শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:১৪, বুধবার, ২০ মে, ২০২৬

যে কারণে জাপানে তীব্র আকার ধারণ করেছে বসন্তকালীন অ্যালার্জি

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
যে কারণে জাপানে তীব্র আকার ধারণ করেছে বসন্তকালীন অ্যালার্জি

প্রতি বছর বসন্তের আগমন মানেই জাপানের রাস্তাঘাটে মাস্ক পরিহিত লাখ লাখ মানুষের ব্যস্ত পথচলা। দূর থেকে দেখলে মনে হতে পারে কোনো মহামারি ধেয়ে আসছে, কিন্তু বাস্তবতা হলো এটি এক বিশাল প্রাকৃতিক বিড়ম্বনা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটিতে তীব্র রূপ নিয়েছে 'হে ফিভার' (পরাগরেণুজনিত অ্যালার্জি)। এই সংকটের পেছনে কোনো আধুনিক দূষণ বা ভাইরাসের হাত নেই, বরং দায়ী আজ থেকে প্রায় ৭০ বছর আগে নেওয়া সরকারের একটি ভুল পরিবেশগত সিদ্ধান্ত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে নেওয়া একটি বনায়ন প্রকল্প আজ পুরো জাপানের জন্য বড় জাতীয় স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক সংকটে পরিণত হয়েছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জ্বালানি সংকটের কারণে জাপান তাদের প্রাকৃতিক বনাঞ্চল উজাড় করেছে। এর ফলে টোকিও, ওসাকা ও কোবের মতো বড় বড় শহরের চারপাশের পাহাড়গুলো সম্পূর্ণ ন্যাড়া হয়ে যায়। এটাই পরবর্তী সময়ে ভয়াবহ ভূমিধস এবং বন্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই বিপর্যয় রুখতে এবং দ্রুত পাহাড়গুলোকে সবুজে ঢাকতে ১৯৫০-এর দশকে বড় সরকারি বনায়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। করের টাকায় অর্থায়িত এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ছিল দ্রুত বর্ধনশীল এবং নির্মাণকাজে উপযোগী গাছের মাধ্যমে বনাঞ্চল গড়ে তোলা।

তৎকালীন প্রশাসন দ্রুত ফলাফলের আশায় পুরো বনাঞ্চল জুড়ে কেবল দুই প্রজাতির চিরহরিৎ গাছের চারা রোপণ করে। গাছ দুটি হলো জাপানি সিডার (সুগি) এবং জাপানি সাইপ্রেস (হিনোকি)। বর্তমানে এই দুই প্রজাতির কৃত্রিম বন জাপানের মোট ভূমির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ (১০ মিলিয়ন হেক্টর) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। এই একমুখী বনায়নই আজকের সংকটের মূল উৎস। এই গাছগুলো পরিণত বয়সে পৌঁছানোর পর বসন্তকালে বাতাসে বিপুল পরিমাণ হালকা পরাগরেণু ছড়াতে শুরু করে। এগুলো বাতাসের তোড়ে সহজেই শহরগুলোতে প্রবেশ করে। এতেই কোটি কোটি মানুষকে অসুস্থ হচ্ছেন।

জাপানের বর্তমান জনসংখ্যার প্রায় ৪৩ শতাংশ মানুষ এই মাঝারি থেকে তীব্র অ্যালার্জির সমস্যায় ভুগছেন। এটা যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় বহুগুণ বেশি। এই অ্যালার্জির কারণে মানুষের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটছে এবং কর্মক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে। কেবল শারীরিক কষ্টই নয়, এর একটি বিশাল অর্থনৈতিক ধাক্কাও রয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, এই অ্যালার্জির পিক সিজনে কর্মক্ষেত্রে অনুপস্থিতি এবং মানুষের কেনাকাটা কমে যাওয়ার কারণে জাপানের প্রতিদিন প্রায় ১.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। ফলে ২০২৩ সালে দেশটির সরকার একে একটি 'জাতীয় সামাজিক সমস্যা' হিসেবে ঘোষণা করতে বাধ্য হয়।

