শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:৪৫, শনিবার, ০৭ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ০৯:১৯, শনিবার, ০৭ মার্চ, ২০২৬

চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার ধাক্কা এখনো চীনের গায়ে লাগেনি, তবে এর যে প্রভাব তৈরি হয়েছে তার ঢেউ তারা টের পেতে শুরু করেছে। স্বল্পমেয়াদে চীনের কাছে কয়েক মাসের জন্য যথেষ্ট তেলের মজুত রয়েছে। পরে প্রয়োজনে তারা প্রতিবেশী রাশিয়ার কাছ থেকে সহায়তা নিতে পারবে।

কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব কী হতে পারে, তা নিয়ে এখন হিসাব কষছে চীন। কারণ বিষয়টি শুধু মধ্যপ্রাচ্যে তাদের বিনিয়োগ নয়, বরং তাদের কৌশলগত পরিকল্পনার সঙ্গেও জড়িত। এই সপ্তাহে বেইজিংয়ে কমিউনিস্ট পার্টির হাজারো প্রতিনিধি বৈঠক করছেন। ভোক্তা পর্যায়ে ব্যয় সংকোচনের চাপ, সম্পত্তি বেচাকেনা খাতের দীর্ঘদিনের সংকট এবং বিপুল স্থানীয় ঋণের চাপের মধ্যে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীন কীভাবে এগোবে, সেটিই বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয়।

১৯৯১ সালের পর প্রথমবারের মতো চীনা সরকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা কমিয়েছে, যদিও হাই-টেক (উচ্চ মানের প্রযুক্তি) ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দ্রুত উন্নয়ন হচ্ছে। চীন হয়তো ভেবেছিল যে রপ্তানি বাড়িয়ে তারা এই অর্থনৈতিক চাপ থেকে বেরিয়ে আসবে। কিন্তু গত এক বছর ধরে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধের মধ্যে রয়েছে।

এর মধ্যেই এখন মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যেখান দিয়ে চীনের গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ চলাচলের পথ এবং চীনের বড় অংশের জ্বালানি সরবরাহ আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে।

মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে, চীনের ওপর তার প্রভাব আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে যদি হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকে। রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের ফিলিপ শেটলার-জোন্স বলেন, "মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘ সময় ধরে অস্থিরতা ও অনিরাপত্তা চললে চীনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অন্য অঞ্চলগুলোর ওপরও প্রভাব পড়বে। যেমন, আফ্রিকার দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে উপসাগরীয় দেশগুলোর বড় ও ধারাবাহিক বিনিয়োগ থেকে লাভবান হয়েছে। যদি সেই বিনিয়োগ কমে যায়, তাহলে সেখানে অস্থিরতা বাড়তে পারে, যা শেষ পর্যন্ত চীনের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে"।

অর্থাৎ, যুদ্ধ দীর্ঘ হলে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও চীনের বিনিয়োগ ও বাজারে প্রভাব পড়তে পারে। আর অন্য অনেক দেশের মতো চীনও এই নতুন অনিশ্চয়তা নিয়ে চিন্তিত।

লন্ডনের কিংস কলেজের অধ্যাপক কেরি ব্রাউন বলেন, "অন্যরা যেভাবে ভাবছে, চীন হয়তো সেভাবেই ভাবছে...এই যুদ্ধের পরিকল্পনা কী? নিশ্চয়ই যুক্তরাষ্ট্র কোনো পরিকল্পনা ছাড়া এতে জড়ায়নি"।

এরপর তিনি আরও বলেন, "সম্ভবত অন্যদের মতো তাদেরও (চীনেরও) মনে হতে পারে, কোনো সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ছাড়াই তারা (যুক্তরাষ্ট্র) এতে জড়িয়ে পড়েছে। আমরা (চীন) এই সংঘাতে জড়াতে চাই না, অন্য কিছুতেও জড়াতে চাই না। কিন্ত আমাদের (চীনের) কিছু না কিছু করতে হবে।"

সম্পর্ক থাকলেও খুব গভীর বন্ধুত্ব নেই:

পশ্চিমা অনেক বিশ্লেষক দীর্ঘদিন ধরেই ইরানকে চীনের মিত্র হিসেবে উল্লেখ করে আসছেন। দুই দেশের সম্পর্ক নিশ্চিতভাবে বেশ ঘনিষ্ঠ ছিল। বেইজিংয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা প্রয়াত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদেশ সফর ছিল ১৯৮৯ সালে। সে সময় চীনের মহাপ্রাচীরের সামনে তার একটি ছবিও তোলা হয়েছিল।

