শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:৪৮, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০৮:৫৩, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫

আত্মশুদ্ধি মুমিনজীবনের অমূল্য পাথেয়

মুফতি আবুল কাসেম নোমানি
অনলাইন ভার্সন
আত্মশুদ্ধি মুমিনজীবনের অমূল্য পাথেয়

আবু জর গিফারি (রা.) বলেন, আমার প্রিয়তম আমাকে (উপদেশ দিয়ে) বলেছেন, ‘তোমরা যেখানে থাকো আল্লাহকে ভয় কোরো, পাপ কাজ হওয়ার পর পুণ্য কোরো। কেননা পুণ্য পাপ মিটিয়ে দেয় এবং মানুষের সঙ্গে উত্তম আচরণ কোরো।’ (সুনানে তিরমিজি)

আবু জর গিফারি (রা.) থেকে বর্ণিত এই হাদিস নবীজি (সা.)-এর জামিউল কালিমের (কথা সংক্ষিপ্ত মর্ম বিস্তৃত) অন্তর্ভুক্ত। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হলেও এর প্রতিফলন মুমিনের জীবনে গভীর প্রভাবক।


এখানে হাদিসের মর্ম বিশ্লেষণ করা হলো—
 

সর্বত্র আল্লাহকে ভয় করা

হাদিসে বলা হয়েছে, তুমি যেখানে থাকো, আল্লাহকে ভয় কোরো। যেখানেই থাকো কথাটি অত্যন্ত বিস্তৃত। অর্থাৎ তুমি একাকী থাকো বা মানুষের ভিড়ে, পরিচিত মানুষের মধ্যে থাকো বা অপরিচিতজনদের মধ্যে, মসজিদে থাকো বা ঘরে-বাজারে, ইবাদতে মগ্ন থাকো বা পার্থিব কাজে—যেখানে, যেভাবে ও যে কাজেই থাকো, সর্বদা স্মরণ রাখবে, আল্লাহ তোমাকে দেখছেন এবং তোমার ভিতর-বাহির সম্পর্কে অবগত আছেন। আমরা আমাদের বাহ্যিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তথা হাত, পা, চোখ, কান ও জিহ্বা দ্বারা যা কিছু করি আল্লাহ তা দেখছেন, শুনছেন এবং জানছেন।


আর আমাদের যেসব বড় গোপন পাপ আছে, যেমন—অহংকার, হিংসা, মন্দ ধারণা ইত্যাদি সম্পর্কেও আল্লাহ অবগত আছেন। যেমনটি তিনি বলেছেন, ‘চোখের অপব্যবহার ও অন্তরে যা গোপন আছে, সে সম্পর্কে তিনি অবহিত।’
(সুরা : মুমিন, আয়াত : ১৯)

সুতরাং আমাদের সব সময় খেয়াল রাখতে হবে যে আমার থেকে যেন এমন কিছু প্রকাশ না পায়, যাতে আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন। হাদিসে তাকওয়া অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।


উবাই ইবনে কা‘আব (রা.) একটি সুন্দর উপমার মাধ্যমে তাকওয়ার ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেছেন, কাঁটাযুক্ত সংকীর্ণ রাস্তায় মানুষ যেভাবে শরীর ও কাপড় বাঁচিয়ে চলে, তাকওয়াও অনুরূপ একটি বিষয়। প্রবৃত্তি ও শয়তানের ধোঁকা ও প্রতারণা, মন্দ পরিবেশের প্রভাব, গুনাহর প্রতি আহবানকারী কত জিনিস আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে; এর মধ্যে নিজের আঁচল বাঁচিয়ে চলতে হবে, যেন কোথাও কোনো গুনাহ ও আল্লাহর নাফরমানি হয়ে না যায়। এমন সতর্কতা ও সচেতনতার নাম তাকওয়া।
 

গুনাহর প্রতিবিধানে নেকি

দ্বিতীয় উপদেশ হলো, যদি কখনো কোনো গুনাহ হয়ে যায়, সঙ্গে সঙ্গে নেক কাজ করে নেওয়া।


মানুষের আমলনামায় প্রতিটি ভালো কাজ ও প্রতিটি মন্দ কাজ লিপিবদ্ধ হয়। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘কেউ অণু পরিমাণ সৎ কাজ করলে সে তা দেখবে এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎ কাজ করলে সে তা-ও দেখবে।’
(সুরা : জিলজাল, আয়াত : ৭-৮)

