শিরোনাম
শনিবার, ৭ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ টা
নতুন উত্তেজনা

ইসরায়েলে রকেট হামলা হিজবুল্লাহর

ইসরায়েলের অভ্যন্তরে কয়েক ডজন রকেট হামলা চালিয়েছে লেবাননের শিয়া মিলিশিয়া বাহিনী হিজবুল্লাহ। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইসরায়েলি বিমান হামলার জবাব দিতেই এই হামলা চালিয়েছে তারা। দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলের দিকে অন্তত ১০টি রকেট ছোড়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীও। শুক্রবার তাদের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘লেবানন থেকে ইসরায়েলের দিকে ছোড়া ১০-এর অধিক রকেটের পাল্টায় আমরা এখন লেবাননের যেসব স্থান থেকে রকেট ছোড়া হয়, সেসব জায়গায় হামলা চালাচ্ছি।’

জানা গেছে, সব রকেট ফাঁকা স্থানেই আছড়ে পড়ে। এর আগে বৃহস্পতিবার লেবাননের অভ্যন্তরে বিমান থেকে একাধিক টার্গেটে হামলা চালায় ইসরায়েল। যদিও হিজবুল্লাহর দাবি, ইসরায়েলি হামলায় তাদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হিজবুল্লাহর একাধিক রকেট নিক্ষেপণ কেন্দ্রে আঘাত হেনেছে তারা। এরপর হিজবুল্লাহ অন্তত ১০টি রকেট নিক্ষেপ করেছে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে। এগুলো দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। ইসরায়েল আরও জানিয়েছে, তারা হিজবুল্লাহর সঙ্গে সর্বাত্মক যুদ্ধ চায় না। তবে তারা এর জন্য প্রস্তুত রয়েছে। শুক্রবার ইসরায়েল সেনাবাহিনীর রেডিও থেকে জানানো হয়েছে, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল যা হিজবুল্লাহর অধীনে রয়েছে, সেখানে শেল ও কামান নিক্ষেপ করেছে ইসরায়েল। এরপরই সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে উত্তর ইসরায়েল ও গোলান হাইটসের কিছু এলাকায়। এ নিয়ে তিন দিনে গড়িয়েছে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ সীমান্ত সংঘর্ষ। ২০০৬ সালের পর থেকে এ সীমান্ত বেশ শান্তই রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক এ উত্তেজনা আরও বাড়লে তা বড় ধরনের উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠতে পারে বিশ্ব নেতাদের। এর আগে ২০০৬ সালে পূর্ণ মাত্রার যুদ্ধ হয়েছিল ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে। লেবানন থেকে আলজাজিরার সাংবাদিক জেইনা খোদর জানান, সীমান্তে যে হামলা-পাল্টা হামলা হয়েছে তাতে পরিস্থিতি আসলেই অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে।

তবে উভয় পক্ষই মানুষের অবস্থান এড়িয়ে হামলা চালিয়েছে। উভয় পক্ষই বেশ সতর্কভাবে এসব হামলা করেছে। কারণ, কোনো ভুল পদক্ষেপ আবারও একটি যুদ্ধ ডেকে আনবে।