কৃত্রিমভাবে তৈরি এই সুগি ও হিনোকির বনগুলোতে প্রবেশ করলে এক অদ্ভুত নীরবতা টের পাওয়া যায়। যেহেতু সব গাছ একই জাতের এবং একই উচ্চতার, সেখানে আলো-বাতাস ঠিকমতো পৌঁছায় না এবং বন্যপ্রাণী ও পাখির আনাগোনা নেই বললেই চলে। জাপানের মূল প্রাকৃতিক বনাঞ্চল যেখানে জীববৈচিত্র্যে ভরপুর, সেখানে এই কৃত্রিম বনগুলো এক প্রকার মরুভূমির মতো নিথর। এই পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা কাটাতে এবং পরাগরেণুর প্রকোপ কমাতে জাপান সরকার আগামী ৩০ বছরের মধ্যে বাতাসে রেণুর পরিমাণ অর্ধেক করার এক উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

এই মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে সরকার প্রথম ১০ বছরে সুগি বনের পরিমাণ ২০ শতাংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। তবে ২৫ মিলিয়ন একর বনভূমির বিশাল অংশ কেটে ফেলা এবং তা আবার পরিবেশবান্ধব উপায়ে প্রতিস্থাপন করা সহজ কাজ নয়। কারণ শুধু গাছ কেটে ফেললে পুনরায় ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়বে এবং জাপানের জলবায়ু সুরক্ষার লক্ষ্য ব্যাহত হবে। তাই কোবে এবং ওসাকার মতো শহরগুলোতে স্থানীয় প্রশাসন ইতিমধ্যেই এই কৃত্রিম বন কেটে সেখানে স্থানীয় জাতের চওড়া পাতার প্রাকৃতিক গাছ লাগানোর কাজ শুরু করেছে, যার ফলে বন্যপ্রাণী ও বিরল কীটপতঙ্গ আবার বনে ফিরতে শুরু করেছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাপান সরকার প্রযুক্তি এবং আধুনিক চিকিৎসার ওপরও জোর দিচ্ছে। বাতাসে পরাগরেণুর উপস্থিতি ও গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করতে দেশজুড়ে রোবট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। ফলে নাগরিকরা আগে থেকেই সতর্ক হতে পারেন। পাশাপাশি বিজ্ঞানীরা এমন এক বিশেষ ধরনের জিনগতভাবে পরিবর্তিত চাল উদ্ভাবনের চেষ্টা করছেন, যা নিয়মিত খেলে এই অ্যালার্জির উপসর্গ থেকে মুক্তি মিলবে। এছাড়াও এই বনায়ন কার্যক্রমের খরচ জোগাতে ২০২৪ সাল থেকে প্রত্যেক নাগরিকের ওপর বছরে এক হাজার ইয়েন কর বসানো হয়েছে।

তবে পরিবেশবিদদের একাংশ মনে করছেন, কেবল অ্যালার্জি দূর করার সংকীর্ণ লক্ষ্য নিয়ে কাজ করলে দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশের ক্ষতি হতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এখন জাপানে প্রতি বছর নির্ধারিত সময়ের আগেই বসন্ত চলে আসছে এবং পরাগরেণু ছড়ানোর সময়কাল দীর্ঘ হচ্ছে। তাছাড়া পুরোনো হয়ে যাওয়া এই কৃত্রিম বনগুলো এখন আগের চেয়ে কম কার্বন শোষণ করছে, যা জাপানের নেট-জিরো (কার্বনমুক্ত) হওয়ার লক্ষ্যকে কঠিন করে তুলছে। 

