শিরোনাম
প্রকাশ: ০২:২৫, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

প্রকৌশলবিদ্যার উন্নয়নে মুসলমানদের অবদান

মুফতি আতাউর রহমান
অনলাইন ভার্সন
প্রকৌশলবিদ্যার উন্নয়নে মুসলমানদের অবদান

মুসলিম সভ্যতা এমন এক সময়ে বিকশিত হয়েছিল যখন আফ্রো-ইউরেশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে একাধিক বৃহৎ আঞ্চলিক সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। দীর্ঘ দূরত্বের বাণিজ্য, ধর্মের বিস্তার এবং জ্ঞান লিপিবদ্ধ করার ব্যাপক প্রচলন মানবচিন্তার বৃহৎ উত্তরাধিকার সংরক্ষণ করে রেখেছিল। প্রধান প্রধান সভ্যতা জ্যোতির্বিজ্ঞান ও গণিতের মতো বিষয়কে এগিয়ে নিয়েছিল। আর দর্শন ও নীতিশাস্ত্র জ্ঞানতত্ত্বের নানা তত্ত্ব অনুসন্ধান করতে শুরু করেছিল।

মানব মেধা তখন অনেক সমস্যার সমাধান করে ফেলেছিল। যেমন—শুষ্ক ভূমিতে সেচ দেওয়া ও পানি সংরক্ষণ, ধাতু প্রক্রিয়াকরণ, সুতা ও প্রাকৃতিক কাপড় নিয়ে কাজ করা এবং খাদ্য সংরক্ষণের উপায় আবিষ্কার করা।

মুসলমানদের শাসনাধীনে ভূখণ্ডের সম্প্রসারণ, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক বৃদ্ধির প্রসার বহু জনগোষ্ঠী ও অঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করেছিল। ইতিহাসবিদদের মতে, অষ্টম থেকে পঞ্চদশ শতাব্দী পর্যন্ত মানবিক বিনিময়ের মাধ্যমগুলো আরো বিস্তৃত ও ঘনিষ্ঠ হয়েছিল।

বাণিজ্য বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সম্প্রসারণের জন্য মুসলমানদের বহু পণ্য ও প্রাকৃতিক সম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হয়েছিল। এর জন্য শহর, রাস্তা, বন্দর, বাঁধ ও সেতু নির্মাণের জন্য সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও প্রকৌশল জ্ঞানের প্রয়োজন হয়েছিল। মুসলিম প্রকৌশলীরা পূর্ববর্তী সমাজগুলোর অর্জিত ধারণা ও অভিজ্ঞতাগুলোকে ধারণ করে তার সঙ্গে নতুন গণিতের জ্ঞান ও প্রকৌশলবিদ্যার উন্নয়ন সাধন করেছিল। ফলে তারা এমন যন্ত্র, উপকরণ ও নির্মাণ কৌশল তৈরি করেছিলেন, যা মানব দক্ষতা ও জ্ঞানকে আরো উন্নত করেছিল।

মুসলিম শাসনামলে মুসলিম বিজ্ঞানীদের মাধ্যমে চীন, মধ্য এশিয়া ও ভারতের পূর্বাঞ্চল থেকে শুরু করে দূর পশ্চিমের আল-আন্দালুস ও উত্তর আফ্রিকা পর্যন্ত প্রযুক্তিগত ধারণা ও জ্ঞান ছড়িয়ে পড়েছিল। মুসলিম শাসকরা বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় রচিত বই সংরক্ষণের জন্য লাইব্রেরি নির্মাণ করেন, কারিগরি ও প্রকৌশলবিদ্যায় দক্ষতা বাড়ানোর জন্য নির্বাচিত ব্যক্তিদের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানো হতো। তারা নিত্যনতুন ধারণা ও বিদ্যা নিয়ে ফিরে আসত।

বানু মুসা বিন শাকিরের ভাইয়েরা (৮৫০ খ্রিস্টাব্দ) পূর্বাঞ্চলীয় মুসলিম এলাকার বিখ্যাত উদ্ভাবক ও প্রকৌশলী ছিলেন। তাঁরা প্রকৌশল বিষয়ে ২০টির বেশি বই অনুবাদ ও রচনা করেছিলেন।

