শিরোনাম
প্রকাশ: ১৫:২৭, শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৬

গ্রিনল্যান্ড ইস্যু

ট্রাম্পের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছে গোটা ইউরোপ!

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
ট্রাম্পের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছে গোটা ইউরোপ!

দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে যেন অসহায় পড়েছে গোটা ইউরোপ। এতদিন তাদের ধারণা ছিল- মার্কিন বলয়ে থাকা মানেই শতভাগ নিরাপদ। কিন্তু গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে তাদের সেই নির্ভার ধারণাকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ছাই করে দিয়েছেন ট্রাম্প।

এভাবে ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক জোট ন্যাটোকে নজিরবিহীন সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্র হুমকির কারণে নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অরগানাইজেশনের (ন্যাটো) কেন্দ্রীয় মূলনীতি এখন ভয়াবহ চ্যালেঞ্জের মুখে।

সামরিক এই জোটের মূলনীতি হলো—জোটের যেকোনও সদস্যদেশ আক্রান্ত হলে তা সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং জবাব দেওয়া হবে; কিন্তু এখন জোটের সবচেয়ে প্রভাবশালী সদস্যই আরেক সদস্যদেশের ওপর হামলার হুমকি দিচ্ছে।

গত মঙ্গলবার হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘নানা বিকল্প’ নিয়ে আলোচনা করছেন। এক্ষেত্রে সামরিক শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দিচ্ছেন না।

ট্রাম্পের উপপ্রধান স্টাফ স্টিফেন মিলার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা একটি পরাশক্তি। আমরা পরাশক্তির মতোই আচরণ করব।”

তার এই উক্তি সেই পুরোনো পৃথিবীর কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে, যখন শক্তিশালীরা যা পারত দখল করত। আর দুর্বলেরা দখলদারি মেনে নিত।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও গ্রিনল্যান্ডে সামরিক হস্তক্ষেপের আশঙ্কা কিছুটা কমানোর চেষ্টা করেছেন। তার ভাষ্যমতে, ট্রাম্প প্রশাসন আসলে গ্রিনল্যান্ড কিনে নেওয়ার কথা বিবেচনা করছে।

তবে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট্টে ফ্রেডেরিকসেন গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ নিয়ে স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র যদি ন্যাটোর আরেকটি সদস্যদেশের ওপর সামরিক অভিযান চালায়, তাহলে ন্যাটোসহ সবকিছুর সমাপ্তি ঘটবে। একই সঙ্গে সেই নিরাপত্তাব্যবস্থাও (অকার্যকর হয়ে পড়বে), যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে গড়ে উঠেছে।”

কিন্তু ইউরোপের অন্যান্য নেতা অন্তত প্রকাশ্যে নিজেদের মুখে কুলুপ এঁটে আছেন। তাদের এই নীরবতার পেছনে এক অস্বস্তিকর বাস্তবতা কাজ করছে। তারা হয়তো মনে করছেন- যুক্তরাষ্ট্র আগের মতো ইউরোপের নির্ভরযোগ্য মিত্র নয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তাদের জন্য অপরিহার্য।

ইউরোপয়ী নেতারা হয়তো ভাবছেন, রাশিয়ার মোকাবিলায় ইউরোপ এখনও মার্কিন সামরিক ও কূটনৈতিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। ফলে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের নতুন হুমকি ইউরোপকে এক জটিল সমীকরণে ফেলে দিয়েছে। সমীকরণটি এমন, যুক্তরাষ্ট্রকে একদিকে গ্রিনল্যান্ড থেকে দূরে রাখতে হবে। অন্যদিকে ইউক্রেনের বিষয়ে সক্রিয় রাখতে হবে। কিন্তু এটা কীভাবে সম্ভব?

গত সপ্তাহে প্যারিসে এক অনুষ্ঠানে টানাপোড়েনের চিত্রটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রসহ ৩৫টি দেশের প্রতিনিধিরা রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তির পর ইউক্রেনের নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করেন। বৈঠকটি মোটের ওপর শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয় এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতিও আসে।

তবে দিনব্যাপী কূটনৈতিক আলোচনা শেষে সংবাদ সম্মেলনের একটি প্রশ্নে চাপা পড়া অস্বস্তিকর বিষয় সামনে চলে আসে।

সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে প্রশ্ন করেন, “আমি জানি, আজ গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কথা বলতে আপনাদের অনীহা আছে। কিন্তু ঠিক যে দিন ওয়াশিংটনের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে ন্যাটোরই এক সদস্যদেশের ভূখণ্ড দখলের কথা বলা হচ্ছে, সেদিন এসব (মার্কিন নিরাপত্তা) প্রতিশ্রুতির মূল্যইবা কতটুকু?”

