শিরোনাম
প্রকাশ: ১৯:৫১, বুধবার, ০৪ মার্চ, ২০২৬

খামেনি হত্যাকাণ্ড, পুতিনকে ভয় পেতেই হচ্ছে?

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
খামেনি হত্যাকাণ্ড, পুতিনকে ভয় পেতেই হচ্ছে?

তেহরানে সম্প্রতি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ভয়াবহ বিমান হামলার পর বিশ্ব রাজনীতি নতুন ও কঠিন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ভালদাই ক্লাবের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ইভান তিমোফিভ এই ঘটনাপ্রবাহকে রাশিয়ার জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন। তার মতে, ইরানের ওপর এই আক্রমণ এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনিসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে বৈশ্বিক নিরাপত্তার সমীকরণ বদলে দিয়েছে। এই সংকটের প্রেক্ষাপটে মস্কোর জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা রয়েছে যা ভবিষ্যতে রাশিয়ার কৌশলগত অবস্থানে প্রভাব ফেলতে পারে।

ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, পশ্চিমা শক্তিগুলোর কাছে নিষেধাজ্ঞা কখনোই শেষ ধাপ নয় বরং এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়ার অংশ মাত্র। ১৯৭৯ সাল থেকে ইরানের ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলেও শেষ পর্যন্ত তা সামরিক হামলায় রূপ নিয়েছে। ইরাক, লিবিয়া বা সিরিয়ার মতো দেশগুলোর ক্ষেত্রেও একই ছক অনুসরণ করা হয়েছে যেখানে প্রথমে অর্থনৈতিক অবরোধ এবং পরবর্তীতে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ করা হয়। রাশিয়ার ক্ষেত্রে পারমাণবিক সক্ষমতার কারণে সরাসরি ন্যাটো অভিযান কিছুটা থমকে থাকলেও ইউক্রেন যুদ্ধের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে সেই চাপ বজায় রাখা হচ্ছে।

ইরানের ওপর চলমান এই প্রবল চাপ প্রমাণ করে যে পশ্চিমা দেশগুলোর কৌশল মূলত একটি দীর্ঘমেয়াদী ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধের মতো। এটি কোনো স্বল্পমেয়াদী সংঘাত নয় বরং কয়েক দশক ধরে একটি রাষ্ট্রকে অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে পঙ্গু করে দেওয়ার সুপরিকল্পিত পরিকল্পনা। রাশিয়ার নীতিনির্ধারকদের বুঝতে হবে যে মস্কোর ওপর আরোপিত বর্তমান বিধিনিষেধগুলো খুব দ্রুত তুলে নেওয়া হবে না। এমনকি কোনো পর্যায়ে যুদ্ধবিরতি আসলেও তা হতে পারে সাময়িক এবং রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ বা প্রযুক্তিগত অবরোধগুলো দীর্ঘ সময় ধরে বহাল থাকতে পারে।

ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যকার অতীত চুক্তিগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে রাশিয়া এখন তার কূটনৈতিক অবস্থানে বেশ অনমনীয়। ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তিতে ইরান ছাড় দিলেও যুক্তরাষ্ট্র পরবর্তীতে তা থেকে একতরফাভাবে বেরিয়ে আসে যা তেহরানের জন্য বড় ধরনের কৌশলগত ক্ষতি ডেকে আনে। এই অভিজ্ঞতা রাশিয়ার সামনে এটিই স্পষ্ট করেছে যে একতরফা ছাড় বা আপস কখনোই দীর্ঘস্থায়ী শান্তি বা নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না। ফলে ইউক্রেন ইস্যুতে মস্কো এখন যেকোনো চুক্তির ক্ষেত্রে উচ্চমাত্রার সতর্কতা এবং অবিশ্বাসের অবস্থান বজায় রাখছে।