তাঁদের কিতাব আল-হিয়াল (The Book of Ingenious Devices)-এ প্রায় এক শ ব্যাবহারিক যান্ত্রিক যন্ত্রের বর্ণনা রয়েছে। তাঁদের কাজ আলেকজেন্দ্রিয়ার হেলেনিস্টিক যান্ত্রিক ঐতিহ্যের প্রভাব বহন করে বলে মনে হয়। কেননা তাঁরা তৃতীয় শতাব্দীর হিরো ও ফিলোর গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ আরবিতে অনুবাদ করেছিলেন। বানু মুসা বিন শাকিরের কিছু যন্ত্র পূর্ববর্তী প্রযুক্তির সঙ্গে মিল থাকলেও অনেকগুলো স্বতন্ত্র ও তাদের চেয়ে অনেক উন্নত ছিল।
প্রকৌশলে কিছু যান্ত্রিক উপাদান আছে, তা যন্ত্রের এমন অংশ যেগুলো নানা কাজে ব্যবহূত হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, এমন যন্ত্র যা তরলের স্রোত নিয়ন্ত্রণ করে এবং নির্দিষ্ট চক্রে খোলে-বন্ধ হয়; ক্র্যাংকশ্যাফ্ট ও গিয়ার, যা শক্তি স্থানান্তর করে বা যন্ত্রের গতি ও চলন নিয়ন্ত্রণ করে; র‌্যাচেট যা গিয়ারকে নির্দিষ্ট দিক থেকে ঘোরা থেকে বাধা দেয় এবং এমন অংশ যা যন্ত্রের শক্তি বাড়িয়ে দেয়। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এসব গুরুত্বপূর্ণ প্রকৌশল অগ্রগতি কিতাব আল-হিয়াল-এ দেখা যায়। এর কিছু উপাদান আধুনিক শিল্পে ব্যবহূত হওয়ার আগ পর্যন্ত পাঁচ শ থেকে হাজার বছর আর কোথাও দেখা যায়নি।

আন্দালুসিয়ার আল-মুরাদি ছিলেন একাদশ শতাব্দীর (১১শ শতক) বিজ্ঞানী, যিনি ‘দ্য বুক অব সিক্রেটস অ্যাবাউট দ্য রেজাল্ট অব থটস’ নামে একটি গ্রন্থ রচনা করেন। এতে আরবি ভাষায় প্রথমবারের মতো জলঘড়ি (water clocks) এবং অটোমাটা নামে পরিচিত অন্যান্য যান্ত্রিক যন্ত্রের বর্ণনা পাওয়া যায়। বইটিতে ৩১টি মডেলের বর্ণনা রয়েছে, যা পানিপ্রবাহের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে জলচক্র বা water wheel ব্যবহার করে কাজ করত। এর মধ্যে ১৯টি যন্ত্র ছিল ঘড়ি। এগুলোতে clepsydras নামের একটি উপাদান ব্যবহূত হতো এবং মানব বা প্রাণীর আকৃতির যন্ত্রচিত্রগুলো জটিল গিয়ার ব্যবস্থার মাধ্যমে চলত, যা পারদ দিয়ে লুব্রিকেট করা হতো। এসব উদ্ভাবন এরপর অন্য কোনো সমাজে ১৩ শ শতাব্দী পর্যন্ত দেখা যায়নি।

১২৭৭ খ্রিস্টাব্দের দিকে কাস্তিলের আলফোনসোর দরবারে ‘লিব্রোস দেল সাবের’ নামক স্প্যানিশ বইটিতে আরবি উৎস থেকে অনুবাদ ও সারসংক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত ছিল। আল-জারকালী নিশ্চয়ই এই জ্ঞানের নাগাল পেয়েছিলেন। কারণ তিনিই ১১শ শতাব্দীতে টলেডোতে দুটি বড় জলঘড়ি নির্মাণ করেছিলেন। জলঘড়িতে আরো যে উপকরণ ব্যবহূত হতো তার মধ্যে ছিল সাইফন (মাধ্যাকর্ষণে প্রবাহিত ছোট নল) ও ফ্লোট ভালভ।

