শিরোনাম
প্রকাশ: ১৫:৫৯, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

ইরানের ‘উপকার’ করে পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
ইরানের ‘উপকার’ করে পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সেই অভিশপ্ত দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে পরিচালিত গাজা অভিযান ও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক তৎপরতাকে এখন ঐতিহাসিকরা নাৎসি জার্মানির সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণের সঙ্গে তুলনা করছেন। 

দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের কার্যক্রমকে নাৎসিবাদের সঙ্গে তুলনা করাকে আপত্তিকর বা ইহুদি-বিদ্বেষ হিসেবে দেখা হলেও, গাজায় চলমান গণহত্যা এবং ইরানের ওপর সর্বাত্মক আক্রমণের প্রেক্ষাপটে সেই বাধার দেয়াল এখন ভেঙে পড়েছে। প্রখ্যাত ইহুদি পণ্ডিত নরমান ফিঙ্কেলস্টাইনসহ অনেক বিশেষজ্ঞই এখন মনে করছেন, নেতানিয়াহুর বর্তমান নীতি এবং হিটলারের যুদ্ধনীতির মধ্যে কোনো মৌলিক পার্থক্য নেই।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নাৎসি জার্মানির মতোই ইসরায়েলি নেতৃত্ব একটি বড় কৌশলগত ভুল করেছে এবং তা হলো কোথায় থামতে হবে সেটা না জানা। গত কয়েক বছরে হামাস এবং হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সামরিক সাফল্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে নেতানিয়াহু একের পর এক সাতটি ফ্রন্ট উন্মুক্ত করেছেন। গাজায় ধ্বংসযজ্ঞ, পশ্চিম তীরে বসতি বিস্তার এবং লেবানন ও সিরিয়ায় আক্রমণের পর ২০২৫ সালে তিনি সরাসরি ইরানের দিকে হাত বাড়িয়েছেন। এই উগ্র মসিহবাদী ইহুদি শ্রেষ্ঠত্ববাদী আদর্শই দেশটিকে এক অন্তহীন যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়েছে। এটি অনেকটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফ্যাসিবাদী অক্ষশক্তির সেই ভূখণ্ড বিস্তারের লালসার মতোই, যা শেষ পর্যন্ত অতি-সম্প্রসারণের কারণে পতনের দিকে নিয়ে যায়।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভূমিকা এখানে একজন উগ্র জাতীয়তাবাদী নেতার মতো, যিনি মার্কিন আধিপত্যকে অসীম মনে করেন। বিশ্লেষকরা ট্রাম্পকে ইতালির স্বৈরশাসক বেনিতো মুসোলিনির সঙ্গে তুলনা করছেন, যার ব্যর্থ সাম্রাজ্যবাদী অভিলাষের সঙ্গে ট্রাম্পের নীতির মিল পাওয়া যায়। ফিঙ্কেলস্টাইন মনে করেন, হিটলার যেমন সোভিয়েত ইউনিয়নকে ধ্বংস করতে গিয়ে উল্টো রুশ জনগণকে দেশপ্রেমে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন, ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহু ইরানের ক্ষেত্রে একই ভুল করছেন। ইরানের অভ্যন্তরীণ বিভেদকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত বিজয়ের যে স্বপ্ন তারা দেখেছিলেন, তা কার্যত ব্যর্থ হয়েছে। বরং বিদেশি আগ্রাসন সাধারণ ইরানিদের তাদের দেশের পতাকাতলে একত্রিত হতে বাধ্য করেছে।

সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৩৯ সালে জার্মানির সাথে অনাক্রমণ চুক্তি করে যুদ্ধ এড়াতে চেয়েছিল, ঠিক একইভাবে ইরানও ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির মাধ্যমে সংঘাত এড়ানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ট্রাম্প সেই চুক্তি বাতিল করে উত্তেজনা বাড়িয়ে দেন। নাৎসিরা যেমন মনে করেছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন অভ্যন্তরীণভাবে দুর্বল এবং সামান্য ধাক্কা দিলেই তা ভেঙে পড়বে, ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহুও ইরানের কয়েক দফা গণবিক্ষোভ ও নিষেধাজ্ঞা-জর্জরিত অবস্থাকে একইভাবে মূল্যায়ন করেছিলেন। যুদ্ধের প্রথম দিনেই সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির হত্যাকাণ্ডকে একটি চূড়ান্ত আঘাত হিসেবে দেখা হয়েছিল, কিন্তু তা ইরানের প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলার বদলে আরও অনমনীয় করে তুলেছে।

ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে কোনো আধুনিক গণহত্যাই চার বছরের বেশি স্থায়ী হয়নি। রুয়ান্ডা, কম্বোডিয়া কিংবা আর্মেনীয় গণহত্যার নির্দিষ্ট সময়সীমা ছিল। গাজার ফিলিস্তিনিরা ইতিমধ্যে ৯২৬ দিনেরও বেশি সময় ধরে চরম অবরোধ ও নিধনযজ্ঞ সহ্য করছেন। ২০২৫ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গাজায় নিহতের সংখ্যা ৮৪ হাজার ছাড়িয়েছিল যা এখন এক লক্ষের উপরে পৌঁছেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। লেবানন ও ইরানেও হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তবে ইতিহাসের শিক্ষা হলো, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গণহত্যার পর অপরাধী পক্ষের সামরিক পরাজয় বা রাজনৈতিক পতন ত্বরান্বিত হয়।

ইসরায়েল দীর্ঘকাল ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নিঃশর্ত সমর্থনের ওপর নির্ভর করে এলেও এখন ওয়াশিংটনের পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। সম্প্রতি মার্কিন সিনেটে ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিপক্ষে বড় ধরনের জনমত তৈরি হয়েছে। ডেমোক্রেটিক পার্টির উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সিনেটর ইসরায়েলি সাহায্য বন্ধের পক্ষে ভোট দিয়েছেন, যা কয়েক বছর আগেও অকল্পনীয় ছিল। মার্কিন ভোটাররা এখন 'চিরস্থায়ী যুদ্ধ' এবং ইসরায়েলের পেছনে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করার বিষয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে ট্রাম্পের বিপুল পরিমাণ সামরিক বাজেট এবং যুদ্ধের দামামা সাধারণ মার্কিনিদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করছে।

ইরানের ভৌগোলিক বিশালতা এবং নতুন নেতৃত্বের সামরিক ভঙ্গি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের হিসাব বদলে দিয়েছে। খামেনি পরবর্তী নতুন প্রজন্মের কমান্ডাররা আগের চেয়ে অনেক বেশি আগ্রাসী ভূমিকা নিচ্ছেন। পারস্য উপসাগরের অবরোধ এবং হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের মাধ্যমে তারা বুঝিয়ে দিয়েছেন যে মার্কিন ঘেরাও নীতি আর কার্যকর হচ্ছে না। অন্যদিকে ইসরায়েলের অভ্যন্তরেও সমাজ ক্রমশ উগ্রবাদী হয়ে উঠছে, যা শান্তি প্রক্রিয়ার পথকে রুদ্ধ করে দিয়েছে। নেতানিয়াহু তার রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার যে কৌশল নিয়েছেন, তা এখন বুমেরাং হতে শুরু করেছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চূড়ান্ত পাঠ ছিল এই যে, অতিরিক্ত সামরিক দম্ভ এবং অন্য জাতিকে হীন জ্ঞান করার মানসিকতা শেষ পর্যন্ত পরাজয় ডেকে আনে। নাৎসি বাহিনী যেমন সোভিয়েত রেড আর্মির হাতে পর্যুদস্ত হয়েছিল, আজকের ইসরায়েলি ও মার্কিন নীতিনির্ধারকরাও একই ধরনের কৌশলগত ফাঁদে আটকা পড়েছেন। ওয়াশিংটনের পরিবর্তিত রাজনৈতিক হাওয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর প্রতিরোধ লড়াই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, নেতানিয়াহু ও ট্রাম্পের এই যুদ্ধ অভিযান হয়তো বড় কোনো ঐতিহাসিক পরাজয়ের দিকেই এগোচ্ছে। বিশ্ব রাজনীতিতে ইসরায়েলের যে একচেটিয়া আধিপত্য ছিল, তার সমাপ্তি এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।


