শিরোনাম
প্রকাশ: ১৯:৫৭, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ২২:০৭, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ, ২০২৬

বিপর্যস্ত যুদ্ধবিমানের মার্কিন পাইলটদের মারতে এল কুয়েতিরা, ট্রাম্পের জন্য অশনি সংকেত!

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
বিপর্যস্ত যুদ্ধবিমানের মার্কিন পাইলটদের মারতে এল কুয়েতিরা, ট্রাম্পের জন্য অশনি সংকেত!

মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে ঘনীভূত হওয়া যুদ্ধের কুয়াশা এখন মার্কিন বিমানবাহিনীর জন্য এক রক্তক্ষয়ী অধ্যায়ের সূচনা করেছে। অপারেশন এপিক ফিউরির তৃতীয় দিনে ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে পেন্টাগন। গত ২ মার্চ কুয়েতের আকাশসীমায় কুয়েতি বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর ফ্রেন্ডলি ফায়ারে (ভুলবশত চালানো গোলার আঘাতে) মার্কিন বিমানবাহিনীর তিনটি অত্যাধুনিক এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এই ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল যখন মার্কিন প্রশাসন দাবি করছিল যে তারা ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে প্রায় পঙ্গু করে দিয়েছে। কিন্তু রণক্ষেত্রের বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন কথা, যেখানে সমন্বয়হীনতা আর বিশৃঙ্খলা চরম আকার ধারণ করেছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিধ্বস্ত হওয়ার মুহূর্তে বিমানগুলো ইরানের দিক থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পাল্টা জবাব দিতে কুয়েতের আকাশে অবস্থান করছিল। তীব্র উত্তেজনার মাঝে কুয়েতি রাডার এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই আমেরিকান বিমানগুলোকে শত্রুপক্ষ হিসেবে শনাক্ত করে ভুলবশত আঘাত হানে। অত্যন্ত আধুনিক ই-পাউস ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্যুট এবং এএন/এপিজি-৭০ রাডার থাকা সত্ত্বেও এই দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়নি। যদিও বিমানের ভেতরে থাকা তিন পাইলট এবং তিনজন ওয়েপন সিস্টেম অফিসার সফলভাবে প্যারাসুটের মাধ্যমে নিচে নামতে সক্ষম হয়েছেন এবং বর্তমানে তারা স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন।

কুয়েত সরকার ইতিমধ্যে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের দায় স্বীকার করে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে। তবে এই ঘটনাটি কেবল একটি কারিগরি ত্রুটি নয় বরং মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদেশগুলোর মধ্যে আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণ ও পারস্পরিক সমন্বয়ের গভীর সংকটকে প্রকাশ করে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধের ময়দানে যখন শত শত ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র চারপাশ থেকে আসতে থাকে, তখন নিজের আর শত্রুর বিমানের পার্থক্য বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে। এই ‘ফগ অফ ওয়ার’ (যুদ্ধের অস্পষ্টতা) এখন মার্কিন কৌশলের ওপর বড় প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছে, যা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি জটিল হয়ে উঠছে।

বিমানের ধ্বংসস্তূপ এবং পাইলটরা যখন কুয়েতের লোকালয়ে এসে পৌঁছান, তখন সেখানে এক অনাকাঙ্ক্ষিত দৃশ্যের অবতারণা হয়। স্থানীয় কুয়েতি নাগরিকদের একটি বড় অংশ মার্কিন পাইলটদের প্রতি সহমর্মিতা দেখানোর বদলে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে। উত্তেজিত জনতার ভিড়ে অনেককে লাঠিসোঁটা হাতে দেখা যায়, যারা এই যুদ্ধের জন্য আমেরিকাকে সরাসরি দায়ী করছেন। সাধারণ মানুষের মতে, ওয়াশিংটন অযথা ‘ইরানি বাঘকে’ খোঁচানোর ফলে আজ পুরো মধ্যপ্রাচ্য ধ্বংসের মুখে পড়েছে এবং তাদের জীবন বিপন্ন হয়ে উঠেছে। এই দৃশ্যগুলো আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে আসার পর মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের নৈতিক ভিত্তি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মার্কিন ও ইসরায়েলি পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হচ্ছিল, ইরানের আক্রমণাত্মক ক্ষমতা প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ইরান এখনো পুরো অঞ্চলে বৃষ্টির মতো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এই নিরবচ্ছিন্ন হামলার মুখে মার্কিন ও তাদের মিত্র দেশগুলো এতটাই দিশেহারা যে তারা এখন ভুলবশত নিজেদের ওপরই হামলা চালাচ্ছে। পেন্টাগনের গোয়েন্দা তথ্যের সঙ্গে রণক্ষেত্রের এই আকাশ-পাতাল পার্থক্য এখন ট্রাম্প প্রশাসনের আগের দাবিগুলোকে হাস্যকর করে তুলছে। ইরানের এই তীব্র প্রতিরোধ যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি বদলে দিয়েছে এবং একতরফা জয়ের মার্কিন স্বপ্ন ফিকে হয়ে আসছে।