১৩শ শতাব্দীর আল-জাজারি ছিলেন ইতিহাসের একজন শ্রেষ্ঠ কৌশল বিজ্ঞানী। তাঁর উদ্ভাবিত যান্ত্রিক উপাদানগুলো পরে বাষ্পচালিত ও গ্যাসোলিন ইঞ্জিনেও ব্যবহূত হয়েছে।

এস্কেপমেন্ট (escapements), যা আল-জাজারির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন এবং স্পেনেও ব্যবহূত হয়েছিল যন্ত্রের গতির সঠিক সময় নির্ধারণে অপরিহার্য। এগুলো অটোমাটা

(self-moving machines)-তেও ব্যবহূত হতো, যা মধ্যযুগীয় মুসলিম শাসকদের প্রাসাদে আশ্চর্যজনক প্রদর্শনী হিসেবে রাখা হতো। যদিও এগুলো বিনোদনমূলক মনে হতো, তবু প্রকৃত যান্ত্রিক প্রযুক্তির অগ্রগতিতে এগুলোর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আরেক ধরনের প্রকৌশল দেখা যায় জনপদ ও স্থাপত্য নির্মাণে। ভারী পাথর বা কাঠের কাঠামো তৈরি করা, যা দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং কাজও করে—এটি উচ্চমানের প্রকৌশল জ্ঞানের দাবি রাখে। স্থাপত্যের সঞ্চিত জ্ঞান বলতে বোঝায় কিভাবে ছাদ, দেয়াল ও টাওয়ারের মতো ভবনের অংশগুলোর ওজন বণ্টন করতে হয়, যাতে সেগুলো ভেঙে না পড়ে।

যে খিলান ভবনের মুখ খুলে দেয় সেটিকে পুরো গঠনটির ওজন নিচে নামিয়ে বহন করতে হয়। টাওয়ারকে এমনভাবে ভিত্তি ও বাতাস-প্রতিরোধের হিসাব করে নির্মাণ করতে হয়, যাতে তা মাটিতে বসে না যায়, হেলে না পড়ে বা ভেঙে না পড়ে। নদীর বন্যার পানি আটকাতে যে বাঁধ নির্মাণ করা হয়, সেগুলোকে নির্দিষ্ট গাণিতিক অনুপাত অনুযায়ী সোজা বা বাঁকানো করে বানাতে হয় এবং এগুলোর জন্য পানি নিয়ন্ত্রণের দরকারি ফটকও প্রয়োজন।

স্পেনে রোমানদের তৈরি একুয়েডাক্ট মুসলিম শাসনামলেও বজায় রাখা হয়েছিল। স্পেনের বহু নদীতে জটিল সেচব্যবস্থা, পানীয়জলের ব্যবস্থা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা মুসলিমরা নির্মাণ করেন। মুসলিমদের নির্মিত প্রাচীনতম বাঁধটি কর্ডোভায় অবস্থিত একটি লম্বা, জিগজ্যাগ আকৃতির দেয়াল, যা সর্বোচ্চ জলের স্তর থেকে প্রায় আট ফুট উঁচু ও আট ফুট পুরু। বাঁধ কোথায় নির্মাণ করা হবে তা নির্ণয়ের জন্য অ্যাস্ট্রোল্যাবের মতো যন্ত্র দিয়ে সার্ভে করা হতো এবং জ্যামিতি ও ত্রিকোণমিতির মতো উন্নত গণিত ব্যবহার করে হিসাব করতে হতো।

বাঁধগুলো নির্মাণে ব্যবহার করা হতো পাথর ও সিমেন্ট, যা বালু, পানি, ছাই ও পোড়া চুন মিশিয়ে তৈরি করা হতো, যাতে তা পাথরের চেয়েও কঠিন হয় এবং ফাটল প্রতিরোধ করতে পারে। এই বাঁধগুলো হাজার বছরেও তেমন মেরামতের প্রয়োজন পড়েনি। এ ছাড়া বাঁধগুলো এমনভাবে নির্মাণ করা হতো, যাতে পানিশক্তি ব্যবহার করে জলচক্র চালানো যায়—যা শস্য পেষণ, কাগজ তৈরির পাল্প পেটানো, পানি তোলা এবং অন্যান্য ভারী শ্রমের যন্ত্র চালাতে কাজে লাগত।

