শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:৩৫, মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

ইরানের কৌশলে চরম হতাশাগ্রস্ত ট্রাম্প, ফের বড় যুদ্ধের পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
ইরানের কৌশলে চরম হতাশাগ্রস্ত ট্রাম্প, ফের বড় যুদ্ধের পরিকল্পনা

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ ও পারমাণবিক আলোচনায় অচলাবস্থার কারণে ক্রমেই হতাশ হয়ে উঠছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরিস্থিতি বিবেচনায় আবারও ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরুর বিষয়টি আগের তুলনায় আরও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন তিনি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন’র প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরীণ আলোচনা সম্পর্কে অবগত সূত্রগুলো জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী এখনও বন্ধ থাকায় ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্বেগ বেড়েছে। একই সঙ্গে ইরানের নেতৃত্বের অভ্যন্তরীণ বিভক্তিও ওয়াশিংটনের অসন্তোষের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের ধারণা, এই বিভক্তির কারণেই তেহরান পারমাণবিক আলোচনায় কোনও বড় ধরনের ছাড় দিতে পারছে না।

সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের সাম্প্রতিক প্রতিক্রিয়াকে ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ ও ‘বোকামিপূর্ণ’ বলে মন্তব্য করেছেন। এর পর থেকেই প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রশ্ন উঠেছে-তেহরান আদৌ কোনও বাস্তবসম্মত ও গুরুতর আলোচনায় আগ্রহী কি না।

মার্কিন প্রশাসনের ভেতরে এ বিষয়ে এখন দুই ধরনের অবস্থান স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। একদল কর্মকর্তা, বিশেষ করে পেন্টাগনের কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি, ইরানের ওপর আরও কঠোর চাপ প্রয়োগের পক্ষে মত দিচ্ছেন। তাদের মতে, লক্ষ্যভিত্তিক সামরিক হামলার মাধ্যমে তেহরানের অবস্থান আরও দুর্বল করা হলে ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনতে সুবিধা হবে।

অন্যদিকে প্রশাসনের আরেকটি অংশ এখনও কূটনৈতিক পথ খোলা রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তাদের মত হলো, সামরিক উত্তেজনা আরও বাড়ানোর আগে আলোচনার সুযোগ পুরোপুরি শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত।

এদিকে, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মহলের অনেকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের ভূমিকা নিয়েও অসন্তুষ্ট। তারা মনে করছেন, ইসলামাবাদ ইরানের কাছে ট্রাম্পের কঠোর বার্তা যথেষ্ট দৃঢ়ভাবে পৌঁছে দিচ্ছে না। এমনকি মার্কিন প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তার সন্দেহ, পাকিস্তান ইরানের অবস্থান সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রকে বাস্তবতার তুলনায় অনেক বেশি ইতিবাচক চিত্র তুলে ধরছে।

অঞ্চলটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ এবং পাকিস্তান যৌথভাবে ইরানকে বোঝানোর চেষ্টা করছে যে, কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছানোর এটাই শেষ সুযোগ। তবে তেহরান এসব বার্তাকে গুরুত্ব দিচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সম্পূর্ণ ভিন্ন মানসিকতা ও সময়সীমা নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। কয়েক দশক ধরে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলা করে আসা ইরান দীর্ঘমেয়াদি চাপ সহ্য করতে অভ্যস্ত, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

সোমবার হোয়াইট হাউসে জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে আবারও বৈঠক করেছেন ট্রাম্প। সেখানে ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে বিভিন্ন বিকল্প আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, মঙ্গলবার বিকালে চীন সফরে রওনা হওয়ার আগে ট্রাম্প বড় কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন- এমন সম্ভাবনা নেই।

বিশ্লেষকদের মতে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী ঘিরে চলমান অচলাবস্থা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যৌথভাবে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই দুই দেশই অত্যাধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জামের অধিকারী। হামলার শুরুতেই ইরানের বহু সংখ্যক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী। এতে দেশটির তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিসহ বহু শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন। এছাড়াও স্কুলে হামলা চালিয়ে অন্তত ১৭০ শিক্ষার্থীকে হত্যা করা হয়। যেন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় গোটা দেশ।

তবে চুপ করে বসে থাকেনি ইরানও। তৎক্ষণাৎ পাল্টা হামলা শুরু করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। দখলদার ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনায় ভয়াবহ হামলা চালায় তেহরান। এতে গোটা মধ্যপ্রাচ্য অগ্নিগর্ভে পরিণত হয়। সেই সঙ্গে বন্ধ করে দেয় বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালী। এতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির বাজারে দেখা দেয় অস্থিরতা। ফলে অর্থনৈতিক মন্দার ঝুঁকিতে পড়ে বিশ্ব অর্থনীতি।

