শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:৫৮, রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সরাসরি আলোচনার আগে নিজেদের দেশের জব্দ হওয়া সম্পদ ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন ইরানের নেতারা। একইসঙ্গে এই যুদ্ধে ইরানের সম্পদের ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণও দাবি করছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের কাছে ক্ষতিপূরণ চেয়ে একটি চিঠি লিখেছেন।

এই চিঠিতে বিভিন্ন দেশের কাছে যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে।

ইরান সরকারিভাবে এই দাবিগুলো জানালেও এখনও পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো দেশ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। ইরানের রেভোলুশনারি গার্ড কোর বা বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সাথে সম্পর্কিত সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, আলোচনার টেবিলে ক্ষতিপূরণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ইরান যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন চালিয়ে যাচ্ছে।

রুশ সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরান সরকারের মুখপাত্র ফাতিমা মাহাজিরানি বলেছেন, "প্রাথমিক ও সতর্কভাবে করা হিসাব অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২৭০ বিলিয়ন ডলারের, তবে এই অংক আরও বাড়তে পারে।"

তাসনিম নিউজের তথ্য অনুযায়ী, ফাতিমা মাহাজিরানি আরও বলেন, "ইরানি কর্তৃপক্ষের করা ক্ষয়ক্ষতির এই মূল্যায়নের মধ্যে ভবন ও অবকাঠামোর ক্ষতি এবং শিল্প-কারখানা বন্ধ থাকার কারণে সৃষ্ট আর্থিক লোকসানকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।"

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার (আইআরএনএ) তথ্য অনুযায়ী, ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টিও আলোচনা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন ফাতিমা মাহাজিরানি।

তবে বিবিসি স্বতন্ত্রভাবে তার এই দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।

ইরানের জব্দ করা সম্পদের বিষয়ে দেশটির আধা-সরকারি সংস্থা, প্রেস টিভি এবং বিবিসি নিউজের আগের প্রতিবেদনগুলো থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিবিসি উর্দু ওই সম্পদের বিস্তারিত কিছু বিবরণ তৈরি করেছে।

ইরান কীভাবে তাদের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব করেছে এই প্রতিবেদনে সেটি তুলে ধরা হয়েছে।

জব্দ করা সম্পদ:

১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার যখন ইরানের সম্পদ জব্দ করার নির্দেশ দেন তখন থেকে শুরু করে বর্তমান ২০২৬ সাল পর্যন্ত, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন রূপে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার মূল্যের ইরানি সম্পদ জব্দ করে রাখা হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির পর জব্দ থাকা সম্পদের এই বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে এবং এক্ষেত্রে এটি যুক্তরাষ্ট্রের আন্তরিকতা প্রমাণের একটি বড় পরীক্ষা হয়ে উঠেছে।

ইরানি সংবাদ সংস্থা প্রেস টিভির তথ্য অনুযায়ী, গত ৪৭ বছরে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জাতীয় সম্পদের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আটকে রেখেছে।

এর মধ্যে তেলের রাজস্ব, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ এবং বাণিজ্যিক সম্পদও রয়েছে।

বিভিন্ন সময়ে এসব সম্পদ প্রেসিডেন্সিয়াল ডিক্রি বা প্রেসিডেন্টের আদেশের মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে এবং "রাজনৈতিক চাপে" ক্রমাগত এসব সম্পদ জব্দ বা আটকে রাখা হয়েছে।

ইরানি সম্পদ জব্দের প্রথম এবং সবচেয়ে বড় ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৭৯ সালের ১৪ই নভেম্বর। সেসময় তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকগুলোতে থাকা প্রায় আট বিলিয়ন ডলার মূল্যের ইরানের সরকারি সম্পদ জব্দ করার একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন।

এই আদেশের আওতায় কেবলমাত্র ইরানি সরকারি অ্যাকাউন্টই নয় বরং এটি দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থার সাথে সংযুক্ত সকল ইরানি প্রতিষ্ঠানও ছিল।

প্রেস টিভির তথ্য অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্তের ফলে সিটি ব্যাংক, চেজ ম্যানহাটন, ব্যাংক অফ আমেরিকা, এইচএসবিসি, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড, বিএনপি পারিবাস, ডয়েচে ব্যাংক, কমার্স ব্যাংক, ক্রেডিট সুইস এবং বার্কলেসের মতো বড় বড় মার্কিন ও আন্তর্জাতিক ব্যাংকগুলো ইরানের সাথে আর্থিক সম্পর্ক ছিন্ন করে।