এ প্রশ্নের সরাসরি কোনও উত্তর দেননি স্টারমার। তিনি ডেনমার্কের প্রতি সংহতি জানিয়ে দেওয়া আগের একটি বিবৃতির প্রসঙ্গ টানেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকেও একই ধরনের প্রশ্ন করা হয়। তিনিও জবাব এড়িয়ে যান।

মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের পাশে দাঁড়িয়ে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের ডেনমার্কবিরোধী হুমকির সমালোচনা করতে রাজি হননি। কারণ তাদের আশঙ্কা, এতে করে ইউক্রেন শান্তিচুক্তি প্রক্রিয়ায় ওয়াশিংটনের অংশগ্রহণ নিয়ে টানাপোড়েন তৈরি হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ধরে রাখতে ইউরোপ এরই মধ্যে অনেক ছাড় দিয়েছে। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে জার্মানির মিউনিখে নিরাপত্তা সম্মেলনে ইউরোপের নেতাদের তিরস্কার করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তারা অনলাইনে মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কেরও সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে রফতানি করা পণ্যের ওপর ১৫ শতাংশ শুল্কও আরোপ করেছে ওয়াশিংটন।

রাজনৈতিক ঝুঁকি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইউরেশিয়া গ্রুপের ইউরোপ অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজতবা রাহমান বলেন, “ইউরোপকে অনেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানালেও বাস্তবে তা করার মতো সক্ষমতা ইউরোপের হাতে নেই।”

মুজতবা রাহমান বলেন, “ইউরোপের অনেক নেতা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় কথা বলতে চান...তারা প্রকাশ্যে দাঁড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আচরণের সমালোচনা করতেও আগ্রহী। কিন্তু বাস্তবে তারা তা করতে পারছেন না। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপ নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ছেড়ে দিয়েছে। ফলে এখন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়ার মতো অবস্থানে নেই ইউরোপের দেশগুলো।”

মুজতবা রাহমানের মতে, গত বছরের মতো ২০২৬ সালেও ইউরোপের অগ্রাধিকার হলো, ইউক্রেন বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে সক্রিয় রাখা। এমনকি এ জন্য গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘সমঝোতায় আসতে’ ডেনমার্কের ওপর চাপ দেওয়ার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে।

রাহমানের ভাষ্যমতে, ‘মোদ্দা কথা হলো- এ মুহূর্তে ইউরোপীয় নেতাদের কাছে কোনও বিকল্প নেই। কারণ, নিজস্ব সামরিক শক্তি পুনর্গঠন করতে ইউরোপের তিন থেকে পাঁচ বছর সময় দরকার হবে।”

ইউক্রেনে নতুন সামরিক সহায়তার জন্য ট্রাম্প প্রশাসন এখন পর্যন্ত কংগ্রেসের অনুমোদন চায়নি। এ পরিস্থিতিতে ইউরোপকে এক বছরের বেশি সময় ধরে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা খরচ বহন করতে হচ্ছে। অন্যদিকে নিজস্ব প্রতিরক্ষাশিল্প গড়ে তোলার প্রক্রিয়া চালু থাকা সত্ত্বেও ইউক্রেনের জন্য অস্ত্র কেনার ক্ষেত্রে ইউরোপ এখনো যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।

এদিকে, ফ্রান্সের ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য রাফায়েল গ্লুকসমান বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের উচিত গ্রিনল্যান্ডে একটি স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা। তার মতে, এতে করে ‘ট্রাম্পের কাছে একটি শক্ত বার্তা যাবে এবং গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা অক্ষম—এই মার্কিন যুক্তিরও জবাব দেওয়া সম্ভব হবে।

তবে ইউরোপীয় কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের জ্যেষ্ঠ নীতিবিষয়ক ফেলো মাজদা রুগে মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক মোকাবিলা আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়; বরং যত দ্রুত ও দৃশ্যমানভাবে সম্ভব, যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা পদক্ষেপের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও জোটগত পদক্ষেপের মাশুল বাড়ানো দরকার, যাতে করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে সরে আসেন। এটা করতে ‘অসামরিক উপায়ও রয়েছে’ বলে মনে করেন তিনি।