২০১৬ সালে শি জিনপিং তেহরান সফর করলে দুই দেশের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়। পরে ২০২১ সালে তারা ২৫ বছরের একটি কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি সই করে।

ওই চুক্তি অনুযায়ী চীন ২৫ বছরে ইরানে প্রায় ৪০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেয়। আর এর বিনিময়ে ইরান চীনকে নিয়মিত তেল সরবরাহ করবে।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিশ্রুত অর্থের মাত্র অল্প অংশই বাস্তবে ইরানে পৌঁছেছে। কিন্তু ইরান থেকে চীনে তেলের প্রবাহ বন্ধ হয়নি।

সেন্টার অন গ্লোবাল এনার্জি পলিসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে চীন প্রতিদিন প্রায় ১৩ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল ইরানি অপরিশোধিত তেল আমদানি করেছে, যা তাদের মোট আমদানির প্রায় ১২ শতাংশ।

অভিযোগ রয়েছে, এসব তেলের অনেক চালানকে মালয়েশিয়ার তেল হিসেবে পুনরায় লেবেল দেওয়া হয়েছিল, যাতে উৎস গোপন থাকে।

কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, এশিয়ায় ভাসমান স্টোরেজে ৪৬ মিলিয়নের বেশি ব্যারেল ইরানি তেল রয়েছে। এর বাইরে চীনের দালিয়ান ও ঝৌশান বন্দরের বন্ডেড স্টোরেজেও আরও তেল মজুত আছে, যা এখনো কাস্টমস ছাড়পত্র পায়নি। সেখানে ন্যাশনাল ইরানিয়ান অয়েল কোম্পানি ট্যাংক ভাড়া নিয়ে তেল সংরক্ষণ করে।

দুই দেশের মধ্যে অস্ত্র বাণিজ্যের অভিযোগও উঠেছে। যদিও চীন তেহরানকে জাহাজবিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

তবে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দাবি, চীন ইরানের প্রকৌশলীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সরবরাহের মাধ্যমে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে সহায়তা করেছে।

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগ, বিক্ষোভকারী ও সরকারবিরোধীদের ওপর ইরানের কঠোর দমন অভিযানে চীনের দেওয়া মুখ শনাক্তকরণ ও নজরদারি প্রযুক্তিও ভূমিকা রেখেছে। সব মিলিয়ে দেখলে মনে হতে পারে, দুই দেশের সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ।

এসব কারণে কিছু ট্যাবলয়েড সংবাদমাধ্যম চীন ও ইরানকে উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার সঙ্গে মিলিয়ে বিশ্বে অস্থিরতা তৈরি করা দেশগুলোর জোট বলে উল্লেখ করেছে। তবে বাস্তবে চীন ও ইরানের সম্পর্কটি ছিল অনেকটাই লেনদেনভিত্তিক।

লন্ডনের কিংস কলেজের অধ্যাপক কেরি ব্রাউন বলেন, চীন ও ইরানের মধ্যে এমন কোনো শক্তিশালী আদর্শিক বা সাংস্কৃতিক সম্পর্ক নেই যে তারা ঘনিষ্ঠ হবে।

তার মতে, "অনেক সময় যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ইরান একটি স্থায়ী বিরক্তির কারণ হওয়ায় তা চীনের জন্য কৌশলগতভাবে সুবিধাজনক ছিল। চীনের ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার কারণ মূলত নেতিবাচক, ইতিবাচক নয়। এ ধরনের ভিত্তির ওপর দাঁড়ানো সম্পর্ক খুবই ভঙ্গুর। কিছু সময় পর্যন্ত এটি কাজ করেছে, কিন্তু এখানে খুব গভীর কোনো সম্পর্ক ছিল না"।

চীন পশ্চিমা দেশগুলোর মতো করে জোট বা মিত্রতাকে দেখে না। তারা সাধারণত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি করে না এবং মিত্র দেশের জন্য দ্রুত যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে না। বরং, বেইজিং সাধারণত যে কোনো ধরনের সংঘাতের বাইরে থাকতে চায়।

মিত্রদের সাহায্য করার ক্ষমতা সীমিত চীনের:

তবে এর মানে এই নয় যে মধ্যপ্রাচ্যে যা ঘটছে তা নিয়ে চীন উদ্বিগ্ন নয়। বেইজিং ইতোমধ্যে এই হামলার নিন্দা জানিয়ে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেছেন, "যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলা গ্রহণযোগ্য না... বিশেষ করে একটি সার্বভৌম দেশের নেতাকে হত্যা করে সরকার পরিবর্তনের চেষ্টা করাটা।"

