শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:০৭, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বিদ্বেষহীন মন জান্নাতের পথ সুগম করে

ড. আবু সালেহ মুহাম্মদ তোহা
অনলাইন ভার্সন
বিদ্বেষহীন মন জান্নাতের পথ সুগম করে

ঈমানের সৌন্দর্য তখনই পরিপূর্ণ হয়, যখন মানুষের হৃদয় হিংসা, বিদ্বেষ, অপবাদ ও ধোঁকামুক্ত থাকে। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর উম্মতকে নামাজ, রোজা ও অন্যান্য আমলের দিকে আহবান জানানোর পাশাপাশি অন্তরের পরিশুদ্ধতাকে ঈমানের মূল ভিত্তি হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। অন্যের প্রতি হিংসা না রাখা, কল্যাণ কামনা করা এবং স্বচ্ছ মনের অধিকারী হওয়াকে তিনি নিজের প্রিয় সুন্নাহ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সাহাবায়ে কেরামের জীবন ও নবীজির হাদিসে বিদ্বেষমুক্ত মানসিকতার যে মর্যাদা ফুটে উঠেছে, তা জান্নাতপ্রাপ্তির পথকে সুস্পষ্টভাবে নির্দেশ করে।

বিদ্বেষমুক্ত থাকাই নবীজির প্রকৃত

সুন্নাহ : অন্যের গিবত-শেকায়াত, অপবাদ-অপমান ও হিংসা-বিদ্বেষ ত্যাগ করে স্বচ্ছ মনের অধিকারী হওয়াই নবীজির এক অনন্য মহান সুন্নাহ। এই সুন্নাহ নবীজির সঙ্গে ভালোবাসা সৃষ্টির মাধ্যমে জান্নাতের পথ সুগম করে। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাকে বলেছেন, ‘হে বৎস! তুমি যদি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তোমার অন্তরে কারো প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ না রেখে কাটাতে পারো তাহলে তাই করো।’ এরপর তিনি বললেন, ‘হে বৎস! এটা আমার সুন্নাহ।

যে ব্যক্তি আমার সুন্নাহকে ভালোবাসে সে আমাকেই ভালোবাসে, আর যে আমাকে ভালোবাসে সে আমার সঙ্গে জান্নাতে থাকবে।’ (মিশকাতুল মাসাবিহ, হাদিস :  ১৭৫)

বিদ্বেষমুক্ত মানসিকতা জান্নাতের পথ সুগম করে : বাহ্যিক আমল বেশি না হলেও অন্তরের পরিচ্ছন্নতা এবং হিংসা, বিদ্বেষ ও ধোঁকামুক্ত মন—মানুষকে জান্নাতের উচ্চ মর্যাদায় পৌঁছে দিতে পারে। আল্লাহ তাআলা অন্তরের অবস্থাকে বিশেষ গুরুত্ব দেন। এক আনসারি সাহাবির সবচেয়ে বড় গুণ ছিল—তিনি কারো প্রতি হিংসা পোষণ করতেন না।

অন্যের প্রতি আল্লাহ প্রদত্ত নিয়ামতের কারণে ঈর্ষা করতেন না। তিনি কখনো কোনো মুসলমানকে ধোঁকা দেওয়ার চিন্তাও করতেন না। নবীজি তাঁর জান্নাতি হওয়ার বিষয়ে অন্যদের জানিয়েছেন। আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার আমরা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সঙ্গে বসেছিলাম। এ সময় তিনি বললেন, ‘এখনই তোমাদের সামনে একজন জান্নাতি ব্যক্তি আগমন করবে।’ 

কিছুক্ষণ পর এক আনসারি সাহাবি উপস্থিত হলেন, যার দাড়ি থেকে অজুর পানি টপকে পড়ছিল। তিনি তাঁর জুতা জোড়া বাঁ হাতে ধরেছিলেন। পরের দিনও নবী (সা.) একই কথা বললেন। অর্থাৎ ‘এখনই তোমাদের সামনে এক জান্নাতি ব্যক্তির আগমন ঘটবে।’ সেদিনও সেই আনসারি উপস্থিত হলেন, যিনি আগের দিন এসেছিলেন এবং আজও তিনি প্রথম দিনের অবস্থায়ই ছিলেন। তৃতীয় দিনও নবী (সা.) একই কথা বললেন। আর সেই আনসারি সাহাবি উপস্থিত হলেন এবং তাঁর অবস্থা আগের দুই দিনের মতোই ছিল। রাসুলুল্লাহ (সা.) উঠে চলে যাওয়ার পর আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস (রা.) সেই আনসারি সাহাবির পিছু নিয়ে বললেন, ‘আমি আমার পিতার সঙ্গে ঝগড়া করে কসম খেয়েছি যে আমি তিন দিনের মধ্যে তাঁর কাছে যাব না। আপনি আমাকে আপনার কাছে তিন দিন অবস্থান করার অনুমতি দিন।’ আনসারি সাহাবি বললেন, ঠিক আছে। 

