শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:৪৭, বুধবার, ০৪ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ১৪:০৫, বুধবার, ০৪ মার্চ, ২০২৬

কোন দিকে মোড় নিচ্ছে ইরান যুদ্ধ, বিবিসির বিশ্লেষণ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
কোন দিকে মোড় নিচ্ছে ইরান যুদ্ধ, বিবিসির বিশ্লেষণ

গত শনিবার থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালাচ্ছে। এরই মধ্যে ইরানে ১৭৬ শিশুসহ প্রায় এক হাজার ১০০ বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছে। 

ইরানও তাৎক্ষণিক পাল্টা হামলা চালাতে শুরু করে। দেশটি ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে। ফলে এটি ইতোমধ্যে একটি আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিয়েছে। 

যেহেতু ইরান তাদের উপসাগরীয় প্রতিবেশী ও যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র আরব দেশগুলোতে মার্কিন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনায় ব্যাপকভাবে হামলা অব্যাহত রেখেছে। তাই যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমশ অবনতির দিকে যাচ্ছে।

এ নিয়ে একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। এতে বলা হয়েছে, এই যুদ্ধ কখন, কীভাবে শেষ হবে, সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার সময় এখনও আসেনি। একবার যুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে তা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে যুদ্ধে লিপ্ত পক্ষগুলো কীভাবে এর সমাপ্তি টানতে চায়, তার কিছু সম্ভাব্য উপায় খুঁজে দেখ যাক।

ট্রাম্পের কাছে বিজয়ের সংজ্ঞা

ফ্লোরিডার বাসভবন মার-এ-লাগো থেকে এক ভিডিও বার্তায় যুদ্ধ শুরুর ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর পর থেকেই তিনি বরাবরের মতো মার্কিন শক্তির ব্যাপারে চরম আত্মবিশ্বাস দেখিয়ে আসছেন। অন্য কোনও প্রেসিডেন্ট হলে হয়তো ওভাল অফিসের রেজোলিউট ডেস্কের সামনে বসে গম্ভীর মুখে এ ধরনের ভাষণ দিতেন।

কিন্তু ট্রাম্প পরেছিলেন একটি ওপেন-নেক শার্ট ও মাথায় ছিল সাদা রঙের বেসবল ক্যাপ, যা তার চোখ পর্যন্ত ঢেকে রাখছিল। তিনি ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘ অভিযোগের তালিকা তুলে ধরেন। তার দাবি, ইরান ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্রাম্প যেকোনও সময় তার মত বদলাতে পারেন। তবে ওই ভাষণে তিনি তার নিজের মতো করে বিজয়ের একটি সংজ্ঞা দাঁড় করিয়েছেন। এটি একটি তালিকার মতো:

‘আমরা তাদের সব ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে দেব এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনশিল্পকে ধূলিসাৎ করে দেব। এটি আবারও পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হবে।’

‘আমরা তাদের নৌবাহিনীকে ধ্বংস করে ফেলব।’

‘আমরা নিশ্চিত করব যেন এই অঞ্চলের সন্ত্রাসী প্রক্সি গোষ্ঠীগুলো আর কখনও মধ্যপ্রাচ্য বা বিশ্বকে অস্থিতিশীল করতে না পারে। তারা যেন আমাদের বাহিনীর ওপর হামলা চালাতে না পারে। তারা যেন আর আইইডি বা রাস্তার ধারের বোমা ব্যবহার করে অসংখ্য মার্কিন নাগরিকসহ হাজার হাজার মানুষকে হত্যা বা গুরুতর আহত করতে না পারে।’

ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান এমন সব ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে, যা যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম। যদিও  এই দাবির পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা মূল্যায়ন পাওয়া যায়নি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট এটাও দাবি করেন, ইরান পারমাণবিক বোমা তৈরির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে, যা গত গ্রীষ্মে দেওয়া তার নিজের বক্তব্যেরই বিরোধী। সেখানে তিনি বলেছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ‘গুঁড়িয়ে’ দিয়েছে।

ট্রাম্প বিশ্বাস করেন, ইসরায়েলকে সঙ্গে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র তেহরান সরকারকে পঙ্গু করে দিতে পারবে।

