শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:৫৭, বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ১১:৩৩, বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫

যুদ্ধ ও শান্তিতে ইসলামের মানবাধিকারনীতি

শাব্বির আহমদ
অনলাইন ভার্সন
যুদ্ধ ও শান্তিতে ইসলামের মানবাধিকারনীতি

মানবসভ্যতার ইতিহাসে যুদ্ধ যেন এক অনিবার্য বাস্তবতা। আধুনিক পৃথিবী যতই শান্তির ভাষা উচ্চারণ করুক না কেন, গাজা, কাশ্মীর, সিরিয়া কিংবা ইউক্রেন; সব জায়গায় প্রতিনিয়ত মানুষের নাক ভারী হচ্ছে তাজা রক্ত ও বারুদের ঝাঁজালো গন্ধে। মানবাধিকারের বুলি আওড়ানো বড় শক্তিগুলো একদিকে বিশ্বকে শোনায় শান্তির বাণী, অন্যদিকে নিজের কথার বাইরে এদিক-সেদিক হলেই সেই অঞ্চলের মাটি ভিজিয়ে দেয় কোমলমতি নিষ্পাপ শিশু, অসহায় নারী ও দুর্বল বৃদ্ধের রক্ত দিয়ে। এই দ্বিচারিতার যুগে ইসলামী মানবাধিকারনীতিই একমাত্র মত ও পথ, যা মানবতার জন্য স্থায়ী সমাধানের দিগন্ত উন্মোচন করে, যেখানে যুদ্ধও পরিচালিত হয় সীমার মধ্যে, শান্তিও প্রতিষ্ঠা হয় ন্যায়ের ভিত্তিতে।

মানবাধিকারের আল্লাহ প্রদত্ত ধারণা

ইসলামের দৃষ্টিতে মানবাধিকার কোনো মানুষের বানানো ধারণা নয়, এটি মহান আল্লাহ প্রদত্ত একটি বিধান। পবিত্র কোরআনের ভাষায়, ‘হে মানুষ! তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় করো, যিনি তোমাদের এক প্রাণ থেকে সৃষ্টি করেছেন।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ১)। এ আয়াত মানবসমতার মূল সূত্র। মানুষের জাত, বর্ণ, ভাষা বা অবস্থান নয়, বরং আল্লাহর সৃষ্টি হিসেবে সব মানুষ সম্মানিত।

এ জন্যই পবিত্র কোরআন ঘোষণা করে ‘আর আমরা অবশ্যই আদম সন্তানদের সম্মানিত করেছি, তাদেরকে স্থলে ও সমুদ্রে চলাচলের বাহন দিয়েছি, তাদেরকে উত্তম জিনিসপত্র থেকে রিজিক দিয়েছি এবং তাদেরকে আমাদের অনেক সৃষ্টির ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি।’ (সুরা : বনি ইসরাঈল, আয়াত : ৭০)

রাসুলুল্লাহ (সা.) এই নীতির বাস্তব রূপ দেন তাঁর বিদায় হজের ঐতিহাসিক ভাষণে, যেখানে তিনি বলেন, ‘তোমাদের রক্ত, তোমাদের সম্পদ, তোমাদের ইজ্জত তোমাদের জন্য হারাম; যেমন- এদিন, এ মাস ও এ স্থান হারাম।’ (বুখারি, হাদিস : ১৭৩৯)। এ ঘোষণাই ইতিহাসের প্রথম পূর্ণাঙ্গ মানবাধিকার ঘোষণাপত্র, যা জাতি-রাষ্ট্র, ধর্ম ও সীমারেখার ঊর্ধ্বে মানবিক মর্যাদার ঘোষণা দিয়েছে।

শান্তিকালে মানবাধিকারের রূপরেখা

ইসলামে শান্তিকালেই মানবাধিকার সবচেয়ে পরিপূর্ণভাবে বিকশিত হয়। মুসলিম রাষ্ট্রে শুধু মুসলমান নয়, অমুসলিম নাগরিকও নিরাপদ। মহানবী (সা.) বলেন, ‘সাবধান! যে ব্যক্তি চুক্তিবদ্ধ সম্প্রদায়ের কোনো ব্যক্তির (অমুসলিম নাগরিক) ওপর জুলুম করবে বা তার প্রাপ্য কম দেবে কিংবা তাকে তার সামর্থ্যের বাইরে কিছু করতে বাধ্য করবে অথবা তার সন্তুষ্টিমূলক সম্মতি ছাড়া তার কাছ থেকে কিছু গ্রহণ করবে, কিয়ামতের দিন আমি তার বিপক্ষে বাদী হবো।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৩০৫২)।