তথ্যঋণ : ইসলামিক স্পেন ও মুসলিম হেরিটেজ

বিডি প্রতিদিন/মুসা

এই বিভাগের আরও খবর
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
শাবান নফল রোজার আদর্শ মাস
শাবান নফল রোজার আদর্শ মাস
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২২ জানুয়ারি ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২২ জানুয়ারি ২০২৬
মাদক নির্মূলে ইসলামের শিক্ষা
মাদক নির্মূলে ইসলামের শিক্ষা
হজে যেতে নিবন্ধন করেছেন ৭৬ হাজার ৫৮০ বাংলাদেশি
হজে যেতে নিবন্ধন করেছেন ৭৬ হাজার ৫৮০ বাংলাদেশি
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২১ জানুয়ারি ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২১ জানুয়ারি ২০২৬
প্রাণীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় নবীজি (সা.)
প্রাণীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় নবীজি (সা.)
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২০ জানুয়ারি ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২০ জানুয়ারি ২০২৬
মানুষের প্রতি দয়া করতে বলে ইসলাম
মানুষের প্রতি দয়া করতে বলে ইসলাম
পবিত্র শবে বরাত ৩ ফেব্রুয়ারি
পবিত্র শবে বরাত ৩ ফেব্রুয়ারি
হজযাত্রীদের সেবায় ১০০ হজ গাইড নিয়োগ
হজযাত্রীদের সেবায় ১০০ হজ গাইড নিয়োগ
আল্লাহর প্রতি বান্দার সন্তুষ্টি যেমন হবে
আল্লাহর প্রতি বান্দার সন্তুষ্টি যেমন হবে
সর্বশেষ খবর
বাংলাদেশের নতুন চিঠিতে বিশ্বকাপ নাটকে ফের উত্তাপ
বাংলাদেশের নতুন চিঠিতে বিশ্বকাপ নাটকে ফের উত্তাপ

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

‘শান্তি পর্ষদ’ নিয়ে ট্রাম্পকে খোঁচা ইলন মাস্কের
‘শান্তি পর্ষদ’ নিয়ে ট্রাম্পকে খোঁচা ইলন মাস্কের

৮ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হেলিকপ্টারে করে মিরপুরে বিপিএলের ট্রফি নিয়ে আসবেন দুই ক্রিকেটার
হেলিকপ্টারে করে মিরপুরে বিপিএলের ট্রফি নিয়ে আসবেন দুই ক্রিকেটার

৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্তে কী বলছেন সাবেক ক্রিকেটাররা
বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্তে কী বলছেন সাবেক ক্রিকেটাররা

৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চুয়েট ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
চুয়েট ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

৭ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

দলবাজির মধ্যে ধর্মকে আনা যাবে না : সানজিদা তুলি
দলবাজির মধ্যে ধর্মকে আনা যাবে না : সানজিদা তুলি

৮ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

মুসাব্বির হত্যা : পুলিশি অভিযানে আরেক শুটার গ্রেফতার
মুসাব্বির হত্যা : পুলিশি অভিযানে আরেক শুটার গ্রেফতার

১০ মিনিট আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ সিদ্ধান্তে যা বললেন কেইন উইলিয়ামসন
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ সিদ্ধান্তে যা বললেন কেইন উইলিয়ামসন

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

উত্তরবঙ্গকে কৃষি শিল্পের রাজধানী বানাতে চাই : জামায়াত আমির
উত্তরবঙ্গকে কৃষি শিল্পের রাজধানী বানাতে চাই : জামায়াত আমির

১৮ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

সরস্বতী পূজা মণ্ডপে সেজেছে শাবিপ্রবি
সরস্বতী পূজা মণ্ডপে সেজেছে শাবিপ্রবি

২২ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

পুষ্টিগুণে ভরপুর ব্রকলিতে মিলবে অনেক উপকার
পুষ্টিগুণে ভরপুর ব্রকলিতে মিলবে অনেক উপকার