মার্কিন নাগরিকদের একটি বড় অংশ গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিরোধী। গত আগস্টে যুক্তরাজ্যভিত্তিক জরিপ সংস্থা ইউগভের এক সমীক্ষায় দেখা যায়, মাত্র ৭ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিক গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য সামরিক শক্তির ব্যবহারকে সমর্থন করেন। ৭২ শতাংশ বিরোধিতা করেন।

ইউরোপের আশা, গ্রিনল্যান্ডের প্রতি ট্রাম্পের আগ্রহ হয়তো কমে যাবে, যেমনটা গত বছর কমে গিয়েছিল। কিন্তু লন্ডন ও ইউরোপের নানা গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা ও ন্যাটোর সদর দফতর ব্রাসেলসের কর্মকর্তারা গ্রিনল্যাল্ড নিয়ে ট্রাম্পের এবারের অবস্থান ভিন্ন বলে মনে করেন। তাদের আশঙ্কা, ট্রাম্প এবার হয়তো কিছু একটার শেষ না দেখে থামবেন না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা বলেন, মানুষের মধ্যে এবার এমন ধারণা বদ্ধমূল হয়েছে, তিনি (ট্রাম্প) এবার কোনও স্বপ্ন দেখছেন না। তিনি এ বিষয়ে ভয়াবহ রকমের সিরিয়াস।

ইউরেশিয়া গ্রুপের মুজতবা রাহমান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থার প্রকৃতি সম্পর্কে আমার মনে হয় না কারও কোনও সরল ধারণা আছে। না বার্লিন, না প্যারিস, না লন্ডন— কারোরই নাই...মার্কিনরা জানে ইউরোপ দুর্বল। শক্তিশালীরা দুর্বলদের শিকার করে। ট্রাম্প প্রশাসন এ নীতিতে চলছে। এই মুহূর্তে ইউরোপের হাতে খুব বেশি কিছু করার সুযোগ নেই।

তার মতে, ইউরোপ যতক্ষণ না নিজে শক্তিশালী হয়ে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে, ততক্ষণ তারা ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে বাধ্য থাকবে। সূত্র: সিএনএন

বিডি প্রতিদিন/একেএ
 

এই বিভাগের আরও খবর
গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী
গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী
মিয়ানমারে জান্তার বিমান হামলায় নিহত ২৭
মিয়ানমারে জান্তার বিমান হামলায় নিহত ২৭
কিয়েভে আরও ৫০০ জেনারেটর পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন
কিয়েভে আরও ৫০০ জেনারেটর পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন
শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ইউক্রেনকে দনবাস ছাড়তেই হবে: রাশিয়া
শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ইউক্রেনকে দনবাস ছাড়তেই হবে: রাশিয়া
তুরস্ক বিশ্বের কেন্দ্রীয় শক্তিতে আবির্ভূত হবে: এরদোয়ান
তুরস্ক বিশ্বের কেন্দ্রীয় শক্তিতে আবির্ভূত হবে: এরদোয়ান
পরমাণু যুদ্ধের শেষ বাধাটিও কেটে যাচ্ছে?
পরমাণু যুদ্ধের শেষ বাধাটিও কেটে যাচ্ছে?
ইরান ইস্যুতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সমর্থন চাইলো জাতিসংঘ
ইরান ইস্যুতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সমর্থন চাইলো জাতিসংঘ
গাজায় আকাশ ছোঁয়া ভবন ও  বিমানবন্দর বানাবেন ট্রাম্প
গাজায় আকাশ ছোঁয়া ভবন ও বিমানবন্দর বানাবেন ট্রাম্প
অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের
অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েই ফেলেছিল ডেনমার্ক
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েই ফেলেছিল ডেনমার্ক
অরক্ষিত রেলক্রসিংয়ে মরণফাঁদ, ইন্দোনেশিয়ায় ট্রেন-মিনিবাস দুর্ঘটনায় ৯ জনের প্রাণহানি
অরক্ষিত রেলক্রসিংয়ে মরণফাঁদ, ইন্দোনেশিয়ায় ট্রেন-মিনিবাস দুর্ঘটনায় ৯ জনের প্রাণহানি
উগান্ডায় বিতর্কিত নির্বাচনে ২ হাজার বিরোধী সমর্থক আটক, হত্যা ৩০
উগান্ডায় বিতর্কিত নির্বাচনে ২ হাজার বিরোধী সমর্থক আটক, হত্যা ৩০
সর্বশেষ খবর
আওয়ামী লীগ এখন মাফিয়া পার্টি : সালাহউদ্দিন আহমদ
আওয়ামী লীগ এখন মাফিয়া পার্টি : সালাহউদ্দিন আহমদ