যদি ইরান আত্মসমর্পণ না-ও করে, তবু তারা এমনভাবে বিপর্যস্ত হবে যে, ইরানের জনগণের সামনে রাজপথে নেমে ক্ষমতা দখলের সবচেয়ে বড় সুযোগ তৈরি হবে। ইরানের কয়েক প্রজন্মের মধ্যে এমন সুযোগ আর আসেনি।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “আমাদের কাজ শেষ হলে, আপনারা আপনাদের সরকারের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেবেন। এটা তখন আপনাদেরই হয়ে যাবে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এটাই হয়তো আপনাদের একমাত্র সুযোগ। বছরের পর বছর ধরে আপনারা যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য চেয়েছেন, কিন্তু পাননি। আজ রাতে আমি যা করতে রাজি হয়েছি, অন্য কোনও প্রেসিডেন্ট তা করতে রাজি ছিলেন না। এখন আপনারা এমন একজন প্রেসিডেন্ট পেয়েছেন, যিনি আপনাদের কাঙ্ক্ষিত জিনিসটি দিচ্ছেন। তো চলুন দেখি আপনারা কীভাবে এতে সাড়া দেন।”

ইরানের জনগণকে সরাসরি উসকে দিলেও, শাসকগোষ্ঠী পরিবর্তনের দায়িত্বটা তাদের ঘাড়েই চাপিয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। এর মাধ্যমে, যদি (ইরানের) শাসকগোষ্ঠী টিকেও যায়, ট্রাম্পের জন্য এই দায় এড়ানোর একটি সম্ভাব্য পথ খোলা থাকবে।

তবে এটাকে পুরো প্রক্রিয়া শেষ করা যুক্তরাষ্ট্রের একটি নৈতিক দায়িত্ব হিসেবেও দেখা যেতে পারে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট মনে করেন ‘সবকিছুতেই কোনও না কোনও চুক্তি করা সম্ভব’, তাকে এই নৈতিকতা কতটা প্রভাবিত করবে- সেটি একটি বড় প্রশ্ন।

শুধু আকাশপথে হামলা চালিয়ে কোনও সুসজ্জিত শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হওয়া বা সরকার পরিবর্তনের কোনও নজির বিশ্বে নেই।

সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও তাদের মিত্ররা ইরাকে বড় পরিসরে পদাতিক বাহিনী পাঠিয়েছিল।

২০১১ সালে লিবিয়ার কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যুত করেছিল বিদ্রোহী বাহিনী। ন্যাটো ও উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের অস্ত্র সরবরাহ করেছিল এবং আকাশপথে সুরক্ষা দিয়েছিল।

ট্রাম্প আশা করছেন, ইরানের জনগণ এই কাজটা নিজেরাই করতে পারবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই পরিকল্পনা একটি বিশাল বাজি। শুধু বোমা মেরে সরকার পতন ঘটানোর এই কৌশলের সফল হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই কম।

দেশটিতে কি পশ্চিমা-পন্থী কোনও অভ্যন্তরীণ অভ্যুত্থান হতে পারে? অসম্ভব নয়, তবে যুদ্ধের এই পর্যায়ে এটিকে বেশ অস্বাভাবিক বলেই মনে হচ্ছে।

বরং এর চেয়ে এটাই বেশি সম্ভব যে বর্তমানে যারা সরকার পরিচালনা করছেন তারা আরও মরিয়া হয়ে উঠবেন এবং আরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়বেন। তারা নিজেদের আদর্শে বলীয়ান হয়ে এই বিশ্বাস নিয়ে লড়বেন যে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল বা আরব দেশগুলোর চেয়ে তারা বেশি আঘাত সহ্য করতে সক্ষম।

তবে এই সংঘাতের সবচেয়ে বড় শিকার হবেন দীর্ঘকাল ধরে কষ্ট ভোগ করা সাধারণ ইরানি জনগণ। অথচ এ বিষয়ে তাদের কোনও মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই।

নেতানিয়াহুর হিসাবনিকাশ

ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও ইরানিদের নিজেদের ভাগ্য নিজের হাতে তুলে নেওয়ার জন্য উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন।