বিডি প্রতিদিন/এনএইচ

টপিক

এই বিভাগের আরও খবর
জাপানের উত্তরাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প
জাপানের উত্তরাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প
ইরানি তেল আমদানিকারক চীনা কোম্পানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ইঙ্গিত ট্রাম্পের
ইরানি তেল আমদানিকারক চীনা কোম্পানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ইঙ্গিত ট্রাম্পের
নাকবা থেকে গণহত্যা: গাজার এক দাদির প্রতিরোধ আর হারানোর গল্প
নাকবা থেকে গণহত্যা: গাজার এক দাদির প্রতিরোধ আর হারানোর গল্প
ইরানে হামলা চালাতে সৌদি-কাতারকে ফুসলায় আমিরাত
ইরানে হামলা চালাতে সৌদি-কাতারকে ফুসলায় আমিরাত
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসনে চীনের কূটনৈতিক উদ্যোগকে স্বাগত জানাল তেহরান
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসনে চীনের কূটনৈতিক উদ্যোগকে স্বাগত জানাল তেহরান
ট্রাম্পের পর এবার চীনে যাচ্ছেন পুতিন, পর্দার আড়ালে কি ঘটছে?
ট্রাম্পের পর এবার চীনে যাচ্ছেন পুতিন, পর্দার আড়ালে কি ঘটছে?
পুতিন-শি বৈঠকে গুরুত্ব পাচ্ছে ট্রাম্পের চীন সফর
পুতিন-শি বৈঠকে গুরুত্ব পাচ্ছে ট্রাম্পের চীন সফর
আরজিকর মামলায় তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ, তিন পুলিশ কর্মকর্তা সাসপেন্ড
আরজিকর মামলায় তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ, তিন পুলিশ কর্মকর্তা সাসপেন্ড
ফিলিপাইনকে যে কারণে ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে জাপান
ফিলিপাইনকে যে কারণে ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে জাপান
ভয়াবহ খাদ্য সংকটে জর্জরিত সুদান, বাস্তুচ্যুত কোটি মানুষ
ভয়াবহ খাদ্য সংকটে জর্জরিত সুদান, বাস্তুচ্যুত কোটি মানুষ
যে কারণে পাকিস্তানের কিছু নাগরিককে বহিষ্কার করছে আমিরাত
যে কারণে পাকিস্তানের কিছু নাগরিককে বহিষ্কার করছে আমিরাত
ইরান ইস্যুতে ধৈর্য হারাচ্ছেন ট্রাম্প
ইরান ইস্যুতে ধৈর্য হারাচ্ছেন ট্রাম্প
সর্বশেষ খবর
মাগুরায় ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ
মাগুরায় ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

মে মাসে এসেছে ১৪টি তেলবাহী জাহাজ, আরও ৫টি আসছে
মে মাসে এসেছে ১৪টি তেলবাহী জাহাজ, আরও ৫টি আসছে

১ মিনিট আগে | জাতীয়

প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসেও শুন্য হাতে ফিরে গেল চীনা যুবক
প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসেও শুন্য হাতে ফিরে গেল চীনা যুবক

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ময়মনসিংহে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ জনের মৃত্যু
ময়মনসিংহে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ জনের মৃত্যু

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভ্যানচালক হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ
ভ্যানচালক হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চলতি মাসে এসেছে ১৪টি তেলবাহী জাহাজ, আরও আসছে ৫টি
চলতি মাসে এসেছে ১৪টি তেলবাহী জাহাজ, আরও আসছে ৫টি

৭ মিনিট আগে | জাতীয়

সিলেট বিভাগে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক
সিলেট বিভাগে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাষ্ট্র পুনর্গঠনে জাতীয় ঐকমত্য প্রয়োজন : আ স ম‌ রব
রাষ্ট্র পুনর্গঠনে জাতীয় ঐকমত্য প্রয়োজন : আ স ম‌ রব

১৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

তুচ্ছ ঘটনায় মোংলায় সংঘর্ষ, প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৭
তুচ্ছ ঘটনায় মোংলায় সংঘর্ষ, প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৭

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় পলাতক ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার
কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় পলাতক ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সমস্যা যখন জনপ্রিয়তা, পরিচয় লুকিয়ে সাধারণ মানুষের ভিড়ে অস্কারজয়ী অভিনেতা
সমস্যা যখন জনপ্রিয়তা, পরিচয় লুকিয়ে সাধারণ মানুষের ভিড়ে অস্কারজয়ী অভিনেতা

১৮ মিনিট আগে | শোবিজ

শনিবার চাঁদপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সফরসূচিতে যা যা থাকছে
শনিবার চাঁদপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সফরসূচিতে যা যা থাকছে

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

গোপালগঞ্জ রিপোর্টার্স ফোরামের ২৯ সদস্যের নতুন কমিটি
গোপালগঞ্জ রিপোর্টার্স ফোরামের ২৯ সদস্যের নতুন কমিটি

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৫৭ হাজার ৫২৬ জন হজযাত্রী
সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৫৭ হাজার ৫২৬ জন হজযাত্রী

২৭ মিনিট আগে | জাতীয়

জাপানের উত্তরাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প
জাপানের উত্তরাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প

২৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বসুন্ধরা শুভসংঘের দেওয়া সেলাই মেশিনে বদলাবে ২০ পরিবারের জীবন
বসুন্ধরা শুভসংঘের দেওয়া সেলাই মেশিনে বদলাবে ২০ পরিবারের জীবন