তবে বাস্তবতা হলো, গত জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলাতে এবং এখন ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ থেকে এটি স্পষ্ট যে এসব দেশের সঙ্গে চীনের অংশীদারত্বেরও সীমাবদ্ধতা আছে।

দুই ক্ষেত্রেই বেইজিং মূলত দর্শকের ভূমিকায় ছিল এবং তারা তাদের ঘনিষ্ঠ দেশগুলোকে সরাসরি কোনো সাহায্য করতে পারেনি।

রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের ফিলিপ শেটলার জোন্স বলেন, চীন নিজেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীতে একটি ভারসাম্য রক্ষাকারী শক্তি হিসেবে দেখাতে চায়। কিন্তু সামরিক শক্তির দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র দেখিয়ে দিচ্ছে যে প্রকৃত পরাশক্তি হওয়ার অর্থ কী। অর্থাৎ, বিশ্বের যে কোনো জায়গায় গিয়ে পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করতে পারার ক্ষমতা।

তার মতে, অর্থনৈতিক শক্তি থাকা সত্ত্বেও চীন এখনো সেই পর্যায়ের পরাশক্তি নয়। এমনকি চাইলেও এই ধরনের পরিস্থিতিতে মিত্রদের রক্ষা করার মতো সামরিক সক্ষমতা তার নেই।

এই পরিস্থিতিতে শি জিনপিং নিজেকে একজন স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য বৈশ্বিক নেতা হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করবেন, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিপরীত।

লন্ডনের এসওএএস চায়না ইনস্টিটিউটের পরিচালক স্টিভ সাং বলেন, চীনের যুক্তি হবে ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও দেখিয়ে দিয়েছেন যে পশ্চিমা দেশগুলো যে উদার আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার কথা বলে, সেখানে কতটা দ্বিচারিতা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহ ও বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলে এর অর্থনৈতিক প্রভাব পশ্চিমা দেশের তুলনায় গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোতে বেশি পড়তে পারে।

"কয়েক মাসের মধ্যে কিছু দেশে খাদ্য সংকটও দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে উন্নয়নশীল বিশ্বে। একই সঙ্গে পশ্চিমা জোটের মধ্যেও ফাটল দেখতে পাচ্ছি আমরা। যুক্তরাজ্য ও স্পেনের মতো দেশগুলোকে আলাদাভাবে সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে," বলছিলেন তিনি।

অন্য দেশগুলোর সঙ্গে মিলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজার সুযোগও দেখছে চীন। এরই মধ্যে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ইতোমধ্যে ওমান ও ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। বেইজিং জানিয়েছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যে একজন বিশেষ দূত পাঠাবে।

ট্রাম্পের আসন্ন সফর ঘিরে সতর্ক চীন:

তবু চীন খুব সতর্কভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ মাসের শেষ দিকে একটি বৈঠকের জন্য চীন সফরে আসার কথা রয়েছে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার সমালোচনা করলেও চীন সরাসরি ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে কোনো মন্তব্য করেনি। তাই এই বৈঠক কিছুটা সহজ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এই সফর আদৌ হবে কি না তা নিয়ে কিছু প্রশ্ন থাকলেও সফরটি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সফর নিয়ে আলোচনা করতে দুই দেশের কর্মকর্তারা শিগগিরই বৈঠকে বসবেন।

শেটলার জোন্স বলেন, চীন এই সফরকে ট্রাম্পের অবস্থান বোঝার একটি সুযোগ হিসেবে দেখতে পারে। বিশেষ করে তাইওয়ানের মতো অন্যান্য স্পর্শকাতর ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে, তা বোঝার চেষ্টা করবে চীন।

এই যুদ্ধ যদি যুক্তরাষ্ট্রে অজনপ্রিয় হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র অন্য দেশে সামরিক হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে সংযত থাকবে। এমনটা হলে তা চীনের জন্য আরও বেশি সুবিধাজনক বলে মনে করেন তিনি।

এই সংকটকে ব্যবহার করে কিছু মহল যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধ উসকে দেওয়া দেশের তকমা দিচ্ছে। চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন বার্তা ছড়িয়েছে।

লন্ডনের কিংস কলেজের অধ্যাপক কেরি ব্রাউন বলেন, এমন অনিশ্চিত ও অস্থির একটি শক্তি চীনের জন্য অস্বস্তির কারণ।

"আমি মনে করি, চীন হয়তো যুক্তরাষ্ট্রের ইশারায় পরিচালিত একটি বিশ্ব চায় না। কিন্তু সেইসাথে তারা এটাও চায় না যে যুক্তরাষ্ট্র এতটা অস্থির আচরণ করুক," যোগ করেন তিনি।