এই অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শুধু ব্যাংকিং খাতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না বরং এটি শিল্প ও জ্বালানি খাতের জন্যও ছিলো।

শেল, টোটাল, ইএনআই, সিমেন্স, জেনারেল ইলেকট্রিক এবং বোয়িং এর মতো বিশ্বখ্যাত কোম্পানিগুলো ইরানে তাদের প্রকল্পগুলো মাঝপথে ছেড়ে চলে যায়। এর ফলে অনেক প্রকল্প অসমাপ্ত থেকে যায় এবং ইরানের বড় অংকের পুঁজি আটকা পড়ে।

১৯৮১ সালের আলজিয়ার্স চুক্তির অধীনে জব্দকৃত সম্পদের কিছু অংশ ইরানকে ফেরত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ ছিল এবং কঠোর শর্তসাপেক্ষ ছিল। ইরান প্রায় তিন দশমিক ছয় বিলিয়ন ডলার ফেরত পেয়েছিল, এটি জব্দকৃত মূল অর্থের তুলনায় কম।

অবশিষ্ট টাকা আমেরিকান কোম্পানি এবং নাগরিকদের করা দাবির মেটানোর জন্য রেখে দেওয়া হয়েছিল। প্রেস টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই চুক্তির আওতায় হেগ এ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ক্লেইমস ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়। এই ট্রাইব্যুনাল এখনও দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান আর্থিক ও বাণিজ্যিক বিরোধগুলোর শুনানি করে।

পারমাণবিক চুক্তি এবং সাময়িক নিষেধাজ্ঞা শিথিল:

ইরানের জব্দ করা মোট সম্পদের কোনো সরকারি পরিসংখ্যান নেই। তবে বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, ১৯৭৯ সালে জব্দ করা ইরানের প্রথম বড় সম্পদ পরিমাণ ছিল প্রায় আট থেকে ১১ বিলিয়ন ডলার। ২০১৫ সালে ইরান ও বিশ্বশক্তির মধ্যে হওয়া পারমাণবিক চুক্তি (জেসিপিওএ) ১৯৭৯ সালের পর প্রথমবারের মতো নিষেধাজ্ঞা সত্যিকারের মতো শিথিল হওয়ার আশা সৃষ্টি করে।

এর ফলে বিদেশে ইরানের ঠিক কত টাকা আটকে আছে সেটি নিয়ে নানা রকমের এবং বিপরীতমুখী হিসাব সামনে আসতে থাকে।

এক সাক্ষাৎকারে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ইরানি সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার বলে ধারণা দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে সেই হিসাব কমিয়ে ৫০ থেকে ৬০ বিলিয়ন ডলারে নামিয়ে এনেছিলেন মি. ওবামা।

২০১৫ সালের আগস্টে ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর ভালি আসেফ জানান, ইরানের জব্দ হওয়া সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলার।

এর মধ্যে ২৩ বিলিয়ন ডলার জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ছিল।

বাকি ছয় বিলিয়ন ডলার ভারতের কাছে তেল বিক্রির রাজস্ব আয় ছিল।

পারমাণবিক চুক্তির আওতায় সম্পদ পুনরুদ্ধারের বিষয়টি উল্লেখযোগ্য হলেও সেটি অসম্পূর্ণ ছিল।

এই চুক্তির মাধ্যমে ইরান তাদের জব্দ হওয়া প্রায় ৫০ থেকে ৬০ বিলিয়ন ডলার ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছিল।

যেগুলোর বেশিরভাগই অ্যাস্ক্রো অ্যাকাউন্টে জমা ছিলো।কিন্তু এই স্বস্তি সাময়িক ছিল।

২০১৮ সালের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে দেশটি একতরফাভাবে এই পারমাণবিক চুক্তি থেকে সরে যায় এবং ইরানের ওপর পুনরায় কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

এর ফলে মাত্র তিন বছর আগে ফিরে পাওয়া সম্পদগুলো আবারও ফ্রিজ বা জব্দ হয়ে যায়।

কাতার: বন্দি বিনিময় এবং পুনরায় সম্পদ জব্দ

২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া বন্দি বিনিময়ের ঘটনাটি আবারো ইরানের আটকে থাকা সম্পদের ইস্যুটিকে বিশ্ববাসীর নজরে আনে।