তবে তারা যদি শাসকগোষ্ঠীর নিরাপত্তা বাহিনীকে পরাস্ত করতে না পারে, সেক্ষেত্রে নেতানিয়াহুর প্রধান লক্ষ্য হবে ইরানের সামরিক সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দেওয়া। একই সঙ্গে এই অঞ্চলে নতুন করে মিলিশিয়া বাহিনী গড়ে তোলার যে ক্ষমতা ইরানের রয়েছে, যা ইসরায়েলের জন্য হুমকি হতে পারে, সেটিও নষ্ট করতে চাইবেন তিনি।

কয়েক দশক ধরেই নেতানিয়াহু ইরানকে ইসরায়েলের সবচেয়ে ভয়ংকর শত্রু হিসেবে দেখে আসছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, ইহুদি রাষ্ট্রকে ধ্বংস করতে ইরানের শাসকেরা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চান।

অন্যদিকে (ইরানের) শাসকগোষ্ঠীর কাছে বিজয়ের সংজ্ঞা হলো টিকে থাকা। আর এটি নিশ্চিত করতে তারা নিজেদের চারপাশে এক দুর্ভেদ্য সুরক্ষাবলয় তৈরি করেছে।

তাদের রয়েছে শক্তিশালী ও নির্মম নিরাপত্তা, দমন ও পীড়নমূলক এক বিশাল বাহিনী। গত জানুয়ারিতে নির্দেশ পেয়ে এই বাহিনীর সদস্যরাই রাস্তায় নেমে হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে হত্যা করেছিল।

এখন পর্যন্ত—এবং এই লেখাটি যখন লেখা হচ্ছিল তখন যুদ্ধের মাত্র তৃতীয় দিন—ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর মনোবল ভেঙে পড়ার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না, যেমনটা ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আসাদ (সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ) মস্কোতে পালিয়ে যাওয়ার পর তার বাহিনীর ক্ষেত্রে ঘটেছিল।

প্রথাগত সশস্ত্র বাহিনী ও সুসজ্জিত পুলিশের পাশাপাশি দেশটিতে রয়েছে ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি)। দেশে ও দেশের বাইরে ইরান সরকারকে রক্ষা করার সুস্পষ্ট দায়িত্ব এই বাহিনীর ওপর ন্যস্ত।

এটি মূলত ‘ভেলায়েত-ই ফকিহ’ বা ইসলামি আইনবিদদের অভিভাবকত্বের পেছনে পেশিশক্তি হিসেবে কাজ করে। এটিই ইরানের ইসলামি বিপ্লবের মূল মতবাদ, যা শিয়া ধর্মীয় নেতাদের শাসনকে বৈধতা দেয়।

ধারণা করা হয়, আইআরজিসির ১ লাখ ৯০ হাজার নিয়মিত সেনা ও প্রায় ৬ লাখ অনিয়মিত সেনা রয়েছে। ধর্মীয় মতবাদের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতির বড় একটি অংশও তারা নিয়ন্ত্রণ করে। তাই আনুগত্য ধরে রাখার পেছনে এই নেতাদের আদর্শিক কারণের পাশাপাশি আর্থিক কারণও রয়েছে।

আইআরজিসিকে সহায়তা করে ‘বাসিজ’ নামের একটি আধা-সামরিক স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী। আনুমানিক সাড়ে চার লাখ সদস্যের এই বাহিনীর যেমন সরকারের প্রতি আনুগত্যের সুখ্যাতি রয়েছে, তেমনি তাদের বিরুদ্ধে দস্যুতার অভিযোগ রয়েছে।

২০০৯ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের পর তেহরানে যখন বিক্ষোভ শুরু হয়, তখন সরকারের প্রতিরক্ষার প্রথম সারিতে আমি তাদের কাজ করতে দেখেছি। তারা রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের হুমকি দিত এবং লাঠি ও রাবারের ডান্ডা দিয়ে ব্যাপক মারধর করত।

তাদের পেছনে থাকত ভারী অস্ত্রে সজ্জিত পুলিশ ও আইআরজিসির সদস্যরা। বাসিজ বাহিনীর দ্রুতগতির মোটরসাইকেল স্কোয়াডও ছিল, যারা শহরের যেকোনো প্রান্তে ভিন্নমত বা বিক্ষোভ দমাতে ছুটে যেত।

ডোনাল্ড ট্রাম্প আইআরজিসি ও বাসিজ বাহিনীকে অস্ত্র সমর্পণ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। অন্যথায় তাদের নিশ্চিত মৃত্যুর হুমকি দিয়ে বলেছেন, ‘এর পরিণতি খুব একটা সুখকর হবে না।’

তবে ট্রাম্পের এই হুমকিতে ইরান সরকারের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মত বদলানোর সম্ভাবনা খুবই কম।

কারণ, ইসলামি প্রজাতন্ত্র (ইরান) ও শিয়া ইসলাম শাহাদাতের (শহীদ হওয়ার) আদর্শে উদ্বুদ্ধ।

গত রবিবার কয়েক ঘণ্টা ধরে সরকারিভাবে দাবি করা হচ্ছিল যে, সর্বোচ্চ নেতা নিরাপদ ও সুস্থ আছেন। এরপর রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক সংবাদপাঠক কাঁদতে কাঁদতে খামেনির মৃত্যুর খবর ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, সর্বোচ্চ নেতা শাহাদাতের পবিত্র ও সুমিষ্ট সুধা পান করেছেন।

ইরান বিষয়ে অনেক জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক ধারণা করছেন, যখন পুরো বিশ্ব মনে করছিল যেকোনও মুহূর্তে হামলা হতে পারে, তখনও আয়াতুল্লাহ খামেনি তার জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টাদের নিয়ে তেহরানের বাসভবনে বৈঠক চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কারণ, তিনি নিজেই শাহাদাত বরণ করতে চেয়েছিলেন।

এই সরকারের প্রতি অনুগত একটি বড় বেসামরিক গোষ্ঠী রয়েছে। সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার পর, ৪০ দিনের শোক পালনের প্রথম দিনেই তেহরানের রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ নেমে আসে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় চারদিকে যখন ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠছিল, তখনও তারা শহরের বিভিন্ন চত্বরে জড়ো হয়ে মোমবাতি ও মুঠোফোনের ফ্ল্যাশলাইট জ্বালিয়ে শোক প্রকাশ করেছেন।

খারাপ নজির

মার্কিনিরা বিশ্বাস করে যে, এবার ইসরায়েলকে সঙ্গে নিয়ে তাদের বিপুল সামরিক শক্তি কোনও বড় ধরনের বিপর্যয় ছাড়াই শত্রুপক্ষের সরকার পরিবর্তন করতে পারবে।

তবে অতীতের নজিরগুলো মোটেও ভালো নয়। ২০০৩ সালে ইরাকের সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করার ফলে সেখানে এক ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে এসেছিল। বছরের পর বছর ধরে চলা সেই যুদ্ধ উগ্রবাদী গোষ্ঠীর জন্ম দিয়েছে, যাদের অস্তিত্ব এখনও রয়ে গেছে।

লিবিয়া এমন একটি দেশ ছিল, যার তেলের মজুত দিয়ে এর ছোট জনসংখ্যার মানুষের পশ্চিমা মানের জীবনযাপন নিশ্চিত করা সম্ভব ছিল। কিন্তু গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যুত ও হত্যা করার ১৫ বছর পর দেশটি আজ একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত, দরিদ্র ও ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।

যেসব পশ্চিমা দেশ তার পতন ত্বরান্বিত করেছিল এবং এ নিয়ে উদযাপন করেছিল, দেশটি টুকরা টুকরা হয়ে যাওয়ার পর তারা খুব সহজেই নিজেদের দায় এড়িয়ে গেছে।

ইরান একটি বিশাল দেশ। এটি ইরাকের চেয়ে প্রায় তিন গুণ বড়। দেশটিতে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ৯ কোটির বেশি মানুষের বসবাস।

যদি সত্যিই ইরান সরকারের পতন ঘটে, তবে এর পরিণতি হতে পারে চরম ভয়াবহ। এর ফলে যে বিশৃঙ্খলা, অরাজকতা ও রক্তপাত শুরু হবে, তা সিরিয়া ও ইরাকের সেই গৃহযুদ্ধকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে, যেখানে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে। এর ফলে তেহরান সরকার যদি টিকে-ও যায়, তবু মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণ পুরোপুরি বদলে যাবে।

এই সরকারের পতন হলে বহু ইরানি, সম্ভবত বেশির ভাগ মানুষই উল্লাস প্রকাশ করবে। কিন্তু গায়ের জোরে একটি শাসকগোষ্ঠীকে সরিয়ে সেখানে শান্তিপূর্ণ ও সুসংহত একটি বিকল্প দাঁড় করানো হবে এক বিশাল চ্যালেঞ্জ।

