শিরোনাম
প্রকাশ: ২১:৫৩, সোমবার, ০৯ মার্চ, ২০২৬

বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?

২০২৬ সালের শুরু থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে এক আমূল পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। দেশটি শীর্ষ নেতৃত্বকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করার কৌশলটি এখন আর কেবল তাত্ত্বিক আলোচনায় সীমাবদ্ধ নেই। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক এবং পরবর্তীতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার মধ্য দিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন বিশ্ব রাজনীতিতে এক নতুন ও চরমপন্থি সমীকরণ তৈরি করেছে। 

বিশেষ করে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া সামরিক অভিযানে যেভাবে শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিশ্চিহ্ন করা হচ্ছে, তা আধুনিক যুদ্ধবিগ্রহের ইতিহাসে নজিরবিহীন। ওয়াশিংটনের এই মারমুখী অবস্থান এখন বিশ্বের অন্যান্য শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোর নেতাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দাবি করছে।

মার্কিন রাজনৈতিক বিশ্লেষক রবার্ট পেপের মতে, একটি দেশের নেতৃত্ব হলো সেই দেহের মস্তিষ্কের মতো, যা ধ্বংস হলে পুরো শরীর অচল হয়ে পড়ে। এই তত্ত্বকে বাস্তব রূপ দিতেই ট্রাম্প প্রশাসন এখন ‘এপিক ফিউরি’র মতো অপারেশন পরিচালনা করছে। যার মূল লক্ষ্য হলো প্রতিপক্ষকে নেতৃত্বশূন্য করে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা তৈরি করা। কোনো সংগঠনের ক্যারিশম্যাটিক নেতাকে সরিয়ে দিলে কেবল তার স্থলাভিষিক্ত হওয়ার যোগ্য উত্তরসূরি পাওয়া কঠিন হয় না, বরং পুরো ব্যবস্থার মধ্যেই এক ধরনের পক্ষাঘাত তৈরি হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের শাসনব্যবস্থা ঠিক কতটা টিকে থাকতে পারবে, তা নিয়ে গভীর সংশয় তৈরি হয়েছে। কারণ, একের পর এক হামলায় দেশটির নীতিনির্ধারক পর্যায়ের প্রায় সবাই এখন মৃত।

এদিকে মার্কিন এই কৌশলী অবস্থান উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং-উনকেও চিন্তায় ফেলে দিয়েছে বলে দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মনে করছে। উত্তর কোরিয়ার মতো দেশগুলো যেখানে পুরো শাসনকাঠামো কেবল একজন ব্যক্তির চারপাশেই আবর্তিত হয়, সেখানে এই ‘নেতৃত্ব লক্ষ্যবস্তু’ করার কৌশলটি অনেক বেশি কার্যকর ও প্রাণঘাতী হতে পারে। সিউলভিত্তিক বিশ্লেষকদের মতে, পিয়ংইয়ং এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সতর্ক কারণ তারা বুঝতে পারছে যে মার্কিন ড্রোন বা স্পেশাল ফোর্সের লক্ষ্যবস্তু হওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। নিজের অস্তিত্ব রক্ষায় কিম জং-উন এখন তার চলাফেরা এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে কঠোর গোপনীয়তা অবলম্বন করছেন যা আদতে তার শাসনতান্ত্রিক ক্ষমতাকেই সংকুচিত করে তুলছে।

ঐতিহাসিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র এই ধরনের গুপ্তহত্যা বা টার্গেটেড কিলিংয়ের পথে হাঁটলেও আশির দশকে রোনাল্ড রিগান স্বাক্ষরিত এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এটি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তবে ২০০১ সালের নাইন-ইলেভেন পরবর্তী ‘ওয়ার অন টেরর’ এবং বারাক ওবামার শাসনামলে এই আইনি কাঠামোতে সূক্ষ্ম পরিবর্তন আনা হয়। ওবামা প্রশাসন যুক্তি দিয়েছিল যে ইউনিফর্মধারী সৈন্যদের বাইরে যখন কোনো শত্রু কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানা না মেনে যুদ্ধ করে, তখন তাদের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষামূলক হামলা চালানো গুপ্তহত্যার পর্যায়ে পড়ে না। 

এই আইনি মারপ্যাঁচকেই এখন ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, যিনি সরাসরি একটি স্বাধীন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতাকে সরিয়ে দেওয়াকে বৈধতা দিচ্ছেন।