কাতারের মধ্যস্থতায় হওয়া ওই চুক্তি অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যাংকগুলোতে আটকে থাকা ইরানের প্রায় ছয় বিলিয়ন (৬০০ কোটি) ডলার মূল্যের তেলের রাজস্ব আয় কাতারের রাজধানী দোহার 'রেস্ট্রিকটেড বা নিয়ন্ত্রিত অ্যাকাউন্টে' হস্তান্তরের অনুমতি দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ইরানের তেল বিক্রির আয় থেকে এই টাকা এসেছে। যা কিনা ২০১৮ সালে পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগেই জমা হয়েছিল।

কাতারি ব্যাংকগুলোতে এই টাকা রাখার ক্ষেত্রে একটি কঠোর শর্ত দেওয়া হয়েছিল। এটি হলো, এই টাকা শুধুমাত্র খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং কৃষিপণ্যের মতো মানবিক পণ্য কেনার কাজে ব্যবহার করা যাবে।

একইসঙ্গে প্রত্যেকটি পেমেন্টের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন ছিল। যাতে এই বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, ওই টাকা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে না। ২০২৩ সালের বিবিসির একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন কংগ্রেসকে জানিয়েছিলেন, এই টাকা ইরানকে খুব 'সীমিত সুবিধা' দেবে।

কারণ এই টাকা শুধুমাত্র মানবিক বাণিজ্যে ব্যবহার করা যাবে। এই বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে আটক থাকা পাঁচ ইরানি নাগরিককেও মুক্তি দেওয়া হবে বলেও নিশ্চিত করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

কাতারের আমির যখন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলী খামেনির সঙ্গে তেহরানে দেখা করেন, তখন তিনি দোহায় জব্দ থাকা ইরানের তেলের রাজস্ব আয়ের সেই ছয় বিলিয়ন ডলার ছাড় করার দাবি জানান। তবে ২০২৪ সালের অক্টোবরে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে পরিস্থিতি আবারও বদলে যায়। ইরান যাতে এই ফান্ড বা অর্থ ব্যবহার করতে না পারে সে কারণে তাদের প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দিতে কাতারকে নির্দেশ দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

এর ফলে ওই ছয় বিলিয়ন ডলারের অর্থ আবারও ইরানের প্রাপ্তি ক্ষমতার বাইরে চলে যায়। সম্প্রতি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক সাক্ষাৎকারে জোর দিয়ে বলেছেন, ইরানের আস্থা অর্জন করা সহজ নয়। কারণ বছরের পর বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের কারণে বিভিন্ন দেশে ইরানের সম্পদ জব্দ হয়ে আছে।

তার মতে, ইরান তাদের দায়িত্ব পুরোপুরিভাবে পালন করলেও যুক্তরাষ্ট্র তা করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই ইরানের আস্থা অর্জনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে সুনির্দিষ্ট বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হবে।

আব্বাস আরাঘচি এটা স্পষ্ট করেছেন যে, ইরানের আটকে বা জব্দ থাকা সম্পদ ফেরত দেওয়া একটি নন-নেগোশিয়েবল শর্ত এবং এই শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কোনো আলোচনা থেকেই বড় ধরনের অগ্রগতির আশা করা যায় না। সূত্র: বিবিসি