এই নীতি মধ্যযুগের ইউরোপে ছিল অকল্পনীয়। ইসলামী শাসনে অমুসলিমদের উপাসনালয়, সম্পদ, এমনকি ব্যক্তিস্বাধীনতাও রক্ষা করা হতো। নারীর মর্যাদা, শ্রমিকের অধিকার, শিক্ষার সুযোগ, ন্যায্যবিচার-সবই ছিল ইসলামী রাষ্ট্রের মৌলিক মানবাধিকার কাঠামোর অংশ।

যুদ্ধেও ইসলামের উদার মানবিকতা

ইসলাম যুদ্ধকে কখনোই আগ্রাসন বা লালসার হাতিয়ার হিসেবে দেখেনি। যুদ্ধ শুধুই আত্মরক্ষা, নিপীড়ন-প্রতিরোধ বা ন্যায়ের পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যম। পবিত্র কোরআন ঘোষণা করে, ‘যে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, তোমরাও আল্লাহর পথে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো; কিন্তু সীমা লঙ্ঘন কোরো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমা লঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না।’ (সুরা : আল-বাকারাহ, আয়াত : ১৯০)।

রাসুলুল্লাহ (সা.) ও তাঁর সাহাবারা যুদ্ধে প্রবেশের আগে কঠোরভাবে নির্দেশ দিতেন, ‘তোমরা কোনো নারী, শিশু বা বৃদ্ধকে হত্যা কোরো না; ফলবান গাছ কেটো না, বসতবাড়ি ধ্বংস কোরো না; কোনো ছাগল বা উট জবাই কোরো না, যদি না তা খাওয়ার জন্য হয়। তোমরা এমন কিছু মানুষ পাবে যারা উপাসনালয়ে বিমগ্ন ধর্মযাজক, তাদের ছেড়ে দিয়ো।’ (মুয়াত্তা মালিক, হাদিস : ৯৭২; আল-বায়হাকি, সুনানুল কুবরা : ৯/৮৪)।

এটাই ছিল ইসলামী যুদ্ধনীতির মানবিক মুখ। বন্দিদেরও মানবিক মর্যাদা দেওয়া হতো। পবিত্র কোরআন বন্দিদের সম্পর্কে বলে, ‘তারা খাদ্য দেয় নিজেদের ভালোবাসার কারণে দরিদ্র, এতিম ও বন্দিদের।’(সুরা : আদ-দাহর, আয়াত : ৮)।

বদরযুদ্ধের বন্দিদের কেউ শিক্ষা দিয়ে মুক্তি পেয়েছিলেন, কাউকে দয়া করে নিঃস্বার্থভাবে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। আধুনিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কনভেনশন ‘জেনেভা’ যে নীতির ওপর দাঁড়িয়েছে, তা মহানবী (সা.)-এর এই প্রবর্তিত নীতিরই প্রতিধ্বনি।

শান্তির প্রস্তাব পেলে যুদ্ধবিরতি বাধ্যতামূলক

ইসলামী নীতি যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত নয়, বরং সংক্ষিপ্ত করতে চায়। পবিত্র কোরআনের নির্দেশ- ‘যদি তারা শান্তির দিকে ঝুঁকে পড়ে, তাহলে তুমিও শান্তির দিকে ঝুঁকে পোড়ো এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখো।’ (সুরা : আনফাল, আয়াত : ৬১)।

অর্থাৎ প্রতিপক্ষ শান্তির ইঙ্গিত দিলেই মুসলমানের দায়িত্ব হচ্ছে- অস্ত্র নামিয়ে শান্তির পথ বেছে নেওয়া। এই নীতি আজকের বিশ্বরাজনীতিতে অনুপস্থিত। এখানে শান্তি নয়, বরং স্বার্থই একমাত্র মাপকাঠি।