যে এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগলগুলো বিধ্বস্ত হয়েছে, সেগুলো মার্কিন বিমানবাহিনীর আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। দুই ইঞ্জিন বিশিষ্ট এই যুদ্ধবিমানগুলো শব্দের চেয়ে আড়াই গুণ বেশি গতিতে উড়তে সক্ষম এবং এটি প্রায় ৬০ হাজার ফুট উচ্চতায় অভিযান পরিচালনা করতে পারে। বিমানগুলোতে পারমাণবিক বোমা বহন করার ক্ষমতা থাকলেও আধুনিক যুগের ড্রোন ও মিসাইল যুদ্ধের সামনে এগুলোর সীমাবদ্ধতা ধরা পড়ছে। যদিও মার্কিন বিমানবাহিনী এখন এই পুরনো প্রযুক্তির বদলে আরও দামি এফ-১৫ইএক্স ইগল-২ নিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে কিন্তু এই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে সেই প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া যথেষ্ট ধীরগতিতে এগোচ্ছে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ব্র্যান্ডন জে. উইকার্ট মনে করেন, এই ঘটনাটি মার্কিন সামরিক শক্তির শ্রেষ্ঠত্বের দাবির ওপর একটি বড় চপেটাঘাত। বছরের পর বছর ধরে কোটি কোটি ট্যাক্স ডলার খরচ করে এই বিমানগুলোর সেন্সর এবং ট্র্যাকিং সিস্টেম উন্নত করা হলেও আসল যুদ্ধের ময়দানে সেগুলো কুয়েতি রাডারের ভুল শনাক্তকরণ থেকে রক্ষা পায়নি। এটি স্পষ্ট করে দিচ্ছে, প্রযুক্তির যতই উন্নতি হোক না কেন, বিশৃঙ্খল এবং দীর্ঘমেয়াদী আঞ্চলিক যুদ্ধে কোনো পক্ষই নিরাপদ নয়। বিশেষ করে যখন স্থানীয় জনগণের সমর্থন হারানো শুরু হয়, তখন সেই যুদ্ধের ভবিষ্যৎ আরও অন্ধকার হয়ে পড়ে।

শেষ পর্যন্ত এই দুর্ঘটনাটি একটি বৃহত্তর সতর্কবার্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। অপারেশন এপিক ফিউরি যে একটি সংক্ষিপ্ত এবং সহজ যুদ্ধ হবে না, তার প্রমাণ মিলছে প্রতিটি ধাপে। বন্ধুপ্রতিম দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় নিজেদের বিমান ধ্বংস হওয়া এবং জনরোষের মুখে পড়া পেন্টাগনের জন্য এক চরম বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। ইরান যুদ্ধের এই রক্তক্ষয়ী শুরু বুঝিয়ে দিচ্ছে, সামনের দিনগুলোতে মার্কিন বিমানবাহিনীকে আরও কঠিন এবং অনিশ্চিত পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হবে।


সূত্র: নাইনটিন ফোরটি ফাইভ

বিডি প্রতিদিন/নাজমুল
 

এই বিভাগের আরও খবর
ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান
ইরানের তেলসম্পদ দখলের ষড়যন্ত্র করছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের তেলসম্পদ দখলের ষড়যন্ত্র করছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব তুরস্কের
ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব তুরস্কের
মোজতবা খামেনিকে বেছে নেওয়া ‘বড় ভুল’ বললেন ট্রাম্প
মোজতবা খামেনিকে বেছে নেওয়া ‘বড় ভুল’ বললেন ট্রাম্প
সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর
সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর
ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?
ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র
সর্বশেষ খবর
রাজধানীতে ৪৭টি মানুষের মাথার খুলি-হাড় উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪
রাজধানীতে ৪৭টি মানুষের মাথার খুলি-হাড় উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪

২০ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের তেলসম্পদ দখলের ষড়যন্ত্র করছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের তেলসম্পদ দখলের ষড়যন্ত্র করছে যুক্তরাষ্ট্র

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নর্দান ইউনিভার্সিটিতে ইফতার ও দোয়া মাহফিল
নর্দান ইউনিভার্সিটিতে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মিরপুরে বাণিজ্যিক ভবনে আগুন, চিকিৎসাধীন দু’জনের মৃত্যু
মিরপুরে বাণিজ্যিক ভবনে আগুন, চিকিৎসাধীন দু’জনের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জ্বালানি তেলের সংকট বেশি এশিয়ায়
জ্বালানি তেলের সংকট বেশি এশিয়ায়

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে নিয়ে পশ্চিমাদের যতো সংশয়
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে নিয়ে পশ্চিমাদের যতো সংশয়

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

গুম-খুনের শিকার ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে শেকৃবিতে ইফতার
গুম-খুনের শিকার ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে শেকৃবিতে ইফতার

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ছাত্রদলের ১১৮৮টি কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
ছাত্রদলের ১১৮৮টি কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব তুরস্কের
ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব তুরস্কের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে বাস্তবায়ন হবে: অর্থমন্ত্রী
‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে বাস্তবায়ন হবে: অর্থমন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

মোজতবা খামেনিকে বেছে নেওয়া ‘বড় ভুল’ বললেন ট্রাম্প
মোজতবা খামেনিকে বেছে নেওয়া ‘বড় ভুল’ বললেন ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর
সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাঙামাটিতে এনসিপির আহ্বায়কসহ ৮৭ জনের পদত্যাগ
রাঙামাটিতে এনসিপির আহ্বায়কসহ ৮৭ জনের পদত্যাগ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?
ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চকরিয়ায় নদীতে গোসলে নেমে ২ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু
চকরিয়ায় নদীতে গোসলে নেমে ২ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেপাল সরকার ও জনগণকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিনন্দন
নেপাল সরকার ও জনগণকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিনন্দন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টঙ্গীতে বাসা থেকে যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
টঙ্গীতে বাসা থেকে যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খাগড়াছড়িতে ফিলিং স্টেশন ও ফলের বাজারে জেলা প্রশাসনের অভিযান
খাগড়াছড়িতে ফিলিং স্টেশন ও ফলের বাজারে জেলা প্রশাসনের অভিযান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ থেকে মালাক্কা: প্রণালীই কেন আধিপত্যের হাতিয়ার?
হরমুজ থেকে মালাক্কা: প্রণালীই কেন আধিপত্যের হাতিয়ার?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জনগণের স্বার্থের বাইরে কিছু করা যাবে না : পানিসম্পদ মন্ত্রী
জনগণের স্বার্থের বাইরে কিছু করা যাবে না : পানিসম্পদ মন্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘মেডিটেশনের’ নির্দেশনা
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘মেডিটেশনের’ নির্দেশনা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্বাসঘাতক জেনারেলকে ফাঁসি দিল ইরান?
বিশ্বাসঘাতক জেনারেলকে ফাঁসি দিল ইরান?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপনে ইরান থেকে তেল আমদানি, এখন বিপাকে মিয়ানমার
গোপনে ইরান থেকে তেল আমদানি, এখন বিপাকে মিয়ানমার

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পরই প্রথম যে পদক্ষেপ নিলেন মোজতবা খামেনি
নতুন সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পরই প্রথম যে পদক্ষেপ নিলেন মোজতবা খামেনি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ চলবে আর কত দিন? মুখ খুললেন ট্রাম্প
যুদ্ধ চলবে আর কত দিন? মুখ খুললেন ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতিদিন ১০০ কোটি ডলার খরচ : যুদ্ধ নিয়ে মহাবিপদে ট্রাম্প খুঁজছে বাঁচার উপায়
প্রতিদিন ১০০ কোটি ডলার খরচ : যুদ্ধ নিয়ে মহাবিপদে ট্রাম্প খুঁজছে বাঁচার উপায়