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে : শ্রম উপদেষ্টা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে : শ্রম উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একের উত্থান অপরের পতন
একের উত্থান অপরের পতন

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

থানার সামনে জয় বাংলা’ স্লোগান, আটক ৬
থানার সামনে জয় বাংলা’ স্লোগান, আটক ৬

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী
গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপিএলের এবারের আসরে ব্যাটে-বলে সেরা যারা
বিপিএলের এবারের আসরে ব্যাটে-বলে সেরা যারা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কে ঝরল ইসলামী আন্দোলন নেতার প্রাণ
কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কে ঝরল ইসলামী আন্দোলন নেতার প্রাণ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ময়মনসিংহে বিএনপিতে জাতীয় পার্টির ৫ শতাধিক নেতাকর্মীর যোগদান
ময়মনসিংহে বিএনপিতে জাতীয় পার্টির ৫ শতাধিক নেতাকর্মীর যোগদান

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কেরানীগঞ্জে বিএনপি নেতাকে গুলি, ২৪ ঘণ্টা পেরোলেও মামলা হয়নি
কেরানীগঞ্জে বিএনপি নেতাকে গুলি, ২৪ ঘণ্টা পেরোলেও মামলা হয়নি

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে জান্তার বিমান হামলায় নিহত ২৭
মিয়ানমারে জান্তার বিমান হামলায় নিহত ২৭

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নওগাঁয় নিখোঁজের ১৯ মাস পর যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেফতার ১
নওগাঁয় নিখোঁজের ১৯ মাস পর যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেফতার ১

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন
লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কিয়েভে আরও ৫০০ জেনারেটর পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন
কিয়েভে আরও ৫০০ জেনারেটর পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এক জিমেইল অ্যাপেই আসবে সব ই-মেইল, যুক্ত করবেন যেভাবে
এক জিমেইল অ্যাপেই আসবে সব ই-মেইল, যুক্ত করবেন যেভাবে

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ডেমরায় নবীউল্লাহ নবীর ব্যাপক গণসংযোগ
ডেমরায় নবীউল্লাহ নবীর ব্যাপক গণসংযোগ

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটারদের নির্বিঘ্ন ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: আবু জাফর
ভোটারদের নির্বিঘ্ন ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: আবু জাফর

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ঝালকাঠি-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ
ঝালকাঠি-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয় সভা
১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয় সভা

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ইউক্রেনকে দনবাস ছাড়তেই হবে: রাশিয়া
শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ইউক্রেনকে দনবাস ছাড়তেই হবে: রাশিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমরা দেশ ও জাতিকে আর টুকরো টুকরো করতে চাই না: জামায়াতের আমির
আমরা দেশ ও জাতিকে আর টুকরো টুকরো করতে চাই না: জামায়াতের আমির

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জয়ী হলে দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশন করে গড়ে তোলা হবে: জামায়াত আমির
জয়ী হলে দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশন করে গড়ে তোলা হবে: জামায়াত আমির

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আফ্রিকা ধীরে ধীরে ভেঙে যাচ্ছে, তৈরি হতে পারে নতুন মহাসাগর
আফ্রিকা ধীরে ধীরে ভেঙে যাচ্ছে, তৈরি হতে পারে নতুন মহাসাগর

৬ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

তুরস্ক বিশ্বের কেন্দ্রীয় শক্তিতে আবির্ভূত হবে: এরদোয়ান
তুরস্ক বিশ্বের কেন্দ্রীয় শক্তিতে আবির্ভূত হবে: এরদোয়ান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

র‌্যাবের ওপর হামলার ঘটনায় কালা বাচ্চু গ্রেফতার
র‌্যাবের ওপর হামলার ঘটনায় কালা বাচ্চু গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায় জনগণ তাদের প্রতিহত করবে : আমীর খসরু
যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায় জনগণ তাদের প্রতিহত করবে : আমীর খসরু

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মুন্সীগঞ্জে গণভোটের প্রচারণায় ইউএনও
মুন্সীগঞ্জে গণভোটের প্রচারণায় ইউএনও

