শিরোনাম
প্রকাশ: ০২:২১, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

হাদিস ইসলামী শরিয়তের দ্বিতীয় উৎস ও দলিল

মুফতি মাহমুদ হাসান
অনলাইন ভার্সন
হাদিস ইসলামী শরিয়তের দ্বিতীয় উৎস ও দলিল

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিস ও সুন্নত কোরআনে কারিমের পর ইসলামী শরিয়তের দ্বিতীয় উৎস ও দলিল। এটি মুসলিম উম্মাহর হাজার বছরব্যাপী ঐকমত্যপূর্ণ বিষয়, এতে কেউ দ্বিমত করেনি। হ্যাঁ, বর্ণনাসূত্রের সবলতা ও দুর্বলতার কারণে তার প্রামাণিকতার স্তর নির্ণীত হয়ে থাকে। রাসুলুল্লাহ (সা.) থেকে প্রমাণিত কোনো হাদিস ও সুন্নতের অগ্রহণযোগ্যতার ব্যাপারে মত দেওয়ার কেউ দুঃসাহস করেননি।

কেননা হাদিস ও সুন্নতের অস্বীকার প্রকারান্তরে কোরআনের অস্বীকার। বলাবাহুল্য যে যাঁর মাধ্যমে কোরআন পেলাম, তাঁর কথা ও কাজ যদি গ্রহণযোগ্য না হয়, তাহলে তাঁর আনীত কোরআন কিভাবে বিশ্বাস করতে পারি।

কোরআনের মর্ম ও উদ্দেশ্য এবং তার বিধানগুলোর যে ব্যাখ্যা আল্লাহ তাআলা তাঁর রাসুল (সা.)-কে শিখিয়েছেন সেই ব্যাখ্যা আমাদের কাছে পৌঁছেছে হাদিস ও সুন্নতের মাধ্যমে। কোরআনের নির্দেশ, শব্দ, ইশারা ও বিশেষ পরিভাষার যে প্রকৃত অর্থ নবী (সা.)-কে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যদি তা কোরআনের ভেতরেই সম্পূর্ণভাবে লিপিবদ্ধ থাকত, তবে আলাদা করে আল্লাহ তাআলা বলতেন না—‘এর ব্যাখ্যা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। (সুরা : কিয়ামাহ, আয়াত : ১৯)

কারণ সে ক্ষেত্রে সবকিছু কোরআনের মধ্যেই পাওয়া যেত। এতে প্রমাণিত হয়, কোরআনের গভীর অর্থ ও ব্যাখ্যা নবী (সা.) কোরআনের শব্দের বাইরে আরো ব্যাখ্যার মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন।

হাদিস অস্বীকারের নেপথ্য কারণ

যারা হাদিস অস্বীকার করে তাদের সব চেষ্টা এক জায়গায় যেকোনোভাবে হাদিসকে সরিয়ে দেওয়া, যাতে কোরআন সম্পর্কে তাদের ইচ্ছামতো ব্যাখ্যা দেওয়ার পথ তৈরি হয়। মূলত যারা সুন্নতকে অস্বীকার করে, তারা শুধু কোরআনের শব্দকে গ্রহণ করে; কিন্তু সেই শব্দের প্রকৃত উদ্দেশ্য বোঝার বদলে নিজের ইচ্ছামতো ব্যাখ্যা করে।

তাই দেখা যায়, খারেজি, মুতাজিলা, বাতেনি, কাদিয়ানি ইত্যাদি যত মতবাদভিত্তিক বিভ্রান্তি আছে, তাদের প্রত্যেকেই কোরআনকে নিজেদের দাবির ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করেছে। আর কোরআন তখনই বিভ্রান্তির হাতিয়ার হয়ে ওঠে, যখন তার প্রকৃত ব্যাখ্যা অর্থাৎ সুন্নত অস্বীকার করা হয়। তখন শুধু শব্দ থাকে, আর সেই শব্দ নিয়ে যে কেউ নিজের মতো করে খেলা খেলতে পারে। পর্যালোচনায় দেখা যায় যে পশ্চিমা ‘প্রাচ্যবাদী আন্দোলন’ ইসলামের ওপর যে বুদ্ধিবৃত্তিক প্রশ্ন করে থাকে, তার মূলভিত্তি সেই পুরনো নকশার ওপর দাঁড়ানো, যা একসময় মুতাজিলা ও খারেজিরা গ্রহণ করেছিল অর্থাৎ কোরআনকে সুন্নত, সাহাবাদের আমল ও উম্মাহর ধারাবাহিক ব্যাখ্যা থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া, যাতে তা থেকে ইচ্ছামতো ব্যাখ্যা তৈরি করা যায়।
নামধারী আহলে কোরআনের উৎপত্তি ও বিকাশ