আনাস ইবনে মালিক (রা.) বর্ণনা করেন, আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস (রা.) বলেন, ‘আমি এই তিন রাত সেই আনসারির সঙ্গে কাটিয়ে দেখলাম তিনি রাতে ইবাদতের জন্য ক্ষণিকের তরেও জাগ্রত হননি। আমি দেখেছি যখন তাঁর ঘুম ভেঙে যেত তখন নিজের বিছানায় শুয়ে আল্লাহর জিকির এবং তাকবির বলতেন। অতঃপর ফজরের জন্য জাগ্রত হতেন। আরেকটি বিষয় দেখেছি, তিনি তাঁর মুখ থেকে শুধু ভালো কথাই উচ্চারণ করতেন।’ তিন দিন অতিক্রমের পর আমি তাঁর আমলকে নগণ্যই মনে করেছিলাম। তখন আমি বললাম, “হে আল্লাহর বান্দা! আমার পিতার সঙ্গে আমার কোনো প্রকারের ঝগড়া-বিবাদ অথবা অসন্তুষ্টির কোনো বিষয় ছিল না। তবে আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে তিনবার বলতে শুনেছি যে ‘এখন তোমাদের সামনে এক জান্নাতি ব্যক্তির আগমন ঘটবে’ এবং তিনবারই আপনি আগমন করেছিলেন। তাই আমি আপনার সঙ্গে থেকে দেখতে চেয়েছি যে প্রকৃত পক্ষে আপনি কেমন আমল করেন (যা আমি করি না), যেন তা আমিও করতে পারি। কিন্তু আমি দেখলাম, আপনি অতিরিক্ত কোনো আমল করেন না। তাহলে কিসের ভিত্তিতে রাসুলুল্লাহ (সা.) আপনার ব্যাপারে এ কথা বলেছেন, যা আপনি শুনলেন?”

আনসারি সাহাবি জবাব দিলেন, ‘আমল তো শুধু তা-ই, যা আপনি দেখেছেন।’ আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস (রা.) বলেন, আমি তাঁর কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার সময় তিনি আমাকে ডেকে বললেন, ‘আমল তা-ই, যা আপনি দেখেছেন। তবে আমি কখনো কোনো মুসলমানকে ধোঁকা দেওয়ার কথা চিন্তা করি না এবং আমি কোনো ব্যক্তির কোনো কল্যাণের বিষয়ে হিংসা করি না, যা তাকে মহান আল্লাহ দান করেছেন।’ আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস (রা.) এ কথা শুনে বলেন, ‘এটাই সেই গুণ, যা আপনাকে সেই মর্যাদায় পৌঁছিয়েছে। আর যে গুণটি অর্জন করার সামর্থ্য আমাদের নেই।’

(মুসনাদে আহমাদ, হাদিস :  ১২৬৯৭)

বিদ্বেষ পোষণকারীদের বিশেষ সময়েও ক্ষমা করা হয় না : হিংসুক ও বিদ্বেষ পোষণকারীদের মহান আল্লাহর বিশেষ ক্ষমার বাইরে রাখা হয়। মহিমান্বিত রাতেও তাদের ক্ষমা করা হয় না। বোঝা যায়, হিংসা শুধু সামাজিক ব্যাধি নয়, বরং এটি আখিরাতের জন্য ভয়াবহ অন্তরায়। মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেন, ‘আল্লাহ তাআলা অর্ধ শাবানের রাতে (শাবানের ১৪ তারিখ দিনগত রাতে) সৃষ্টিকুলের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও হিংসুক ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন।’

(সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস : ৫৬৬৫)

