রাশিয়া একটি জাহাজে ‘চুরি করা শস্য’ বহন করছে অভিযোগ করে সেটিকে হাইফা বন্দরে ভিড়তে দেওয়ায় ইসরায়েলের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইউক্রেন। ইসরায়েলে নিযুক্ত ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত ইয়েভগেন করনিইচুক এই অভিযোগ করে বলেন, ইসরায়েল যেমন চাইবে না ইউক্রেন ইরান থেকে কিছু কিনুক, তেমনি ইউক্রেনও আশা করে ইসরায়েল রাশিয়া-সংক্রান্ত বিষয়ে একই ধরনের অবস্থান গ্রহণ করুক।
রাষ্ট্রদূতের দাবি, গত ২৭ মার্চ তিনি ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক বিভাগে প্রমাণ জমা দেন যে, জাহাজটিতে ইউক্রেন থেকে নেওয়া শস্য রয়েছে। তার অভিযোগ, ইউক্রেনের প্রসিকিউটর জেনারেলের আনুষ্ঠানিক অনুরোধের অপেক্ষায় থেকে ইসরায়েল কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
তিনি জানান, ইউক্রেনের আদালতের নির্দেশনা ও আনুষ্ঠানিক অনুরোধপত্র গতকাল কিয়েভে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত মাইকেল ব্রডস্কির কাছে পৌঁছায়। পরে তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। করনিইচুক বলেন, ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিচার মন্ত্রণালয় এবং কাস্টমস—সবাই বিষয়টি জানত।
তার ভাষায়, ‘অন্তত তারা জাহাজটির প্রবেশ কিছু সময়ের জন্য বিলম্ব করতে পারত। কিন্তু তা করা হয়নি।’ তিনি আরও বলেন, এটি আন্তর্জাতিক আইন এবং দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন।
এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় সম্প্রতি দ্বিতীয়বারের মতো ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। উদ্দেশ্য ছিল দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় পর দুই নেতার মধ্যে প্রথম ফোনালাপের ব্যবস্থা করা।
তবে সময়সূচির কারণ দেখিয়ে জেলেনস্কির কার্যালয় অনুরোধটি আপাতত ফিরিয়ে দিয়েছে। যদিও এ বিষয়ে প্রচেষ্টা এখনো চলছে।
বিডিপ্রতিদিন/কেকে