ইসলাম বনাম আধুনিক মানবাধিকার

জাতিসংঘের মানবাধিকার ঘোষণাপত্রে যে মৌলিক অধিকারের কথা বলে সেগুলো হচ্ছে- জীবন, সম্পদ, ধর্ম, মত প্রকাশ ও ন্যায়বিচার। অথচ ইসলাম ১৪০০ বছর আগে সেগুলোকে আল্লাহ প্রদত্ত দায় বা প্রত্যেক ব্যক্তির অধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছে। আধুনিক মানবাধিকার দর্শন ‘স্বাধীনতা’কে কেন্দ্রে রাখে, কিন্তু ইসলামী দর্শনে মূল কেন্দ্র দায়িত্ব ও নৈতিক সীমা। কারণ সীমাহীন স্বাধীনতা মানবতার বিনাশ ডেকে আনে, অথচ দায়িত্ব-নির্ভর স্বাধীনতা সমাজে এনে দেয় স্থিতি।

আধুনিক বাস্তবতায় ইসলামী মানবতার প্রাসঙ্গিকতা

আজকের পৃথিবীতে যখন ‘মানবাধিকার’ রাজনৈতিক হাতিয়ার হয়ে গেছে, তখন ইসলামী দৃষ্টিকোণই প্রকৃত মুক্তির পথ দেখায়। গাজায় শিশু হত্যার পরও বিশ্ব নীরব, কিন্তু মহানবী (সা.) যুদ্ধের ময়দানে একটি শিশুর মৃতদেহ দেখে কেঁদে উঠেছিলেন। এ দৃশ্যই মানবিকতার সর্বোচ্চ রূপ। ইসলাম শেখায়, শত্রুও মানুষ আর মানুষ মানেই মর্যাদাপূর্ণ সৃষ্টির প্রতিনিধি। এ জন্যই ইসলামী সভ্যতা যুদ্ধেও শিল্প, সংস্কৃতি, জ্ঞান ও ন্যায়বিচারের প্রসার ঘটিয়েছে।

খলিফা উমর (রা.) জেরুজালেম জয় করে শত্রুর ঘরে প্রবেশের সময় কোনো সৈনিককে লুটতরাজ করতে দেননি; বরং গির্জায় নামাজ না পড়ে তা সংরক্ষণের নির্দেশ দেন। যেন ভবিষ্যতে মুসলমানরা দখল না নেয়। এটি ইতিহাসে মানবাধিকারের সবচেয়ে জীবন্ত দলিল।

ইসলাম শুধু শান্তির ধর্ম নয়, বরং ইসলাম ন্যায়নিষ্ঠা ও শান্তির ধর্ম। যুদ্ধের মধ্যেও ইসলাম মানবতার মর্যাদা রক্ষা করেছে, শান্তির সময় তা পূর্ণতা দিয়েছে। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘প্রকৃত শক্তিশালী সে নয়, যে যুদ্ধে জয়ী হয়; বরং সে, যে ক্রোধের সময় নিজেকে সংযত রাখতে পারে।’ (বুখারি, হাদিস : ৬১১৪)।

আজকের বিশ্বে ইসলামী মানবাধিকারনীতি শুধুই ইতিহাস নয়, এটি ভবিষ্যতের ন্যায্য ও ভারসাম্যপূর্ণ সভ্যতার ভিত্তি। মানুষ তখনই প্রকৃত নিরাপত্তা পাবে, যখন মানবাধিকার কোনো মানব নির্মিত চুক্তি নয়, বরং আল্লাহ প্রদত্ত দায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত হবে।