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী
চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধুখালিতে অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান, পাইপ গান ও সরঞ্জাম উদ্ধার, আটক ১
মধুখালিতে অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান, পাইপ গান ও সরঞ্জাম উদ্ধার, আটক ১

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বাংলাদেশের নতুন চিঠিতে বিশ্বকাপ নাটকে ফের উত্তাপ
বাংলাদেশের নতুন চিঠিতে বিশ্বকাপ নাটকে ফের উত্তাপ

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বড় বহর: ট্রাম্প
ইরানের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বড় বহর: ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ সিদ্ধান্তে যা বললেন কেইন উইলিয়ামসন
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ সিদ্ধান্তে যা বললেন কেইন উইলিয়ামসন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুরান ঢাকার সমস্যার স্থায়ী সমাধানের প্রতিশ্রুতি ইশরাকের
পুরান ঢাকার সমস্যার স্থায়ী সমাধানের প্রতিশ্রুতি ইশরাকের

১৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনের আগে তিন জেলায় না যাওয়ার পরামর্শ যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের
নির্বাচনের আগে তিন জেলায় না যাওয়ার পরামর্শ যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের মার্কা শাপলা কলি, বাবা ভোট চাইছেন ধানের শীষে
ছেলের মার্কা শাপলা কলি, বাবা ভোট চাইছেন ধানের শীষে

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

করবো কাজ, গড়বো দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ: তারেক রহমান
করবো কাজ, গড়বো দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ: তারেক রহমান

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

তারা ইসলামের লেবেল লাগিয়ে আমাদের ধোঁকা দিয়েছে: রেজাউল করীম
তারা ইসলামের লেবেল লাগিয়ে আমাদের ধোঁকা দিয়েছে: রেজাউল করীম

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

'আইসিসি করাপ্টেড', ভারতীয় প্রভাবেই কি ভাঙছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট?
'আইসিসি করাপ্টেড', ভারতীয় প্রভাবেই কি ভাঙছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট?

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এক সময়ের নিষিদ্ধ জামায়াতের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় যুক্তরাষ্ট্র
এক সময়ের নিষিদ্ধ জামায়াতের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় যুক্তরাষ্ট্র

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘ভারত-পাকিস্তানের ক্ষেত্রে মানে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মানে না’
‘ভারত-পাকিস্তানের ক্ষেত্রে মানে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মানে না’

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিফলে যেতে পারে বিসিবির শেষ চেষ্টাও, যা বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম
বিফলে যেতে পারে বিসিবির শেষ চেষ্টাও, যা বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চালুর কয়েক ঘণ্টায় বন্ধ হলো বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
চালুর কয়েক ঘণ্টায় বন্ধ হলো বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৩ জানুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৩ জানুয়ারি)

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাশিয়া থেকে আসা ট্যাংকার জাহাজ জব্দ করল ফ্রান্স
রাশিয়া থেকে আসা ট্যাংকার জাহাজ জব্দ করল ফ্রান্স

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তারেক রহমানের ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী জনসভা আজ
তারেক রহমানের ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী জনসভা আজ

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ঢাকার শীত নিয়ে নতুন তথ্য দিল আবহাওয়া অফিস
ঢাকার শীত নিয়ে নতুন তথ্য দিল আবহাওয়া অফিস

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খালেদা জিয়ার তিন আসনে ধানের শীষের প্রার্থী যারা
খালেদা জিয়ার তিন আসনে ধানের শীষের প্রার্থী যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা
বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’
‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পরমাণু যুদ্ধের শেষ বাধাটিও কেটে যাচ্ছে?
পরমাণু যুদ্ধের শেষ বাধাটিও কেটে যাচ্ছে?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্থিক ক্ষতি নয়, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাটাই প্রথম
আর্থিক ক্ষতি নয়, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাটাই প্রথম

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুরান ঢাকার দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করার প্রতিশ্রুতি ইশরাকের
পুরান ঢাকার দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করার প্রতিশ্রুতি ইশরাকের

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ‘চুপ’ থাকলেন বিসিসিআই সভাপতি
বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ‘চুপ’ থাকলেন বিসিসিআই সভাপতি

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে কারা আছে, কারা নেই
ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে কারা আছে, কারা নেই

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েই ফেলেছিল ডেনমার্ক
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েই ফেলেছিল ডেনমার্ক

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসনভিত্তিক সংখ্যা প্রকাশ: কোন আসনে কত ভোটার?
আসনভিত্তিক সংখ্যা প্রকাশ: কোন আসনে কত ভোটার?