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ
ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?
বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা
নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ লাইভ: এক নজরে সর্বশেষ আপডেট
ইরান যুদ্ধ লাইভ: এক নজরে সর্বশেষ আপডেট

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করছে ইসরায়েল
হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করছে ইসরায়েল

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ থামানোর ডাক: নিউ ইয়র্কে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদ (দেখুন ছবিতে)
যুদ্ধ থামানোর ডাক: নিউ ইয়র্কে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদ (দেখুন ছবিতে)

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের এক সপ্তাহ পরে ইরানের বাসিন্দারা যেভাবে আছেন, যা বলছেন
যুদ্ধের এক সপ্তাহ পরে ইরানের বাসিন্দারা যেভাবে আছেন, যা বলছেন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম, যা বললেন ট্রাম্প
লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম, যা বললেন ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাইপ্রাসে ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন তুরস্কের
সাইপ্রাসে ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন তুরস্কের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামলায় অবৈধভাবে ‘সাদা ফসফরাস’ ছুড়েছে ইসরায়েল
হামলায় অবৈধভাবে ‘সাদা ফসফরাস’ ছুড়েছে ইসরায়েল

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন নেতা মোজতবা খামেনির অধীনে ইসরায়েলের দিকে ইরানের প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ
নতুন নেতা মোজতবা খামেনির অধীনে ইসরায়েলের দিকে ইরানের প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিজ ভূখণ্ডে যুদ্ধবিমান উড়ার বিষয়ে যে ব্যাখ্যা দিল সৌদি আরব
নিজ ভূখণ্ডে যুদ্ধবিমান উড়ার বিষয়ে যে ব্যাখ্যা দিল সৌদি আরব

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামায়াত নেতা ডা. তাহের ও রফিকুল ইসলামের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ
জামায়াত নেতা ডা. তাহের ও রফিকুল ইসলামের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতকে রাশিয়ার তেল কেনার অনুমতি নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলো ট্রাম্প প্রশাসন
ভারতকে রাশিয়ার তেল কেনার অনুমতি নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলো ট্রাম্প প্রশাসন

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাবার চেয়েও কঠোর মোজতবাকে বেছে নেওয়ার পেছনে যে কারণ : ইসরায়েল-আমেরিকার গলায় কাঁটা
বাবার চেয়েও কঠোর মোজতবাকে বেছে নেওয়ার পেছনে যে কারণ : ইসরায়েল-আমেরিকার গলায় কাঁটা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব
ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর
ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর
সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ মার্কিন দূতাবাস কর্মীদের
সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ মার্কিন দূতাবাস কর্মীদের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ

প্রথম পৃষ্ঠা

যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ
যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...
বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...

শোবিজ

রমজান নিয়ে দিলারা জামান
রমজান নিয়ে দিলারা জামান

শোবিজ

স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান
স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা
রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা

শোবিজ

৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

পেছনের পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি
ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি

মাঠে ময়দানে

চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত
চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত

পেছনের পৃষ্ঠা

ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি
ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি

শোবিজ

যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা
শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা

মাঠে ময়দানে

শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি
শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি

প্রথম পৃষ্ঠা

শিরোপার জয়জয়কার ভারতের
শিরোপার জয়জয়কার ভারতের

মাঠে ময়দানে

মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন
মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন সিটি নির্বাচন কবে?
তিন সিটি নির্বাচন কবে?

পেছনের পৃষ্ঠা

নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ
নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন
মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন

নগর জীবন

দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

দেশগ্রাম

মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’

প্রথম পৃষ্ঠা

জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট

প্রথম পৃষ্ঠা

সোনার দাম আবারও কমল
সোনার দাম আবারও কমল

পেছনের পৃষ্ঠা

দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

নীতি দুর্বলতায় চাপে অর্থনীতি
নীতি দুর্বলতায় চাপে অর্থনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

ইমিসহ তিনজনের জামিন আবেদন নাকচ
ইমিসহ তিনজনের জামিন আবেদন নাকচ

পেছনের পৃষ্ঠা

রিহানার বাড়িতে গুলি
রিহানার বাড়িতে গুলি

শোবিজ

কান থেকে দুল ছিঁড়ে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী
কান থেকে দুল ছিঁড়ে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী

পেছনের পৃষ্ঠা

ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে মারধর ছিনতাই
ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে মারধর ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা