Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ৫ ডিসেম্বর, ২০১৮ ২৩:২৩

খাশোগি হত্যাকাণ্ডে যুবরাজ ‘জড়িত’

সিনেটে শুনানি

খাশোগি হত্যাকাণ্ডে যুবরাজ ‘জড়িত’

সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের জড়িত না থাকার সম্ভাবনা ‘শূন্য’। এমনটাই মনে করছেন এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে দেশটির প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র প্রধানের সঙ্গে অংশ নেওয়া সিনেটররা। ইতিমধ্যেই সৌদি কনস্যুলেটের ভিতর খাশোগি হত্যার অডিও রেকর্ড শুনেছেন সিআইএ প্রধান গিনা হ্যাসপেল। মঙ্গলবার তার এ সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন সিনেট ফরেন রিলেশন্স কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সিনেটর বব মেনেনদেজ। তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার মতামত আগে যা ছিল, এখন তা আরও জোরালো হয়েছে। আর বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বলেছেন, ‘এই কাজটি এমবিএসের (মোহাম্মদ বিন সালমান) কমান্ড ও তার অধীনে থাকা লোকজনের পরিকল্পনায় সংঘটিত হয়েছে, এই সিদ্ধান্তে না আসার জন্য আপনাকে ইচ্ছাকৃতভাবে অন্ধ হয়ে থাকতে হবে।’ সালমানের নিন্দা করতে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, হয়তো অভিযুক্ত করার মতো কোনো ‘ধূমায়িত বন্দুক’ সেখানে ছিল না কিন্তু ‘ধূমায়িত করাত’ তো ছিল। এ মন্তব্যের মাধ্যমে গ্রাহাম একটি হাড় কাটার করাতের দিকে ইঙ্গিত করেছেন, যেটি খাশোগির মৃতদেহ টুকরা টুকরা করতে ব্যবহার করা হয়েছিল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সিনেট ফরেন রিলেশন্স কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন রিপাবলিকান পার্টির সিনেটর বব করকার। তিনি বলেন, যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানই যে এ হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন এবং এটি পর্যবেক্ষণ করেছেন এ ব্যাপারে কোনো সংশয় নেই। বব করকার বলেন, বিচারের মুখোমুখি হলে ৩০ মিনিটের মধ্যে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা সম্ভব। হত্যার দুই মাস পেরিয়ে গেলেও খাশোগি হত্যা রহস্যের সুরাহা এখনো হয়নি। এরই মধ্যে কানাডায় নির্বাসিত সৌদি অ্যাকটিভিস্ট ওমর আব্দুল আজিজকে খাশোগির পাঠানো চার শতাধিক মেসেজ হাতে পেয়েছে সিএনএন। ওই সব ম্যাসেজ যুবরাজ ও খাশোগির বৈরিতা কত ছিল তা নির্ণয়ে সাহায্য করবে। তারপরেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কিছু রিপাবলিকান বলেছেন, ওয়াশিংটনের এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া উচিত হবে না যা রিয়াদের সঙ্গে তার সম্পর্ককে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। মিত্র সৌদি আরবকে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সমতুল্য বিরোধী শক্তি হিসেবে বিবেচনা করে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে ট্রাম প্রশাসন দেশটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে কি না এটাই দেখার বিষয়।


আপনার মন্তব্য