৩৪ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

নেত্রকোনায় বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু
নেত্রকোনায় বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লোকসানে তামাক পুড়িয়ে শপথ কৃষকের, ‘আর কখনো এই বিষ চাষ করব না’
লোকসানে তামাক পুড়িয়ে শপথ কৃষকের, ‘আর কখনো এই বিষ চাষ করব না’

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশ-পাকিস্তানের দ্বিতীয় টেস্টে কেমন থাকবে সিলেটের আবহাওয়া
বাংলাদেশ-পাকিস্তানের দ্বিতীয় টেস্টে কেমন থাকবে সিলেটের আবহাওয়া

৪৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের অনুষঙ্গ নয়, জাতির আত্মপরিচয়: সংস্কৃতিমন্ত্রী
সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের অনুষঙ্গ নয়, জাতির আত্মপরিচয়: সংস্কৃতিমন্ত্রী

৪৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের
ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের

৫৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

সুন্দরবনে অস্ত্রসহ ৩ বনদস্যু আটক
সুন্দরবনে অস্ত্রসহ ৩ বনদস্যু আটক

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার, গ্রেফতার ২
বগুড়ায় চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার, গ্রেফতার ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রেমিট্যান্স প্রবাহে স্বস্তি, রিজার্ভ এখন ৩৪.৩২ বিলিয়ন ডলার
রেমিট্যান্স প্রবাহে স্বস্তি, রিজার্ভ এখন ৩৪.৩২ বিলিয়ন ডলার

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

গাইবান্ধায় কুকুরের কামড়ে ৫ জনের মৃত্যু, নড়েচড়ে বসছে প্রশাসন
গাইবান্ধায় কুকুরের কামড়ে ৫ জনের মৃত্যু, নড়েচড়ে বসছে প্রশাসন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্কুলের পাশাপাশি সন্তানদের খেলার মাঠেও সময় দিন: বিদ্যুৎমন্ত্রী
স্কুলের পাশাপাশি সন্তানদের খেলার মাঠেও সময় দিন: বিদ্যুৎমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

স্মরণীয় বিশ্বকাপের আগে ধাক্কা খেল জর্ডান
স্মরণীয় বিশ্বকাপের আগে ধাক্কা খেল জর্ডান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দিনাজপুরে ধান কাটার শ্রমিকের সংকট, চরম বিপাকে কৃষক
দিনাজপুরে ধান কাটার শ্রমিকের সংকট, চরম বিপাকে কৃষক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বসুন্ধরা কিংস চ্যাম্পিয়ন
বসুন্ধরা কিংস চ্যাম্পিয়ন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমিনপুরে ময়লার ভাগাড় অপসারণে মতবিনিময়
আমিনপুরে ময়লার ভাগাড় অপসারণে মতবিনিময়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড নিয়ে সতর্কবার্তা বাংলাদেশ ব্যাংকের
ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড নিয়ে সতর্কবার্তা বাংলাদেশ ব্যাংকের

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ
ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বাসঘাতকদের হুঁশিয়ারি দিল ইরান, কারা সেই বিশ্বাসঘাতক?
বিশ্বাসঘাতকদের হুঁশিয়ারি দিল ইরান, কারা সেই বিশ্বাসঘাতক?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যুক্তরাষ্ট্র পতনশীল দেশ’, চীনের প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের জবাবে যা বললেন ট্রাম্প
‘যুক্তরাষ্ট্র পতনশীল দেশ’, চীনের প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের জবাবে যা বললেন ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লাগেজে মাংস-শাকসবজি, কানাডায় বাংলাদেশি যাত্রীদের গুনতে হলো জরিমানা
লাগেজে মাংস-শাকসবজি, কানাডায় বাংলাদেশি যাত্রীদের গুনতে হলো জরিমানা

৫ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পকে স্পষ্ট যে অবস্থান জানাল চীন
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পকে স্পষ্ট যে অবস্থান জানাল চীন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সভাপতি-সম্পাদকসহ ১৩ পদে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের জয়
সভাপতি-সম্পাদকসহ ১৩ পদে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের জয়

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা শেষ ১৫ মে
আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা শেষ ১৫ মে

২২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান
নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার
ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার

২৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৯ জেলায় নতুন এডিসি নিয়োগ
৯ জেলায় নতুন এডিসি নিয়োগ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা ফ্রান্সের, বাদ পড়লেন যারা
বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা ফ্রান্সের, বাদ পড়লেন যারা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে কারণে পাকিস্তানের কিছু নাগরিককে বহিষ্কার করছে আমিরাত
যে কারণে পাকিস্তানের কিছু নাগরিককে বহিষ্কার করছে আমিরাত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘চুক্তি না হলে ইরান ধ্বংস হবে’ চীনে বসে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
‘চুক্তি না হলে ইরান ধ্বংস হবে’ চীনে বসে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরিমার্জন হচ্ছে ২০২৭ সালের পাঠ্যবই, ফিরছে প্রকৃত ইতিহাস: এনসিটিবি চেয়ারম্যান
পরিমার্জন হচ্ছে ২০২৭ সালের পাঠ্যবই, ফিরছে প্রকৃত ইতিহাস: এনসিটিবি চেয়ারম্যান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা যাবে না ‘টিউশন ফি’
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা যাবে না ‘টিউশন ফি’