কিয়ামতের দিন যখন বান্দার সামনে আমলনামা দেওয়া হবে তখন সে বলবে, এটা কেমন আমলনামা, এটা কেমন কিতাব! ছোট-বড় কোনো কিছুই তা লিপিবদ্ধ করতে ছাড়েনি। সবকিছুর হিসাব এখানে আছে। মানুষ তার পুরো জীবনের কাজের হিসাব নিজের সামনে উপস্থিত পাবে। সেদিন আল্লাহ কারো প্রতি অবিচার করবেন না।

এ জন্য কখনো গুনাহ হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে নেক আমল করার মাধ্যমে তা বিলোপ করতে হবে। আলেমরা বলেন, এটাও বিবেচ্য বিষয় যে কোন ধরনের নেক আমলে কোন ধরনের পাপ মিটে যায়। বিষয়টি এমন নয়, যেকোনো নেক আমলে যেকোনো পাপকাজ মিটে যায়। যেমন—কেউ নামাজ ত্যাগ করল এবং প্রত্যেক নামাজের জন্য সদকা করল, এতে তার নামাজ ত্যাগের পাপ মোচন হবে না। কারো অধিকার বিনষ্ট করেছেন এবং বিপরীতে রোজা রেখে তা মিটিয়ে ফেলতে চাচ্ছেন, এতে গুনাহ মাফ হবে না।

শরিয়ত কিছু গুনাহর প্রতিবিধান হিসেবে কিছু নেক আমল ঘোষণা করেছে। এসব গুনাহর প্রতিবিধান এভাবেই করতে হবে; যেমন—কেউ কসম ভঙ্গ করলে সে কাফফারা দেবে, ফজরের সময় চোখ খোলেনি—হাদিসের ভাষ্যানুসারে ঘুম ভাঙার সঙ্গে নামাজ আদায় করে নেবে। কিছু গুনাহ এমন, যার সুনির্দিষ্ট কোনো প্রতিবিধান নেই; যেমন—মুখ থেকে মিথ্যা বের হয়ে গেল; সঙ্গে সঙ্গে তাওবা করে নাও, কিছু সদকা করো এবং কোনো নেক আমল করে নাও, ক্ষমাকারী আল্লাহ অত্যন্ত দয়ালু।

 

মানুষের সঙ্গে উত্তম আচরণ করা

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর তৃতীয় উপদেশ উত্তম আখলাকের ধারক হওয়া। আখলাক বা উত্তম আচরণ প্রকৃতপক্ষে হৃদয়ের অবস্থার ওপর নির্ভরশীল, যা মানুষের কাজের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। আমরা নিজেদের মধ্যে দয়া, নম্রতা, ভালো, বিনয়, অন্যকে প্রাধান্য দেওয়ার মানসিকতা তৈরি করব। এগুলো উত্তম আখলাকের অংশ। এগুলো নিজের কাজের মাধ্যমে প্রকাশ করতে হবে। তা এভাবে যে বড়কে সম্মান করা, ছোটকে স্নেহ করা, দুর্বলকে সাহায্য করা, মানুষের সঙ্গে প্রশান্তির আচরণ করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, হাসিমুখে মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করাও একটি সদকা।

আমরা উত্তম চরিত্রের অধিকারী হব। কেননা কিয়ামতের উত্তম আখলাক মিজানে সবচেয়ে ভারী হবে। রাসুলে আকরাম (সা.) বলেছেন, কিয়ামতের দিন তারাই আমার নিকটবর্তী হবে, যারা উত্তম চরিত্রের অধিকারী। (মিশকাত)

উত্তম আখলাকের একটি দিক হলো মানুষ যে পরিস্থিতিতে প্রতিক্রিয়া দেখায়, তখন নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা। সাধারণ সময় সবাই হাসিমুখে কথা বলে, ভালো মেজাজ দেখায়; কিন্তু যখন কারো সঙ্গে বাড়াবাড়ি হয়, কোনো বেআদবি হয়, অন্যায় আচরণ করা হয়, তখন দেখা যাবে তার চরিত্র আসলে কেমন।