২৬ মিনিট আগে | জীবন ধারা

নাম বদলে ইউটিউবে মিথিলার সিনেমা
নাম বদলে ইউটিউবে মিথিলার সিনেমা

৩১ মিনিট আগে | শোবিজ

সান্ত্বনার জয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়ালো ওয়েস্ট ইন্ডিজ
সান্ত্বনার জয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়ালো ওয়েস্ট ইন্ডিজ

৩৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সংসদ বিলুপ্ত করলেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী, ৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন
সংসদ বিলুপ্ত করলেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী, ৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ‘চুপ’ থাকলেন বিসিসিআই সভাপতি
বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ‘চুপ’ থাকলেন বিসিসিআই সভাপতি

৫৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ৮০ শতাংশ মালিকানা দিয়ে যৌথ চুক্তি টিকটকের
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ৮০ শতাংশ মালিকানা দিয়ে যৌথ চুক্তি টিকটকের

৫৬ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

২৪ ঘণ্টা থাকবে তিতাস গ্যাসের স্বল্পচাপ
২৪ ঘণ্টা থাকবে তিতাস গ্যাসের স্বল্পচাপ

৫৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বাগেরহাটে জামায়াত-জাতীয় পার্টির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান
বাগেরহাটে জামায়াত-জাতীয় পার্টির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিসিএস পরীক্ষা উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা
বিসিএস পরীক্ষা উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে কারা আছে, কারা নেই
ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে কারা আছে, কারা নেই

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জনতার জোয়ার ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে: উপদেষ্টা আদিলুর রহমান
জনতার জোয়ার ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে: উপদেষ্টা আদিলুর রহমান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘শান্তি পর্ষদে’ যোগ দিতে কানাডাকে পাঠানো আমন্ত্রণ বাতিল করলেন ট্রাম্প
‘শান্তি পর্ষদে’ যোগ দিতে কানাডাকে পাঠানো আমন্ত্রণ বাতিল করলেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাঙামাটিতে ট্রাকের চাপায় অটোরিকশার যাত্রী নিহত
রাঙামাটিতে ট্রাকের চাপায় অটোরিকশার যাত্রী নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১০ দল ইনসাফ-ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করবে : নাহিদ
১০ দল ইনসাফ-ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করবে : নাহিদ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে ৪৬ ক্যাডারসহ ২১৩ পদ সৃজনের গেজেট প্রকাশ
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে ৪৬ ক্যাডারসহ ২১৩ পদ সৃজনের গেজেট প্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খালেদা জিয়ার তিন আসনে ধানের শীষের প্রার্থী যারা
খালেদা জিয়ার তিন আসনে ধানের শীষের প্রার্থী যারা

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পাকিস্তানের কৌশলে সুপার সিক্সে জিম্বাবুয়ে, বাদ স্কটল্যান্ড
পাকিস্তানের কৌশলে সুপার সিক্সে জিম্বাবুয়ে, বাদ স্কটল্যান্ড

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তিন জেলায় বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ
তিন জেলায় বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আইসিসিকে ফের চিঠি বিসিবির
বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আইসিসিকে ফের চিঠি বিসিবির

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বাংলাদেশ: আসিফ নজরুল
বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বাংলাদেশ: আসিফ নজরুল

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটির তালিকা থেকে শুক্র-শনি বাদ দেওয়ার দাবি
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটির তালিকা থেকে শুক্র-শনি বাদ দেওয়ার দাবি

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে: প্রেস সচিব
১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে: প্রেস সচিব

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বামীকে খুন করে রাতভর মোবাইলে অশ্লীল ভিডিও দেখেন তরুণী, অতঃপর…
স্বামীকে খুন করে রাতভর মোবাইলে অশ্লীল ভিডিও দেখেন তরুণী, অতঃপর…

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ইরানের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বড় বহর: ট্রাম্প
ইরানের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বড় বহর: ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়া নিয়ে মুখ খুলল আইসিসি
মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়া নিয়ে মুখ খুলল আইসিসি

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১ ফেব্রুয়ারি থেকে সব টেক্সটাইল মিল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা
১ ফেব্রুয়ারি থেকে সব টেক্সটাইল মিল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা

২১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রার্থিতা ফেরাতে এবার চেম্বার আদালতে মঞ্জুরুলের আবেদন
প্রার্থিতা ফেরাতে এবার চেম্বার আদালতে মঞ্জুরুলের আবেদন