লেখক : শিক্ষার্থী

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
দ্বিনি বিষয়ে আলেমদের দ্বারস্থ হতে হবে
দ্বিনি বিষয়ে আলেমদের দ্বারস্থ হতে হবে
৯ ডিসেম্বর : আজকের নামাজের সময়সূচি
৯ ডিসেম্বর : আজকের নামাজের সময়সূচি
নামাজ পড়ার ফজিলত ও না পড়ার ক্ষতি
নামাজ পড়ার ফজিলত ও না পড়ার ক্ষতি
প্রাণীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় নবীজি (সা.)
প্রাণীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় নবীজি (সা.)
ইসলামের আলোকে সুশাসনের প্রয়োজন ও ফলাফল
ইসলামের আলোকে সুশাসনের প্রয়োজন ও ফলাফল
ইসলাম ও জ্ঞানচর্চা: মুসলিমরাই বিশ্বসভ্যতার প্রথম দীপাধার
ইসলাম ও জ্ঞানচর্চা: মুসলিমরাই বিশ্বসভ্যতার প্রথম দীপাধার
মুমিনের অন্তরে খ্যাতির ভয়
মুমিনের অন্তরে খ্যাতির ভয়
৭ ডিসেম্বর : আজকের নামাজের সময়সূচি
৭ ডিসেম্বর : আজকের নামাজের সময়সূচি
পাপের সীমানায়ও পা ফেলা যাবে না
পাপের সীমানায়ও পা ফেলা যাবে না
যেসব আমলে দ্বিগুণ প্রতিদান পাওয়া যায়
যেসব আমলে দ্বিগুণ প্রতিদান পাওয়া যায়
অসুস্থ সাদ (রা.)-কে দেখতে গিয়ে মহানবী (সা.)-এর উপদেশ
অসুস্থ সাদ (রা.)-কে দেখতে গিয়ে মহানবী (সা.)-এর উপদেশ
জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চায় মুসলমানদের প্রচেষ্টা
জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চায় মুসলমানদের প্রচেষ্টা
সর্বশেষ খবর
এনসিএলে রানে শীর্ষে সৌম্য, সেঞ্চুরিতে মার্শাল আইয়ুব
এনসিএলে রানে শীর্ষে সৌম্য, সেঞ্চুরিতে মার্শাল আইয়ুব

১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

১৩ ব্যাংক থেকে ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক
১৩ ব্যাংক থেকে ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

৩ মিনিট আগে | অর্থনীতি

দ্বিনি বিষয়ে আলেমদের দ্বারস্থ হতে হবে
দ্বিনি বিষয়ে আলেমদের দ্বারস্থ হতে হবে

৪ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

সীমান্ত ঘিরে মাদকের নতুন কারখানা
সীমান্ত ঘিরে মাদকের নতুন কারখানা

১৭ মিনিট আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১০ ডিসেম্বর)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১০ ডিসেম্বর)

৩১ মিনিট আগে | জাতীয়

বিএনপির শরিকদের আসন চূড়ান্ত চলতি সপ্তাহে
বিএনপির শরিকদের আসন চূড়ান্ত চলতি সপ্তাহে

৪৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বনিম্ন রানের লজ্জা, বড় জয় ভারতের
দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বনিম্ন রানের লজ্জা, বড় জয় ভারতের

৫৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে কিউবার সাবেক অর্থমন্ত্রীর যাবজ্জীবন
গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে কিউবার সাবেক অর্থমন্ত্রীর যাবজ্জীবন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গৃহকর্মী নিয়োগে পরিচয় যাচাইয়ের আহ্বান ডিএমপি কমিশনারের
গৃহকর্মী নিয়োগে পরিচয় যাচাইয়ের আহ্বান ডিএমপি কমিশনারের

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ দিনই বোরকা পরে, না হয় মুখ ঢেকে এসেছিলেন ওই গৃহকর্মী
৪ দিনই বোরকা পরে, না হয় মুখ ঢেকে এসেছিলেন ওই গৃহকর্মী

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইলন মাস্ক, মার্ক জাকারবার্গের আদলে রোবট কুকুর
ইলন মাস্ক, মার্ক জাকারবার্গের আদলে রোবট কুকুর

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ধর্মেন্দ্রর জন্মদিনে আবেগঘন পোস্ট ববির
ধর্মেন্দ্রর জন্মদিনে আবেগঘন পোস্ট ববির

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গাজায় ত্রাণ প্রবেশে জর্ডান সীমান্তের অ্যালেনবি ক্রসিং ফের খুলছে বুধবার
গাজায় ত্রাণ প্রবেশে জর্ডান সীমান্তের অ্যালেনবি ক্রসিং ফের খুলছে বুধবার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সকালে ঘুম ভেঙে অস্ট্রেলিয়ার লাখো শিশু দেখবে তাদের ‘আইডি’ আর নেই
সকালে ঘুম ভেঙে অস্ট্রেলিয়ার লাখো শিশু দেখবে তাদের ‘আইডি’ আর নেই

