শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২৩:৪১

ইইউয়ের কালো তালিকায় সৌদি

ইইউয়ের কালো তালিকায় সৌদি

মুদ্রা পাচার ও সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নরোধে শিথিলতার মাধ্যমে ঝুঁকি তৈরি করায় সৌদি আরব, পানামা, নাইজেরিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে ইউরোপিয়ান কমিশন। ইউরোপের ব্যাংকগুলোতে ঘটা বিভিন্ন কেলেঙ্কারির পর মুদ্রা পাচারবিরোধী কঠোর অভিযানের অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু এ পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে ইইউর বেশ কয়েকটি সদস্য রাষ্ট্র। কালো তালিকাভুক্ত দেশ বিশেষ করে সৌদি আরবের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সম্পর্ক থাকায় যুক্তরাজ্য ইউরোপিয়ান কমিশনের এ সিদ্ধান্তে উদ্বেগ জানিয়েছে। এবার কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে ২৩টি দেশকে।

 নতুন তালিকাটিতে দেশের সংখ্যা ২৩টি। সৌদি আরব, পানামা, নাইজেরিয়া ছাড়াও নতুন যুক্ত হওয়া দেশগুলোর মধ্যে আছে লিবিয়া, বতসোয়ানা, ঘানা, সামোয়া, বাহামা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা চার রাজ্যথÑ আমেরিকান সামোয়া, ইউএস ভার্জিন আইল্যান্ডস, পুয়ের্তো রিকো ও গুয়াম। কালো তালিকায় থাকার ফলে দেশগুলোর কেবল সম্মানহানিই হবে না, তাদের সঙ্গে ইইউয়ের আর্থিক সম্পর্কও আগের তুলনায় জটিল হয়ে উঠবে। ইইউর ব্যাংকগুলোকে এখন থেকে তালিকায় থাকা দেশগুলোর সঙ্গে লেনদেনের ক্ষেত্রে বাড়তি যাচাই-বাছাই করতে হবে, থাকতে হবে অতিরিক্ত সতর্ক। আফগানিস্তান, উত্তর কোরিয়া, ইথিওপিয়া, ইরান, ইরাক, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, সিরিয়া, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো, তিউনিসিয়া ও ইয়েমেনের নাম ইইউর এ নতুন তালিকায়ও আছে। আগের তালিকা থেকে বাদ পড়েছে কেবল বসনিয়া, গায়ানা, লাওস, উগান্ডা ও ভানুয়াতু। তালিকায় নাম না থাকলেও কমিশন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশের ওপর কড়া নজর রাখছে বলেও জানিয়েছেন জোরুভা। ইউরোপিয়ান কমিশনের নতুন এ সিদ্ধান্তে ‘মনোক্ষুণœ’ হওয়ার কথা জানিয়েছে সৌদি সরকার। নিজেদের নাম তালিকার বাইরে রাখতে রিয়াদ প্রবল চাপ দিয়ে গেলেও ইইউ কমিশন তাদের রাখতে বদ্ধপরিকর ছিল বলে জানুয়ারিতেই এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল রয়টার্স।


আপনার মন্তব্য