উত্তম আখলাকের অধিকারী হতে হলে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন পর্যবেক্ষণ করতে হবে, তাঁর ইতিহাস ও সিরাত পড়তে হবে। মহানবী (সা.) সম্পর্কে আয়েশা (রা.) বলেন, তিনি কখনো ব্যক্তিগত কারণে প্রতিশোধ গ্রহণ করেননি। অথচ শরিয়ত জুলুমের সমপরিমাণে প্রতিশোধ গ্রহণের অনুমতি দিয়েছে। প্রথম জীবন থেকে নবুয়তের পর পর্যন্ত। তায়েফের ঘটনা সবার জানা। ফেরেশতা এসে বললেন, আপনি অনুমতি দিলে এই জনপদের বাসিন্দাদেরকে দুই পাহাড়ের মধ্যে পিষে ফেলা হবে। তিনি বললেন, আমি আশা করি, তাদের সন্তানরা ঈমান গ্রহণ করবে এবং ইসলামের জন্য কাজ করবে।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে নবীজি (সা.)-এর উপদেশের ওপর আমল করার তাওফিক দিন। আমিন।

লেখক : মহাপরিচালক, দারুল উলুম দেওবন্দ, ভারত; ভাষান্তর : মো. আবদুল মজিদ মোল্লা

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
শেষবিদায়ের নামাজ
শেষবিদায়ের নামাজ
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
শরিয়তের দৃষ্টিতে দুনিয়াপ্রীতির মাপকাঠি
শরিয়তের দৃষ্টিতে দুনিয়াপ্রীতির মাপকাঠি
ইসরা ও মিরাজের তাৎপর্য ও শিক্ষা
ইসরা ও মিরাজের তাৎপর্য ও শিক্ষা
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
মেরাজ নবীজীবনের যুগান্তকারী অধ্যায়
মেরাজ নবীজীবনের যুগান্তকারী অধ্যায়
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
অনর্থক তর্ক এড়িয়ে চলাই ইসলামের রীতি
অনর্থক তর্ক এড়িয়ে চলাই ইসলামের রীতি
মানুষকে ভালোবাসলে আল্লাহ ভালোবাসেন
মানুষকে ভালোবাসলে আল্লাহ ভালোবাসেন
শবেমেরাজের গুরুত্ব
শবেমেরাজের গুরুত্ব
চোখের পানি মুমিনের পাথেয়
চোখের পানি মুমিনের পাথেয়
অলৌকিকতার নিদর্শন মেরাজ
অলৌকিকতার নিদর্শন মেরাজ
সর্বশেষ খবর
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

১ সেকেন্ড আগে | মুক্তমঞ্চ

চুয়াডাঙ্গায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া
চুয়াডাঙ্গায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

৬ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

শেষবিদায়ের নামাজ
শেষবিদায়ের নামাজ

৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা

২০ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

গোপালগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দা‌দি-না‌তিসহ ৩ জ‌নের মৃত্যু
গোপালগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দা‌দি-না‌তিসহ ৩ জ‌নের মৃত্যু

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় পিকআপ-নছিমন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১
কুষ্টিয়ায় পিকআপ-নছিমন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প
খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনী প্রচারণার কর্মী হওয়ার আহ্বান মনীষার
নির্বাচনী প্রচারণার কর্মী হওয়ার আহ্বান মনীষার

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আগামী তিন দিন যেসব এলাকায় প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
আগামী তিন দিন যেসব এলাকায় প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন
ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নজিরবিহীন ফ্লাইট বিপর্যয়, ইন্ডিগোকে ২২ কোটি রুপি জরিমানা
নজিরবিহীন ফ্লাইট বিপর্যয়, ইন্ডিগোকে ২২ কোটি রুপি জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | এভিয়েশন

শীর্ষে থেকেই লিগ পর্ব শেষ করল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
শীর্ষে থেকেই লিগ পর্ব শেষ করল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাপার কেন্দ্রীয় নেতাসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান
জাপার কেন্দ্রীয় নেতাসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আচরণবিধি লঙ্ঘন: পাবনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ
আচরণবিধি লঙ্ঘন: পাবনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রাজধানীতে ব্যতিক্রমী ফ্লাওয়ার শো আয়োজন
রাজধানীতে ব্যতিক্রমী ফ্লাওয়ার শো আয়োজন

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ইউনাইটেডের জয়
ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ইউনাইটেডের জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বোমা কাল্লু’ গ্রেফতার
মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বোমা কাল্লু’ গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গাজা যুদ্ধের বীভৎসতায় 'পাগল' হয়ে যাচ্ছে বহু ইসরায়েলি সেনা
গাজা যুদ্ধের বীভৎসতায় 'পাগল' হয়ে যাচ্ছে বহু ইসরায়েলি সেনা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপালগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী আটক
গোপালগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী আটক

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’
প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গ্রোকের বিরুদ্ধে 'যৌন হয়রানি'র মামলা করেছেন মাস্কের সন্তানের মা!
গ্রোকের বিরুদ্ধে 'যৌন হয়রানি'র মামলা করেছেন মাস্কের সন্তানের মা!