টানা ৩৯ দিন ধরে এই যুদ্ধ চলে। অবশেষে গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনায় বসে দুই দেশ। কিন্তু সেই আলোচনা ব্যর্থ হয়। এরপর অনেকটা এক তরফাভাবেই অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা দেন ট্রাম্প। এরপর থেকে পাল্টাপাল্টি শান্তি প্রস্তাব দিয়ে যাচ্ছে দুই পক্ষ। তবে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অচলাবস্থার অবসান হয়নি। সূত্র: সিএনএন

বিডি প্রতিদিন/একেএ
 

এই বিভাগের আরও খবর
ইন্দোনেশিয়ায় ৬ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প
ইন্দোনেশিয়ায় ৬ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প
ভারতের রাজনীতিতে হঠাৎ এনসিপি ঝড়!
ভারতের রাজনীতিতে হঠাৎ এনসিপি ঝড়!
যেভাবে বিধ্বস্ত হয় পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান, নিহত ৮
যেভাবে বিধ্বস্ত হয় পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান, নিহত ৮
যুক্তরাষ্ট্রের বি-৫২ বোমারু বিমান বিধ্বস্ত নিয়ে এখন পর্যন্ত যা জানা গেল
যুক্তরাষ্ট্রের বি-৫২ বোমারু বিমান বিধ্বস্ত নিয়ে এখন পর্যন্ত যা জানা গেল
মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান বিধ্বস্ত
মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান বিধ্বস্ত
হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প
আগামী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা নেতানিয়াহুর
আগামী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা নেতানিয়াহুর
হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ খুলবে শুক্রবার: ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ খুলবে শুক্রবার: ট্রাম্প
৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পেতে পারে ইরান: জেডি ভ্যান্স
৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পেতে পারে ইরান: জেডি ভ্যান্স
শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের কাছ থেকে বড় ছাড় আদায় করে নিয়েছে ইরান: দ্য টেলিগ্রাফ
শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের কাছ থেকে বড় ছাড় আদায় করে নিয়েছে ইরান: দ্য টেলিগ্রাফ
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিচুক্তি বানচালে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে ইসরায়েল: বিশ্লেষক
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিচুক্তি বানচালে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে ইসরায়েল: বিশ্লেষক
হরমুজ দিয়ে চলাচলে ‘সেবা ফি’ নেওয়া হবে: ইরান
হরমুজ দিয়ে চলাচলে ‘সেবা ফি’ নেওয়া হবে: ইরান
সর্বশেষ খবর
আগামী পাঁচদিন কেমন থাকবে আবহাওয়া, যা জানা গেল
আগামী পাঁচদিন কেমন থাকবে আবহাওয়া, যা জানা গেল

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক বৈঠক
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক বৈঠক

৪ মিনিট আগে | জাতীয়

২০০তম ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপের নতুন মিশনে মেসি
২০০তম ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপের নতুন মিশনে মেসি

৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আলজেরিয়া ম্যাচের আগে কী ভাবছেন স্কালোনি!
আলজেরিয়া ম্যাচের আগে কী ভাবছেন স্কালোনি!

১৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আবাসন খাত করমুক্ত হলে ৩৬০০ শিল্প চাঙ্গা হবে, বাড়বে রাজস্ব
আবাসন খাত করমুক্ত হলে ৩৬০০ শিল্প চাঙ্গা হবে, বাড়বে রাজস্ব

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ম্যাচ শেষেই যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, ইরানের কোচ ও অধিনায়কের ক্ষোভ
ম্যাচ শেষেই যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, ইরানের কোচ ও অধিনায়কের ক্ষোভ

১৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আলজেরিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ মিশন শুরু আর্জেন্টিনার, কেমন হতে পারে স্কালোনির একাদশ
আলজেরিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ মিশন শুরু আর্জেন্টিনার, কেমন হতে পারে স্কালোনির একাদশ

৩৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

১৬ ম্যাচের ৮টিই ড্র! ২০২৬ বিশ্বকাপে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস
১৬ ম্যাচের ৮টিই ড্র! ২০২৬ বিশ্বকাপে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস

৩৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইন্দোনেশিয়ায় ৬ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প
ইন্দোনেশিয়ায় ৬ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেইমারের মাঠে ফেরা নিয়ে বাড়ল অনিশ্চয়তা, পরিবারে আসছে নতুন অতিথি
নেইমারের মাঠে ফেরা নিয়ে বাড়ল অনিশ্চয়তা, পরিবারে আসছে নতুন অতিথি

৪৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আদ-দ্বীন হাসপাতালের অন্য শাখা চলতে বাধা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আদ-দ্বীন হাসপাতালের অন্য শাখা চলতে বাধা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৪৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

আমদানি নীতি আদেশ পরিমার্জনে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন
আমদানি নীতি আদেশ পরিমার্জনে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন

৪৬ মিনিট আগে | জাতীয়

স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনের খসড়া ২০ কর্মদিবসের মধ্যে জমার নির্দেশ
স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনের খসড়া ২০ কর্মদিবসের মধ্যে জমার নির্দেশ

৫১ মিনিট আগে | জাতীয়

দেশে ফিরলেন ৫৭ হাজার ৪২২ হাজি, ৫২ জনের মৃত্যু
দেশে ফিরলেন ৫৭ হাজার ৪২২ হাজি, ৫২ জনের মৃত্যু

৫৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ
মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ

৫৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

অর্থের অভাবে মাকে সঙ্গে আনতে পারিনি : কেপ ভার্দের গোলরক্ষক
অর্থের অভাবে মাকে সঙ্গে আনতে পারিনি : কেপ ভার্দের গোলরক্ষক

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৬৮ বছর পর বিশ্বকাপে এক দিনে চারটি ড্র, গড়ল বিরল ইতিহাস
৬৮ বছর পর বিশ্বকাপে এক দিনে চারটি ড্র, গড়ল বিরল ইতিহাস

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিনাব হামলায় নিহত ১৬৮ শিক্ষার্থীকে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে দাঁড়িয়ে স্মরণ ইরানের
মিনাব হামলায় নিহত ১৬৮ শিক্ষার্থীকে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে দাঁড়িয়ে স্মরণ ইরানের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টঙ্গীতে সাড়ে দশ হাজার ইয়াবাসহ দুই কারবারি গ্রেফতার
টঙ্গীতে সাড়ে দশ হাজার ইয়াবাসহ দুই কারবারি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপে ফ্রান্স-সেনেগালের ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন
বিশ্বকাপে ফ্রান্স-সেনেগালের ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সন্দ্বীপ এসোসিয়েশনের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন
সন্দ্বীপ এসোসিয়েশনের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ভারতের রাজনীতিতে হঠাৎ এনসিপি ঝড়!
ভারতের রাজনীতিতে হঠাৎ এনসিপি ঝড়!

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দাম বেড়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?
দাম বেড়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নাফ নদী থেকে ৭ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি
নাফ নদী থেকে ৭ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আগামী তিন মাসের মধ্যে বিডার প্রথম বিদেশি অফিস খোলা হবে চীনে : আশিক চৌধুরী
আগামী তিন মাসের মধ্যে বিডার প্রথম বিদেশি অফিস খোলা হবে চীনে : আশিক চৌধুরী

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

চর দখলকে কেন্দ্র করে মেঘনায় সংঘর্ষ, আহত ৩০
চর দখলকে কেন্দ্র করে মেঘনায় সংঘর্ষ, আহত ৩০

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেটওয়ার্কের খোঁজে আমগাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা দিলেন শিক্ষক, ছবি ভাইরাল
নেটওয়ার্কের খোঁজে আমগাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা দিলেন শিক্ষক, ছবি ভাইরাল

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যেভাবে বিধ্বস্ত হয় পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান, নিহত ৮
যেভাবে বিধ্বস্ত হয় পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান, নিহত ৮

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আশুরা কবে, জানা যাবে আজ
আশুরা কবে, জানা যাবে আজ

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ঢাকায় দুপুরের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে
ঢাকায় দুপুরের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
যেভাবে বিধ্বস্ত হয় পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান, নিহত ৮
যেভাবে বিধ্বস্ত হয় পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান, নিহত ৮

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক: বিআরটিএ
১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক: বিআরটিএ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেতানিয়াহুকে ‘লাঠি ও পাথর মেরে’ বিতাড়নের আহ্বান সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর
নেতানিয়াহুকে ‘লাঠি ও পাথর মেরে’ বিতাড়নের আহ্বান সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৯ বছর পর আবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, স্মৃতিতে মেসির জাদু
১৯ বছর পর আবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, স্মৃতিতে মেসির জাদু