সূত্র: বিবিসি


বিডি প্রতিদিন/এনএইচ
 

এই বিভাগের আরও খবর
ওমান উপকূলে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত, কড়া প্রতিবাদ দিল্লির
ওমান উপকূলে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত, কড়া প্রতিবাদ দিল্লির
হামলার মুখে আকাশসীমা বন্ধ করল কুয়েত, নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ ইসরায়েলে
হামলার মুখে আকাশসীমা বন্ধ করল কুয়েত, নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ ইসরায়েলে
জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের
জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের
কঙ্গোতে ইবোলার নতুন শঙ্কা: এতিমখানায় ছড়াল সংক্রমণ, দুই শিশুর মৃত্যু
কঙ্গোতে ইবোলার নতুন শঙ্কা: এতিমখানায় ছড়াল সংক্রমণ, দুই শিশুর মৃত্যু
ইরানের হামলার শঙ্কায় আকাশসীমা বন্ধ 
করলো কুয়েত
ইরানের হামলার শঙ্কায় আকাশসীমা বন্ধ করলো কুয়েত
বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
অনুমতি ছাড়া হরমুজ অতিক্রমের চেষ্টা, দুটি জাহাজে হামলা চালাল ইরান
অনুমতি ছাড়া হরমুজ অতিক্রমের চেষ্টা, দুটি জাহাজে হামলা চালাল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি, ট্রাম্প বললেন—মূল্যস্ফীতি ভালোবাসি
যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি, ট্রাম্প বললেন—মূল্যস্ফীতি ভালোবাসি
ইউরোপগামী পথে মৃত্যু থামছে না, পাঁচ মাসেই প্রাণহানি ১৩০০ ছাড়াল
ইউরোপগামী পথে মৃত্যু থামছে না, পাঁচ মাসেই প্রাণহানি ১৩০০ ছাড়াল
সিরিয়া-লেবাননে ইসরায়েলের হামলা তুরস্কের জন্যও হুমকি: এরদোয়ান
সিরিয়া-লেবাননে ইসরায়েলের হামলা তুরস্কের জন্যও হুমকি: এরদোয়ান
লাইসেন্স ছাড়াই বিমান চালালেন ১৭ বছর, অবশেষে গ্রেপ্তার পাইলট
লাইসেন্স ছাড়াই বিমান চালালেন ১৭ বছর, অবশেষে গ্রেপ্তার পাইলট
হরমুজের বিকল্পে ঐতিহাসিক হেজাজ রেলওয়ে সচলে তুরস্ক-সৌদি উদ্যোগ
হরমুজের বিকল্পে ঐতিহাসিক হেজাজ রেলওয়ে সচলে তুরস্ক-সৌদি উদ্যোগ
সর্বশেষ খবর
মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাঁথার স্মারক ‘স্মৃতি অম্লান’ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা
মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাঁথার স্মারক ‘স্মৃতি অম্লান’ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

১ মিনিট আগে | জাতীয়

ওমান উপকূলে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত, কড়া প্রতিবাদ দিল্লির
ওমান উপকূলে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত, কড়া প্রতিবাদ দিল্লির

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিদ্ধিরগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শরীফ হোসেন আটক
সিদ্ধিরগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শরীফ হোসেন আটক

১৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

রাজধানীর বিজয় সরণিতে গাড়ির ধাক্কায় একজন নিহত
রাজধানীর বিজয় সরণিতে গাড়ির ধাক্কায় একজন নিহত

১৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

মেসি, ম্যারাডোনা নাকি পেলে, সেরা ১০ বিশ্বকাপ কিংবদন্তির তালিকা প্রকাশ
মেসি, ম্যারাডোনা নাকি পেলে, সেরা ১০ বিশ্বকাপ কিংবদন্তির তালিকা প্রকাশ

২১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাজেটে ভর্তুকি কমছে, বাড়ছে প্রণোদনা
বাজেটে ভর্তুকি কমছে, বাড়ছে প্রণোদনা

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

বসুন্ধরা কিংসকে ফিফা সভাপতির অভিনন্দন
বসুন্ধরা কিংসকে ফিফা সভাপতির অভিনন্দন

৩৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ শুরুর আগে কোচদের নিয়ে ভিন্নধর্মী মূল্যায়ন
বিশ্বকাপ শুরুর আগে কোচদের নিয়ে ভিন্নধর্মী মূল্যায়ন

৪৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে থাকছে যেসব সুখবর
বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে থাকছে যেসব সুখবর

৪৭ মিনিট আগে | জাতীয়

গরমে আম খেলে মিলবে অনেক উপকার
গরমে আম খেলে মিলবে অনেক উপকার

৪৭ মিনিট আগে | জীবন ধারা

বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানিতে শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব
বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানিতে শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব

৫৪ মিনিট আগে | জাতীয়

নেইমারকে ছাড়াই বিশ্বকাপ প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে ব্রাজিল
নেইমারকে ছাড়াই বিশ্বকাপ প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে ব্রাজিল

৫৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন
মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে ১০ টাকা মূল্যমানের স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন
বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে ১০ টাকা মূল্যমানের স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমানবন্দর এলাকায় গাড়ির ধাক্কায় পথচারী নিহত
বিমানবন্দর এলাকায় গাড়ির ধাক্কায় পথচারী নিহত

