শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:৩১, শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে নতুন মার্কিন বাস্তবতার মুখোমুখি ইউরোপ: রয়টার্স

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
গ্রিনল্যান্ড নিয়ে নতুন মার্কিন বাস্তবতার মুখোমুখি ইউরোপ: রয়টার্স

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে নতুন মার্কিন বাস্তবতার মুখোমুখি ইউরোপ হয়েছে ইউরোপ। এই ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপ মোকাবিলায় ইউরোপ আপাতত ঐক্যবদ্ধ হতে পেরেছে। তবে ইউরোপীয় নেতারা জানেন, ক্রমশ আরও কঠোর হয়ে ওঠা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই সংঘাতই শেষ নয়।

ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ডলারের বাণিজ্যিক সম্পর্ক, ন্যাটো জোটে ওয়াশিংটনের প্রভাবশালী ভূমিকা এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে সমর্থনের বিষয়টি বিবেচনায় নিলে ঝুঁকির মাত্রা অত্যন্ত বেশি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এ সপ্তাহে দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বার্ষিক সম্মেলনে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ট্রাম্প প্রথমে গ্রিনল্যান্ড দখলে বলপ্রয়োগের সম্ভাবনা নাকচ করেন। এরপর ইউরোপের আটটি দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি প্রত্যাহার করেন। বরং তিনি ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গে আর্কটিক দ্বীপটি নিয়ে একটি অস্পষ্ট চুক্তির কথা উল্লেখ করে সেটিকে সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেন।

ইউরোপীয় নেতাদের ধারণা, গত বছর শুল্ক আলোচনায় তুলনামূলক নরম অবস্থানের বিপরীতে এবার তারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন- ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হিসেবে গ্রিনল্যান্ডের মর্যাদা আলোচনাযোগ্য নয়। এই কঠোর অবস্থানের কারণেই ট্রাম্প কিছুটা পিছু হটতে বাধ্য হন। 

ইউরোপীয় ইউনিয়নের একজন কর্মকর্তা বলেন, এই ঘটনাগুলো প্রমাণ করে, মার্কিনিদের ইউরোপের ওপর দিয়ে হেঁটে যেতে দেওয়া যায় না। 

তিনি আরও বলেন, আমরা যা বলেছি তাতে দৃঢ় থাকা ঠিক কাজ ছিল। কিন্তু বিষয়টি এখানেই শেষ নয়। আমার মনে হয়, এমন ইস্যুতে আমাদের বারবার পরীক্ষা নেওয়া হবে।

ইউরোপ হয়তো ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর মূল্য বুঝতে শুরু করেছে। কিন্তু বড় চ্যালেঞ্জ হলো পরবর্তীবার যেন তারা কম ঝুঁকিতে থাকে।

কার্নেগি ইউরোপের পরিচালক রোজা বালফুর বলেন, এটা কঠিন পথ, সময় লাগবে। কিন্তু ইউরোপের হাতে যতটা প্রভাব আছে, তারা তা ব্যবহার করতে এখনও সাহস দেখায়নি।

বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় নেতাদের এক জরুরি বৈঠকে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুর প্রতিবাদে স্থগিত থাকা ইইউ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তিকে আবার এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। দাভোসে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মেৎসে বলেন, কয়েক মাসের হতাশা ও ক্ষোভ সত্ত্বেও আমাদের ট্রান্সআটলান্টিক অংশীদারিত্বকে খুব তাড়াতাড়ি বাতিল করে দেওয়া উচিত নয়।

একদিকে সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা, অন্যদিকে ট্রাম্পের প্রকাশ্য বিরূপ মনোভাবের কারণে ইউরোপ এখন সম্পর্ককে  ঝুঁকিমুক্ত করার উদ্যোগও নিচ্ছে। ট্রাম্পের নতুন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে ইউরোপকে প্রতিরক্ষা খাতে বিনা খরচে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে এবং মার্কিন কোম্পানির জন্য বাজার খুলে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। ইউরোপ ভালোভাবেই জানে ২৭টি দেশের ভিন্ন ইতিহাস, রাজনীতি ও অর্থনীতির মধ্যে ঐকমত্যে পৌঁছানো কতটা সময়সাপেক্ষ। এই দুর্বলতাকেই এ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বিদ্রুপ করে তুলে ধরেছেন।