আধুনিক যুদ্ধের ধরনে এখন আরেকটি ভয়ঙ্কর প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে আর তা হলো সরাসরি জাতীয় নেতৃত্বের ওপর আঘাত হানা। অতীতে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য দীর্ঘ যুদ্ধের প্রয়োজন হতো কিন্তু বর্তমানে শীর্ষ নেতাদের টার্গেট করে হত্যা করাকে একটি কৌশল হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ডের পর রাশিয়া এখন নিজের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিয়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি সজাগ। এটি এখন কেবল গোয়েন্দা তৎপরতার বিষয় নয় বরং আকাশ প্রতিরক্ষা এবং সামগ্রিক সামরিক ব্যবস্থার সক্ষমতার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

যেকোনো রাষ্ট্রের জন্য বাহ্যিক আক্রমণের চেয়েও অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করেন তিমোফিভ। ইরানের সাম্প্রতিক গণবিক্ষোভ এবং অর্থনৈতিক সংকটকে পশ্চিমা শক্তিগুলো দেশটির দুর্বলতা হিসেবে বিবেচনা করেছে এবং একে কাজে লাগিয়ে সামরিক চাপ বৃদ্ধি করেছে। রাশিয়ার জন্য এখানে বড় শিক্ষা হলো অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। শক্তিশালী শাসনব্যবস্থা, জনগণের সাথে রাষ্ট্রের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং কার্যকর সংস্কারই পারে বাহ্যিক যেকোনো ষড়যন্ত্র বা উসকানির বিরুদ্ধে ঢাল হিসেবে কাজ করতে।

অর্থনৈতিক অংশীদার বা তথাকথিত 'ব্ল্যাক নাইট' দেশগুলোর সীমাবদ্ধতা সম্পর্কেও রাশিয়াকে সচেতন থাকতে হবে। ইরান তার তেলের বাজার ধরে রাখতে চীন বা ভারতের মতো দেশগুলোর সহায়তা পেলেও সামরিক সংকটের সময় এই দেশগুলো সরাসরি যুদ্ধে জড়াবে না এটাই স্বাভাবিক। রাশিয়া যদিও তার বাণিজ্য এখন এশিয়ার দেশগুলোর দিকে ঘুরিয়ে দিয়েছে কিন্তু অর্থনৈতিক সহযোগিতা কখনোই সামরিক প্রতিরক্ষা গ্যারান্টির বিকল্প হতে পারে না। উত্তর কোরিয়ার মতো কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া মস্কোকে মূলত নিজের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার ওপরই পূর্ণ নির্ভরতা বজায় রাখতে হবে।

সূত্র: আরটির নিবন্ধ


বিডি প্রতিদিন/নাজমুল
 

টপিক

এই বিভাগের আরও খবর
গাজায় হামলা চালিয়ে ‘ভীতি পুনরুজ্জীবিত’ করছে ইসরায়েল
গাজায় হামলা চালিয়ে ‘ভীতি পুনরুজ্জীবিত’ করছে ইসরায়েল
জনগণের স্বার্থে মার্কিন প্রস্তাব মেনে নিতে ইরানকে জার্মানির অনুরোধ
জনগণের স্বার্থে মার্কিন প্রস্তাব মেনে নিতে ইরানকে জার্মানির অনুরোধ
ইরানি কোনো প্রতিনিধি দল এখনো ইসলামাবাদে পৌঁছেনি
ইরানি কোনো প্রতিনিধি দল এখনো ইসলামাবাদে পৌঁছেনি
ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র হাতে পাবে না, সমঝোতার মূল শর্ত ট্রাম্পের
ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র হাতে পাবে না, সমঝোতার মূল শর্ত ট্রাম্পের
ইরানি হামলায় কতো মার্কিন সেনা আহত, জানাল পেন্টাগন
ইরানি হামলায় কতো মার্কিন সেনা আহত, জানাল পেন্টাগন
যুদ্ধে নতুন ‘কার্ড’ দেখাতে প্রস্তুত ইরান, বাঘের গালিবাফের হুঁশিয়ারি
যুদ্ধে নতুন ‘কার্ড’ দেখাতে প্রস্তুত ইরান, বাঘের গালিবাফের হুঁশিয়ারি
শান্তি আলোচনার লক্ষ্যে পাকিস্তানের পথে মার্কিন প্রতিনিধিদল, নেতৃত্বে ভ্যান্স
শান্তি আলোচনার লক্ষ্যে পাকিস্তানের পথে মার্কিন প্রতিনিধিদল, নেতৃত্বে ভ্যান্স
মার্কিন ‘হুমকি’ উপেক্ষা করেই বন্দরে পৌঁছেছে তেলবাহী ট্যাঙ্কার : ইরান
মার্কিন ‘হুমকি’ উপেক্ষা করেই বন্দরে পৌঁছেছে তেলবাহী ট্যাঙ্কার : ইরান
ইরানের ‘উপকার’ করে পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের ‘উপকার’ করে পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরান-আমেরিকার সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার খবরে বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম
ইরান-আমেরিকার সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার খবরে বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ‘পৃথিবীর নিকৃষ্টতম’: জাতিসংঘের বিশেষ দূত
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ‘পৃথিবীর নিকৃষ্টতম’: জাতিসংঘের বিশেষ দূত
সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ৪দিন বন্ধ বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর
সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ৪দিন বন্ধ বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর
সর্বশেষ খবর
ড্রেজিংয়ের অভাব ও দূষণে মৃতপ্রায় ঢোলভাঙ্গা নদী
ড্রেজিংয়ের অভাব ও দূষণে মৃতপ্রায় ঢোলভাঙ্গা নদী