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
ভারতে বজ্রপাত ও ভারী বর্ষণে ১১১ জনের মৃত্যু
ভারতে বজ্রপাত ও ভারী বর্ষণে ১১১ জনের মৃত্যু
দুর্নীতির মামলায় নাইজেরিয়ার সাবেক মন্ত্রীর ৭৫ বছরের কারাদণ্ড, পলাতক
দুর্নীতির মামলায় নাইজেরিয়ার সাবেক মন্ত্রীর ৭৫ বছরের কারাদণ্ড, পলাতক
ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ
ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ
নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান
নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান
৪০ বছরে সর্বনিম্ন বন উজাড় ব্রাজিলের আটলান্টিক অরণ্যে
৪০ বছরে সর্বনিম্ন বন উজাড় ব্রাজিলের আটলান্টিক অরণ্যে
পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে পাঁচ সেনাসহ নিহত ১২
পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে পাঁচ সেনাসহ নিহত ১২
ট্রাম্পকে যে রাজকীয় খাবার খাওয়াল চীন
ট্রাম্পকে যে রাজকীয় খাবার খাওয়াল চীন
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার প্রার্থী হিসেবে রথীন্দ্রনাথ বোসকে মনোনয়ন বিজেপির
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার প্রার্থী হিসেবে রথীন্দ্রনাথ বোসকে মনোনয়ন বিজেপির
ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ, স্টারমার আরও চাপে
ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ, স্টারমার আরও চাপে
ইউক্রেনে ৫৬ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৭৫ ড্রোন হামলা রাশিয়ার, হতাহত ৪৯
ইউক্রেনে ৫৬ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৭৫ ড্রোন হামলা রাশিয়ার, হতাহত ৪৯
ইউক্রেনীয় ড্রোন অনুপ্রবেশ, লাটভিয়ার প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ
ইউক্রেনীয় ড্রোন অনুপ্রবেশ, লাটভিয়ার প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ
এনার্জি বাড়ানোর নামে আফ্রিকায় ছড়াচ্ছে ভারতীয় ‘জম্বি ড্রাগ’, প্রায় ৪০০ মরদেহ উদ্ধার
এনার্জি বাড়ানোর নামে আফ্রিকায় ছড়াচ্ছে ভারতীয় ‘জম্বি ড্রাগ’, প্রায় ৪০০ মরদেহ উদ্ধার
সর্বশেষ খবর
ফরিদপুরে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছিল বৃদ্ধার মরদেহ
ফরিদপুরে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছিল বৃদ্ধার মরদেহ

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

পেছনে হাত বেঁধে শিক্ষার্থীকে মারধর, প্রিন্সিপাল বরখাস্ত
পেছনে হাত বেঁধে শিক্ষার্থীকে মারধর, প্রিন্সিপাল বরখাস্ত

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুই পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে মাদক ব্যবসায়ীকে ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
দুই পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে মাদক ব্যবসায়ীকে ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অটোরিকশায় যুবকের কাছে মিলল দেড় লাখ ডলার
অটোরিকশায় যুবকের কাছে মিলল দেড় লাখ ডলার

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভারসাম্যহীন মায়ের নবজাতকের নাম রাখা হলো ‘আয়েশা আক্তার মুসকান’
ভারসাম্যহীন মায়ের নবজাতকের নাম রাখা হলো ‘আয়েশা আক্তার মুসকান’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আড়াইহাজারে ভুল সিলেবাসে পরীক্ষা; ৫৪ পরীক্ষার্থীর ফল নিয়ে অনিশ্চয়তা
আড়াইহাজারে ভুল সিলেবাসে পরীক্ষা; ৫৪ পরীক্ষার্থীর ফল নিয়ে অনিশ্চয়তা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কৃষির আধুনিকায়নের লক্ষ্যে জয়পুরহাটে ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত
কৃষির আধুনিকায়নের লক্ষ্যে জয়পুরহাটে ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বিক্রয় ডট কম’ কিনে নিলো নাইজেরিয়ার ‘জিজি’
‘বিক্রয় ডট কম’ কিনে নিলো নাইজেরিয়ার ‘জিজি’

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মসজিদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ার উপায়
মসজিদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ার উপায়

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

নোয়াখালীতে অবৈধভাবে কৃষিজমির মাটি কাটায় দুইজনের কারাদণ্ড
নোয়াখালীতে অবৈধভাবে কৃষিজমির মাটি কাটায় দুইজনের কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাটে কৃষিবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
জয়পুরহাটে কৃষিবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

বগুড়া-জয়পুরহাট আমার নিজের বাড়ি, উন্নয়নে বৈষম্য হবে না: সুরাইয়া জেরিন রনি
বগুড়া-জয়পুরহাট আমার নিজের বাড়ি, উন্নয়নে বৈষম্য হবে না: সুরাইয়া জেরিন রনি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ৫ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা
বরিশালে ৫ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জার্মান রাষ্ট্রদূতের চমেক ভেনম রিসার্চ সেন্টার পরিদর্শন
জার্মান রাষ্ট্রদূতের চমেক ভেনম রিসার্চ সেন্টার পরিদর্শন

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাগুরায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুখাদ্য বিক্রি, ১ লাখ টাকা জরিমানা
মাগুরায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুখাদ্য বিক্রি, ১ লাখ টাকা জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জিলহজের প্রথম দশকের আমল
জিলহজের প্রথম দশকের আমল

