শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৫০, শনিবার, ০৭ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ০৯:৫১, শনিবার, ০৭ মার্চ, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের

যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েল বলছে, তাদের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সামরিক শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। "তাদের আকাশ-প্রতিরোধী ব্যবস্থা, বিমান বাহিনী, নৌবাহিনী আর নেতৃত্ব কিছুই আর নেই," মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার 'ট্রুথ' সামাজিক মাধ্যমে এ কথা লিখেছেন।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ওই পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন, "ওরা আলোচনায় বসতে চেয়েছিল। আমি বলেছি, অনেক দেরি হয়ে গেছে!"

ইসরায়েল আর অন্য যে-সব মধ্যপ্রাচ্যের দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি আছে, সেগুলি লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়ে ইরান বলেছে যে, তারা আত্মরক্ষার স্বার্থে ওই পদক্ষেপ নিয়েছে।

তবে সামরিক দিক থেকে বিচার করলে ইসরায়েল আর যুক্তরাষ্ট্র অনেকটাই এগিয়ে আছে। সেদিক থেকে বিচার করলে এই যুদ্ধে ইরানের সামনে কী কী বিকল্প আছে? তারা কী কৌশল নিচ্ছে?

'ইরান এখন ক্ষয় করার যুদ্ধের কৌশলে'

রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটে মধ্য প্রাচ্যের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ড. এইচএ হেলার বলছেন, প্রথাগত যুদ্ধ চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েলকে পরাজিত করার চেষ্টা এখন আর করছে না ইরান, তবে এই সংঘাতকে তারা "দীর্ঘায়িত করে, অঞ্চলের নানা দিকে ছড়িয়ে দিয়ে এবং অর্থনৈতিকভাবে বহুমূল্য" করতে চাইছে।

"ইরান প্রথাগত যুদ্ধে জিততে পারবে না, তবে তাদের কৌশল হলো অন্যপক্ষের কাছে জয়টা যাতে অর্থের দিক থেকে বহুমূল্য আর অনিশ্চিত হয়ে ওঠে," বলছিলেন হেলার।

ফ্রান্সের সিয়ঁসপোয়ের সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নিকোল গ্রাজেউস্কিও এই বিষয়ে সহমত পোষণ করেন।

তিনি বলছিলেন, ইরান এখন 'ক্ষয় করার যুদ্ধের' কৌশল নিয়েছে। সামরিকভাবে এই কৌশলে প্রতিপক্ষের অস্ত্র, সরঞ্জাম ও লোকবল যাতে কমে আসতে থাকে এবং যতক্ষণ তাদের লড়াই করার ক্ষমতা কমে না আসে, ততক্ষণ শত্রুপক্ষের লাগাতার ক্ষতিসাধন করে যাওয়া যায়।

এর একটা মনস্তাত্ত্বিক দিকও আছে। "গত বছর ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের সময়ে ইরান ক্রমাগত বেসামরিক এলাকাগুলোর দিকে তাদের নজর সরিয়ে এনেছিল," বলছিলেন মিজ. গ্রাজেউস্কি।

তার কথায়, "নির্ভুল নিশানা করার ব্যাপারটা খুব গুরুত্ব পায় না। জনগণের মধ্যে একটা মনস্তাত্ত্বিক ভয় আর আতঙ্ক তৈরি করা যায়।" ওই ১২ দিনের যুদ্ধে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ভাণ্ডারের বড়োসড়ো ক্ষতি হয়েছে, তবে "সঠিক সংখ্যাটা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি, কারণ মাটির নিচেও অনেক অস্ত্র মজুত আছে, আবার নতুন করে অস্ত্র উৎপাদানও করা হচ্ছে," বলছিলেন মিজ. গ্রাজেউস্কি।

ইসরায়েলের হিসাব অনুযায়ী ইরানের কাছে এবছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ছিল। এর মধ্যে এক হাজার কিলোমিটার রেঞ্জের স্বল্প দূরত্ব আর এক থেখে তিন হাজার কিলোমিটার রেঞ্জের মধ্যম দূরত্বের – দুই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রই আছে।

ইরানের কর্মকর্তারা বলছেন যে তারা যে-সব ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছেন, তার মধ্যে যেমন আছে 'সেজিল' ক্ষেপণাস্ত্র, যার রেঞ্জ প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার, তেমনই শব্দের দিক থেকেও দ্রুতগতিতে চলার ক্ষমতাধর 'ফাতাহ্' ক্ষেপণাস্ত্রও নিক্ষেপ করা হয়েছে।