ট্রাম্প বাজি ধরেছেন যে এটি সম্ভব এবং এই যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যকে আরও উন্নত ও নিরাপদ একটি জায়গায় পরিণত করবে। এমনটি ঘটার সম্ভাবনা খুবই চ্যালেঞ্জিং। সূত্র: বিবিসি বাংলা

বিডি প্রতিদিন/একেএ
 

এই বিভাগের আরও খবর
ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে হামলা, বাহরাইনে বড় বিস্ফোরণ
ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে হামলা, বাহরাইনে বড় বিস্ফোরণ
হরমুজ প্রণালিতে ড্রোন পাঠানোর কথা ভাবছে যুক্তরাজ্য
হরমুজ প্রণালিতে ড্রোন পাঠানোর কথা ভাবছে যুক্তরাজ্য
মধ্যপ্রাচ্যে ৩ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা
মধ্যপ্রাচ্যে ৩ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা
মিত্রদের ওপর ইরানের হামলাকে ‘অপ্রত্যাশিত’ বললেন ট্রাম্প
মিত্রদের ওপর ইরানের হামলাকে ‘অপ্রত্যাশিত’ বললেন ট্রাম্প
জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন
জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন
প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্যস্থল না করতে ইরানের প্রতি আহ্বান হামাসের
প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্যস্থল না করতে ইরানের প্রতি আহ্বান হামাসের
ইরাকে বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৬ মার্কিন সেনার নাম প্রকাশ
ইরাকে বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৬ মার্কিন সেনার নাম প্রকাশ
ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প
মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর খবর নাকচ করল ফ্রান্স
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর খবর নাকচ করল ফ্রান্স
হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা হয়নি: আব্বাস আরাগচি
হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা হয়নি: আব্বাস আরাগচি
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৮২৬
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৮২৬
সর্বশেষ খবর
আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

এই মাত্র | অর্থনীতি

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে ঈদের জামা
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে ঈদের জামা

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে হামলা, বাহরাইনে বড় বিস্ফোরণ
ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে হামলা, বাহরাইনে বড় বিস্ফোরণ

৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে ড্রোন পাঠানোর কথা ভাবছে যুক্তরাজ্য
হরমুজ প্রণালিতে ড্রোন পাঠানোর কথা ভাবছে যুক্তরাজ্য

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে ৩ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা
মধ্যপ্রাচ্যে ৩ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

১২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইফতারে কেন খাবেন বেলের শরবত, জেনে নিন উপকারিতা
ইফতারে কেন খাবেন বেলের শরবত, জেনে নিন উপকারিতা

২৭ মিনিট আগে | জীবন ধারা

কমলাপুর থেকে সময় মতো ছাড়ছে ট্রেন, যাত্রীদের ভীড়
কমলাপুর থেকে সময় মতো ছাড়ছে ট্রেন, যাত্রীদের ভীড়

৩১ মিনিট আগে | জাতীয়

মিত্রদের ওপর ইরানের হামলাকে ‘অপ্রত্যাশিত’ বললেন ট্রাম্প
মিত্রদের ওপর ইরানের হামলাকে ‘অপ্রত্যাশিত’ বললেন ট্রাম্প

৩৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন
জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন

৩৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্যস্থল না করতে ইরানের প্রতি আহ্বান হামাসের
প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্যস্থল না করতে ইরানের প্রতি আহ্বান হামাসের

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রংপুরে দেড় বছরের সন্তানকে হত্যা করে মায়ের আত্মহত্যা
রংপুরে দেড় বছরের সন্তানকে হত্যা করে মায়ের আত্মহত্যা

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পয়েন্ট হারাল ম্যানসিটি
পয়েন্ট হারাল ম্যানসিটি

৫৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইরাকে বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৬ মার্কিন সেনার নাম প্রকাশ
ইরাকে বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৬ মার্কিন সেনার নাম প্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুবিধাবঞ্চিতদের সেবায় তহবিল সংগ্রহে ‘হিউম্যানিটি ফার্স্ট’-এর ইফতার মাহফিল
সুবিধাবঞ্চিতদের সেবায় তহবিল সংগ্রহে ‘হিউম্যানিটি ফার্স্ট’-এর ইফতার মাহফিল