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দেশে ফিরে বীরের সংবর্ধনা পেলেন নিষিদ্ধ সেই রেফারি
দেশে ফিরে বীরের সংবর্ধনা পেলেন নিষিদ্ধ সেই রেফারি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৩ কোটি টাকার বেশি আয়ে ৩৫ শতাংশ করের প্রস্তাব
৩ কোটি টাকার বেশি আয়ে ৩৫ শতাংশ করের প্রস্তাব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গরমে শরীর ঠিক রাখতে দরকার যেসব অভ্যাস
গরমে শরীর ঠিক রাখতে দরকার যেসব অভ্যাস

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

২৫ রানেই অস্ট্রেলিয়ার নেই ৪ উইকেট, মুস্তাফিজের আগুনে স্পেল
২৫ রানেই অস্ট্রেলিয়ার নেই ৪ উইকেট, মুস্তাফিজের আগুনে স্পেল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামেকে পৌঁছেছে ২৮ কোটি টাকার বিদেশি ওষুধ, বিনামূল্যে পাবেন রোগীরা
রামেকে পৌঁছেছে ২৮ কোটি টাকার বিদেশি ওষুধ, বিনামূল্যে পাবেন রোগীরা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

করমুক্ত থাকছে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়, থাকছে না ভ্যাটও
করমুক্ত থাকছে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়, থাকছে না ভ্যাটও

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘আমরা পৃথিবীর রাজা নই’, ভিসা বিতর্কে ফিফা সভাপতি
‘আমরা পৃথিবীর রাজা নই’, ভিসা বিতর্কে ফিফা সভাপতি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই থেকেই কেন শুরু হয় অর্থবছর?
জুলাই থেকেই কেন শুরু হয় অর্থবছর?

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শূন্য রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার লজ্জার শুরু
শূন্য রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার লজ্জার শুরু

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেভাবে এসেছিল বিগত ৫৪ বাজেট
যেভাবে এসেছিল বিগত ৫৪ বাজেট

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কিশোরগঞ্জে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত
কিশোরগঞ্জে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টস জিতে ব্যাটিংয়ে অস্ট্রেলিয়া, দুই দলেই পরিবর্তন
টস জিতে ব্যাটিংয়ে অস্ট্রেলিয়া, দুই দলেই পরিবর্তন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাজেটে ৬.৯৫ লাখ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা
বাজেটে ৬.৯৫ লাখ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আবারও উদ্বোধনী ম্যাচে মেক্সিকো, এবার কি বদলাবে পুরোনো ইতিহাস?
আবারও উদ্বোধনী ম্যাচে মেক্সিকো, এবার কি বদলাবে পুরোনো ইতিহাস?

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে
বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ধানি জমিতে রঙিন আম চাষে বাজিমাত
ধানি জমিতে রঙিন আম চাষে বাজিমাত

২২ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি সিরিজ বাতিল
বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি সিরিজ বাতিল

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাসির-তামিমার খালাস, প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন বাদী রাকিব
নাসির-তামিমার খালাস, প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন বাদী রাকিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কেন ঝুঁকির পথ বেছে নিচ্ছেন ইরানের নতুন নেতৃত্ব: সিএনএনের বিশ্লেষণ
কেন ঝুঁকির পথ বেছে নিচ্ছেন ইরানের নতুন নেতৃত্ব: সিএনএনের বিশ্লেষণ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমেছে ৬,৫৯১ টাকা
স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমেছে ৬,৫৯১ টাকা

২২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

আমরা আবারও ইরানে কঠোর হামলা করতে যাচ্ছি: ট্রাম্প
আমরা আবারও ইরানে কঠোর হামলা করতে যাচ্ছি: ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাড়তি ৭৫০ ডলারে দ্রুত মার্কিন ভিসা ইন্টারভিউয়ের সুযোগ
বাড়তি ৭৫০ ডলারে দ্রুত মার্কিন ভিসা ইন্টারভিউয়ের সুযোগ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০ বছর পর কবর থেকে তোলা হবে সালমান শাহ’র লাশ
৩০ বছর পর কবর থেকে তোলা হবে সালমান শাহ’র লাশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে
বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে ক্যারিয়ারসেরা র‍্যাঙ্কিংয়ে নাহিদ রানা
অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে ক্যারিয়ারসেরা র‍্যাঙ্কিংয়ে নাহিদ রানা