'ক্ষেপণাস্ত্রের শহর'

ইরানের কর্মকর্তারা এবং সেদেশের সংবাদমাধ্যম 'ক্ষেপণাস্ত্রের শহর' বা 'মিসাইল সিটি'র উল্লেখ করে থাকে, যা আসলে মাটির নিচে গড়ে তোলা ক্ষেপণাস্ত্রের ভাণ্ডার। এসব ভাণ্ডারগুলির আয়তন আর সেগুলিতে কত ক্ষেপণাস্ত্র রাখা আছে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।

তবে শীর্ষ মার্কিন কমান্ডার জেনারেল ড্যান কেইন বলছেন, গত শনিবার ২৮শে ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার প্রথম দিন থেকে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার সংখ্যা ৮৬ শতাংশ কমে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্ট-কম বলছে, মঙ্গলবার, চৌঠা মার্চ ওই সংখ্যাটা আরও ২৩ শতাংশ কমেছে।

তবুও হেলার মনে করেন যে, "ইসরায়েলের স্থাপনা, এই অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন-মিত্রদের ওপরে" হামলা চালানোর ক্ষমতা যেমন এখনও আছে ইরানের, তেমনই "হরমুজ প্রণালী দিয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রেও তারা ঝুঁকির কারণ" হয়ে উঠেছে।

তার কথায়, "ওই প্রণালীতে সামান্য বিঘ্নও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড়ো প্রভাব ফেলবে।" বিশ্বের জ্বালানি তেলের ২০ শতাংশ ওই সরু প্রণালীটি দিয়েই পারাপার করে, যা এখন ইরান কার্যত বন্ধ করে রেখেছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল করলে যে কোনো জাহাজকে তারা আক্রমণ করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে।

ইরানের যদিও অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র আর রকেট উৎক্ষেপণের জ্বালানির সংকট দেখা দিতে পারে, তবে মিজ. গ্রাজেউস্কি বলছেন, দেশটির কাছে যত ড্রোন মজুত আছে, সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

মনে করা হয়, যুদ্ধের আগেই ইরান হাজারে হাজারে একমুখী আক্রমণের জন্য 'শাহেদ' ড্রোন তৈরি করে রেখেছে। এই ড্রোনের কারিগরি ডিজাইন তারা রাশিয়ার কাছে রপ্তানি করেছে, এমনকি যুক্তরাষ্ট্রও এর নকল তৈরি করে ফেলেছে।

সরাসরি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আক্রমণ করে সেগুলি ক্ষতিগ্রস্ত করা ছাড়াও এই ড্রোনগুলি ব্যবহারের একটি কৌশলগত উদ্দেশ্যও আছে – এই ড্রোনের হামলা সামলাতে যাতে প্রতিপক্ষকে বহুমূল্য 'ইন্টারসেপ্টার মিসাইল' ব্যবহার করতে হয় আর তার ফলে ক্রমে শত্রু দেশের আকাশ প্রতিরোধী ব্যবস্থার ক্রমাগত ক্ষয় হতে থাকে।

নিকোল গ্রাজেউস্কি বলছেন, "এর একটি দিক হলো ইন্টারসেপ্টার নিঃশেষিত করে দেওয়া। চালকহীন বিমান আর ড্রোন ব্যবহার করে ইরান এই কৌশলটা নিয়েছে। একই কৌশল রাশিয়াও নিয়েছে ইউক্রেনে।"

তবে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, সংঘাতের প্রথম দিন থেকে ইরানের ড্রোন উৎক্ষেপণের সংখ্যা ৭৩ শতাংশ কমে গেছে।

সংঘাত দীর্ঘায়িত করতে পারে ইরান?