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের কাছ থেকে বড় ছাড় আদায় করে নিয়েছে ইরান: দ্য টেলিগ্রাফ
শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের কাছ থেকে বড় ছাড় আদায় করে নিয়েছে ইরান: দ্য টেলিগ্রাফ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পেতে পারে ইরান: জেডি ভ্যান্স
৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পেতে পারে ইরান: জেডি ভ্যান্স

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ জিতবে কে, চারটি ভিন্ন এআই চ্যাটবটের গণনায় একই দেশের নাম
বিশ্বকাপ জিতবে কে, চারটি ভিন্ন এআই চ্যাটবটের গণনায় একই দেশের নাম

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের
ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বীরের মতো লড়ে স্পেনকে রুখে দিল কেপ ভার্দে
বীরের মতো লড়ে স্পেনকে রুখে দিল কেপ ভার্দে

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে ইসরায়েল: বিশ্লেষক
এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে ইসরায়েল: বিশ্লেষক

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জেনেভায় হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সই, আয়োজক পাকিস্তান: শেহবাজ
জেনেভায় হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সই, আয়োজক পাকিস্তান: শেহবাজ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিচুক্তি বানচালে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে ইসরায়েল: বিশ্লেষক
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিচুক্তি বানচালে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে ইসরায়েল: বিশ্লেষক

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিল্লিতে জাহেদ উর রহমান ইস্যুতে ব্যবস্থা নেবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দিল্লিতে জাহেদ উর রহমান ইস্যুতে ব্যবস্থা নেবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বকালের সবচেয়ে ‘সমালোচিত’ বিশ্বকাপের সাক্ষী হচ্ছে বিশ্ব?
সর্বকালের সবচেয়ে ‘সমালোচিত’ বিশ্বকাপের সাক্ষী হচ্ছে বিশ্ব?

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২৭ জুলাই পুনরায় চালু হচ্ছে বিমানের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট
২৭ জুলাই পুনরায় চালু হচ্ছে বিমানের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট

২৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

‘স্ত্রী মরার পর জীবন বদলেছে, সন্তানরা খোঁজ নেয় না, এই ঝুপড়িই আমার ঠিকানা’
‘স্ত্রী মরার পর জীবন বদলেছে, সন্তানরা খোঁজ নেয় না, এই ঝুপড়িই আমার ঠিকানা’

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ দিয়ে চলাচলে ‘সেবা ফি’ নেওয়া হবে: ইরান
হরমুজ দিয়ে চলাচলে ‘সেবা ফি’ নেওয়া হবে: ইরান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৯০ মিনিটেই মিলিয়নিয়ার কেপ ভার্দের গোলরক্ষক!
৯০ মিনিটেই মিলিয়নিয়ার কেপ ভার্দের গোলরক্ষক!

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ হচ্ছে আজ রাত থেকেই: ইরান
স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ হচ্ছে আজ রাত থেকেই: ইরান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরও এক ড্র, শেষ মুহূর্তের গোলে সৌদির বিপক্ষে হার এড়ালো উরুগুয়ে
আরও এক ড্র, শেষ মুহূর্তের গোলে সৌদির বিপক্ষে হার এড়ালো উরুগুয়ে

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘উড়ে যাওয়া পাখি কোনো দাগ রাখে না’:  জাপানিদের স্টেডিয়াম পরিষ্কার করার গোপন রহস্য
‘উড়ে যাওয়া পাখি কোনো দাগ রাখে না’: জাপানিদের স্টেডিয়াম পরিষ্কার করার গোপন রহস্য

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী হাসপাতালে ভর্তি
রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেটওয়ার্কের খোঁজে আমগাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা দিলেন শিক্ষক, ছবি ভাইরাল
নেটওয়ার্কের খোঁজে আমগাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা দিলেন শিক্ষক, ছবি ভাইরাল

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান বিধ্বস্ত
মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান বিধ্বস্ত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিল্লির ঘটনায় ভারতীয় দূতকে ডেকে যা জানালো ঢাকা
দিল্লির ঘটনায় ভারতীয় দূতকে ডেকে যা জানালো ঢাকা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি: বিশ্ব নেতাদের প্রতিক্রিয়া
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি: বিশ্ব নেতাদের প্রতিক্রিয়া

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিল্লির ঘটনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব
দিল্লির ঘটনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপে নাটকীয় লড়াইয়ে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ড্র করল ইরান
বিশ্বকাপে নাটকীয় লড়াইয়ে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ড্র করল ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি মানতে বাধ্য নয় ইসরায়েল: বেন-গভির
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি মানতে বাধ্য নয় ইসরায়েল: বেন-গভির