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

কেন সীমান্তে আবার লড়াই করছে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া?
কেন সীমান্তে আবার লড়াই করছে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ যুব হকি দলকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন
বাংলাদেশ যুব হকি দলকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকা কলেজের বাস চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ
ঢাকা কলেজের বাস চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সূচকের উত্থানে পুঁজিবাজারে লেনদেন শেষ
সূচকের উত্থানে পুঁজিবাজারে লেনদেন শেষ

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হংকংয়ে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বেড়ে ১৬০, এখনো নিখোঁজ ছয়জন
হংকংয়ে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বেড়ে ১৬০, এখনো নিখোঁজ ছয়জন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় নাটোরের সিংড়ায় দোয়া
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় নাটোরের সিংড়ায় দোয়া

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় হাটহাজারীতে দোয়া
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় হাটহাজারীতে দোয়া

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডেঙ্গু প্রতিরোধে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি : ডিএনসিসি প্রশাসক
ডেঙ্গু প্রতিরোধে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি : ডিএনসিসি প্রশাসক

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘সরকারের যেকোনো পদে থেকে কেউ নির্বাচন করতে পারবেন না’
‘সরকারের যেকোনো পদে থেকে কেউ নির্বাচন করতে পারবেন না’

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ধুরন্ধর’ এর কিছু দৃশ্যের শুট কি পাকিস্তানে হয়েছে?
‘ধুরন্ধর’ এর কিছু দৃশ্যের শুট কি পাকিস্তানে হয়েছে?

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মোহাম্মদপুরে খুন হওয়া মা-মেয়ের দাফন সম্পন্ন
মোহাম্মদপুরে খুন হওয়া মা-মেয়ের দাফন সম্পন্ন

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুধবার জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন উপদেষ্টা আসিফ
বুধবার জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন উপদেষ্টা আসিফ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বজিৎ হত্যাকারীদের ফাঁসি কার্যকরের দাবি জবি শিবিরের
বিশ্বজিৎ হত্যাকারীদের ফাঁসি কার্যকরের দাবি জবি শিবিরের

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

হুমায়ুনের বাবরি মসজিদ প্রকল্পে জমা পড়ল কতো কোটি রুপি?
হুমায়ুনের বাবরি মসজিদ প্রকল্পে জমা পড়ল কতো কোটি রুপি?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জর্ডান সীমান্ত ক্রসিং আবারও খুলে দিচ্ছে ইসরায়েল
জর্ডান সীমান্ত ক্রসিং আবারও খুলে দিচ্ছে ইসরায়েল

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করাই আমার স্বপ্ন : তথ্য উপদেষ্টা
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করাই আমার স্বপ্ন : তথ্য উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির জরুরি ৫ নির্দেশনা
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির জরুরি ৫ নির্দেশনা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

করদাতাদের বার্ষিক রিটার্ন দাখিল ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বয়ে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা তৈরি করছে এনবিআর
করদাতাদের বার্ষিক রিটার্ন দাখিল ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বয়ে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা তৈরি করছে এনবিআর

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ভারতের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের
ভারতের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে শর্ত না মানলে প্রাথমিকের শিক্ষক-কর্মকর্তারা বেতন পাবেন না
যে শর্ত না মানলে প্রাথমিকের শিক্ষক-কর্মকর্তারা বেতন পাবেন না

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হলেন ৩১ কর্মকর্তা
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হলেন ৩১ কর্মকর্তা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতকে আরও কঠোর জবাব দেয়া হবে, হুঁশিয়ারি আসিম মুনিরের
ভারতকে আরও কঠোর জবাব দেয়া হবে, হুঁশিয়ারি আসিম মুনিরের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বুধবার জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন উপদেষ্টা আসিফ
বুধবার জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন উপদেষ্টা আসিফ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বুধবার সন্ধ্যায় অথবা বৃহস্পতিবার তফসিল : ইসি মাছউদ
বুধবার সন্ধ্যায় অথবা বৃহস্পতিবার তফসিল : ইসি মাছউদ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলামে নেই সাকিব, আছেন বাংলাদেশের ৭ জন
আইপিএল নিলামে নেই সাকিব, আছেন বাংলাদেশের ৭ জন