মধ্যপ্রাচ্যে সব থেকে বড়ো সামরিক বাহিনী আছে ইরানের। ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ প্রকাশিত 'মিলিটারি ব্যালান্স ২০২৫' শীর্ষক প্রতিবেদন বলা হয়েছে যে, ইরানের প্রায় ছয় লাখ দশ হাজার সৈন্য সবসময়ে প্রস্তুত থাকে।

এর মধ্যে সাড়ে তিন লক্ষ সরাসরি সেনাবাহিনীতে আছেন। ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ডস কোর, যারা নিয়মিত কাজের সঙ্গেই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ আর ড্রোন উৎক্ষেপণের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে, তাদের সংখ্যা এক লাখ ৯০ হাজার সদস্য।

এর বাইরেও ইরানের কিছু আঞ্চলিক মিত্র আছে, যেমন হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী, ইরাকে কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী, লেবাননে হেজবুল্লাহ আর গাজা ভূখণ্ডে হামাস।

তবে ২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাস গাজা থেকে হামলা চালানোর পরে এই অঞ্চলে যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছিল, তার ফলে ইরানের এই স্বঘোষিত 'প্রতিরোধ অক্ষ' বড়োসড়ো ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে।

সাম্প্রতিক সমস্যাগুলি সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত মোকাবিলা করার অভিজ্ঞতা আছে ইরানের, বলছিলেন মিজ গ্রাজেউস্কি।

ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় থেকেই এটা লক্ষ্য করা গেছে। তবে ইরানের এই কৌশল কতটা কাজ করবে, তা নির্ভর করবে দেশটির অভ্যন্তরে কতটা সংহতি আছে, তার ওপরে।

মিজ গ্রাজেউস্কি বলছিলেন, "নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক শীর্ষ নেতৃত্ব কতটা এক থাকতে পারেন এবং তাদের মধ্যে কোনো বিভেদ আছে কি না, তার ওপরেই সবটা নির্ভর করবে। পরিস্থিতি যদি সত্যিই এমন হয়, তাহলে সামরিক কৌশল নিয়েও বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে।"

"মনে হচ্ছে ক্ষেপণাস্ত্র যারা নিক্ষেপ করছেন, তাদের ওপরে খুব চাপ আছে, তারা পরিশ্রান্তও। এই সময়ে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করায় ভুল হয়ে যেতে পারে, লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণেও ভুল হতে পারে। অনেক কিছুই বেশ অসংগঠিত মনে হচ্ছে, আর পরিশ্রান্ত হওয়াটাও স্পষ্ট হচ্ছে," বলছিলেন মিজ গ্রাজেউস্কি।

এরকম একটা সময়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের ওপরে যদি বারবার হামলা হয়, তাহলে বাহিনী ভুলক্রমেই সংঘাতের মাত্রা বাড়িয়ে ফেলতে পারে।

সংঘাত কি আরও বাড়বে?

মিজ গ্রাজেউস্কি তুরস্কের কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছেন, নেটোর আকাশ-প্রতিরোধী ব্যবস্থা বুধবার তাদের দেশে উড়ে আসা একটি ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছে।

ইরানের প্রতিবেশী দেশ তুরস্ক চেয়েছিল যে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই যুক্তরাষ্ট্র আর ইরানের মধ্যে একটি আলোচনায় মধ্যস্থতা করতে। তুরস্ক সব পক্ষকে এই বার্তাও দিয়েছিল যে তারা যেন সংঘাত আরও বাড়তে পারে, এমন কোনো কাজ না করে।

তবে ইরানের বৃহত্তর লক্ষ্য ছিল প্রতিবেশী দেশগুলির সামনে এতটাই কঠিন শর্ত হাজির করা, যাতে তারা যুক্তরাষ্ট্রের ওপরে চাপ তৈরি করতে পারবে, অথবা, অন্তত সংঘাত এড়ানোর জন্য আলোচনার মাধ্যমে আমেরিকাকে সংঘাত থেকে সরিয়ে আনতে পারবে।

মিজ গ্রাজেউস্কি বলছেন, "আমি জানি না এই প্রচেষ্টা সফল হবে কি না, তবে ইরানের হাতে এই একটাই তুরুপের তাস আছে।"

তবে এরকম একটা বাজির পাশা উল্টিয়েও যেতে পারে। হেলার বলছেন, "উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলি এরকম একটা সিদ্ধান্ত নিতে পারে যে তারা আগে ইরানের ওপরে মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধের বিরোধিতা করলেও এখন তাদের নিজেদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছে, কারণ ইরান তাদের ওপরে হামলা চালাচ্ছে। তাই তারা হয়ত ইরানের দিক থেকে সাম্প্রতিক হুমকির মুখে মার্কিন হামলাকে সমর্থন করতে পারে।"

তিনি বলছেন, "উপসাগরীয় দেশগুলি এখনও ওই সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে।"