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন জামায়াত নেতা
পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন জামায়াত নেতা

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রিট খারিজ, কুমিল্লা-১০ আসনে নির্বাচন করতে পারবেন না গফুর ভূঁইয়া
রিট খারিজ, কুমিল্লা-১০ আসনে নির্বাচন করতে পারবেন না গফুর ভূঁইয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের ছুটি পাবেন না যেসব সরকারি চাকরিজীবী
নির্বাচনের ছুটি পাবেন না যেসব সরকারি চাকরিজীবী

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চরম বর্ববরতা, ভারতে প্রেমিকজুটিকে হাত-পা বেঁধে হত্যার পর মাটিচাপা!
চরম বর্ববরতা, ভারতে প্রেমিকজুটিকে হাত-পা বেঁধে হত্যার পর মাটিচাপা!

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ না খেললে ২০ কোটি দর্শক হারাবে আইসিসি: বুলবুল
বাংলাদেশ না খেললে ২০ কোটি দর্শক হারাবে আইসিসি: বুলবুল

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ না গেলে বিশ্বকাপ বয়কট করতে পারে পাকিস্তানও
বাংলাদেশ না গেলে বিশ্বকাপ বয়কট করতে পারে পাকিস্তানও

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘বিড়ি খাওয়া’ নিয়ে বক্তব্য দেওয়ায় জামায়াতের দুই কোটি টাকার মার্কেটিং হয়েছে: ফয়জুল
‘বিড়ি খাওয়া’ নিয়ে বক্তব্য দেওয়ায় জামায়াতের দুই কোটি টাকার মার্কেটিং হয়েছে: ফয়জুল

২১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভারতে ডুবে গেল বাংলাদেশি জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার
ভারতে ডুবে গেল বাংলাদেশি জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিজেকে ‘স্বৈরশাসক’ বললেন ট্রাম্প!
নিজেকে ‘স্বৈরশাসক’ বললেন ট্রাম্প!

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ সনদে স্বাক্ষর করেছে যে ১৯ দেশ
ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ সনদে স্বাক্ষর করেছে যে ১৯ দেশ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

করবো কাজ, গড়বো দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ: তারেক রহমান
করবো কাজ, গড়বো দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ: তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে বিশ্বকাপ বয়কট করা উচিত পাকিস্তানের'
'বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে বিশ্বকাপ বয়কট করা উচিত পাকিস্তানের'

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ ধ্বনিতে মুখরিত সিলেটের আলিয়া মাঠ
‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ ধ্বনিতে মুখরিত সিলেটের আলিয়া মাঠ

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজগুলোর জন্য ‘অতীব জরুরি’ নির্দেশনা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজগুলোর জন্য ‘অতীব জরুরি’ নির্দেশনা

১৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ঢাকার মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান চীনের
ঢাকার মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান চীনের

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কেউ কেউ ‘বেহেস্তের টিকিট’ বিক্রির মাধ্যমে ভোট চাচ্ছে : তারেক রহমান
কেউ কেউ ‘বেহেস্তের টিকিট’ বিক্রির মাধ্যমে ভোট চাচ্ছে : তারেক রহমান

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শীত নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস
শীত নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ থেকে ওষুধ আমদানি করবে আফগানিস্তান
বাংলাদেশ থেকে ওষুধ আমদানি করবে আফগানিস্তান

২০ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নির্বাচনী প্রচারণা উপলক্ষে বিএনপির ৫ কর্মসূচি ঘোষণা
নির্বাচনী প্রচারণা উপলক্ষে বিএনপির ৫ কর্মসূচি ঘোষণা

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে : ডা. তাহের
জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে : ডা. তাহের

১৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

এনআইডি সংগ্রহের বিষয়টি কমিশনের নজরে এসেছে: ইসি
এনআইডি সংগ্রহের বিষয়টি কমিশনের নজরে এসেছে: ইসি

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
আর্থিক চাপে পড়বে পরবর্তী সরকার
আর্থিক চাপে পড়বে পরবর্তী সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ফেব্রুয়ারি থেকে টেক্সটাইল মিল বন্ধ ঘোষণা
ফেব্রুয়ারি থেকে টেক্সটাইল মিল বন্ধ ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