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পানি অবকাঠামোয় মার্কিন হামলা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
ইরানের পানি অবকাঠামোয় মার্কিন হামলা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ে বিতর্কের মামলায় জিতে তামিমা লিখলেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’
বিয়ে বিতর্কের মামলায় জিতে তামিমা লিখলেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের ওপর হামলা ‘সম্পন্ন’, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের ওপর হামলা ‘সম্পন্ন’, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলা শুরু, হরমুজ বন্ধ ঘোষণা
ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলা শুরু, হরমুজ বন্ধ ঘোষণা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ : আর্জেন্টিনা শিবিরে স্বস্তি, স্কালোনির পরিকল্পনায় নতুন সমীকরণ
বিশ্বকাপ : আর্জেন্টিনা শিবিরে স্বস্তি, স্কালোনির পরিকল্পনায় নতুন সমীকরণ

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৪৮ দলের বিশ্বকাপ: কোন গ্রুপে সবচেয়ে কঠিন লড়াই?
৪৮ দলের বিশ্বকাপ: কোন গ্রুপে সবচেয়ে কঠিন লড়াই?

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হারসহ এক ম্যাচে ৮ লাল কার্ড হজম করল ব্রাজিল
হারসহ এক ম্যাচে ৮ লাল কার্ড হজম করল ব্রাজিল

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কখন, থাকছে যেসব চমক
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কখন, থাকছে যেসব চমক

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা বিশ্লেষকের
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা বিশ্লেষকের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গভীর রাতে আকস্মিক অভিযানে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী, মহাখালী-কাকলীতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন
গভীর রাতে আকস্মিক অভিযানে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী, মহাখালী-কাকলীতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কি এই মার্কিন সি ড্রোন?
কি এই মার্কিন সি ড্রোন?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অনুমতি ছাড়া হরমুজ অতিক্রমের চেষ্টা, দুটি জাহাজে হামলা চালাল ইরান
অনুমতি ছাড়া হরমুজ অতিক্রমের চেষ্টা, দুটি জাহাজে হামলা চালাল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সময়ক্ষেপণের জন্য ইরানকে এখন মূল্য দিতে হবে, হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
সময়ক্ষেপণের জন্য ইরানকে এখন মূল্য দিতে হবে, হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নীতিতে বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ, তবুও দেশে নায়ক সোমালি রেফারি
ট্রাম্পের নীতিতে বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ, তবুও দেশে নায়ক সোমালি রেফারি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাহিদ রানাকে শাস্তি দিল আইসিসি
নাহিদ রানাকে শাস্তি দিল আইসিসি

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজের বিকল্পে ঐতিহাসিক হেজাজ রেলওয়ে সচলে তুরস্ক-সৌদি উদ্যোগ
হরমুজের বিকল্পে ঐতিহাসিক হেজাজ রেলওয়ে সচলে তুরস্ক-সৌদি উদ্যোগ

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নতুন যে সমীকরণ গড়ছে ইরান
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নতুন যে সমীকরণ গড়ছে ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে ক্ষতিগ্রস্ত ইসরায়েলি বিমানঘাঁটির স্থাপনা
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে ক্ষতিগ্রস্ত ইসরায়েলি বিমানঘাঁটির স্থাপনা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘অস্তিত্ব রক্ষায়’ কি কংগ্রেসে ফিরছেন মমতা?
‘অস্তিত্ব রক্ষায়’ কি কংগ্রেসে ফিরছেন মমতা?