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপির দুই নেতাকে কুপিয়ে জখম মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে
বিএনপির দুই নেতাকে কুপিয়ে জখম মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদারীপুরে সাবেক মন্ত্রী আব্দুল মান্নান শিকদারের জীবনীগ্রন্থ প্রকাশ
মাদারীপুরে সাবেক মন্ত্রী আব্দুল মান্নান শিকদারের জীবনীগ্রন্থ প্রকাশ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাঘের শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন
মাঘের শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চবির ‘এ’ ইউনিটের ফল পুনরায় যাচাই, বদলাতে পারে মেধাক্রম
চবির ‘এ’ ইউনিটের ফল পুনরায় যাচাই, বদলাতে পারে মেধাক্রম

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বিশ্বনাথে শিম ক্ষেতে মিললো নারীর লাশ
বিশ্বনাথে শিম ক্ষেতে মিললো নারীর লাশ

৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সাবেক প্রোটিয়া অলরাউন্ডারকে নিয়ে ইতালির বিশ্বকাপ দল ঘোষণা
সাবেক প্রোটিয়া অলরাউন্ডারকে নিয়ে ইতালির বিশ্বকাপ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ইরানকে যে কারণে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প
ইরানকে যে কারণে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা
তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জরুরি বৈঠকে বসেছে জামায়াত
জরুরি বৈঠকে বসেছে জামায়াত

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট
৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিগ ব্যাশে ইতিহাস গড়লেন ডেভিড ওয়ার্নার
বিগ ব্যাশে ইতিহাস গড়লেন ডেভিড ওয়ার্নার

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা
বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল
বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত
শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা
দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'
'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি
সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি
ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?
এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত
কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা
সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা
ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত
বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার
টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে
হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম
যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি
দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?
শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের
গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প
ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প
'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ
বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী
প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি
টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চিহ্নিত ২৩৮ শুটার
চিহ্নিত ২৩৮ শুটার

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা
বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা

খবর

অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ
অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

সম্পাদকীয়

সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা
সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা

প্রথম পৃষ্ঠা

যাচাই না করেই শোকজ নোটিস
যাচাই না করেই শোকজ নোটিস

প্রথম পৃষ্ঠা

ময়লার ভাগাড়ে বেড়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
ময়লার ভাগাড়ে বেড়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

দেশগ্রাম

ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি
ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি

প্রথম পৃষ্ঠা

এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার
এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার

পেছনের পৃষ্ঠা

খালেদা জিয়া প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক
খালেদা জিয়া প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক

নগর জীবন

ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে
যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে

রকমারি

হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা
হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা

নগর জীবন

রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারও মানুষ
রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারও মানুষ

দেশগ্রাম

শিম খেতে বৃদ্ধার লাশ
শিম খেতে বৃদ্ধার লাশ

দেশগ্রাম

স্বতঃস্ফূর্ত সংসদ নির্বাচনে চ্যালেঞ্জ মাদক চাঁদাবাজি আধিপত্য দ্বন্দ্ব
স্বতঃস্ফূর্ত সংসদ নির্বাচনে চ্যালেঞ্জ মাদক চাঁদাবাজি আধিপত্য দ্বন্দ্ব

খবর

এক দিনের জন্যও আপস করেননি খালেদা জিয়া
এক দিনের জন্যও আপস করেননি খালেদা জিয়া

নগর জীবন

সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না
সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না

নগর জীবন

সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি
সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

অতিথি সামিনা চৌধুরী
অতিথি সামিনা চৌধুরী

শোবিজ

পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যানের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ
পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যানের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ

নগর জীবন

ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ৩
ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ৩

নগর জীবন

সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম
সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম

দেশগ্রাম

একাত্তরে দেশ স্বাধীন হলেও সুফল পাওয়া যায়নি
একাত্তরে দেশ স্বাধীন হলেও সুফল পাওয়া যায়নি

নগর জীবন

দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না
দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না

নগর জীবন

আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?
আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?

প্রথম পৃষ্ঠা

১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি
১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি

দেশগ্রাম

আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল
আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল

নগর জীবন

খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আমাদের আগামীর চালিকাশক্তি
খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আমাদের আগামীর চালিকাশক্তি

নগর জীবন