কাতার অভিযোগ তুলেছে, ইরানের লক্ষ্য শুধু সামরিক স্থাপনা নয়, পুরো কাতারের ভূখণ্ডই তাদের নিশানায় রয়েছে। এক সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেন কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল আনসারি।
তিনি জানান, হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার একাধিক চেষ্টা করা হয়েছিল, তবে সবগুলোই ব্যর্থ হয়েছে। আকাশসীমা বন্ধ থাকায় ট্রানজিটে থাকা প্রায় ৮ হাজার যাত্রী বর্তমানে কাতারে আটকা পড়ে আছেন।
মাজেদ আল আনসারি বলেন, ইরানের সঙ্গে বর্তমানে কোনো যোগাযোগ সচল নেই। সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে আগে থেকে কোনো সতর্কবার্তা বা বিজ্ঞপ্তিও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, কাতারের ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ শেষ হয়ে যায়নি। বর্তমান হুমকি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত সক্ষমতা তাদের রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আকাশসীমা লঙ্ঘনের প্রসঙ্গও তোলা হয়। মুখপাত্রের ভাষ্য, গত সোমবার যে ইরানি যুদ্ধবিমানগুলো ভূপাতিত করা হয়েছে, সেগুলো সতর্কবার্তা দেওয়ার পরও কাতারের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছিল এবং দোহার দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। কাতার এখনও ওই বিমানগুলোর ক্রুদের সন্ধান করছে।
মোসাদ সেলের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কাতারে এমন কোনো সেলের বিষয়ে তাদের কাছে তথ্য নেই। মার্কিন সংবাদকর্মী টাকার কার্লসনের দাবির প্রেক্ষিতে এই মন্তব্য করা হয়।
মাজেদ আল আনসারি আরও বলেন, কাতার প্রমাণ করেছে হুমকি দিয়ে কাতারকে দমানো যাবে না। তারা পুরোপুরি প্রস্তুত। এই ধরনের হামলা জবাবহীন রাখা হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।
সূত্র: আল-জাজিরা
বিডি প্রতিদিন/আশিক