শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১১ জুন, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১০ জুন, ২০২১ ২৩:২৪

পুতিনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ইউরোপ সফর শুরু বাইডেনের

পুতিনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ইউরোপ সফর শুরু বাইডেনের
যুক্তরাজ্যের কর্নওয়ালের কারবিস উপসাগরের তীরে খুশির মেজাজে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও তার স্ত্রী কেরি জনসন -এএফপি
Google News

রাশিয়াকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তার প্রথম আনুষ্ঠানিক বিদেশ সফর শুরু করেছেন। রাশিয়াকে সতর্ক করে তিনি বলেছেন, রাশিয়া যদি ক্ষতিকর কোনো কাজে যুক্ত হয় তাহলে তাদের ‘কঠোর পরিণতির’ মুখোমুখি হতে হবে।

বুধবারই যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন বাইডেন। আটলান্টিক চার্টার নিয়ে বরিস জনসনের সঙ্গে আলোচনা আছে তার। জলবায়ু পরিবর্তন ও নিরাপত্তা ইস্যুতে ১৯৪১ সালে উইনস্টন চার্চিল ও ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্টের যে ঐকমত্য হয়েছিল, আটলান্টিক চার্টার তারই আধুনিক সংস্করণ।

ইউরোপে আট দিনের সফরে বাইডেন উইন্ডসর ক্যাসেলে রানী এলিজাবেথের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তিনি জি-৭ ভুক্ত দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন (জি-৭ ভুক্ত দেশের মধ্যে রয়েছে কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, ব্রিটেন, আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন)। ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দেবেন। সফরের শেষদিকে বাইডেন জেনেভায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন। হোয়াইট হাউস ইঙ্গিত দিয়েছে, বাইডেন অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, জলবায়ু পরিবর্তন, ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক কর্মকান্ড, সাইবার হ্যাকিং হামলা- বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে পুতিনের সঙ্গে কথা বলবেন। তবে সফরের একেবারে প্রথম লগ্নেই বাইডেন রাশিয়াকে এই বলে বার্তা দিয়ে রাখলেন যে, রাশিয়া যদি ক্ষতিকর কর্মকান্ডে জড়িত থাকে তবে সে তার কৃতকর্মের পাল্টা দৃঢ় ও অর্থবহ জবাবও পাবে।

বিভিন্ন ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও মস্কোর মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। গত এপ্রিলে পুতিন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার বিষয়ে নাক গলাচ্ছে এবং সীমা অতিক্রম করতে চাইছে।

এদিকে বাইডেন বলেছেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরের প্রতিটি পর্যায়ে তিনি পরিষ্কার করতে চেয়েছেন যে, ‘যুক্তরাষ্ট্র ফিরে এসেছে এবং বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলো এক হয়ে সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবে, যা আমাদের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’ জি-সেভেনের (সাত দেশের জোট) অন্য নেতারা আজ দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডের কর্নওয়াল পৌঁছে যাবেন এবং সপ্তাহ শেষে সভা হবে। জি-সেভেন গঠন হয়েছে বিশ্বের বড় বড় অর্থনীতির রাষ্ট্রের সমন্বয়ে। এবারের আলোচনার মূল বিষয় হলো- কভিড পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠে ‘একটি শক্তিশালী বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যা আমাদের সবাইকে ভবিষ্যতের মহামারী থেকেও রক্ষা করতে পারবে।’

আমেরিকার সঙ্গে ইউরোপের সম্পর্কের বড় একটি নিয়ামক হলো ন্যাটো। ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে ন্যাটোর সঙ্গে মার্কিন সম্পর্ক টানটান হয়ে পড়েছিল, তবে ন্যাটো সেক্রেটারি জেনারেল জেনস স্টলটেনবার্গ সোমবার হোয়াইট হাউসে যান এবং আমেরিকার মিত্রদের প্রতি বাইডেনের শক্তিমান প্রতিশ্রুতির প্রশংসা করেন।