ইইউ’র দুই কর্মকর্তা জানান, গ্রিনল্যান্ড বিতর্ক ইউক্রেন মডেলের মতো একটি পদ্ধতি অন্য ক্ষেত্রেও প্রয়োগের আলোচনা জোরদার করেছে- যেখানে স্বেচ্ছায় নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দেওয়া হয় এবং কোনও দেশ ভেটো দিতে পারে না। 

একজন কর্মকর্তা বলেন, আমাদের ‘ইচ্ছুকদের জোট’ (coalitions of the willing) আরও বেশি ব্যবহার করা উচিত, যারা চাইবে তারা পরে যোগ দিতে পারে।

তিনি উদাহরণ হিসেবে ইউরোপে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন। ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যকে নিয়ে গঠিত ‘ই৩’ জোটের মতো কাঠামোয় নিরাপত্তা ইস্যুতে ইইউর বাইরের দেশগুলোর অংশগ্রহণের সুযোগ থাকে, যা ট্রাম্পের নীতির চাপে থাকা অন্যান্য দেশের কাছেও আকর্ষণীয়।

দাভোসে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কারনি বলেন, মাঝারি শক্তিগুলোকে একসঙ্গে কাজ করতেই হবে। কারণ আমরা যদি টেবিলে না থাকি, তাহলে আমরা মেনুতেই থাকব।

তার এই বক্তব্যে জোরালো করতালি পড়ে।

আরেকটি বিকল্প হিসেবে ইউরোপীয় আইন কাঠামোর ভেতরে থাকা বিশেষ ক্ষমতা ব্যবহারের কথাও ভাবা হচ্ছে। গত ডিসেম্বর ইইউ জরুরি বিধান ব্যবহার করে শত শত বিলিয়ন ডলারের রুশ সম্পদ অনির্দিষ্টকালের জন্য জব্দ রাখে- যাতে হাঙ্গেরির মতো রাশিয়াপন্থী দেশ বাধা দিতে না পারে।

ইউরোপ তার অর্থনৈতিক নীতিও আরও কঠোর করার পরিকল্পনা করছে।

আগামী মাসে এমন আইন প্রণয়ন শুরু হবে, যাতে কৌশলগত খাতে ‘মেড ইন ইউরোপ’ শর্ত এবং বিদেশি বিনিয়োগের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ থাকবে। ইউরোপীয় কমিশনার স্তেফান সেজুর্নে বলেন, এই বিধানগুলোর অনেকটাই মূলত চীনের ওপর নির্ভরতা কমাতে ভাবা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে এগুলো আমাদের অন্য বাজার থেকেও ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে। তিনি বলেন, এগুলো ওই খাতগুলোর ক্ষেত্রে ইউরোপীয় নীতির চরিত্রই বদলে দেবে।

কানাডার মতো করে চীনের দিকে ঝুঁকে পড়ার কোনও পরিকল্পনা ইউরোপের নেই। তবে বিকল্প বাজার খোঁজার চেষ্টা জোরদার হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্কের প্রভাব এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। ২০২৫ সালে শুল্ক কার্যকর হওয়ার আগেই ইউরোপীয় কোম্পানিগুলো রফতানি বাড়ানোয় ইউরোপের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত সাময়িকভাবে বেড়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক তথ্যে দেখা যাচ্ছে, জার্মান কোম্পানিগুলো গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে তাদের বিনিয়োগ প্রায় অর্ধেক কমিয়েছে। সূত্র: রয়টার্স