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

শিক্ষা উপবৃত্তি পেল মধ্যপাড়া খনি শ্রমিকদের ৫২ সন্তান
শিক্ষা উপবৃত্তি পেল মধ্যপাড়া খনি শ্রমিকদের ৫২ সন্তান

৭ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

এপ্রিলের ২০ দিনে রেমিট্যান্স এলো প্রায় ২২২ কোটি ডলার
এপ্রিলের ২০ দিনে রেমিট্যান্স এলো প্রায় ২২২ কোটি ডলার

২ মিনিট আগে | অর্থনীতি

অ্যাম্বুলেন্সে ইয়াবা পাচারকালে স্বামী-স্ত্রী আটক
অ্যাম্বুলেন্সে ইয়াবা পাচারকালে স্বামী-স্ত্রী আটক

৩ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ফের মা হতে চলেছেন নাটালি, বললেন ‘অলৌকিক ঘটনা’
ফের মা হতে চলেছেন নাটালি, বললেন ‘অলৌকিক ঘটনা’

৭ মিনিট আগে | শোবিজ

অ্যাসপিরিন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়?
অ্যাসপিরিন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়?

৭ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

দিনাজপুরে গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
দিনাজপুরে গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফটিকছড়িতে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৫৮
ফটিকছড়িতে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৫৮

১০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডোপিংয়ের ‘চরম ঝুঁকিপূর্ণ’ ক্যাটাগরিতে ভারত
ডোপিংয়ের ‘চরম ঝুঁকিপূর্ণ’ ক্যাটাগরিতে ভারত

১১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সিলেট সীমান্তে জিরার চালান আটক
সিলেট সীমান্তে জিরার চালান আটক

১২ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বিশ্বনাথে এবার চোরের টার্গেট ‘ট্রান্সফরমার’
বিশ্বনাথে এবার চোরের টার্গেট ‘ট্রান্সফরমার’

১৩ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

ঈদের আগেই এসি বাসের ভাড়া নির্ধারণ করা হবে
ঈদের আগেই এসি বাসের ভাড়া নির্ধারণ করা হবে

১৬ মিনিট আগে | জাতীয়

খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যু
বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যু

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাজায় হামলা চালিয়ে ‘ভীতি পুনরুজ্জীবিত’ করছে ইসরায়েল
গাজায় হামলা চালিয়ে ‘ভীতি পুনরুজ্জীবিত’ করছে ইসরায়েল

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডোপিংয়ের ‘চরম ঝুঁকিপূর্ণ’ ক্যাটাগরিতে ভারত
ডোপিংয়ের ‘চরম ঝুঁকিপূর্ণ’ ক্যাটাগরিতে ভারত

১৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ডাক বিভাগের আধুনিকায়নে ১৪ মেইল প্রসেসিং সেন্টার নির্মাণ
ডাক বিভাগের আধুনিকায়নে ১৪ মেইল প্রসেসিং সেন্টার নির্মাণ

২০ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজধানীতে তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক ব্যক্তির মৃত্যু
রাজধানীতে তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক ব্যক্তির মৃত্যু

২০ মিনিট আগে | নগর জীবন

সুন্দরবনে অস্ত্র-গোলাবারুদসহ বনদস্যু বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড আটক
সুন্দরবনে অস্ত্র-গোলাবারুদসহ বনদস্যু বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড আটক

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হাতিয়ায় মেঘনা নদীতে জোয়ারে ভেসে এল যুবকের মরদেহ
হাতিয়ায় মেঘনা নদীতে জোয়ারে ভেসে এল যুবকের মরদেহ

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১৫ কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার
১৫ কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নতুন শিল্প স্থাপন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার: বাণিজ্যমন্ত্রী
নতুন শিল্প স্থাপন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

৩৪ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

সোনারগাঁয়ে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন
সোনারগাঁয়ে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কক্সবাজারে খাল থেকে তরুণের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার
কক্সবাজারে খাল থেকে তরুণের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাউবির এসএসসি পরীক্ষা আয়োজনে মতবিনিময় সভা
বাউবির এসএসসি পরীক্ষা আয়োজনে মতবিনিময় সভা

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বক্সিং কোচ মহীর মৃত্যু
বক্সিং কোচ মহীর মৃত্যু

৪০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদুল আযহা পর্যন্ত স্বাভাবিক সময় দোকান খোলা চান রংপুরের ব্যবসায়ীরা
ঈদুল আযহা পর্যন্ত স্বাভাবিক সময় দোকান খোলা চান রংপুরের ব্যবসায়ীরা

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আইপিএলের মধ্যেই দল ছাড়লেন দক্ষিণ আফ্রিকান পেসার
আইপিএলের মধ্যেই দল ছাড়লেন দক্ষিণ আফ্রিকান পেসার

৪৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জনগণের স্বার্থে মার্কিন প্রস্তাব মেনে নিতে ইরানকে জার্মানির অনুরোধ
জনগণের স্বার্থে মার্কিন প্রস্তাব মেনে নিতে ইরানকে জার্মানির অনুরোধ

৪৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রাজিলের এবারের বিশ্বকাপ জেতার সেরা সময়: কাফু
ব্রাজিলের এবারের বিশ্বকাপ জেতার সেরা সময়: কাফু

৪৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
সৌদির কারণে কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছে পাকিস্তানের
সৌদির কারণে কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছে পাকিস্তানের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পকে কঠোর ভাষা ব্যবহারে সতর্ক করল পাকিস্তান
ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পকে কঠোর ভাষা ব্যবহারে সতর্ক করল পাকিস্তান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাত থেকে মার্কিন ঘাঁটি সরিয়ে নেয়ার দাবি
আমিরাত থেকে মার্কিন ঘাঁটি সরিয়ে নেয়ার দাবি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অসিম মুনিরের অনুরোধে নৌ-অবরোধ তুলে নেয়ার কথা বিবেচনা করছেন ট্রাম্প
অসিম মুনিরের অনুরোধে নৌ-অবরোধ তুলে নেয়ার কথা বিবেচনা করছেন ট্রাম্প

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহু হাঙ্গেরিতে এলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে : নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী
নেতানিয়াহু হাঙ্গেরিতে এলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে : নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শর্ত সাপেক্ষে ইরানি নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে চান ট্রাম্প
শর্ত সাপেক্ষে ইরানি নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে চান ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলাকেটে হত্যা
নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলাকেটে হত্যা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে কারণে দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে গোলাপি লবণের বাজার
যে কারণে দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে গোলাপি লবণের বাজার

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত
দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বিএনপি বুঝিয়ে দিল বন্যেরা বনে সুন্দর’—সংরক্ষিত আসন নিয়ে জয়
‘বিএনপি বুঝিয়ে দিল বন্যেরা বনে সুন্দর’—সংরক্ষিত আসন নিয়ে জয়

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাইরে কঠোরতা দেখালেও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কেউই যুদ্ধে ফিরতে চায় না
বাইরে কঠোরতা দেখালেও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কেউই যুদ্ধে ফিরতে চায় না

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধে আহত মার্কিন সেনার সংখ্যা প্রকাশ করল পেন্টাগন
ইরান যুদ্ধে আহত মার্কিন সেনার সংখ্যা প্রকাশ করল পেন্টাগন

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধকালীন আর্থিক সহায়তা চায় আমিরাত
যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধকালীন আর্থিক সহায়তা চায় আমিরাত

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা ফেলুন, নেতানিয়াহু: রসিকতা করে গ্রেফতার মার্কিন শিক্ষার্থী
আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা ফেলুন, নেতানিয়াহু: রসিকতা করে গ্রেফতার মার্কিন শিক্ষার্থী

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ
নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে কবরেই লুটিয়ে পড়ে আরেক বন্ধুর মৃত্যু
বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে কবরেই লুটিয়ে পড়ে আরেক বন্ধুর মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা
সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানে ৪৮ ঘণ্টায় ছয়টি মার্কিন বিমানের অবতরণ
পাকিস্তানে ৪৮ ঘণ্টায় ছয়টি মার্কিন বিমানের অবতরণ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে আজই ইরানের সঙ্গে চুক্তি সই হবে: ট্রাম্প
পাকিস্তানে আজই ইরানের সঙ্গে চুক্তি সই হবে: ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেভাবে শব্দের ধূম্রজালে ইরানকে ভিলেন বানায় পশ্চিমা গণমাধ্যম
যেভাবে শব্দের ধূম্রজালে ইরানকে ভিলেন বানায় পশ্চিমা গণমাধ্যম

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান আলোচনা করতে প্রস্তুত, তবে দুর্বল অবস্থান থেকে নয়: বিশ্লেষণ
ইরান আলোচনা করতে প্রস্তুত, তবে দুর্বল অবস্থান থেকে নয়: বিশ্লেষণ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জ্বালানির দামের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিবহন ভাড়া নির্ধারণ হবে: ডা. জাহেদ
জ্বালানির দামের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিবহন ভাড়া নির্ধারণ হবে: ডা. জাহেদ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে এশিয়া, মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-চীন
আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে এশিয়া, মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-চীন

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য ‘নতুন কার্ড’ প্রস্তুত করার কথা বলছে ইরান
যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য ‘নতুন কার্ড’ প্রস্তুত করার কথা বলছে ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হুমকির মুখে আলোচনা করবে না ইরান, সামরিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত গালিবাফের
হুমকির মুখে আলোচনা করবে না ইরান, সামরিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত গালিবাফের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরীক্ষার আগের রাতে প্রবেশপত্র না পেয়ে মহাসড়ক অবরোধ শিক্ষার্থীদের, পরে প্রত্যাহার
পরীক্ষার আগের রাতে প্রবেশপত্র না পেয়ে মহাসড়ক অবরোধ শিক্ষার্থীদের, পরে প্রত্যাহার

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ হবে ‘দীর্ঘ ও কঠিন’ প্রক্রিয়া : ট্রাম্প
ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ হবে ‘দীর্ঘ ও কঠিন’ প্রক্রিয়া : ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি সচল রাখা নিয়ে সৌদি যুবরাজকে যা বললেন চীনের প্রেসিডেন্ট
হরমুজ প্রণালি সচল রাখা নিয়ে সৌদি যুবরাজকে যা বললেন চীনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গৃহবধূ ধর্ষণ; শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে ভেঙে পড়ে থানা ফটক
গৃহবধূ ধর্ষণ; শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে ভেঙে পড়ে থানা ফটক

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
শিরীন শারমিনের বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি
শিরীন শারমিনের বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি

প্রথম পৃষ্ঠা

এক এজেন্টেই মিলবে সব মোবাইল ব্যাংকিং সেবা
এক এজেন্টেই মিলবে সব মোবাইল ব্যাংকিং সেবা