সূত্র: বিবিসি

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন
শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল
২১ ঘণ্টার আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়ল ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা
২১ ঘণ্টার আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়ল ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা
ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব
ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব
পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল
পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল
চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে
চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে
এক বৈঠকেই সমাধান সম্ভব নয় কেন, ব্যাখ্যা তেহরানের
এক বৈঠকেই সমাধান সম্ভব নয় কেন, ব্যাখ্যা তেহরানের
আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান
আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান
ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু
ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু
আফগানিস্তানে পিকনিক স্পটে গুলি, নিহত বেড়ে ১১
আফগানিস্তানে পিকনিক স্পটে গুলি, নিহত বেড়ে ১১
ফিলিস্তিন অ্যাকশন গ্রুপ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে লন্ডনে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ৫২৩
ফিলিস্তিন অ্যাকশন গ্রুপ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে লন্ডনে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ৫২৩
ইরাকের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন নিজার আমেদি
ইরাকের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন নিজার আমেদি
সর্বশেষ খবর
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ৫৫ সদস্যের প্রাথমিক স্কোয়াড প্রস্তুত
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ৫৫ সদস্যের প্রাথমিক স্কোয়াড প্রস্তুত

এই মাত্র | মাঠে ময়দানে

এসএসসি পরীক্ষার হল পরিদর্শনে এমপিরা যেতে পারবেন না: শিক্ষামন্ত্রী
এসএসসি পরীক্ষার হল পরিদর্শনে এমপিরা যেতে পারবেন না: শিক্ষামন্ত্রী

৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ডিএসইতে লেনদেন বেড়ে ৮০০ কোটি টাকা ছাড়াল
ডিএসইতে লেনদেন বেড়ে ৮০০ কোটি টাকা ছাড়াল

৪ মিনিট আগে | অর্থনীতি

স্পষ্ট করেই বলছি, লটারি মেধা নির্ধারণ করে না : শিক্ষামন্ত্রী
স্পষ্ট করেই বলছি, লটারি মেধা নির্ধারণ করে না : শিক্ষামন্ত্রী

৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত জাহানারা বেগমের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ
দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত জাহানারা বেগমের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ

৭ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ডিএনসিসির ৫৯৯ কেন্দ্রে দেওয়া হচ্ছে হাম-রুবেলার টিকা
ডিএনসিসির ৫৯৯ কেন্দ্রে দেওয়া হচ্ছে হাম-রুবেলার টিকা

১১ মিনিট আগে | জাতীয়

একাত্তর-ইয়ুথ-অভ্যুত্থান আমাদের ব্র্যান্ড: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
একাত্তর-ইয়ুথ-অভ্যুত্থান আমাদের ব্র্যান্ড: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

১৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

চরফ্যাশনে প্রজনন স্বাস্থ্যের বিষয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের কর্মশালা
চরফ্যাশনে প্রজনন স্বাস্থ্যের বিষয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের কর্মশালা

১৭ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

দিনাজপুর টেক্সটাইল মিল শিগগিরই চালু হবে : প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম
দিনাজপুর টেক্সটাইল মিল শিগগিরই চালু হবে : প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম

১৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

হিন্দু সম্প্রদায়ের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সমস্ত বিষয়ে সংসদে কথা বলব: এসএম জিলানী
হিন্দু সম্প্রদায়ের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সমস্ত বিষয়ে সংসদে কথা বলব: এসএম জিলানী

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অস্ট্রেলিয়ান প্রতিনিধিদলের সফর, বিনিয়োগ নিয়ে আশাবাদ
সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অস্ট্রেলিয়ান প্রতিনিধিদলের সফর, বিনিয়োগ নিয়ে আশাবাদ

৪২ মিনিট আগে | জাতীয়

কাশিয়ানীতে ৩০ লাখ টাকার মাদকসহ কারবারি গ্রেফতার
কাশিয়ানীতে ৩০ লাখ টাকার মাদকসহ কারবারি গ্রেফতার

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টরের সৌজন্য সাক্ষাৎ
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টরের সৌজন্য সাক্ষাৎ

৪৯ মিনিট আগে | জাতীয়

শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন
শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইবির স্বতন্ত্র ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতি ৯৩ শতাংশ
ইবির স্বতন্ত্র ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতি ৯৩ শতাংশ