গত শতক থেকে কিছু লোক অজানা উদ্দেশ্যে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিসের অগ্রহণযোগ্যতার আলোচনা ওঠায় এবং শুধু কোরআন মানার স্লোগান ওঠায়।

এটি সর্বসম্মতিক্রমে একটি ভ্রান্ত ও কুফরি মতাদর্শ। হাদিস অস্বীকারের প্রবণতার ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, মুসলিম দুনিয়ায় এটির মূল সূচনা প্রায় ২০০ বছর আগে, খ্রিস্টান প্রাচ্যবিদদের হাত ধরে। এর আগে ইসলামী ইতিহাসে কখনো কখনো ভিন্ন পরিপ্রেক্ষিতে এর আভাস পাওয়া যায়, কিন্তু এত ব্যাপক ও পরিকল্পিতভাবে এবং আলাদা মতবাদ হিসেবে কখনো দেখা যায়নি।
কোরআনের পর হাদিস ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎস; তাই প্রাচ্যবিদরা এ উেসর প্রতি বিশেষ আগ্রহ দেখিয়েছে এবং ‘স্বাধীন গবেষণা’ ও ‘একাডেমিক সমালোচনা’র নামে বিষোদ্গার করেছে। এ ধারায় দুজন প্রাচ্যবিদ সবচেয়ে বেশি পরিচিত :

এক. ইগনাজ গোল্ডজিহার, জার্মান বংশোদ্ভূত ইহুদি। তিনি ইসলামী সূত্রগুলো গভীরভাবে অধ্যয়ন করে ১৮৯০ সালে প্রথম গবেষণা প্রকাশ করেন, যেখানে তিনি প্রায় সব ইসলামী দলিল-সূত্রকে সন্দেহজনক করে দেখানোর চেষ্টা করেন।

দুই. জোসেফ শাখট, তিনি বিশেষভাবে ‘ইসলামী ফিকহ’ নিয়ে কাজ করেন এবং বহু ছোট-বড় প্রবন্ধ লেখেন। তিনি ইসলামী সব সূত্রকে অগ্রহণযোগ্য বলে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছেন।

উপরোক্ত প্রাচ্যবিদদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েই মুসলিম নামধারী একদল বুদ্ধিজীবী তাঁদের মতো কথা বলা শুরু করেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন তুর্কি বুদ্ধিজীবী জিয়া গোক আল্প (১৮৭৫-১৯২৪)। তিনি ইসলামী বিশ্বে মডার্নিজমের প্রথম সক্রিয় প্রচারক ছিলেন। উসমানি খিলাফত পতনের সময় তুর্কি জাতীয়তাবাদের উত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। মিসরে ছিলেন ত্বহা হুসাইনসহ তাঁর কিছু ভক্ত-অনুরক্ত। ভারত উপমহাদেশে ছিল গোলাম আহমাদ পারভেজ, আব্দুল্লাহ চকরালবি, আমির আলীসহ কিছু লোক।

এসব হাদিস অস্বীকারকারীদের অভিযোগ হলো, হাদিস তৃতীয় হিজরি শতকে সংগ্রহ হয়েছে; এগুলো উমাইয়া আমলে বানানো; এগুলো অনারবিদের ষড়যন্ত্র; এগুলো বুদ্ধিবিরোধী ইত্যাদি। আসলে তাদের এসব অভিযোগই প্রাচ্যবিদদের থেকেই সংগৃহীত কথাবার্তা।

