শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২১ অক্টোবর, ২০১৯ ২৩:৫৭

হংকংয়ে ব্যাপক সহিংসতা

মসজিদে জলকামানের হানা, ক্ষমা চাইলেন লাম

হংকংয়ে ব্যাপক সহিংসতা
হংকংয়ে বিক্ষোভকারীদের ঢিল থেকে বাঁচতে ছাতা ব্যবহার করে পুলিশ -এএফপি

হংকংয়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ একটি মসজিদে রঙিন পানি ছিটাতে থাকে। এ ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছেন প্রধান নির্বাহী ক্যারি লাম। মূলত হংকংয়ে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রবিবার রাজপথে নামেন গণতন্ত্রপন্থিরা। এদিন পুলিশ তাদের দিকে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করলে পাল্টা পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে বিক্ষোভকারীরা। এছাড়া চীনা ব্যাংক ও মেট্রো স্টেশনসহ শতাধিক দোকানপাট ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষোভকারীরা। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে রঙিন জলকামান ব্যবহার করে। এরই একপর্যায়ে একটি জলকামান হংকংয়ের প্রধান মসজিদ কাউলুন মসজিদের সামনের গেট ও সিঁড়ি রঙিন পানিতে ভাসিয়ে দেয়। সেখানে তখন সাংবাদিকসহ বেশকিছু লোক জড়ো হয়েছিল। গতকাল মুসল্লিরা নামাজ পড়তে আসার সময়ও সামনের রাস্তায় নীল রঙ লেগে ছিল বলে জানিয়েছে রয়টার্স। গতকাল জাপানের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে লাম মসজিদটি পরিদর্শন করেছেন। লামের এক মুখপাত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, গতকাল সকালে লাম গায়ে একটি শাল জড়িয়ে মসজিদটিতে যান ও ঘটনার জন্য মুসলিম নেতাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। ক্ষমা প্রার্থনা ‘মঞ্জুর’ করা হয়েছে এবং মুসলিম সম্প্রদায় হংকংয়ে শান্তিতে বসবাস করার আশা করছে বলে জানিয়েছেন মসজিদটির প্রধান ইমাম মুহাম্মদ আরশাদ। গণতন্ত্রের দাবিতে কাউলুন উপদ্বীপের অন্যান্য এলাকায় বিক্ষোভকারীরা দোকানপাটে আগুন দেয় ও রাস্তায় গ্রাফিতি এঁকে রাখে, পরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়। এক বিবৃতিতে পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাবশত মসজিদটিতে পানি ছিটানো হয়েছে এবং তারা ‘ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং প্রার্থনার সব স্থান সুরক্ষার চেষ্টা অব্যাহত রাখবে’।

দুই সপ্তাহ তুলনামূলক শান্ত থাকার পর রবিবার হাজার হাজার প্রতিবাদকারী রাস্তায় নেমে আসে। পুলিশ সমাবেশকে অবৈধ ঘোষণার পরও তাদের দমানো যায়নি। এতে হংকংয়ের সরকারবিরোধী আন্দোলনে স্থানীয়দের জোরালো সমর্থনের প্রতিফলন ঘটেছে বলে মনে করছেন পশ্চিমা বিশ্লেষকরা। চীনা ব্যাংক ও মেট্রো স্টেশনসহ শতাধিক দোকানপাট ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষোভকারীরা।


আপনার মন্তব্য