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকায় বৃষ্টির পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস
ঢাকায় বৃষ্টির পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প
মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে বাংলাদেশ
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সংসদ অধিবেশন শুরু বেলা ১১টায়
সংসদ অধিবেশন শুরু বেলা ১১টায়

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর খবর নাকচ করল ফ্রান্স
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর খবর নাকচ করল ফ্রান্স

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভালভার্দের জোড়া গোলে রিয়ালের দাপুটে জয়
ভালভার্দের জোড়া গোলে রিয়ালের দাপুটে জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা হয়নি: আব্বাস আরাগচি
হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা হয়নি: আব্বাস আরাগচি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষ হচ্ছে একুশে বইমেলা
শেষ হচ্ছে একুশে বইমেলা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৮২৬
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৮২৬

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন
বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে চুক্তির সময় এখনও আসেনি: ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে চুক্তির সময় এখনও আসেনি: ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উন্নত চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে আজ
উন্নত চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে আজ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৫ মার্চ)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৫ মার্চ)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আজ মিলছে ২৫ মার্চের ট্রেনের টিকিট
আজ মিলছে ২৫ মার্চের ট্রেনের টিকিট

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হতে পারে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টি
হতে পারে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন
ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একযোগে ১০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার
একযোগে ১০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন
এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য
ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ
ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আহত মোজতবা খামেনির স্বাস্থ্য নিয়ে মুখ খুলল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান
আহত মোজতবা খামেনির স্বাস্থ্য নিয়ে মুখ খুলল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্রের ভিডিও প্রকাশ : আমিরাতে গ্রেফতার এক বাংলাদেশিসহ ১০ জন
ক্ষেপণাস্ত্রের ভিডিও প্রকাশ : আমিরাতে গ্রেফতার এক বাংলাদেশিসহ ১০ জন

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের দিকে একযোগে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান
ইসরায়েলের দিকে একযোগে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’
‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান যুদ্ধে অংশ নিতে ২৫০০ ‘স্থলসেনা’ পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র
ইরান যুদ্ধে অংশ নিতে ২৫০০ ‘স্থলসেনা’ পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি
আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি
আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির
জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র কল্পনাও করেনি ইরান এভাবে পাল্টা আঘাত করে চমকে দেবে
যুক্তরাষ্ট্র কল্পনাও করেনি ইরান এভাবে পাল্টা আঘাত করে চমকে দেবে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের
ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি
ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক
মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান
ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আটকে গেল সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের কারামুক্তি
আটকে গেল সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের কারামুক্তি

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধ লাইভ: এক নজরে সর্বশেষ পরিস্থিতি
ইরান যুদ্ধ লাইভ: এক নজরে সর্বশেষ পরিস্থিতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি
যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?
হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরাকে দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ২৪ ঘণ্টায় আটবার হামলা
ইরাকে দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ২৪ ঘণ্টায় আটবার হামলা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার ১৫তম দিনে যা ঘটছে
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার ১৫তম দিনে যা ঘটছে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অল্প দিনে যুদ্ধ শেষের প্রতিশ্রুতি, ট্রাম্প ১৪ দিন পরেও খুঁজছেন বের হওয়ার পথ
অল্প দিনে যুদ্ধ শেষের প্রতিশ্রুতি, ট্রাম্প ১৪ দিন পরেও খুঁজছেন বের হওয়ার পথ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা
বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?
১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা
আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত
সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত

পেছনের পৃষ্ঠা

দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু
বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সেই ১৮ মাস
আমাদের সেই ১৮ মাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা
তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে
সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

এক সুতোয় বাঁধা
এক সুতোয় বাঁধা

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা
আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু
চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু

মাঠে ময়দানে

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু
ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু

প্রথম পৃষ্ঠা

নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী
গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক
আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক

পেছনের পৃষ্ঠা

‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’
‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’

পেছনের পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে
শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে

দেশগ্রাম

রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু
রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু

সম্পাদকীয়

হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার
হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন
এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন

সম্পাদকীয়

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি

প্রথম পৃষ্ঠা