হাদিস অস্বীকারের পরিণতি হলো ধর্মত্যাগ

আসল কথা হলো, ধর্মীয় কাঠামো নতুনভাবে সাজাতে হলে পুরনো ধর্মীয় ঐতিহ্য ভেঙে দিতে হয়; আর সে বিদ্রোহ সফল হলে মুসলমানদের তাদের অতীত থেকে বিচ্ছিন্ন করে নতুন রূপ দেওয়া সহজ হয়ে যায়। ঠিক এটাই ঘটল। হাদিসকে মানদণ্ড না রাখার ফলে কোরআনের ব্যাখ্যার অধিকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই চিন্তাবিদদের হাতে চলে গেল; এরপর তারা কোরআনের ধারণা-অর্থকে যেদিকে ইচ্ছা টেনে নিল।

এ কারণেই দেখা যায় গোলাম আহমদ পারভেজ কোরআনের সুপরিচিত ও ধারাবাহিক ব্যাখ্যাকে পরিবর্তন করে আল্লাহ, রাসুল, কলেমা, নামাজ, জাকাত, রোজা, হজ ইত্যাদি শব্দের এমন অর্থ দাঁড় করালেন, যা নবীযুগ থেকে আজ পর্যন্ত মুসলমানদের প্রচলিত ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত।

তাঁর মতে, ‘আল্লাহ’ ও ‘রাসুল’ বলতে বুঝায় রাষ্ট্রীয় কেন্দ্রীয় কর্তৃত্ব, জান্নাত-জাহান্নাম বলতে বুঝায় মানুষের অভ্যন্তরীণ অবস্থা, আর নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, এসব শুধু হিন্দু ধর্মের পূজা, উপবাস, দান, তীর্থযাত্রার সমতুল্য। (দেখুন—কোরআনি ফয়সালা, পৃষ্ঠা-৩০১-৩০২)

এই লোকেরা তাদের অনুসারীদের ইসলামী শরিয়ত থেকে বিচ্ছিন্ন করল, কিন্তু তাদেরকে কোরআন থেকেও কোনো সুস্পষ্ট, শক্তিশালী বুদ্ধিবৃত্তিক ভিত্তি কিংবা বিকল্প ব্যবস্থা দিতে পারল না। ফলস্বরূপ তাদের অনুসারীরা দ্রুত ধর্মহীনতার সারিতে যোগ দিল। অর্থাৎ এই হাদিস অস্বীকার যা দেখে মনে হয় কোরআন ও বুদ্ধির কথা, আসলে তার শেষ গন্তব্য হলো নাস্তিকতা।

রাসুলুল্লাহ (সা.) দেড় হাজার বছর আগে আমাদের এ বিষয়ে সতর্ক করে গিয়েছিলেন। হাদিস শরিফে এসেছে, ‘তোমাদের মধ্য থেকে এমন যেন কেউ না হয়, আরামদায়ক চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে রইল, এমতাবস্থায় তার কাছে আমার কোনো আদেশ-নিষেধের বাণী পৌঁছল, আর সে বলল, আমি এসব চিনি না, বরং আমি শুধু কোরআনে যা পাবো তা-ই মানব।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৪৬০৫)

এটি মূলত এই হাদিস অস্বীকারকারী তথাকথিত আহলে কোরআনের প্রতিই ইঙ্গিত করে। এই হাদিসে শুধু কোরআন মানার দাবি করে হাদিস অস্বীকারকারীকে কঠিন সতর্ক করা হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/কেএ

এই বিভাগের আরও খবর
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
শরিয়তের দৃষ্টিতে দুনিয়াপ্রীতির মাপকাঠি
শরিয়তের দৃষ্টিতে দুনিয়াপ্রীতির মাপকাঠি
ইসরা ও মিরাজের তাৎপর্য ও শিক্ষা
ইসরা ও মিরাজের তাৎপর্য ও শিক্ষা
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
মেরাজ নবীজীবনের যুগান্তকারী অধ্যায়
মেরাজ নবীজীবনের যুগান্তকারী অধ্যায়
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
অনর্থক তর্ক এড়িয়ে চলাই ইসলামের রীতি
অনর্থক তর্ক এড়িয়ে চলাই ইসলামের রীতি
মানুষকে ভালোবাসলে আল্লাহ ভালোবাসেন
মানুষকে ভালোবাসলে আল্লাহ ভালোবাসেন
শবেমেরাজের গুরুত্ব
শবেমেরাজের গুরুত্ব
চোখের পানি মুমিনের পাথেয়
চোখের পানি মুমিনের পাথেয়
অলৌকিকতার নিদর্শন মেরাজ
অলৌকিকতার নিদর্শন মেরাজ
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
সর্বশেষ খবর
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা

২ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

গোপালগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দা‌দি-না‌তিসহ ৩ জ‌নের মৃত্যু
গোপালগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দা‌দি-না‌তিসহ ৩ জ‌নের মৃত্যু

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় পিকআপ-নছিমন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১
কুষ্টিয়ায় পিকআপ-নছিমন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প
খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনী প্রচারণার কর্মী হওয়ার আহ্বান মনীষার
নির্বাচনী প্রচারণার কর্মী হওয়ার আহ্বান মনীষার

৫৬ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

আগামী তিন দিন যেসব এলাকায় প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
আগামী তিন দিন যেসব এলাকায় প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন
ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নজিরবিহীন ফ্লাইট বিপর্যয়, ইন্ডিগোকে ২২ কোটি রুপি জরিমানা
নজিরবিহীন ফ্লাইট বিপর্যয়, ইন্ডিগোকে ২২ কোটি রুপি জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | এভিয়েশন

শীর্ষে থেকেই লিগ পর্ব শেষ করল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
শীর্ষে থেকেই লিগ পর্ব শেষ করল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাপার কেন্দ্রীয় নেতাসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান
জাপার কেন্দ্রীয় নেতাসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আচরণবিধি লঙ্ঘন: পাবনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ
আচরণবিধি লঙ্ঘন: পাবনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রাজধানীতে ব্যতিক্রমী ফ্লাওয়ার শো আয়োজন
রাজধানীতে ব্যতিক্রমী ফ্লাওয়ার শো আয়োজন

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ইউনাইটেডের জয়
ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ইউনাইটেডের জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বোমা কাল্লু’ গ্রেফতার
মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বোমা কাল্লু’ গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গাজা যুদ্ধের বীভৎসতায় 'পাগল' হয়ে যাচ্ছে বহু ইসরায়েলি সেনা
গাজা যুদ্ধের বীভৎসতায় 'পাগল' হয়ে যাচ্ছে বহু ইসরায়েলি সেনা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপালগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী আটক
গোপালগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী আটক

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’
প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গ্রোকের বিরুদ্ধে 'যৌন হয়রানি'র মামলা করেছেন মাস্কের সন্তানের মা!
গ্রোকের বিরুদ্ধে 'যৌন হয়রানি'র মামলা করেছেন মাস্কের সন্তানের মা!

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপির দুই নেতাকে কুপিয়ে জখম মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে
বিএনপির দুই নেতাকে কুপিয়ে জখম মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদারীপুরে সাবেক মন্ত্রী আব্দুল মান্নান শিকদারের জীবনীগ্রন্থ প্রকাশ
মাদারীপুরে সাবেক মন্ত্রী আব্দুল মান্নান শিকদারের জীবনীগ্রন্থ প্রকাশ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাঘের শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন
মাঘের শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চবির ‘এ’ ইউনিটের ফল পুনরায় যাচাই, বদলাতে পারে মেধাক্রম
চবির ‘এ’ ইউনিটের ফল পুনরায় যাচাই, বদলাতে পারে মেধাক্রম

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বিশ্বনাথে শিম ক্ষেতে মিললো নারীর লাশ
বিশ্বনাথে শিম ক্ষেতে মিললো নারীর লাশ

৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সাবেক প্রোটিয়া অলরাউন্ডারকে নিয়ে ইতালির বিশ্বকাপ দল ঘোষণা
সাবেক প্রোটিয়া অলরাউন্ডারকে নিয়ে ইতালির বিশ্বকাপ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেব্রুয়ারিতেই নাসার নতুন চন্দ্র মিশন, যাচ্ছে মানুষও?
ফেব্রুয়ারিতেই নাসার নতুন চন্দ্র মিশন, যাচ্ছে মানুষও?