বিডি প্রতিদিন/একেএ
 

এই বিভাগের আরও খবর
ইয়েমেনিদের জন্য অস্থায়ী সুরক্ষিত মর্যাদা বাতিল ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
ইয়েমেনিদের জন্য অস্থায়ী সুরক্ষিত মর্যাদা বাতিল ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
রুশ হামলায় সব বিদুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে: জেলেনস্কি
রুশ হামলায় সব বিদুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে: জেলেনস্কি
পাকিস্তানে মসজিদে হামলায় জাতিসংঘের নিন্দা
পাকিস্তানে মসজিদে হামলায় জাতিসংঘের নিন্দা
শিখ নেতাকে হত্যায় ভাড়াটে খুনি নিয়োগের চেষ্টা, ভারতীয় দোষী সাব্যস্ত
শিখ নেতাকে হত্যায় ভাড়াটে খুনি নিয়োগের চেষ্টা, ভারতীয় দোষী সাব্যস্ত
তাইওয়ান ইস্যুতে ওয়াশিংটনকে সতর্ক করলো চীন
তাইওয়ান ইস্যুতে ওয়াশিংটনকে সতর্ক করলো চীন
ইউরোপকে নিরাপত্তার জন্য আরও দায়িত্ব নিতে হবে: উরসুলা
ইউরোপকে নিরাপত্তার জন্য আরও দায়িত্ব নিতে হবে: উরসুলা
‘শ্বাসরোধে এপস্টিনকে হত্যা’, নতুন তদন্তের দাবি
‘শ্বাসরোধে এপস্টিনকে হত্যা’, নতুন তদন্তের দাবি
ফিলিস্তিনে আগ্রাসন বন্ধের আহ্বান আফ্রিকান ইউনিয়নের
ফিলিস্তিনে আগ্রাসন বন্ধের আহ্বান আফ্রিকান ইউনিয়নের
আফ্রিকার দেশগুলোর শুল্ক প্রত্যাহার করছে বেইজিং
আফ্রিকার দেশগুলোর শুল্ক প্রত্যাহার করছে বেইজিং
তেহরানে ওয়াশিংটনের হামলার ক্ষমতা নেই: ইরান
তেহরানে ওয়াশিংটনের হামলার ক্ষমতা নেই: ইরান
হাতির আক্রমণে একই পরিবারের ৪ জনসহ ৬ জনের প্রাণহানি
হাতির আক্রমণে একই পরিবারের ৪ জনসহ ৬ জনের প্রাণহানি
কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে নির্বাচন সংস্কারের হুমকি ট্রাম্পের
কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে নির্বাচন সংস্কারের হুমকি ট্রাম্পের
সর্বশেষ খবর
ব্যান্টনের ব্যাটে ইংল্যান্ডের স্বস্তির জয়
ব্যান্টনের ব্যাটে ইংল্যান্ডের স্বস্তির জয়

২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নেত্রকোনায় সাহিত্য উৎসব
নেত্রকোনায় সাহিত্য উৎসব

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নোংরা পানি আর দুর্গন্ধে অতিষ্ট পৌরসভার বাসিন্দারা
নোংরা পানি আর দুর্গন্ধে অতিষ্ট পৌরসভার বাসিন্দারা

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্ব ভালোবাসা দিবসেও পর্যটক শূন্য কুয়াকাটা সৈকত
বিশ্ব ভালোবাসা দিবসেও পর্যটক শূন্য কুয়াকাটা সৈকত

২১ মিনিট আগে | পর্যটন

নিজের ব্যানার খুলতে রাস্তায় নেমে পড়লেন হাবিবুর রশিদ
নিজের ব্যানার খুলতে রাস্তায় নেমে পড়লেন হাবিবুর রশিদ

২৫ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

বিএনপিকে অভিনন্দন জানাল হেফাজতে ইসলাম
বিএনপিকে অভিনন্দন জানাল হেফাজতে ইসলাম

২৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঢাকা-৫ আসনের ফল স্থগিত ও ভোট পুনর্গণনার দাবি বিএনপি প্রার্থীর
ঢাকা-৫ আসনের ফল স্থগিত ও ভোট পুনর্গণনার দাবি বিএনপি প্রার্থীর

২৮ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

বৃহস্পতির আকার নিয়ে নতুন তথ্য দিল নাসার মহাকাশযান
বৃহস্পতির আকার নিয়ে নতুন তথ্য দিল নাসার মহাকাশযান

২৯ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

দলকে ব্যবহার করে অন্যায় করলে কঠোর ব্যবস্থা : ইশরাক
দলকে ব্যবহার করে অন্যায় করলে কঠোর ব্যবস্থা : ইশরাক

৩২ মিনিট আগে | রাজনীতি

বোনকে উত্যক্তের প্রতিবাদে যুবককে হত্যা
বোনকে উত্যক্তের প্রতিবাদে যুবককে হত্যা

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘সুন্দরবনের ক্ষতিসাধনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে’
‘সুন্দরবনের ক্ষতিসাধনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে’

