Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২২:৫৮

কাতারকে দ্বীপ বানিয়ে ফেলতে চায় সৌদি

কাতারকে দ্বীপ বানিয়ে ফেলতে চায় সৌদি

দীর্ঘদিন ধরে কাতারের সঙ্গে সৌদির বিরোধ চলছে। এবার কাতার উপদ্বীপকে সম্পূর্ণ দ্বীপে পরিণত করতে খাল কাটার পরিকল্পনা করছে সৌদি আরব। শুক্রবার এক সৌদি কর্মকর্তা এই ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান। উভয় দেশের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই সৌদি আরবের এই পরিকল্পনার কথা সামনে এলো। তবে এই পরিকল্পনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সৌদি কর্তৃপক্ষ এখনো কিছু জানায়নি। কাতারের পক্ষ থেকেও এর কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। সৌদি আরবের প্রভাবশালী যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের ঊর্ধ্বতন উপদেষ্টা সৌদ আল কাহতানি এক টুইটার বার্তায় শুক্রবার লিখেছেন, ‘আমি অধৈর্য হয়ে সালওয়া দ্বীপ প্রজেক্টের পরিকল্পনার বিস্তারিত পেতে অপেক্ষা করছি। এই প্রজেক্ট এই অঞ্চলের ভূগোল বদলে দেবে।’ দ্য গার্ডিয়ান বলছে, এই পরিকল্পনা কাতারকে সৌদি ভূখণ্ড থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে ফেলবে। ১৪ মাস ধরে দুই দেশের কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে নতুন চাপ ুৈরির কৌশল হিসেবে এই পরিকল্পনার কথা সামনে এলো। সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন ও ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের অভিযোগ এনে ২০১৭ সালের জুনে কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করে  সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিসর। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে দোহা। এ বছরের এপ্রিলে সৌদি সরকার সমর্থক সাবাক নিউজ ওয়েবসাইটের খবরে বলা হয়, সরকার কাতার-সৌদি সীমান্তে ৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ ও ২০০ মিটার প্রস্থের একটি খাল কাটতে চায়। এই প্রকল্পে খরচ হবে ২৮০ কোটি রিয়াল। এই খালগুলোর একটিতে পারমাণবিক বর্জ্য সংরক্ষণাগার নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে সৌদি আরবের। খালখননে বিশেষজ্ঞ জ্ঞান থাকা ও নাম প্রকাশ না করা পাঁচটি  কোম্পানিকে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নিলামে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরে এই কাজের জন্য নির্বাচিত কোম্পানির নাম ঘোষণা করা হবে বলে জুনে মক্কার একটি সংবাদপত্রে খবর প্রকাশ হয়েছিল। গত বছর কূটনৈতিক টানাপোড়েনে পর ছোট দেশ কাতারের একমাত্র স্থল সীমান্তটি বন্ধ করে দেয় সৌদি আরব। সম্পর্ক ছিন্ন করা চারটি দেশ থেকে বের করে দেওয়া হয় কাতারের নাগরিকদের। কাতারের রাষ্ট্রীয় বিমানগুলোকে ওই দেশে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। দ্য গার্ডিয়ান।


আপনার মন্তব্য