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান ইস্যুতে চীনের সহায়তা চাইলেন ট্রাম্প, মিলল না স্পষ্ট আশ্বাস
ইরান ইস্যুতে চীনের সহায়তা চাইলেন ট্রাম্প, মিলল না স্পষ্ট আশ্বাস

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন সফরে এখন পর্যন্ত কী কী পেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
চীন সফরে এখন পর্যন্ত কী কী পেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বিক্রয় ডট কম’ কিনে নিলো নাইজেরিয়ার ‘জিজি’
‘বিক্রয় ডট কম’ কিনে নিলো নাইজেরিয়ার ‘জিজি’

১৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

চার দিন ৪ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির আভাস
চার দিন ৪ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির আভাস

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঈদের আগে একদিনের সরকারি ছুটি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি
ঈদের আগে একদিনের সরকারি ছুটি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন দায়িত্বে মাহমুদউল্লাহ
নতুন দায়িত্বে মাহমুদউল্লাহ

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম
ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চেতনা বিক্রি করতে করতে আমরা নিজেরাই বিক্রি হয়ে গেছি: চিফ হুইপ
চেতনা বিক্রি করতে করতে আমরা নিজেরাই বিক্রি হয়ে গেছি: চিফ হুইপ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ হাজার বছর আগে তৈরি রহস্যময় দ্বীপ, বিস্মিত বিজ্ঞানীরা
৫ হাজার বছর আগে তৈরি রহস্যময় দ্বীপ, বিস্মিত বিজ্ঞানীরা

১২ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর সভা
যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর সভা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছুটির দিন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, দুর্ভোগ
ছুটির দিন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, দুর্ভোগ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন
বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেন মৌনি রায়
বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেন মৌনি রায়

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রিন্ট সর্বাধিক
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার

প্রথম পৃষ্ঠা

শর্টকাটে বড়লোক!
শর্টকাটে বড়লোক!

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক
চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক

প্রথম পৃষ্ঠা

সড়ক যেন বিভীষিকা
সড়ক যেন বিভীষিকা

পেছনের পৃষ্ঠা

জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?
জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস
জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

কুমার নদের করুণ দশা
কুমার নদের করুণ দশা

পেছনের পৃষ্ঠা

আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের
আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের

পেছনের পৃষ্ঠা

রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা
রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’
আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’

মাঠে ময়দানে

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে

সম্পাদকীয়

বাঁচানো গেল না গুলিবিদ্ধ শিশু রেশমিকে
বাঁচানো গেল না গুলিবিদ্ধ শিশু রেশমিকে

প্রথম পৃষ্ঠা

আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী
আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী

পেছনের পৃষ্ঠা

ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ
ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা
ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা

নগর জীবন

বাবার পর মারা গেল তিন ভাইবোন
বাবার পর মারা গেল তিন ভাইবোন

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু
২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু

দেশগ্রাম

মমতাকে উদ্দেশ করে চোর স্লোগান
মমতাকে উদ্দেশ করে চোর স্লোগান

প্রথম পৃষ্ঠা

পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে গরু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি
পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে গরু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি

পেছনের পৃষ্ঠা

ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১
ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১

দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রতিটি ঘরে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উত্তেজনা
দেশের প্রতিটি ঘরে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উত্তেজনা

নগর জীবন

কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান
কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান

নগর জীবন

ধানমন্ডিতে বসুন্ধরা টয়লেট্রিজের পণ্য বিক্রি উদ্বোধন
ধানমন্ডিতে বসুন্ধরা টয়লেট্রিজের পণ্য বিক্রি উদ্বোধন

নগর জীবন

গণভোটের রায়সহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা
গণভোটের রায়সহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব
রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব

সম্পাদকীয়

আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসির ৪১তম বার্ষিক সাধারণ সভা
আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসির ৪১তম বার্ষিক সাধারণ সভা

নগর জীবন

গবাদি পশুর শেডে পাঠদান!
গবাদি পশুর শেডে পাঠদান!

দেশগ্রাম

দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’
দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’

শোবিজ