৩৭ মিনিট আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

ইয়েমেনিদের জন্য অস্থায়ী সুরক্ষিত মর্যাদা বাতিল ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
ইয়েমেনিদের জন্য অস্থায়ী সুরক্ষিত মর্যাদা বাতিল ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাউজানে পাইপগান ও কার্তুজ উদ্ধার
রাউজানে পাইপগান ও কার্তুজ উদ্ধার

৪৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

রুশ হামলায় সব বিদুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে: জেলেনস্কি
রুশ হামলায় সব বিদুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে: জেলেনস্কি

৪৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃমি নির্মূল করে যে পাতার রস
কৃমি নির্মূল করে যে পাতার রস

৫১ মিনিট আগে | জীবন ধারা

আনোয়ারায় তালা ভেঙে তিনটি গরু চুরি
আনোয়ারায় তালা ভেঙে তিনটি গরু চুরি

৫৯ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

হাসনাতের আসনে ভোট বাতিল ও পুনঃভোট চাইলেন ট্রাক প্রতীকের জসিম
হাসনাতের আসনে ভোট বাতিল ও পুনঃভোট চাইলেন ট্রাক প্রতীকের জসিম

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনে শত ষড়যন্ত্রেও জনগণ সুস্থ ধারার প্রতিফলন ঘটিয়েছে : ওয়ার্কার্স পার্টি
নির্বাচনে শত ষড়যন্ত্রেও জনগণ সুস্থ ধারার প্রতিফলন ঘটিয়েছে : ওয়ার্কার্স পার্টি

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পাকিস্তানে মসজিদে হামলায় জাতিসংঘের নিন্দা
পাকিস্তানে মসজিদে হামলায় জাতিসংঘের নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুন্সীগঞ্জে ভবন থেকে পড়ে প্রাণ গেল শ্রমিকের
মুন্সীগঞ্জে ভবন থেকে পড়ে প্রাণ গেল শ্রমিকের

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বলিউডে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বিষ্ণোই আতঙ্ক
বলিউডে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বিষ্ণোই আতঙ্ক

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মুন্সীগঞ্জে এসএসসি ১৯৮৩ ব্যাচের পুনর্মিলনী
মুন্সীগঞ্জে এসএসসি ১৯৮৩ ব্যাচের পুনর্মিলনী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শিখ নেতাকে হত্যায় ভাড়াটে খুনি নিয়োগের চেষ্টা, ভারতীয় দোষী সাব্যস্ত
শিখ নেতাকে হত্যায় ভাড়াটে খুনি নিয়োগের চেষ্টা, ভারতীয় দোষী সাব্যস্ত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ডন থ্রি’তে অভিনয়ের গুঞ্জন, যা বললেন হৃতিক
‘ডন থ্রি’তে অভিনয়ের গুঞ্জন, যা বললেন হৃতিক

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ভারত-পাকিস্তানের খেলোয়াড়রা কি এবার হাত মেলাবেন? যা বললেন সালমান আগা
ভারত-পাকিস্তানের খেলোয়াড়রা কি এবার হাত মেলাবেন? যা বললেন সালমান আগা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জনগণকে কনভিন্স করাই আমাদের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং: তারেক রহমান
জনগণকে কনভিন্স করাই আমাদের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং: তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তাইওয়ান ইস্যুতে ওয়াশিংটনকে সতর্ক করলো চীন
তাইওয়ান ইস্যুতে ওয়াশিংটনকে সতর্ক করলো চীন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বরিশালে চামড়ার আড়তে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ
বরিশালে চামড়ার আড়তে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ধানুশকে ২০ কোটির ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ
ধানুশকে ২০ কোটির ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পররাষ্ট্রনীতি ঠিক হবে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ সামনে রেখে : তারেক রহমান
পররাষ্ট্রনীতি ঠিক হবে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ সামনে রেখে : তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
জামায়াত গাদ্দারি না করলে ফলাফল অন্যরকম হতো: সারোয়ার তুষার
জামায়াত গাদ্দারি না করলে ফলাফল অন্যরকম হতো: সারোয়ার তুষার

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

'বিএনপি যদি ফেরাতে চায়, তবে আমার নেতাকর্মীদেরও দলে নিতে হবে'
'বিএনপি যদি ফেরাতে চায়, তবে আমার নেতাকর্মীদেরও দলে নিতে হবে'