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নারায়ণগঞ্জ অচল হলে সারাদেশ অচল হবে: মোস্তাফিজুর রহমান
নারায়ণগঞ্জ অচল হলে সারাদেশ অচল হবে: মোস্তাফিজুর রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জাপা নেতা থেকে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী গোলাম মসীহ
জাপা নেতা থেকে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী গোলাম মসীহ

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সালাম মুর্শেদীর দখলে থাকা বাড়ি হস্তান্তরে হাইকোর্টের রায় প্রকাশ
সালাম মুর্শেদীর দখলে থাকা বাড়ি হস্তান্তরে হাইকোর্টের রায় প্রকাশ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পে স্কেল কার্যক্রম দ্রুত নিষ্পত্তির তাগিদ
পে স্কেল কার্যক্রম দ্রুত নিষ্পত্তির তাগিদ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাজারে থাকা মোবাইল ফোন ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে তালিকাভুক্তির নির্দেশ
বাজারে থাকা মোবাইল ফোন ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে তালিকাভুক্তির নির্দেশ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হুমায়ুনের বাবরি মসজিদ প্রকল্পে জমা পড়ল কতো কোটি রুপি?
হুমায়ুনের বাবরি মসজিদ প্রকল্পে জমা পড়ল কতো কোটি রুপি?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তফসিলের পর অনুমোদনহীন সমাবেশ-আন্দোলন থেকে বিরত থাকার আহ্বান
তফসিলের পর অনুমোদনহীন সমাবেশ-আন্দোলন থেকে বিরত থাকার আহ্বান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নামাজ পড়ার ফজিলত ও না পড়ার ক্ষতি
নামাজ পড়ার ফজিলত ও না পড়ার ক্ষতি

১৮ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা ইসরায়েলের
লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা ইসরায়েলের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজীপুরে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ
গাজীপুরে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মোহাম্মদপুরে খুন হওয়া মা–মেয়ের মরদেহ পৌঁছেছে গ্রামে, দাফন দুপুরে
মোহাম্মদপুরে খুন হওয়া মা–মেয়ের মরদেহ পৌঁছেছে গ্রামে, দাফন দুপুরে

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউক্রেন নিয়ে নতুন শান্তি–প্রস্তাব চূড়ান্ত পর্যায়ে
ইউক্রেন নিয়ে নতুন শান্তি–প্রস্তাব চূড়ান্ত পর্যায়ে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৯ ডিসেম্বর)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৯ ডিসেম্বর)

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউরোপ নিয়ে কঠোর সমালোচনায় ট্রাম্প
ইউরোপ নিয়ে কঠোর সমালোচনায় ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবারও বিয়ের পিঁড়িতে ‌‌‌‘পাখি’: কবে, কোথায় দিনক্ষণ জানালেন অভিনেত্রী
আবারও বিয়ের পিঁড়িতে ‌‌‌‘পাখি’: কবে, কোথায় দিনক্ষণ জানালেন অভিনেত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শত্রুকে বিপর্যস্ত করতে ক্ষেপণাস্ত্রে এআই প্রযুক্তি যুক্ত করবে ইরান
শত্রুকে বিপর্যস্ত করতে ক্ষেপণাস্ত্রে এআই প্রযুক্তি যুক্ত করবে ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়াকে ভূখণ্ড ছাড়তে নারাজ জেলেনস্কি, প্রস্তাব বদলাচ্ছে?
রাশিয়াকে ভূখণ্ড ছাড়তে নারাজ জেলেনস্কি, প্রস্তাব বদলাচ্ছে?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনের ট্রেনে উঠে গেছি আমরা : সিইসি
নির্বাচনের ট্রেনে উঠে গেছি আমরা : সিইসি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিআইডি কর্মকর্তাকে ছুরিকাঘাতকারী পলাতক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
সিআইডি কর্মকর্তাকে ছুরিকাঘাতকারী পলাতক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

বগুড়ায় বিএনপির প্রার্থী মোশারফের কাছে চাঁদা দাবি
বগুড়ায় বিএনপির প্রার্থী মোশারফের কাছে চাঁদা দাবি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাবেক যুগ্ম-কমিশনার বিপ্লব কুমারসহ ৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
সাবেক যুগ্ম-কমিশনার বিপ্লব কুমারসহ ৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
দলের অবস্থান পরিষ্কারে উজ্জীবিত নেতা-কর্মী
দলের অবস্থান পরিষ্কারে উজ্জীবিত নেতা-কর্মী