সূত্র: বিবিসি

বিডি প্রতিদিন/নাজিম
 

এই বিভাগের আরও খবর
শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন
শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল
২১ ঘণ্টার আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়ল ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা
২১ ঘণ্টার আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়ল ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা
ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব
ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব
পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল
পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল
চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে
চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে
এক বৈঠকেই সমাধান সম্ভব নয় কেন, ব্যাখ্যা তেহরানের
এক বৈঠকেই সমাধান সম্ভব নয় কেন, ব্যাখ্যা তেহরানের
আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান
আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান
ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু
ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু
আফগানিস্তানে পিকনিক স্পটে গুলি, নিহত বেড়ে ১১
আফগানিস্তানে পিকনিক স্পটে গুলি, নিহত বেড়ে ১১
ফিলিস্তিন অ্যাকশন গ্রুপ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে লন্ডনে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ৫২৩
ফিলিস্তিন অ্যাকশন গ্রুপ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে লন্ডনে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ৫২৩
ইরাকের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন নিজার আমেদি
ইরাকের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন নিজার আমেদি
সর্বশেষ খবর
হিন্দু সম্প্রদায়ের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সমস্ত বিষয়ে সংসদে কথা বলব: এসএম জিলানী
হিন্দু সম্প্রদায়ের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সমস্ত বিষয়ে সংসদে কথা বলব: এসএম জিলানী

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অস্ট্রেলিয়ান প্রতিনিধিদলের সফর, বিনিয়োগ নিয়ে আশাবাদ
সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অস্ট্রেলিয়ান প্রতিনিধিদলের সফর, বিনিয়োগ নিয়ে আশাবাদ

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

কাশিয়ানীতে ৩০ লাখ টাকার মাদকসহ কারবারি গ্রেফতার
কাশিয়ানীতে ৩০ লাখ টাকার মাদকসহ কারবারি গ্রেফতার

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টরের সৌজন্য সাক্ষাৎ
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টরের সৌজন্য সাক্ষাৎ

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন
শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইবির স্বতন্ত্র ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতি ৯৩ শতাংশ
ইবির স্বতন্ত্র ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতি ৯৩ শতাংশ

২৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

বগুড়ায় যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে আগুন
বগুড়ায় যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে আগুন

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কোম্পানীগঞ্জে ১৯ মামলার আসামি ‘ডাকাত মাইস্যা’ গ্রেফতার
কোম্পানীগঞ্জে ১৯ মামলার আসামি ‘ডাকাত মাইস্যা’ গ্রেফতার

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে ‘প্রধানমন্ত্রীর দরবার’ অনুষ্ঠিত
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে ‘প্রধানমন্ত্রীর দরবার’ অনুষ্ঠিত

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

বরগুনায় ৮ বিঘার তরমুজ ক্ষেত নষ্ট, থানায় অভিযোগ
বরগুনায় ৮ বিঘার তরমুজ ক্ষেত নষ্ট, থানায় অভিযোগ

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন
হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

সিলেটে একদিনে আরও ৩৬ শিশু হাসপাতালে ভর্তি
সিলেটে একদিনে আরও ৩৬ শিশু হাসপাতালে ভর্তি

৪৩ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১০ জনের পরিবার পেল ৫০ লাখ টাকা
নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১০ জনের পরিবার পেল ৫০ লাখ টাকা

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দায়িত্ব গ্রহণের ২৮ দিন পর যা জানালেন কুমিল্লা সিটি প্রশাসক
দায়িত্ব গ্রহণের ২৮ দিন পর যা জানালেন কুমিল্লা সিটি প্রশাসক

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাংনীতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন
গাংনীতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরগুনায় আরও ১০ জনের হাম উপসর্গ, হেল্পডেস্ক উদ্বোধন
বরগুনায় আরও ১০ জনের হাম উপসর্গ, হেল্পডেস্ক উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই
ভারতের কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