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দুই কুল হারালেন অলি
দুই কুল হারালেন অলি

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

যে পদ্ধতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করবে নতুন সরকার
যে পদ্ধতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করবে নতুন সরকার

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জামায়াত আমিরকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা
জামায়াত আমিরকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন যাঁরা
মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন যাঁরা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথমবার সংসদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
প্রথমবার সংসদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

'নির্বাচনে যারা আমার সঙ্গে ছিলেন না তারাও নিরাপদে থাকবেন'
'নির্বাচনে যারা আমার সঙ্গে ছিলেন না তারাও নিরাপদে থাকবেন'

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

২৯৭ আসনের গেজেট প্রকাশ
২৯৭ আসনের গেজেট প্রকাশ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন ১ হাজার অতিথি
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন ১ হাজার অতিথি

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলে হান্নান মাসউদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারালেন বাবা
ছেলে হান্নান মাসউদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারালেন বাবা

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ফাঁসির মঞ্চ থেকে সংসদে যাচ্ছেন যে তিনজন
ফাঁসির মঞ্চ থেকে সংসদে যাচ্ছেন যে তিনজন

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কর্মস্থলে ফিরতে ফ্রি লঞ্চ সার্ভিসের ব্যবস্থা করলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুর
কর্মস্থলে ফিরতে ফ্রি লঞ্চ সার্ভিসের ব্যবস্থা করলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুর

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২৪ ঘণ্টায় ৬ ইসরায়েলিকে গুলি করে হত্যা, জরুরি অবস্থা জারি
২৪ ঘণ্টায় ৬ ইসরায়েলিকে গুলি করে হত্যা, জরুরি অবস্থা জারি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তারেক রহমান, শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ
তারেক রহমান, শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকার কোন আসনে কারা বিজয়ী হলেন, ব্যবধান কত
ঢাকার কোন আসনে কারা বিজয়ী হলেন, ব্যবধান কত

২২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ফুল মিষ্টি নিয়ে পরাজিত প্রার্থীর বাড়িতে আব্দুল্লাহ
ফুল মিষ্টি নিয়ে পরাজিত প্রার্থীর বাড়িতে আব্দুল্লাহ

২১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আগের পেশায় ফিরে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা: আলী রীয়াজ
আগের পেশায় ফিরে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা: আলী রীয়াজ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাহিদ ইসলামকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা
নাহিদ ইসলামকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অসচ্ছল হিন্দুদের পাশে নবনির্বাচিত এমপি কায়কোবাদ
অসচ্ছল হিন্দুদের পাশে নবনির্বাচিত এমপি কায়কোবাদ

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

চট্টগ্রামে কোন আসনে কে জয়ী
চট্টগ্রামে কোন আসনে কে জয়ী

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সংসদে যাচ্ছেন পিন্টু-টুকু দুই ভাই
সংসদে যাচ্ছেন পিন্টু-টুকু দুই ভাই

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দুই দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার হারাল ভারত
দুই দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার হারাল ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং করে এত ভোট পেয়েছেন পাটওয়ারী : মির্জা আব্বাস
নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং করে এত ভোট পেয়েছেন পাটওয়ারী : মির্জা আব্বাস

২১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রংপুর বিভাগে ৩৩ আসনে ২৭ জনই নতুন বিজয়ী
রংপুর বিভাগে ৩৩ আসনে ২৭ জনই নতুন বিজয়ী

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ময়মনসিংহে ধানের শীষের দাপট, তবে স্বতন্ত্র ও জামায়াতের চমক
ময়মনসিংহে ধানের শীষের দাপট, তবে স্বতন্ত্র ও জামায়াতের চমক

১৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রংপুরে ‘লাঙলের জানাজা’র ছবি ভাইরাল
রংপুরে ‘লাঙলের জানাজা’র ছবি ভাইরাল

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন দুর্বলতা: তারেক রহমান
জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন দুর্বলতা: তারেক রহমান

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
হারলেন যেসব হেভিওয়েট
হারলেন যেসব হেভিওয়েট

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির সাত বিদ্রোহী জয়ী
বিএনপির সাত বিদ্রোহী জয়ী