মার্কিন সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই ধরনের হামলায় সম্মুখ সমরে সৈন্য পাঠানোর ঝুঁকি কমে এবং সাধারণ মানুষের ক্ষয়ক্ষতিও সীমিত রাখা সম্ভব হয়। বিশাল স্থল হামলার চেয়ে সুনির্দিষ্ট ড্রোন হামলা বা ঝটিকা অভিযানের মাধ্যমে লক্ষ্য অর্জন করা অনেক বেশি সাশ্রয়ী ও রাজনৈতিকভাবে সুবিধাজনক। তবে এর অন্ধকার দিকটিও এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই কারণ অনেক ক্ষেত্রে এটি প্রতিপক্ষের মধ্যে ‘শহীদি চেতনা’র জন্ম দেয় যা দীর্ঘমেয়াদে আরও কট্টরপন্থী নেতৃত্বের উত্থান ঘটাতে পারে। সমালোচকরা মনে করছেন, ডিক্যাপিটেশন স্ট্রাইক হয়তো সাময়িকভাবে শত্রুকে দুর্বল করে দেয়, কিন্তু একটি দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে এটি সবসময় ব্যর্থ হয়েছে।

ইরান ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যগুলো মার্কিন প্রশাসনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাবকেই স্পষ্ট করে তুলছে। যখন প্রশ্ন করা হয় যে এই ধ্বংসযজ্ঞের পর তারা কার সাথে সমঝোতা করবেন, তখন ট্রাম্পের উত্তর ছিল যে যাদের সাথে কথা বলার পরিকল্পনা ছিল তারা প্রায় সবাই এখন মৃত। এমনকি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কংগ্রেসের শুনানিতে জানিয়েছেন যে তাদের বর্তমান লক্ষ্য হলো আগে শাসনব্যবস্থা ধ্বংস করা এবং রাজনৈতিক পুনর্গঠনের বিষয়টি পরে ভাবা হবে। এই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গিকে অনেক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ‘কৌশলের ওপর রণকৌশলের জয়’ হিসেবে বর্ণনা করছেন, যা অনেকটা ধ্বংস করার পর পুনর্গঠনের চিন্তা করার মতো অবিবেচনাপ্রসূত কাজ।

মার্কিন প্রভাবশালী কলামিস্ট ডেভিড ইগনাশিয়াস একে ‘আমেরিকান ওয়ে অফ ওয়ার’ বা আমেরিকার যুদ্ধের নতুন ধরন হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি মনে করেন, সাদ্দাম হোসেন, মুয়াম্মার গাদ্দাফি কিংবা ওসামা বিন লাদেনের সময় থেকেই এই বীজ বপন করা হয়েছিল। ইসরায়েল যেভাবে বছরের পর বছর ধরে তাদের শত্রুদের বিদেশের মাটিতে ড্রোন বা বিমান হামলার মাধ্যমে খতম করে আসছে, ওয়াশিংটন এখন সেই একই পথ পূর্ণ শক্তি দিয়ে অনুসরণ করছে। তবে এই প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক আইনের যে লঙ্ঘন ঘটছে এবং সার্বভৌমত্বের যে প্রশ্ন উঠছে, তার জবাব দেওয়ার প্রয়োজন মনে করছে না হোয়াইট হাউস।

ডিক্যাপিটেশন স্ট্রাইক বা নেতৃত্ব নির্মূল করার এই নীতি হয়তো সাময়িকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে একটি সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব প্রদান করছে, কিন্তু এর ফলে সৃষ্ট রাজনৈতিক শূন্যতা বিশ্বকে আরও অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুরু করে কোরীয় উপদ্বীপ পর্যন্ত সর্বত্রই এখন এক অজানা আশঙ্কার কালো মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন যদি কেবল ধ্বংস করার মধ্যেই তাদের রণনীতি সীমাবদ্ধ রাখে, তবে ভবিষ্যতে এই দেশগুলোতে গণতন্ত্র বা স্থিতিশীলতা ফেরানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে। বিশ্ব এখন রুদ্ধশ্বাসে তাকিয়ে আছে দেখার জন্য যে ইরানের পর পরবর্তী লক্ষ্যবস্তু হিসেবে কার নাম তালিকায় ওঠে এবং এই ধ্বংসাত্মক কূটনীতি শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়।

সূত্র: ইউরোশিয়ান টাইমস

বিডি প্রতিদিন/নাজমুল

টপিক

এই বিভাগের আরও খবর
২১ ঘণ্টা আলোচনার পরও সমঝোতা হয়নি, চুক্তি ছাড়াই দেশে ফিরছেন ভ্যান্স
২১ ঘণ্টা আলোচনার পরও সমঝোতা হয়নি, চুক্তি ছাড়াই দেশে ফিরছেন ভ্যান্স
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান
ইসলামাবাদে সংবাদ সম্মেলন করবেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট, আসতে পারে ‌‘গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা’
ইসলামাবাদে সংবাদ সম্মেলন করবেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট, আসতে পারে ‌‘গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা’
দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’
দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’
কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ
কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ
হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান
হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান
ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প
ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প
যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ
যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ
যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ
যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ
ইরাকের নতুন প্রেসিডেন্ট নিজার আমেদি
ইরাকের নতুন প্রেসিডেন্ট নিজার আমেদি
অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু
অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু
সর্বশেষ খবর
ঢাকায় বাড়তে পারে গরম
ঢাকায় বাড়তে পারে গরম