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মহামারির মতো ভাঙছে সংসার
মহামারির মতো ভাঙছে সংসার

পেছনের পৃষ্ঠা

আসছে ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান
আসছে ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান

প্রথম পৃষ্ঠা

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল

প্রথম পৃষ্ঠা

মানবাধিকার লঙ্ঘন পদে পদে
মানবাধিকার লঙ্ঘন পদে পদে

প্রথম পৃষ্ঠা

৫৭ চা-শ্রমিককে হত্যা
৫৭ চা-শ্রমিককে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধান উপদেষ্টার শেষ পরীক্ষা
প্রধান উপদেষ্টার শেষ পরীক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বিমান হাইজ্যাকের সেই ঘটনা
মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বিমান হাইজ্যাকের সেই ঘটনা

সম্পাদকীয়

মানবাধিকার অপরিহার্য
মানবাধিকার অপরিহার্য

সম্পাদকীয়

বরেন্দ্রে পানিসংকট
বরেন্দ্রে পানিসংকট

সম্পাদকীয়

অনুমোদনহীন আন্দোলন সমাবেশে আইনি ব্যবস্থা
অনুমোদনহীন আন্দোলন সমাবেশে আইনি ব্যবস্থা

প্রথম পৃষ্ঠা

তুলে নিয়ে ধর্ষণ গণধোলাই অভিযুক্তকে
তুলে নিয়ে ধর্ষণ গণধোলাই অভিযুক্তকে

দেশগ্রাম

আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল ক্লাব ম্যাচ স্থগিত
আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল ক্লাব ম্যাচ স্থগিত

মাঠে ময়দানে

বেগম রোকেয়া পদকজয়ী ঋতুপর্ণা
বেগম রোকেয়া পদকজয়ী ঋতুপর্ণা

মাঠে ময়দানে

হত্যা মামলার আসামি আটক
হত্যা মামলার আসামি আটক

দেশগ্রাম

জমেছে পুরাতন শীতবস্ত্র বেচাকেনা
জমেছে পুরাতন শীতবস্ত্র বেচাকেনা

দেশগ্রাম

আবারও ব্রাদার্সের কাছে হার আবাহনীর
আবারও ব্রাদার্সের কাছে হার আবাহনীর

মাঠে ময়দানে

আজকের প্রশ্ন
আজকের প্রশ্ন

মাঠে ময়দানে

কারখানা বন্ধ, প্রতিবাদে বিক্ষোভ শ্রমিকদের
কারখানা বন্ধ, প্রতিবাদে বিক্ষোভ শ্রমিকদের

দেশগ্রাম

আইপিএল নিলামে বাংলাদেশের সাত ক্রিকেটার
আইপিএল নিলামে বাংলাদেশের সাত ক্রিকেটার

মাঠে ময়দানে

লঙ্কানদের কাছে হারল টাইগার যুবারা
লঙ্কানদের কাছে হারল টাইগার যুবারা

মাঠে ময়দানে

খলিফা আবু বকর (রা.)
খলিফা আবু বকর (রা.)

সম্পাদকীয়

উন্নয়নে গতি নেই
উন্নয়নে গতি নেই

সম্পাদকীয়

প্রক্সি হাজিরা দিতে গিয়ে কারাগারে
প্রক্সি হাজিরা দিতে গিয়ে কারাগারে

দেশগ্রাম

আন্তর্জাতিক হকিতে প্রথম হ্যাটট্রিক জুম্মন লুসাইয়ের
আন্তর্জাতিক হকিতে প্রথম হ্যাটট্রিক জুম্মন লুসাইয়ের

মাঠে ময়দানে

স্বনির্ভরতার বাস্তব সংজ্ঞা
স্বনির্ভরতার বাস্তব সংজ্ঞা

সম্পাদকীয়

সড়কে দুই শিশুসহ নিহত ১১
সড়কে দুই শিশুসহ নিহত ১১

দেশগ্রাম

মসজিদ কমিটির সভাপতির লাশ উদ্ধার
মসজিদ কমিটির সভাপতির লাশ উদ্ধার

দেশগ্রাম

চলন্ত ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল
চলন্ত ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল

দেশগ্রাম