পরিশেষে বলা যায়, বিদ্বেষমুক্ত অন্তর ইসলামের এক অনন্য সৌন্দর্য ও নবীজির প্রকৃত সুন্নাহ। বাহ্যিক আমল সীমিত হলেও যদি মানুষের অন্তর হিংসা, বিদ্বেষ ও প্রতারণামুক্ত হয়, তবে আল্লাহ তাআলা তাকে জান্নাতের উচ্চ মর্যাদায় পৌঁছে দিতে পারেন। পক্ষান্তরে হিংসা এমন এক অন্তরব্যাধি, যা মানুষকে আল্লাহর বিশেষ রহমত থেকেও বঞ্চিত করে। অতএব, একজন মুমিনের জন্য অপরিহার্য হলো—নিজের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করা, অন্যের কল্যাণে আনন্দিত হওয়া এবং নবীজির এই মহান সুন্নাহকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন করা। তাতেই নিহিত রয়েছে নবীজির ভালোবাসা ও জান্নাতে তাঁর সান্নিধ্য লাভের সৌভাগ্য।

লেখক : অধ্যাপক, আরবি বিভাগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
আজকের নামাজের সময়সূচি, ৬ মার্চ ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ৬ মার্চ ২০২৬
ইতিকাফ রমাদানের অবহেলিত ইবাদত
ইতিকাফ রমাদানের অবহেলিত ইবাদত
আজকের নামাজের সময়সূচি, ৫ মার্চ ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ৫ মার্চ ২০২৬
মুসলমানদের জন্য শিক্ষণীয় ওহুদের যুদ্ধ
মুসলমানদের জন্য শিক্ষণীয় ওহুদের যুদ্ধ
আজকের নামাজের সময়সূচি, ৪ মার্চ ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ৪ মার্চ ২০২৬
জাকাতের আত্মিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুফল
জাকাতের আত্মিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুফল
রমজানে মাগফিরাতের দশকে তাওবার আহ্বান
রমজানে মাগফিরাতের দশকে তাওবার আহ্বান
রমজানে কি কবরের আজাব বন্ধ থাকে? ইসলাম কী বলে
রমজানে কি কবরের আজাব বন্ধ থাকে? ইসলাম কী বলে
শুরু হচ্ছে সরকারি উদ্যোগে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা
শুরু হচ্ছে সরকারি উদ্যোগে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা
আজকের নামাজের সময়সূচি, ৩ মার্চ ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ৩ মার্চ ২০২৬
রমজানে রোজাদারের দোয়ার গুরুত্ব
রমজানে রোজাদারের দোয়ার গুরুত্ব
রোজাদারকে পুরস্কার দেবেন আল্লাহ
রোজাদারকে পুরস্কার দেবেন আল্লাহ
সর্বশেষ খবর
২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির
২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ বন্ধ করে আলোচনায় বসার আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের
যুদ্ধ বন্ধ করে আলোচনায় বসার আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের

১২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণদের নিয়েই ভবিষ্যৎ গড়ার পরিকল্পনা লাপোর্তার
তরুণদের নিয়েই ভবিষ্যৎ গড়ার পরিকল্পনা লাপোর্তার

৩১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি
মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঝিনাইদহে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল
ঝিনাইদহে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে মাদক সেবনে বাধা, নারী গুলিবিদ্ধ
শ্রীপুরে মাদক সেবনে বাধা, নারী গুলিবিদ্ধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাকুন্দিয়ায় শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
পাকুন্দিয়ায় শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ভুট্টাক্ষেত থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সিরাজগঞ্জে ভুট্টাক্ষেত থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে কাঠুরিয়ার পা বিচ্ছিন্ন
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে কাঠুরিয়ার পা বিচ্ছিন্ন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদকের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করেছি: নিপুণ রায়
মাদকের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করেছি: নিপুণ রায়

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় গোপন রাখার অনুরোধ, রাজি না হওয়ায় খুন
গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় গোপন রাখার অনুরোধ, রাজি না হওয়ায় খুন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইতিহাসের সেরা টি-টুয়েন্টি অলরাউন্ডার হলেন যারা
ইতিহাসের সেরা টি-টুয়েন্টি অলরাউন্ডার হলেন যারা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন পরবর্তী দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় মেতেছে জামায়াত: নবীউল্লাহ নবী
নির্বাচন পরবর্তী দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় মেতেছে জামায়াত: নবীউল্লাহ নবী

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কারও নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে বদনামী করা বড় পাপ: মির্জা আব্বাস
কারও নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে বদনামী করা বড় পাপ: মির্জা আব্বাস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির প্রভাবে সাত দিনে বাতিল ২৪৫টি ফ্লাইট
মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির প্রভাবে সাত দিনে বাতিল ২৪৫টি ফ্লাইট