৩ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

সপ্তমবারের মতো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট মুসেভেনি
সপ্তমবারের মতো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট মুসেভেনি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরান ঢাকায় জুতার কারখানায় আগুন, আধা ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে
পুরান ঢাকায় জুতার কারখানায় আগুন, আধা ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টাকে বিএনপি চেয়ারম‍্যান ও তার পরিবারের ফুলেল শুভেচ্ছা
প্রধান উপদেষ্টাকে বিএনপি চেয়ারম‍্যান ও তার পরিবারের ফুলেল শুভেচ্ছা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ইরানকে যে কারণে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প
ইরানকে যে কারণে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা
তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জরুরি বৈঠকে বসেছে জামায়াত
জরুরি বৈঠকে বসেছে জামায়াত

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট
৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিগ ব্যাশে ইতিহাস গড়লেন ডেভিড ওয়ার্নার
বিগ ব্যাশে ইতিহাস গড়লেন ডেভিড ওয়ার্নার

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা
বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল
বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত
শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা
দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'
'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি
সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি
ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?
এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত
কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা
সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা
ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার
টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত
বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে
হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম
যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি
দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?
শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের
গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প
ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প
'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ
বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী
প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ট্রাম্পকে মাচাদোর নোবেল দেওয়া নিয়ে যা বলল নরওয়ের কমিটি
ট্রাম্পকে মাচাদোর নোবেল দেওয়া নিয়ে যা বলল নরওয়ের কমিটি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা
বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা

খবর

ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

সম্পাদকীয়

ময়লার ভাগাড়ে বেড়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
ময়লার ভাগাড়ে বেড়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

দেশগ্রাম

হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা
হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা

নগর জীবন

সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা
সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা

প্রথম পৃষ্ঠা

যাচাই না করেই শোকজ নোটিস
যাচাই না করেই শোকজ নোটিস

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি
ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি

প্রথম পৃষ্ঠা

খালেদা জিয়া প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক
খালেদা জিয়া প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক

নগর জীবন

স্বতঃস্ফূর্ত সংসদ নির্বাচনে চ্যালেঞ্জ মাদক চাঁদাবাজি আধিপত্য দ্বন্দ্ব
স্বতঃস্ফূর্ত সংসদ নির্বাচনে চ্যালেঞ্জ মাদক চাঁদাবাজি আধিপত্য দ্বন্দ্ব

খবর

ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ৩
ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ৩

নগর জীবন

এক দিনের জন্যও আপস করেননি খালেদা জিয়া
এক দিনের জন্যও আপস করেননি খালেদা জিয়া

নগর জীবন

ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

পেছনের পৃষ্ঠা

রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারও মানুষ
রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারও মানুষ

দেশগ্রাম

অতিথি সামিনা চৌধুরী
অতিথি সামিনা চৌধুরী

শোবিজ

শিম খেতে বৃদ্ধার লাশ
শিম খেতে বৃদ্ধার লাশ

দেশগ্রাম

পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যানের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ
পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যানের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ

নগর জীবন

সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না
সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না

নগর জীবন

আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল
আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল

নগর জীবন

সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি
সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি
১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি

দেশগ্রাম

খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আমাদের আগামীর চালিকাশক্তি
খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আমাদের আগামীর চালিকাশক্তি

নগর জীবন

দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না
দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না

নগর জীবন

বাংলাদেশ-ভারতের বৃষ্টিভেজা লড়াই
বাংলাদেশ-ভারতের বৃষ্টিভেজা লড়াই

মাঠে ময়দানে

যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে
যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে

রকমারি

সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম
সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম

দেশগ্রাম

একাত্তরে দেশ স্বাধীন হলেও সুফল পাওয়া যায়নি
একাত্তরে দেশ স্বাধীন হলেও সুফল পাওয়া যায়নি

নগর জীবন

শিশু ধর্ষণ-হত্যা প্রতিবাদে থানা ঘেরাও
শিশু ধর্ষণ-হত্যা প্রতিবাদে থানা ঘেরাও

দেশগ্রাম

‘হ্যাঁ ভোটের পক্ষে জনতার কাফেলা’
‘হ্যাঁ ভোটের পক্ষে জনতার কাফেলা’

নগর জীবন

নারীকে বাদ দিয়ে দেশে গণতন্ত্র হবে না
নারীকে বাদ দিয়ে দেশে গণতন্ত্র হবে না

নগর জীবন