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম
ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন
বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অনির্ধারিত ট্রেন থামিয়ে তল্লাশি, টয়লেটে মিলল ১০ কেজি গাঁজা
অনির্ধারিত ট্রেন থামিয়ে তল্লাশি, টয়লেটে মিলল ১০ কেজি গাঁজা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতে বজ্রপাত ও ভারী বর্ষণে ১১১ জনের মৃত্যু
ভারতে বজ্রপাত ও ভারী বর্ষণে ১১১ জনের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃষ্ণচূড়ায় রঙিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
কৃষ্ণচূড়ায় রঙিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মুন্সীগঞ্জে করবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্থগিতের দাবিতে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর
মুন্সীগঞ্জে করবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্থগিতের দাবিতে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাঙালি নদী থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার
বাঙালি নদী থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: ডেপুটি স্পিকার
দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: ডেপুটি স্পিকার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুন্সীগঞ্জে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ
মুন্সীগঞ্জে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ
মুন্সীগঞ্জে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে গাঁজাসহ আটক ৫ মাদকসেবীর জেল
নোয়াখালীতে গাঁজাসহ আটক ৫ মাদকসেবীর জেল

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় জাদুঘরে রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণে বর্ণাঢ্য আয়োজন
জাতীয় জাদুঘরে রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণে বর্ণাঢ্য আয়োজন

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
ওমানে গাড়ির ভেতর বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু
ওমানে গাড়ির ভেতর বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু

১৭ ঘণ্টা আগে | পরবাস

পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি
পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলাভেসের কাছে হেরে স্বপ্ন ভাঙল বার্সেলোনার
আলাভেসের কাছে হেরে স্বপ্ন ভাঙল বার্সেলোনার

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদুল আজহায় ছুটি ৭ দিন, প্রজ্ঞাপন জারি
ঈদুল আজহায় ছুটি ৭ দিন, প্রজ্ঞাপন জারি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজীপুরে ৫ খুনের পর উধাও ফোরকান, সিসিটিভিতে নদীতে ঝাঁপের দৃশ্য
গাজীপুরে ৫ খুনের পর উধাও ফোরকান, সিসিটিভিতে নদীতে ঝাঁপের দৃশ্য

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধের মাঝে গোপনে আমিরাত সফর নেতানিয়াহুর
ইরান যুদ্ধের মাঝে গোপনে আমিরাত সফর নেতানিয়াহুর

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সংঘাত হতে পারে, ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা শি’র
তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সংঘাত হতে পারে, ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা শি’র

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জীবনের মূল্যবান ১৭টি বছর নষ্ট করেছি’, তিন বিয়ে নিয়ে আক্ষেপ অভিনেত্রীর
‘জীবনের মূল্যবান ১৭টি বছর নষ্ট করেছি’, তিন বিয়ে নিয়ে আক্ষেপ অভিনেত্রীর

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৭ জানুয়ারি শুরু এসএসসি পরীক্ষা, এইচএসসি ৬ জুন
৭ জানুয়ারি শুরু এসএসসি পরীক্ষা, এইচএসসি ৬ জুন

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কোচিং সেন্টার নিয়ে যে কড়া বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
কোচিং সেন্টার নিয়ে যে কড়া বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আপনার বন্ধু হতে পারা সম্মানের, শি’র উদ্দেশে ট্রাম্প
আপনার বন্ধু হতে পারা সম্মানের, শি’র উদ্দেশে ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আদালতে আইনজীবীর ভূমিকায় মমতা, লড়বেন ভোট পরবর্তী প্রতিহিংসা মামলা
আদালতে আইনজীবীর ভূমিকায় মমতা, লড়বেন ভোট পরবর্তী প্রতিহিংসা মামলা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ
ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে যে রাজকীয় খাবার খাওয়াল চীন
ট্রাম্পকে যে রাজকীয় খাবার খাওয়াল চীন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দ্বিতীয় টেস্টে পরিবর্তন আনল বাংলাদেশ
দ্বিতীয় টেস্টে পরিবর্তন আনল বাংলাদেশ

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠতা’র জেরে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে স্ত্রীর ‘চড়’
ইরানি অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠতা’র জেরে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে স্ত্রীর ‘চড়’

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস, ১৪ হাজার রানে প্রথম ভারতীয় কোহলি
টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস, ১৪ হাজার রানে প্রথম ভারতীয় কোহলি

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চীন-পাকিস্তানের ভয়ে বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা ভারতের
চীন-পাকিস্তানের ভয়ে বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা ভারতের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসির হ্যাটট্রিকে সিনসিনাটিকে বিধ্বস্ত করল মায়ামি
মেসির হ্যাটট্রিকে সিনসিনাটিকে বিধ্বস্ত করল মায়ামি