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নানাবাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
নানাবাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়ায় হুমকি, নিরাপত্তা চায় ইরান নারী ফুটবল দল
জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়ায় হুমকি, নিরাপত্তা চায় ইরান নারী ফুটবল দল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে কুমিল্লার ১৩ কলেজের পাঠদান স্থগিত
ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে কুমিল্লার ১৩ কলেজের পাঠদান স্থগিত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শাবিপ্রবিতে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৪ নির্মাণ শ্রমিক আটক
শাবিপ্রবিতে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৪ নির্মাণ শ্রমিক আটক

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

১০ হাজার মানুষের সঙ্গে এমপি আনিসুর রহমানের ইফতার
১০ হাজার মানুষের সঙ্গে এমপি আনিসুর রহমানের ইফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করব: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করব: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তেহরান ও ইসফাহানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল
তেহরান ও ইসফাহানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপরাধ দমন ও অপরাধী গ্রেফতারে জিরো টলারেন্স : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল
অপরাধ দমন ও অপরাধী গ্রেফতারে জিরো টলারেন্স : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

নিউমার্কেটে ছুরি দিয়ে নিজ গলায় আঘাত, যুবকের মৃত্যু
নিউমার্কেটে ছুরি দিয়ে নিজ গলায় আঘাত, যুবকের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৪২টি দাঁত নিয়ে গিনেস রেকর্ড গড়লেন মালয়েশিয়ার ব্যক্তি
৪২টি দাঁত নিয়ে গিনেস রেকর্ড গড়লেন মালয়েশিয়ার ব্যক্তি

৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

অভিনয়ে আসায় মেয়ের সঙ্গে এক বছর কথা বলেননি পাকিস্তানি অভিনেত্রীর বাবা
অভিনয়ে আসায় মেয়ের সঙ্গে এক বছর কথা বলেননি পাকিস্তানি অভিনেত্রীর বাবা

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সিদ্ধিরগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলনের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ
সিদ্ধিরগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলনের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
মাঝ আকাশে উধাও ভারতের যুদ্ধবিমান, পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও
মাঝ আকাশে উধাও ভারতের যুদ্ধবিমান, পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল
খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডারের কী অবস্থা?
ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডারের কী অবস্থা?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেঁধে দেওয়া হয়েছে যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা
বেঁধে দেওয়া হয়েছে যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে বৈঠক ডাকলেন ট্রাম্প
অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে বৈঠক ডাকলেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিসাইল-ড্রোন হামলা থেকে পবিত্র দুই নগরীকে যেভাবে রক্ষা করে সৌদি
মিসাইল-ড্রোন হামলা থেকে পবিত্র দুই নগরীকে যেভাবে রক্ষা করে সৌদি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আগে উঠে সিট দখল, মতিঝিল মেট্রো স্টেশনে নতুন নিয়ম
আগে উঠে সিট দখল, মতিঝিল মেট্রো স্টেশনে নতুন নিয়ম

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

তিন ‘ভয়ংকর’ মিসাইল দিয়ে ২২তম ধাপে ইরানি হামলা
তিন ‘ভয়ংকর’ মিসাইল দিয়ে ২২তম ধাপে ইরানি হামলা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন রণতরীর মৃত্যু কি ঘনিয়ে আসছে?
মার্কিন রণতরীর মৃত্যু কি ঘনিয়ে আসছে?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একাই লড়লেন বেথেল, শেষ মুহূর্তে যেভাবে ম্যাচ জিতে নিল ভারত
একাই লড়লেন বেথেল, শেষ মুহূর্তে যেভাবে ম্যাচ জিতে নিল ভারত

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শ্রীলঙ্কা উপকূলে বেকায়দায় ৩ ইরানি জাহাজ, চাইল প্রবেশের অনুমতি
শ্রীলঙ্কা উপকূলে বেকায়দায় ৩ ইরানি জাহাজ, চাইল প্রবেশের অনুমতি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজে নিষেধাজ্ঞা দিল ইসরায়েল
আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজে নিষেধাজ্ঞা দিল ইসরায়েল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কিছু দেশ মধ্যস্থতার উদ্যোগ শুরু করেছে: ইরানের প্রেসিডেন্ট
কিছু দেশ মধ্যস্থতার উদ্যোগ শুরু করেছে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের মাটিতে আঁকা হেলিকপ্টারে হামলা চালিয়ে ধোঁকা খেয়েছে ইসরায়েল?
ইরানের মাটিতে আঁকা হেলিকপ্টারে হামলা চালিয়ে ধোঁকা খেয়েছে ইসরায়েল?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার সপ্তম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার সপ্তম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছাত্রলীগও যে সাহস করেনি তা প্রকাশ্যে শিবির করেছে: ছাত্রদল সভাপতি
ছাত্রলীগও যে সাহস করেনি তা প্রকাশ্যে শিবির করেছে: ছাত্রদল সভাপতি