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওমান উপকূলে তেলবাহী জাহাজে অগ্নিকাণ্ড, দুই নাবিক নিখোঁজ
ওমান উপকূলে তেলবাহী জাহাজে অগ্নিকাণ্ড, দুই নাবিক নিখোঁজ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংকট মোকাবিলার বাজেট আজ
সংকট মোকাবিলার বাজেট আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

আজটেকায় শুরু বিশ্বকাপ মহোৎসব
আজটেকায় শুরু বিশ্বকাপ মহোৎসব

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শঙ্কায় অন্তঃসত্ত্বা নারীরা
শঙ্কায় অন্তঃসত্ত্বা নারীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পেছনের পৃষ্ঠা

জার্মানির সাড়ে ৭ কিলোমিটার পতাকা বানালেন আমজাদ
জার্মানির সাড়ে ৭ কিলোমিটার পতাকা বানালেন আমজাদ

পেছনের পৃষ্ঠা

ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা
ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা

পেছনের পৃষ্ঠা

ইতিহাসের অপেক্ষায় মিরাজ বাহিনী
ইতিহাসের অপেক্ষায় মিরাজ বাহিনী

মাঠে ময়দানে

অদৃশ্য এক ফাঁদে তরুণ প্রজন্ম
অদৃশ্য এক ফাঁদে তরুণ প্রজন্ম

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপ হবে আরও আকর্ষণীয়
বিশ্বকাপ হবে আরও আকর্ষণীয়

মাঠে ময়দানে

লোকসংখ্যা বাড়ছে, মানুষ বাড়ছে না
লোকসংখ্যা বাড়ছে, মানুষ বাড়ছে না

সম্পাদকীয়

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির আন্দোলনের ফসল জুলাই বিপ্লব
তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির আন্দোলনের ফসল জুলাই বিপ্লব

প্রথম পৃষ্ঠা

এস আলমের গাড়ি ব্যবহার নিয়ে ব্যাখ্যা
এস আলমের গাড়ি ব্যবহার নিয়ে ব্যাখ্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

বাবার পথ ধরেই হাঁটছেন তারেক রহমান
বাবার পথ ধরেই হাঁটছেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

সালমান শাহর দেহাবশেষ কবর থেকে তোলার অনুমতি
সালমান শাহর দেহাবশেষ কবর থেকে তোলার অনুমতি

প্রথম পৃষ্ঠা

মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে বিশ্বকাপের সূচনা
মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে বিশ্বকাপের সূচনা

মাঠে ময়দানে

৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত
৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

রেফারিকে বের করে দিল যুক্তরাষ্ট্র
রেফারিকে বের করে দিল যুক্তরাষ্ট্র

মাঠে ময়দানে

দুই বছরের প্রকল্পে ১৩ বছর ভোগান্তি
দুই বছরের প্রকল্পে ১৩ বছর ভোগান্তি

নগর জীবন

গ্রামীণফোন ও বিকাশের চুক্তি
গ্রামীণফোন ও বিকাশের চুক্তি

নগর জীবন

জামায়াতের ছায়া সরকার ও বাজেট উদ্যোগের প্রশংসা
জামায়াতের ছায়া সরকার ও বাজেট উদ্যোগের প্রশংসা

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই যুগেও সংস্কার নেই, দুর্ভোগে মানুষ
দুই যুগেও সংস্কার নেই, দুর্ভোগে মানুষ

নগর জীবন

বিপদ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গু
বিপদ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গু

রকমারি নগর পরিক্রমা

দীর্ঘদিন ঝিলমিল প্রকল্পের আশানুরূপ অগ্রগতি হয়নি
দীর্ঘদিন ঝিলমিল প্রকল্পের আশানুরূপ অগ্রগতি হয়নি

নগর জীবন

প্রেমের টানে দক্ষিণ কোরিয়ার যুবক লালমনিরহাটে
প্রেমের টানে দক্ষিণ কোরিয়ার যুবক লালমনিরহাটে

নগর জীবন

বসুন্ধরা গ্রুপের সহযোগিতায় বিনামূল্যে আরও ১৯ রোগীর চোখের অপারেশন
বসুন্ধরা গ্রুপের সহযোগিতায় বিনামূল্যে আরও ১৯ রোগীর চোখের অপারেশন

নগর জীবন

চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী
চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

নগর জীবন

মহাসড়কে বেড়েছে প্রাণহানি
মহাসড়কে বেড়েছে প্রাণহানি

নগর জীবন

বাজেটের আগে কমল সোনার দাম
বাজেটের আগে কমল সোনার দাম

পেছনের পৃষ্ঠা

টয়লেটের গর্ত নিয়ে বিরোধ, ছেলের বিরুদ্ধে মাকে হত্যার অভিযোগ
টয়লেটের গর্ত নিয়ে বিরোধ, ছেলের বিরুদ্ধে মাকে হত্যার অভিযোগ

দেশগ্রাম