৫৪ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

বগুড়ায় যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে আগুন
বগুড়ায় যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে আগুন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কোম্পানীগঞ্জে ১৯ মামলার আসামি ‘ডাকাত মাইস্যা’ গ্রেফতার
কোম্পানীগঞ্জে ১৯ মামলার আসামি ‘ডাকাত মাইস্যা’ গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে ‘প্রধানমন্ত্রীর দরবার’ অনুষ্ঠিত
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে ‘প্রধানমন্ত্রীর দরবার’ অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বরগুনায় ৮ বিঘার তরমুজ ক্ষেত নষ্ট, থানায় অভিযোগ
বরগুনায় ৮ বিঘার তরমুজ ক্ষেত নষ্ট, থানায় অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন
হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিলেটে একদিনে আরও ৩৬ শিশু হাসপাতালে ভর্তি
সিলেটে একদিনে আরও ৩৬ শিশু হাসপাতালে ভর্তি

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১০ জনের পরিবার পেল ৫০ লাখ টাকা
নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১০ জনের পরিবার পেল ৫০ লাখ টাকা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দায়িত্ব গ্রহণের ২৮ দিন পর যা জানালেন কুমিল্লা সিটি প্রশাসক
দায়িত্ব গ্রহণের ২৮ দিন পর যা জানালেন কুমিল্লা সিটি প্রশাসক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাংনীতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন
গাংনীতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরগুনায় আরও ১০ জনের হাম উপসর্গ, হেল্পডেস্ক উদ্বোধন
বরগুনায় আরও ১০ জনের হাম উপসর্গ, হেল্পডেস্ক উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই
ভারতের কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

২১ ঘণ্টার আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়ল ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা
২১ ঘণ্টার আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়ল ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টাঙ্গাইলে আর্থিক অনুদান ও প্রকল্পের চেক বিতরণ
টাঙ্গাইলে আর্থিক অনুদান ও প্রকল্পের চেক বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেহেরপুরে মুখোমুখি মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুই কিশোর নিহত
মেহেরপুরে মুখোমুখি মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুই কিশোর নিহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স
২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ
যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু
ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু
অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেমন আছেন মোজতবা খামেনি, জানা গেল সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা
কেমন আছেন মোজতবা খামেনি, জানা গেল সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প
ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষমতা ছাড়ার আগে সবাইকে গণক্ষমা করবেন ট্রাম্প
ক্ষমতা ছাড়ার আগে সবাইকে গণক্ষমা করবেন ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স
ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব
ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় শরীরে এইচআইভি জীবাণু পুশ
বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় শরীরে এইচআইভি জীবাণু পুশ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের
প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প
পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে হামলার জন্য বুশ-ওবামা-বাইডেনকেও চাপ দিয়েছিলো ইসরায়েল, ফাঁদে পড়লেন শুধু 'ট্রাম্প'
ইরানে হামলার জন্য বুশ-ওবামা-বাইডেনকেও চাপ দিয়েছিলো ইসরায়েল, ফাঁদে পড়লেন শুধু 'ট্রাম্প'

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরবে যুদ্ধ বিমান পাঠাল পাকিস্তান
সৌদি আরবে যুদ্ধ বিমান পাঠাল পাকিস্তান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কাছে এখনও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন
ইরানের কাছে এখনও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিমান দিয়ে জেডি ভ্যান্সের বিমান পাহারা দিয়ে নেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ
যুদ্ধবিমান দিয়ে জেডি ভ্যান্সের বিমান পাহারা দিয়ে নেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান
আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু
আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান
হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ
কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’
দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ
যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল
পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে
চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন সংগীতশিল্পী দিলরুবা খান
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন সংগীতশিল্পী দিলরুবা খান

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং
চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং

প্রথম পৃষ্ঠা

আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত
আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার
মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার

প্রথম পৃষ্ঠা

চাপে পড়েছেন দোকানিরা
চাপে পড়েছেন দোকানিরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি
তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব
রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ
ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ

পেছনের পৃষ্ঠা

যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে
যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে

প্রথম পৃষ্ঠা

জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি
জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি

শোবিজ

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস

শোবিজ

চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস
চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে
বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প
ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প

সম্পাদকীয়

তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬
তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬

পেছনের পৃষ্ঠা

সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান
সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান

সম্পাদকীয়

দলে নেই নতুন মুখ
দলে নেই নতুন মুখ

মাঠে ময়দানে

হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু
হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু

শোবিজ

নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে
নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে

মাঠে ময়দানে

স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা
স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা

শোবিজ

চোটে ইমনের পিএসএল শেষ
চোটে ইমনের পিএসএল শেষ

মাঠে ময়দানে

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী
চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি
ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি

পূর্ব-পশ্চিম

ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে
ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে

মাঠে ময়দানে

তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই
তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না
বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না

সম্পাদকীয়

ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত
ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত

পূর্ব-পশ্চিম