পেছনের পৃষ্ঠা

জামানত হারালেন নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না
জামানত হারালেন নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বকনিষ্ঠ এমপি হান্নান মাসউদ, বয়োজ্যেষ্ঠ খন্দকার মোশাররফ
সর্বকনিষ্ঠ এমপি হান্নান মাসউদ, বয়োজ্যেষ্ঠ খন্দকার মোশাররফ

পেছনের পৃষ্ঠা

চূড়ান্ত ফলে কার কত আসন
চূড়ান্ত ফলে কার কত আসন

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রথমবার সংসদে তাঁরা
প্রথমবার সংসদে তাঁরা

পেছনের পৃষ্ঠা

যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন তার জন্য কৃতজ্ঞ
যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন তার জন্য কৃতজ্ঞ

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রামে বিএনপির জয়ের নেপথ্যে
চট্টগ্রামে বিএনপির জয়ের নেপথ্যে

নগর জীবন

রংপুরে জাপার অহংকার চূর্ণ
রংপুরে জাপার অহংকার চূর্ণ

নগর জীবন

নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা
নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা

পেছনের পৃষ্ঠা

একটি আসনও পায়নি জাতীয় পার্টি
একটি আসনও পায়নি জাতীয় পার্টি

পেছনের পৃষ্ঠা

শত্রুদের হুঁশিয়ারি দিলেন খামেনি
শত্রুদের হুঁশিয়ারি দিলেন খামেনি

প্রথম পৃষ্ঠা

হ্যাঁ ৪ কোটি ৮০ লাখ না ২ কোটি ২৫ লাখ
হ্যাঁ ৪ কোটি ৮০ লাখ না ২ কোটি ২৫ লাখ

প্রথম পৃষ্ঠা

দৃষ্টি এখন মন্ত্রিসভায়
দৃষ্টি এখন মন্ত্রিসভায়

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজনৈতিক ধারাবাহিক সাফল্যে জামায়াত
রাজনৈতিক ধারাবাহিক সাফল্যে জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

সর্বাধিক ভোটের ব্যবধানে জয় বিএনপির আলমের
সর্বাধিক ভোটের ব্যবধানে জয় বিএনপির আলমের

পেছনের পৃষ্ঠা

বাসন্তী ভালোবাসার দিন আজ
বাসন্তী ভালোবাসার দিন আজ

পেছনের পৃষ্ঠা

অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ব্যর্থ ইউনূস
অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ব্যর্থ ইউনূস

পেছনের পৃষ্ঠা

ঢাকার ২০ আসনের ১৩টিতে বিএনপি ৭ জামায়াত জোট
ঢাকার ২০ আসনের ১৩টিতে বিএনপি ৭ জামায়াত জোট

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন
১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের বড় অংশে বিএনপির একচ্ছত্র আধিপত্য
দেশের বড় অংশে বিএনপির একচ্ছত্র আধিপত্য

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোটে জিতলেও ভাগ্য নির্ধারণ আদালতে
ভোটে জিতলেও ভাগ্য নির্ধারণ আদালতে

পেছনের পৃষ্ঠা

জয়ী হলেন সাত নারী
জয়ী হলেন সাত নারী

পেছনের পৃষ্ঠা

এনসিপির ছয় নেতা যাচ্ছেন সংসদে
এনসিপির ছয় নেতা যাচ্ছেন সংসদে

প্রথম পৃষ্ঠা

ফল স্থগিত ও পুনর্নির্বাচনের দাবি আমিনুলের
ফল স্থগিত ও পুনর্নির্বাচনের দাবি আমিনুলের

পেছনের পৃষ্ঠা

গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

চার জেলায় সব আসন জামায়াতের
চার জেলায় সব আসন জামায়াতের

দেশগ্রাম

ক্ষমতার নয়, মানুষের রাজনীতি করি
ক্ষমতার নয়, মানুষের রাজনীতি করি

নগর জীবন

রেকর্ড গড়ে দেশের নেতৃত্বে তারেক রহমান
রেকর্ড গড়ে দেশের নেতৃত্বে তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

২০৩০ সাল পর্যন্ত ব্রাজিলের সঙ্গী আনচেলত্তি
২০৩০ সাল পর্যন্ত ব্রাজিলের সঙ্গী আনচেলত্তি

মাঠে ময়দানে