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে সাধারণ জ্বর
প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে সাধারণ জ্বর

পেছনের পৃষ্ঠা

ইতিহাসের সামনে আর্জেন্টিনা
ইতিহাসের সামনে আর্জেন্টিনা

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি প্রবেশে বাধায় তোলপাড়
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি প্রবেশে বাধায় তোলপাড়

প্রথম পৃষ্ঠা

ছাগলের পেটে তালগাছ
ছাগলের পেটে তালগাছ

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নজর থাকবে জিদানপুত্রের দিকে
নজর থাকবে জিদানপুত্রের দিকে

প্রথম পৃষ্ঠা

আগেভাগে বাজারে হাঁড়িভাঙা আম
আগেভাগে বাজারে হাঁড়িভাঙা আম

পেছনের পৃষ্ঠা

সিআইডি প্রধানের পদত্যাগ গৃহীত হয়নি
সিআইডি প্রধানের পদত্যাগ গৃহীত হয়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ
লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ

প্রথম পৃষ্ঠা

জালিয়াতি দুর্নীতির নথি যাচ্ছে দুবাইয়ে
জালিয়াতি দুর্নীতির নথি যাচ্ছে দুবাইয়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ সেই সেনেগাল
ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ সেই সেনেগাল

মাঠে ময়দানে

সরকারের তোষামোদ নয় সত্য তুলে ধরুন
সরকারের তোষামোদ নয় সত্য তুলে ধরুন

প্রথম পৃষ্ঠা

পুশইনে ব্যর্থ হয়ে বিএসএফের ককটেল বিস্ফোরণ
পুশইনে ব্যর্থ হয়ে বিএসএফের ককটেল বিস্ফোরণ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্ল্যাটে ১৫ শতাংশ কর প্রত্যাহার চায় রিহ্যাব
ফ্ল্যাটে ১৫ শতাংশ কর প্রত্যাহার চায় রিহ্যাব

পেছনের পৃষ্ঠা

সঞ্চয়পত্রের ক্রেতা মারা গেলে নমিনির করণীয় কী
সঞ্চয়পত্রের ক্রেতা মারা গেলে নমিনির করণীয় কী

সম্পাদকীয়

নরসুন্দা নদী এখন ময়লার ভাগাড়
নরসুন্দা নদী এখন ময়লার ভাগাড়

পেছনের পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষে মুখোমুখি
আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষে মুখোমুখি

নগর জীবন

মাদারগঞ্জের দুই যুবক রাশিয়ায় নিখোঁজ
মাদারগঞ্জের দুই যুবক রাশিয়ায় নিখোঁজ

প্রথম পৃষ্ঠা

রপ্তানিতে মূল্য সংযোজনের শর্ত প্রত্যাহার প্রস্তাবে উদ্বেগ
রপ্তানিতে মূল্য সংযোজনের শর্ত প্রত্যাহার প্রস্তাবে উদ্বেগ

শিল্প বাণিজ্য

বসুন্ধরা কিংস অ্যারিনা থেকে বিশ্বকাপে  ইরানকুন্ডা
বসুন্ধরা কিংস অ্যারিনা থেকে বিশ্বকাপে  ইরানকুন্ডা

মাঠে ময়দানে

অতিরিক্ত কর ফেরত ৬০ দিনে
অতিরিক্ত কর ফেরত ৬০ দিনে

শিল্প বাণিজ্য

মনে হওয়ার খেসারত
মনে হওয়ার খেসারত

সম্পাদকীয়

তালগাছ লাগানোর নামে লুটপাট
তালগাছ লাগানোর নামে লুটপাট

প্রথম পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে বাবাকে হত্যা দুই ছেলের
হানি ট্র্যাপে ফেলে বাবাকে হত্যা দুই ছেলের

পেছনের পৃষ্ঠা

ভাতার টাকা কোথায় খরচ যাচাই হবে
ভাতার টাকা কোথায় খরচ যাচাই হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপের ফলাফল
বিশ্বকাপের ফলাফল

মাঠে ময়দানে

দুই দিন বন্ধ যান চলাচল
দুই দিন বন্ধ যান চলাচল

দেশগ্রাম

প্রথম নির্মাণেই বাজিমাত
প্রথম নির্মাণেই বাজিমাত

শোবিজ

টাকা তোলা হলো মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে
টাকা তোলা হলো মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন বগি বিচ্ছিন্ন
ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন বগি বিচ্ছিন্ন

দেশগ্রাম