২১ ঘণ্টার আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়ল ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা
২১ ঘণ্টার আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়ল ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টাঙ্গাইলে আর্থিক অনুদান ও প্রকল্পের চেক বিতরণ
টাঙ্গাইলে আর্থিক অনুদান ও প্রকল্পের চেক বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেহেরপুরে মুখোমুখি মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুই কিশোর নিহত
মেহেরপুরে মুখোমুখি মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুই কিশোর নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নদীতে ফুল ভাসিয়ে শুরু হলো ‘বিজু উৎসব’
নদীতে ফুল ভাসিয়ে শুরু হলো ‘বিজু উৎসব’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সশস্ত্র বাহিনী স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি, মর্যাদার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী
সশস্ত্র বাহিনী স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি, মর্যাদার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খাগড়াছড়ির চেঙ্গি নদীতে ফুল ভাসিয়ে ‘ফুল বিজু’ উদযাপন
খাগড়াছড়ির চেঙ্গি নদীতে ফুল ভাসিয়ে ‘ফুল বিজু’ উদযাপন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নির্বাচনি ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে: এমপি বাবুল
নির্বাচনি ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে: এমপি বাবুল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাবির হল সংসদের এজিএসসহ তিনজনের আবাসিকতা বাতিল, ভিপিকে শোকজ
রাবির হল সংসদের এজিএসসহ তিনজনের আবাসিকতা বাতিল, ভিপিকে শোকজ

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব
ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বসুন্ধরা শুভসংঘ পাঠাগারের সৌজন্যে সেরা পাঠকরা পেলেন পুরস্কার
বসুন্ধরা শুভসংঘ পাঠাগারের সৌজন্যে সেরা পাঠকরা পেলেন পুরস্কার

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল
পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিডনিতে জমকালো আয়োজনে বৈশাখী মেলা
সিডনিতে জমকালো আয়োজনে বৈশাখী মেলা

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স
২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিল
আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ
যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু
ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু
অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেমন আছেন মোজতবা খামেনি, জানা গেল সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা
কেমন আছেন মোজতবা খামেনি, জানা গেল সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প
ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষমতা ছাড়ার আগে সবাইকে গণক্ষমা করবেন ট্রাম্প
ক্ষমতা ছাড়ার আগে সবাইকে গণক্ষমা করবেন ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স
ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় শরীরে এইচআইভি জীবাণু পুশ
বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় শরীরে এইচআইভি জীবাণু পুশ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব
ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের
প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প
পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে হামলার জন্য বুশ-ওবামা-বাইডেনকেও চাপ দিয়েছিলো ইসরায়েল, ফাঁদে পড়লেন শুধু 'ট্রাম্প'
ইরানে হামলার জন্য বুশ-ওবামা-বাইডেনকেও চাপ দিয়েছিলো ইসরায়েল, ফাঁদে পড়লেন শুধু 'ট্রাম্প'

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরবে যুদ্ধ বিমান পাঠাল পাকিস্তান
সৌদি আরবে যুদ্ধ বিমান পাঠাল পাকিস্তান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কাছে এখনও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন
ইরানের কাছে এখনও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিমান দিয়ে জেডি ভ্যান্সের বিমান পাহারা দিয়ে নেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ
যুদ্ধবিমান দিয়ে জেডি ভ্যান্সের বিমান পাহারা দিয়ে নেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু
আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান
হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ
কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান
আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’
দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ
যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু
ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন সংগীতশিল্পী দিলরুবা খান
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন সংগীতশিল্পী দিলরুবা খান

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং
চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং

প্রথম পৃষ্ঠা

আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত
আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার
মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার

প্রথম পৃষ্ঠা

চাপে পড়েছেন দোকানিরা
চাপে পড়েছেন দোকানিরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি
তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব
রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ
ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ

পেছনের পৃষ্ঠা

যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে
যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে

প্রথম পৃষ্ঠা

জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি
জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি

শোবিজ

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস

শোবিজ

চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস
চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে
বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬
তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬

পেছনের পৃষ্ঠা

সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান
সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান

সম্পাদকীয়

ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প
ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প

সম্পাদকীয়

দলে নেই নতুন মুখ
দলে নেই নতুন মুখ

মাঠে ময়দানে

হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু
হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু

শোবিজ

নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে
নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে

মাঠে ময়দানে

স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা
স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা

শোবিজ

চোটে ইমনের পিএসএল শেষ
চোটে ইমনের পিএসএল শেষ

মাঠে ময়দানে

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী
চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি
ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি

পূর্ব-পশ্চিম

ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে
ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে

মাঠে ময়দানে

তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই
তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না
বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না

সম্পাদকীয়

ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত
ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত

পূর্ব-পশ্চিম