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভারতের পর পাকিস্তানকে উড়িয়ে শিরোপার কাছে সাবিনারা
ভারতের পর পাকিস্তানকে উড়িয়ে শিরোপার কাছে সাবিনারা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্র–জামায়াত যোগাযোগ উদ্বেগজনক ইঙ্গিত: ফরহাদ মজহার
যুক্তরাষ্ট্র–জামায়াত যোগাযোগ উদ্বেগজনক ইঙ্গিত: ফরহাদ মজহার

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
ভাগ্য পরিবর্তন করতে ধানের শীষে ভোট দিন
ভাগ্য পরিবর্তন করতে ধানের শীষে ভোট দিন

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব

সম্পাদকীয়

নির্বাচন বিতর্কিত করতে পারে একটি দল
নির্বাচন বিতর্কিত করতে পারে একটি দল

প্রথম পৃষ্ঠা

দূষণ থেকে সার
দূষণ থেকে সার

শনিবারের সকাল

সাঁকোই ভরসা ২০ গ্রামের মানুষের
সাঁকোই ভরসা ২০ গ্রামের মানুষের

দেশগ্রাম

বাদুড়ের নিরাপদ আবাস
বাদুড়ের নিরাপদ আবাস

শনিবারের সকাল

ধোঁয়ায় শ্বাসরোধে যাচ্ছে প্রাণ
ধোঁয়ায় শ্বাসরোধে যাচ্ছে প্রাণ

পেছনের পৃষ্ঠা

সবজি চাষে ভাগ্যবদল অনিকের
সবজি চাষে ভাগ্যবদল অনিকের

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোটের আগে সীমান্তে সক্রিয় অস্ত্র কারবারিরা
ভোটের আগে সীমান্তে সক্রিয় অস্ত্র কারবারিরা

নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্র-জামায়াত সম্পর্ক ভয়ংকর অশনিসংকেত
যুক্তরাষ্ট্র-জামায়াত সম্পর্ক ভয়ংকর অশনিসংকেত

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি প্রার্থীদের
প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি প্রার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

একের উত্থান অপরের পতন
একের উত্থান অপরের পতন

সম্পাদকীয়

শতবর্ষের পুরোনো সেই স্বাদ
শতবর্ষের পুরোনো সেই স্বাদ

শনিবারের সকাল

অমিতাভের জুতা কাহিনি
অমিতাভের জুতা কাহিনি

শোবিজ

নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ
নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ

সম্পাদকীয়

অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার
অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

এখনো নাঈমের ‘ময়না’ শাবনাজ
এখনো নাঈমের ‘ময়না’ শাবনাজ

শোবিজ

অদম্য শিরিনের পথচলা
অদম্য শিরিনের পথচলা

শনিবারের সকাল

সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক
সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক

সম্পাদকীয়

৩ শতাধিক নেতা কর্মীর বিএনপিতে যোগদান
৩ শতাধিক নেতা কর্মীর বিএনপিতে যোগদান

দেশগ্রাম

বল সুন্দরীতে বাজিমাত
বল সুন্দরীতে বাজিমাত

শনিবারের সকাল

চার জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত
চার জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত

দেশগ্রাম

বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান
বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান

সম্পাদকীয়

টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ আহত ১৫, বাড়িঘর ভাঙচুর
টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ আহত ১৫, বাড়িঘর ভাঙচুর

দেশগ্রাম

ছেলের শোকে মায়ের মৃত্যু, বাবা হাসপাতালে
ছেলের শোকে মায়ের মৃত্যু, বাবা হাসপাতালে

দেশগ্রাম

জরাজীর্ণ সেতু, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল
জরাজীর্ণ সেতু, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল

দেশগ্রাম

পরিত্যক্ত দেখিয়ে ক্লাসরুম ভেঙে দোকান নির্মাণ
পরিত্যক্ত দেখিয়ে ক্লাসরুম ভেঙে দোকান নির্মাণ

দেশগ্রাম

সূর্যগ্রহণ ও সূর্য সংগ্রামের গল্প
সূর্যগ্রহণ ও সূর্য সংগ্রামের গল্প

শোবিজ

নিরাময় কেন্দ্রে যুবকের মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের
নিরাময় কেন্দ্রে যুবকের মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের

দেশগ্রাম