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার
ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

রেললাইনে বসে মোবাইলে গেমস খেলার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ কিশোরের মৃত্যু
রেললাইনে বসে মোবাইলে গেমস খেলার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ কিশোরের মৃত্যু

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান
নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘রেড লাইন’ না মানলে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা নয় : জেডি ভ্যান্স
‘রেড লাইন’ না মানলে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা নয় : জেডি ভ্যান্স

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দক্ষিণ কোরিয়া গমনেচ্ছুদের বিক্ষোভ, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস মন্ত্রীর
দক্ষিণ কোরিয়া গমনেচ্ছুদের বিক্ষোভ, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস মন্ত্রীর

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের সিদ্ধান্ত
পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের সিদ্ধান্ত

১৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ভোটে হারের পর আদালতে মমতা, পুরনো পেশায় প্রত্যাবর্তন
ভোটে হারের পর আদালতে মমতা, পুরনো পেশায় প্রত্যাবর্তন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্যালেসকে হারিয়ে শিরোপার লড়াই জমিয়ে তুলল ম্যানসিটি
প্যালেসকে হারিয়ে শিরোপার লড়াই জমিয়ে তুলল ম্যানসিটি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনার্জি বাড়ানোর নামে আফ্রিকায় ছড়াচ্ছে ভারতীয় ‘জম্বি ড্রাগ’, প্রায় ৪০০ মরদেহ উদ্ধার
এনার্জি বাড়ানোর নামে আফ্রিকায় ছড়াচ্ছে ভারতীয় ‘জম্বি ড্রাগ’, প্রায় ৪০০ মরদেহ উদ্ধার

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইনুর মামলার রায় যেকোনো দিন
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইনুর মামলার রায় যেকোনো দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দিল্লিতে আবারও বাসের ভেতরে গণধর্ষণ
দিল্লিতে আবারও বাসের ভেতরে গণধর্ষণ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার

প্রথম পৃষ্ঠা

চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক
চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শর্টকাটে বড়লোক!
শর্টকাটে বড়লোক!

প্রথম পৃষ্ঠা

জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?
জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

সড়ক যেন বিভীষিকা
সড়ক যেন বিভীষিকা

পেছনের পৃষ্ঠা

কুমার নদের করুণ দশা
কুমার নদের করুণ দশা

পেছনের পৃষ্ঠা

রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা
রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’
আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’

মাঠে ময়দানে

জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস
জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা
ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা

নগর জীবন

রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব
রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব

সম্পাদকীয়

আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী
আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী

পেছনের পৃষ্ঠা

আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের
আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের

পেছনের পৃষ্ঠা

গবাদি পশুর শেডে পাঠদান!
গবাদি পশুর শেডে পাঠদান!

দেশগ্রাম

২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু
২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু

দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা

প্রথম পৃষ্ঠা

ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ
ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১
ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১

দেশগ্রাম

পাথরবোঝাই ট্রাকে নিষিদ্ধ ইনজেকশন
পাথরবোঝাই ট্রাকে নিষিদ্ধ ইনজেকশন

দেশগ্রাম

কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান
কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান

নগর জীবন

‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমার সেন্সর বাতিল
‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমার সেন্সর বাতিল

শোবিজ

শিশু শিক্ষার্থী নির্যাতন শিক্ষক গ্রেপ্তার
শিশু শিক্ষার্থী নির্যাতন শিক্ষক গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

রেললাইনে মোবাইলে গেম খেলছিল দুই কিশোর কাটা পড়ল ট্রেনে
রেললাইনে মোবাইলে গেম খেলছিল দুই কিশোর কাটা পড়ল ট্রেনে

দেশগ্রাম

শিক্ষাবঞ্চিত চরের শিশুরা
শিক্ষাবঞ্চিত চরের শিশুরা

দেশগ্রাম

দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’
দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’

শোবিজ

মহাসড়কে যান চলাচলে ধীরগতি
মহাসড়কে যান চলাচলে ধীরগতি

দেশগ্রাম

ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন মৌনী রায়
ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন মৌনী রায়

শোবিজ

মায়ের ছায়া
মায়ের ছায়া

ডাংগুলি

দেশের প্রতিটি ঘরে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উত্তেজনা
দেশের প্রতিটি ঘরে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উত্তেজনা

নগর জীবন