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সব বিমান শক্তি ব্যয় করেও জিততে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র?
সব বিমান শক্তি ব্যয় করেও জিততে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল কেনায় ভারতকে ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র
রাশিয়া থেকে তেল কেনায় ভারতকে ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে মাঝ আকাশ থেকেই ফিরে গেল ফরাসি বিমান
ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে মাঝ আকাশ থেকেই ফিরে গেল ফরাসি বিমান

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ইসফাহানে টিকতেই পারল না ইসরায়েলি ড্রোন
ইরানের ইসফাহানে টিকতেই পারল না ইসরায়েলি ড্রোন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিগগির নতুন প্রজন্মের অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি আইআরজিসি মুখপাত্রের
শিগগির নতুন প্রজন্মের অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি আইআরজিসি মুখপাত্রের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহরগুলোর খবর কি?
ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহরগুলোর খবর কি?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উইমেন’স এশিয়ান কাপ : উত্তর কোরিয়ার কাছেও হারলো বাংলাদেশ
উইমেন’স এশিয়ান কাপ : উত্তর কোরিয়ার কাছেও হারলো বাংলাদেশ

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকে এক ডজন অভিযোগ
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকে এক ডজন অভিযোগ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দলীয় এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান
দলীয় এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম ইরানকে তাক করে টর্পেডো ছুড়ল যুক্তরাষ্ট্র
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম ইরানকে তাক করে টর্পেডো ছুড়ল যুক্তরাষ্ট্র

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় চীন
হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় চীন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের ফোনালাপ
আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের ফোনালাপ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই
যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি
জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি

প্রথম পৃষ্ঠা

উপদেষ্টাদের দুর্নীতি
উপদেষ্টাদের দুর্নীতি

সম্পাদকীয়

উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?

প্রথম পৃষ্ঠা

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই
মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই
বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন
জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল
পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল

পেছনের পৃষ্ঠা

সম্ভাবনার রানি পর্যটনশিল্প
সম্ভাবনার রানি পর্যটনশিল্প

সম্পাদকীয়

পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা
পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা

প্রথম পৃষ্ঠা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরাকে বাবা ছেলেসহ মৃত্যু তিন বাংলাদেশির
ইরাকে বাবা ছেলেসহ মৃত্যু তিন বাংলাদেশির

পেছনের পৃষ্ঠা

অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র

সম্পাদকীয়

সচেতন মানুষের চাহিদায় সেঞ্চুরি এগ
সচেতন মানুষের চাহিদায় সেঞ্চুরি এগ

সম্পাদকীয়

রমজানের তৃতীয় জুমায় বায়তুল মোকাররমে মুসল্লির ঢল
রমজানের তৃতীয় জুমায় বায়তুল মোকাররমে মুসল্লির ঢল

পেছনের পৃষ্ঠা

সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা
ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা

প্রথম পৃষ্ঠা

নাগরিক দায়িত্বে রোজার প্রভাব
নাগরিক দায়িত্বে রোজার প্রভাব

প্রথম পৃষ্ঠা

সভাপতি মুমু সম্পাদক বিনয়
সভাপতি মুমু সম্পাদক বিনয়

দেশগ্রাম

প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা
প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা

পেছনের পৃষ্ঠা

টিকিটের জন্য বাস কাউন্টারে নেই চিরচেনা ভিড়
টিকিটের জন্য বাস কাউন্টারে নেই চিরচেনা ভিড়

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের প্রশ্ন
আজকের প্রশ্ন

মাঠে ময়দানে

২৫ লাখ টাকার জাল নোটসহ মাইলস্টোনের দুই ছাত্র আটক
২৫ লাখ টাকার জাল নোটসহ মাইলস্টোনের দুই ছাত্র আটক

পেছনের পৃষ্ঠা

নৈতিকতা ও সদাচরণ গড়তে হবে
নৈতিকতা ও সদাচরণ গড়তে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মান
খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মান

সম্পাদকীয়

সাবেক সচিব খায়রুল ও কাউন্সিলর বাপ্পির বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং মামলা
সাবেক সচিব খায়রুল ও কাউন্সিলর বাপ্পির বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং মামলা

পেছনের পৃষ্ঠা

লিবিয়া থেকে ফিরলেন ১৬৫ বাংলাদেশি
লিবিয়া থেকে ফিরলেন ১৬৫ বাংলাদেশি

পেছনের পৃষ্ঠা