১ সেকেন্ড আগে | নগর জীবন

রাজধানীতে ৭০০ ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার
রাজধানীতে ৭০০ ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার

১৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

২১ ঘণ্টা আলোচনার পরও সমঝোতা হয়নি, চুক্তি ছাড়াই দেশে ফিরছেন ভ্যান্স
২১ ঘণ্টা আলোচনার পরও সমঝোতা হয়নি, চুক্তি ছাড়াই দেশে ফিরছেন ভ্যান্স

২০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১২ এপ্রিল ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১২ এপ্রিল ২০২৬

৪২ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

সেই মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে উত্তাল রূপগঞ্জ
সেই মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে উত্তাল রূপগঞ্জ

৫০ মিনিট আগে | জাতীয়

অর্থনীতির দুর্দিনে ভালো বাজেটের অপেক্ষা
অর্থনীতির দুর্দিনে ভালো বাজেটের অপেক্ষা

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১২ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১২ এপ্রিল)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসলামাবাদে সংবাদ সম্মেলন করবেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট, আসতে পারে ‌‘গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা’
ইসলামাবাদে সংবাদ সম্মেলন করবেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট, আসতে পারে ‌‘গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা’

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’
দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফের পারিবারিক ঝামেলায় জড়ালেন হানসিকা, ভাইয়ের সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা
ফের পারিবারিক ঝামেলায় জড়ালেন হানসিকা, ভাইয়ের সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ
কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হবিগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত
হবিগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত

৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

কেরানীগঞ্জে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
কেরানীগঞ্জে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান
হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প
ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ
যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ
যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বান্দরবান সীমান্তে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত অকটেন ও সার জব্দ
বান্দরবান সীমান্তে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত অকটেন ও সার জব্দ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাজিতপুরে ফেরিতে উঠতে গিয়ে ট্রাক নদীতে, পথচারী নিহত
বাজিতপুরে ফেরিতে উঠতে গিয়ে ট্রাক নদীতে, পথচারী নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুক্তির ৩৯ দিন আগেই ‘এক দিন’-এর টিকিট বুকিং
মুক্তির ৩৯ দিন আগেই ‘এক দিন’-এর টিকিট বুকিং

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরাকের নতুন প্রেসিডেন্ট নিজার আমেদি
ইরাকের নতুন প্রেসিডেন্ট নিজার আমেদি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, চাংক্রান, বিষু ও চাংলান উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা
বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, চাংক্রান, বিষু ও চাংলান উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু
অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বক্স অফিসে ১০০০ কোটির ইতিহাস ‘ধুরন্ধর ২’, মন্দিরে প্রার্থনায় সারা
বক্স অফিসে ১০০০ কোটির ইতিহাস ‘ধুরন্ধর ২’, মন্দিরে প্রার্থনায় সারা

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু
আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এস্পানিওলকে উড়িয়ে শীর্ষস্থান মজবুত করল বার্সেলোনা
এস্পানিওলকে উড়িয়ে শীর্ষস্থান মজবুত করল বার্সেলোনা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান
সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান

৭ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে কোথায় কোথায় মাইন পাতা খুঁজেই পাচ্ছে না ইরান!
হরমুজে কোথায় কোথায় মাইন পাতা খুঁজেই পাচ্ছে না ইরান!

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিল
আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিল

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেমন আছেন মোজতবা খামেনি, জানা গেল সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা
কেমন আছেন মোজতবা খামেনি, জানা গেল সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতির মাঝেই নতুন করে ইরানে ‘অত্যাধুনিক অস্ত্র’ পাঠাচ্ছে চীন: সিএনএন
যুদ্ধবিরতির মাঝেই নতুন করে ইরানে ‘অত্যাধুনিক অস্ত্র’ পাঠাচ্ছে চীন: সিএনএন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ
যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষমতা ছাড়ার আগে সবাইকে গণক্ষমা করবেন ট্রাম্প
ক্ষমতা ছাড়ার আগে সবাইকে গণক্ষমা করবেন ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু
অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় শরীরে এইচআইভি জীবাণু পুশ
বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় শরীরে এইচআইভি জীবাণু পুশ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেভাবে মার্কিন আধিপত্যের মূল কাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান: রিপোর্ট
যেভাবে মার্কিন আধিপত্যের মূল কাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান: রিপোর্ট

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প
পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কী হচ্ছে নাসায়, একের পর এক বিজ্ঞানীর মৃত্যু: কেউ বারান্দায় খুন, কেউ নিখোঁজ
কী হচ্ছে নাসায়, একের পর এক বিজ্ঞানীর মৃত্যু: কেউ বারান্দায় খুন, কেউ নিখোঁজ