শিল্প বাণিজ্য

পদ হারাচ্ছেন কিরণ
পদ হারাচ্ছেন কিরণ

মাঠে ময়দানে

তেল নিয়ে নৈরাজ্য সবকিছুতে
তেল নিয়ে নৈরাজ্য সবকিছুতে

প্রথম পৃষ্ঠা

ছয় লেনের অপেক্ষা আর কত
ছয় লেনের অপেক্ষা আর কত

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে দেশ
ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

লিবিয়ায় নির্যাতনের শিকার জিহাদের শরীরে পচন
লিবিয়ায় নির্যাতনের শিকার জিহাদের শরীরে পচন

পেছনের পৃষ্ঠা

ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি সতর্ক থাকুন
ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি সতর্ক থাকুন

প্রথম পৃষ্ঠা

পুণ্যস্নানে ভক্তের ঢল
পুণ্যস্নানে ভক্তের ঢল

পেছনের পৃষ্ঠা

জ্বালানি নিয়ে উত্তপ্ত সংসদ
জ্বালানি নিয়ে উত্তপ্ত সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপিতে ২৭ নতুন মুখ পুরোনো নয়জন
বিএনপিতে ২৭ নতুন মুখ পুরোনো নয়জন

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিজিটাল রূপান্তরের পথে বিবিএস
ডিজিটাল রূপান্তরের পথে বিবিএস

শিল্প বাণিজ্য

জ্বালানি সংকটের জন্য দায়ী স্বৈরাচার সরকার
জ্বালানি সংকটের জন্য দায়ী স্বৈরাচার সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

গণপরিবহনে বাড়তি ভাড়া, জিম্মি যাত্রীরা
গণপরিবহনে বাড়তি ভাড়া, জিম্মি যাত্রীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

সৎ উপাচার্যের আশায় বেরোবি
সৎ উপাচার্যের আশায় বেরোবি

নগর জীবন

নাহিদের নৈপুণ্যে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ
নাহিদের নৈপুণ্যে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারই লক্ষ্য
দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারই লক্ষ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

অসম্পন্ন কাজেই কোটি কোটি টাকার বিল
অসম্পন্ন কাজেই কোটি কোটি টাকার বিল

প্রথম পৃষ্ঠা

‘বাংলার জয়যাত্রা’র নিরাপদ চলাচলে ইরানকে অনুরোধ
‘বাংলার জয়যাত্রা’র নিরাপদ চলাচলে ইরানকে অনুরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

শিল্প খাতে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে ১০ শতাংশ
শিল্প খাতে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে ১০ শতাংশ

নগর জীবন

যুদ্ধবিরতি আলোচনা অব্যাহত রাখার আহ্বান
যুদ্ধবিরতি আলোচনা অব্যাহত রাখার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

অনলাইনে আয়ের প্রলোভনে কোটি টাকা আত্মসাৎ
অনলাইনে আয়ের প্রলোভনে কোটি টাকা আত্মসাৎ

পেছনের পৃষ্ঠা

ইরানের পণ্যবাহী জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের পণ্যবাহী জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র

প্রথম পৃষ্ঠা

জেল-জরিমানায়ও থামছে না নকল দুধের কারবার
জেল-জরিমানায়ও থামছে না নকল দুধের কারবার

দেশগ্রাম

মাইক্রোবাস নিয়ে ডাকাতি, আটক ১০
মাইক্রোবাস নিয়ে ডাকাতি, আটক ১০

দেশগ্রাম

বিসিবির নির্বাচন জুনে
বিসিবির নির্বাচন জুনে

মাঠে ময়দানে

রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ, কাজ বন্ধ
রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ, কাজ বন্ধ

দেশগ্রাম

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বহাল চেয়ে করা রিটের শুনানি মুলতবি
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বহাল চেয়ে করা রিটের শুনানি মুলতবি

নগর জীবন

পরীক্ষার আগের দিনও প্রবেশপত্র পায়নি শিক্ষার্থীরা
পরীক্ষার আগের দিনও প্রবেশপত্র পায়নি শিক্ষার্থীরা

দেশগ্রাম