মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পরও সংকটের মুখে থাকা কিউবায় আবারও জ্বানানিবাহী একটি জাহাজ পাঠানোর কথা জানিয়েছে রাশিয়া। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দেশটির জ্বালানি মন্ত্রী সের্গেই সিভিলেভ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
চলতি বছর শুরুতে কিউবার দীর্ঘদিনের মিত্র ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র।তাকে অপহরণেল পর হাভানা তার প্রধান তেল সরবরাহকারীকে হারায়। এরপর থেকে জ্বালানি সংকটে ভুগছে দেশটি।
এছাড়াও ওয়াশিংটন দ্বীপটিতে তেল বিক্রি বা সরবরাহকারী যেকোনো দেশের ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি দেয়। যদিও গত সপ্তাহে ‘মানবিক কারণে’ মস্কোকে তেলবাহী ট্যাংকার পাঠানোর অনুমতি দেয়।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিভিলেভের উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, রাশিয়ান ফেডারেশন থেকে একটি জাহাজ অবরোধ ভেঙে কিউবায় তেল পাঠানো হচ্ছে। আমরা কিউবানদের বিপদে ফেলে যাব না।
মস্কো ঐতিহাসিকভাবে হাভানার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে এবং জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করার চেষ্টার জন্য ওয়াশিংটনের সমালোচনা করেছে। অবরোধ শুরু হওয়ার পর থেকে কমিউনিস্ট-শাসিত এই দ্বীপটি কয়েক সপ্তাহ ধরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, জ্বালানি রেশনিং এবং খাদ্য সংকট সহ্য করছে।
গত মঙ্গলকার ৭ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বহনকারী একটি রুশ ট্যাংকার কিউবার মাতানজাস বন্দরে এসে পৌঁছেছে, যা জানুয়ারির পর দ্বীপটিতে প্রথম তেলের চালান সরবরাহ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরে কিউবাকে একটি বৈরী শাসনব্যবস্থা হিসেবে দেখে আসছে।
গত রবিবার ট্রাম্প কিউবার রাশিয়ার পাঠানোতে কোনো সমস্যা নেই বলে জানান। তিনি বলেন, কিউবার দিন শেষ। তাদের একটি খারাপ শাসনব্যবস্থা আছে। তাদের নেতৃত্ব খুবই খারাপ ও দুর্নীতিগ্রস্ত এবং তারা এক জাহাজ তেল পাক বা না পাক, তাতে কিছু যায় আসবে না।
সূত্র: এএফপি।
বিডি প্রতিদিন/কামাল