কামাল