১৯ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ইরানে হামলার জন্য বুশ-ওবামা-বাইডেনকেও চাপ দিয়েছিলো ইসরায়েল, ফাঁদে পড়লেন শুধু 'ট্রাম্প'
ইরানে হামলার জন্য বুশ-ওবামা-বাইডেনকেও চাপ দিয়েছিলো ইসরায়েল, ফাঁদে পড়লেন শুধু 'ট্রাম্প'

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

২০ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ছবিতে দেখুন: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আগে ইসলামাবাদে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা
ছবিতে দেখুন: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আগে ইসলামাবাদে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরবে যুদ্ধ বিমান পাঠাল পাকিস্তান
সৌদি আরবে যুদ্ধ বিমান পাঠাল পাকিস্তান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কাছে এখনও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন
ইরানের কাছে এখনও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উগান্ডায় শিম্পাঞ্জিদের গৃহযুদ্ধ, ৮ বছরে বহু প্রাণহানি
উগান্ডায় শিম্পাঞ্জিদের গৃহযুদ্ধ, ৮ বছরে বহু প্রাণহানি

২১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

যুদ্ধবিমান দিয়ে জেডি ভ্যান্সের বিমান পাহারা দিয়ে নেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ
যুদ্ধবিমান দিয়ে জেডি ভ্যান্সের বিমান পাহারা দিয়ে নেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না: ট্রাম্প
ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না: ট্রাম্প

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেড় বছর ধরে হাসিনা দিল্লিতে কেন, মোদি সরকারের কাছে প্রশ্ন তৃণমূল নেতার
দেড় বছর ধরে হাসিনা দিল্লিতে কেন, মোদি সরকারের কাছে প্রশ্ন তৃণমূল নেতার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেভাবে ন্যাটোর কবর খুঁড়ছেন ট্রাম্প!
যেভাবে ন্যাটোর কবর খুঁড়ছেন ট্রাম্প!

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরীক্ষায় তুমিও ফেল, ছয়মাস পর আমিও ফেল: শিক্ষামন্ত্রী
পরীক্ষায় তুমিও ফেল, ছয়মাস পর আমিও ফেল: শিক্ষামন্ত্রী

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু
ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকের পর যা বললেন শাহবাজ
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকের পর যা বললেন শাহবাজ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চন্দ্রাভিযান শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী
চন্দ্রাভিযান শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

২৩ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইরানকে অস্ত্র দিচ্ছে চীন, মার্কিন গোয়েন্দাদের চাঞ্চল্যকর দাবি
যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইরানকে অস্ত্র দিচ্ছে চীন, মার্কিন গোয়েন্দাদের চাঞ্চল্যকর দাবি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে চলা শান্তি আলোচনা নিয়ে যা বললেন ইরানের প্রেসিডেন্ট
পাকিস্তানে চলা শান্তি আলোচনা নিয়ে যা বললেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং
চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং

প্রথম পৃষ্ঠা

মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার
মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার

প্রথম পৃষ্ঠা

আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত
আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

চাপে পড়েছেন দোকানিরা
চাপে পড়েছেন দোকানিরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি
তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব
রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব

পেছনের পৃষ্ঠা

সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি
জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি

শোবিজ

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস

শোবিজ

চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস
চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ
ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ

পেছনের পৃষ্ঠা

দলে নেই নতুন মুখ
দলে নেই নতুন মুখ

মাঠে ময়দানে

বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে
বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬
তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬

পেছনের পৃষ্ঠা

নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে
নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে

মাঠে ময়দানে

চোটে ইমনের পিএসএল শেষ
চোটে ইমনের পিএসএল শেষ

মাঠে ময়দানে

হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু
হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু

শোবিজ

যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে
যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি
ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি

পূর্ব-পশ্চিম

সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান
সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান

সম্পাদকীয়

ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত
ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত

পূর্ব-পশ্চিম

ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প
ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প

সম্পাদকীয়

বাঁশ-বেতের পণ্য প্রদর্শনী
বাঁশ-বেতের পণ্য প্রদর্শনী

দেশগ্রাম

উল্টে যাওয়া সিএনজিতে বিপুল মাদক
উল্টে যাওয়া সিএনজিতে বিপুল মাদক

দেশগ্রাম

পরিচালনা পর্ষদ গঠন
পরিচালনা পর্ষদ গঠন

দেশগ্রাম

অবৈধ বালু তোলায় গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা
অবৈধ বালু তোলায় গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা

দেশগ্রাম

২৮ মামলার আসামি কাইল্লা রক্সি গ্রেপ্তার
২৮ মামলার আসামি কাইল্লা রক্সি গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা
স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা

শোবিজ