বেহেশতের টিকিটের কথা বলে শিরক করাচ্ছে
বেহেশতের টিকিটের কথা বলে শিরক করাচ্ছে

প্রথম পৃষ্ঠা

আর কোনো ভোট ডাকাত দেখতে চাই না
আর কোনো ভোট ডাকাত দেখতে চাই না

প্রথম পৃষ্ঠা

রমজানের আগেই সক্রিয় বাজার সিন্ডিকেট
রমজানের আগেই সক্রিয় বাজার সিন্ডিকেট

প্রথম পৃষ্ঠা

বিরল পরিযায়ী ধলাটুপি লালগির্দি
বিরল পরিযায়ী ধলাটুপি লালগির্দি

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা দেবে : সেনাপ্রধান
নির্বাচনে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা দেবে : সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বেচ্ছায় দেশ ছাড়লে আড়াই হাজার ডলার দেবে ট্রাম্প প্রশাসন
স্বেচ্ছায় দেশ ছাড়লে আড়াই হাজার ডলার দেবে ট্রাম্প প্রশাসন

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোটের উৎসবমুখর প্রচার
ভোটের উৎসবমুখর প্রচার

প্রথম পৃষ্ঠা

বৈরী বাস্তবতায় আসন্ন নির্বাচন
বৈরী বাস্তবতায় আসন্ন নির্বাচন

সম্পাদকীয়

দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য মার্কিন রাষ্ট্রদূতের
দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

পেছনের পৃষ্ঠা

সরস্বতী পূজা আজ
সরস্বতী পূজা আজ

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রশংসা
সংস্কার প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রশংসা

প্রথম পৃষ্ঠা

পশ্চিমবঙ্গে নদীতে ডুবে গেল বাংলাদেশি পণ্যবাহী জাহাজ
পশ্চিমবঙ্গে নদীতে ডুবে গেল বাংলাদেশি পণ্যবাহী জাহাজ

পেছনের পৃষ্ঠা

ইসিতে চলছে নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ
ইসিতে চলছে নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচন ঘিরে টানা চার দিনের ছুটি
নির্বাচন ঘিরে টানা চার দিনের ছুটি

পেছনের পৃষ্ঠা

ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলবে না বাংলাদেশ
ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলবে না বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন নেতা ও হাদির কবর জিয়ারত করে প্রচারে এনসিপি
তিন নেতা ও হাদির কবর জিয়ারত করে প্রচারে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন বাংলাদেশ গড়তে মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রাখছে
নতুন বাংলাদেশ গড়তে মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রাখছে

নগর জীবন

জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব কর্মকর্তা হত্যায় গ্রেপ্তার ৩
জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব কর্মকর্তা হত্যায় গ্রেপ্তার ৩

পেছনের পৃষ্ঠা

থাকল সাত কলেজ, হবে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ও
থাকল সাত কলেজ, হবে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ও

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিষ্ঠান তালাবদ্ধ লাপাত্তা অভিযুক্তরা
প্রতিষ্ঠান তালাবদ্ধ লাপাত্তা অভিযুক্তরা

পেছনের পৃষ্ঠা

হোঁচট খাচ্ছে দেশ বহুমাত্রিক সমস্যা
হোঁচট খাচ্ছে দেশ বহুমাত্রিক সমস্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

‘গাজা শান্তি পর্ষদে’ যোগ দিচ্ছে সাত মুসলিম দেশ
‘গাজা শান্তি পর্ষদে’ যোগ দিচ্ছে সাত মুসলিম দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

পুতুলের বিয়ে
পুতুলের বিয়ে

ডাংগুলি

মেক্সিকোর এক ‘জলদানব’!
মেক্সিকোর এক ‘জলদানব’!

ডাংগুলি

আবার সংঘর্ষে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়ালের শিক্ষার্থীরা
আবার সংঘর্ষে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়ালের শিক্ষার্থীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

সবুজ গাঁয়ে
সবুজ গাঁয়ে

সাহিত্য

প্রচার আনন্দে দেশ
প্রচার আনন্দে দেশ

নগর জীবন