শিরোনাম
প্রকাশ: ১৭:১২, বুধবার, ০৮ এপ্রিল, ২০২৬

মুসলিম সভ্যতায় খোদাইশিল্পের বিকাশ

আতাউর রহমান খসরু
অনলাইন ভার্সন
মুসলিম সভ্যতায় খোদাইশিল্পের বিকাশ

শিল্প ও নান্দনিকতার একটি প্রাচীন ধারা খোদাইশিল্প। হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ এই শিল্পের চর্চা করে আসছে। কাঠ, পাথর, লোহা ও তামার মতো ধাতুগুলোকে কেন্দ্র করে এই শিল্পের বিকাশ ঘটেছে। 

তবে সবচেয়ে সহজলভ্য উপাদান হিসেবে খোদাইশিল্পের প্রধান উপাদান কাঠ। তাই খোদাইশিল্প বলতে সাধারণত কাঠখোদাই শিল্পকেই বোঝায়। ইসলাম তার মূলনীতির আলোকে অন্যান্য শিল্পের মতো খোদাইশিল্পকেও আত্মস্থ করেছে এবং ইসলামের প্রাথমিক যুগেই মুসলিম সমাজে এর চর্চা শুরু হয়েছে। পৃথিবীর প্রায় সব অঞ্চলের মুসলমানদের ভেতর খোদাইশিল্পের চর্চা দেখা যায়।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, মুসলিম বিশ্বের বহু অঞ্চলে কাঠ তুলনামূলকভাবে দুষ্প্রাপ্য, যেমন- আরব উপদ্বীপ এবং মরুপ্রধান আফ্রিকা অঞ্চল; তবু খোদাইশিল্প মুসলিম সমাজে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে। ইসলামী শিল্প ও স্থাপত্য নির্মাণে খোদাইশিল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল ও মাধ্যম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

মুসলিম সমাজে খোদাইশিল্পের একটি স্বতন্ত্র ধারা সৃষ্টি হয়েছে। ইসলামের মূলনীতির আলোকে খোদাইশিল্প থেকে প্রাণীর প্রতিকৃতি, নর-নারীর অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি, মদ-জুয়ার মতো নিষিদ্ধ উপাদানগুলো পরিহার করা হয়েছে। বিপরীতে এতে স্থান পেয়েছে উদ্ভিদজাত মোটিফ, ঐতিহ্যবাহী অলংকরণ, জ্যামিতিক নিখুঁত বিন্যাস কিংবা বিমূর্ত নকশা। মুসলিম সমাজে খোদাইশিল্পে শিল্পীর উদ্ভাবনী প্রতিভা, কাজের দক্ষতার পাশাপাশি উপাদানের নানামুখী ব্যবহার ও প্রয়োগ দেখা যায়।

শিল্পকলায় মুসলমানরা রোমান ও পারস্যের মতো প্রাচীন সভ্যতার একটি সমৃদ্ধ ভাণ্ডার লাভ করেছিল। আরব মুসলিমরা এই ভাণ্ডারের অবমূল্যায়ন না করে উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করেছিল। উমাইয়া খেলাফতের আমলে মুসলিম বিশ্বে খোদাইশিল্পের যাত্রা শুরু হয়েছিল। দামেস্কের উমাইয়া মসজিদ ও আল আকসা কমপ্লেক্সে তার খণ্ড খণ্ড নিদর্শন আজও বিদ্যমান। তবে মুসলিম সভ্যতা খোদাইশিল্পের স্বর্ণযুগ এসেছিল আব্বাসীয় খেলাফতের সময়। মুসলিম খোদাইশিল্পের প্রাচীনতম নিদর্শনগুলো এই আমলেই নির্মিত হয়।

আব্বাসীয় আমলের একটি নান্দনিক খোদাইশিল্প তিউনিশিয়ার কারাভিন মসজিদে সংরক্ষিত কাঠের মিম্বার। আগলাবীয় রাজবংশের কোনো একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি হিজরি তৃতীয় শতকে (নবম খ্রিস্টাব্দে) মিম্বারটি বাগদাদ থেকে নির্মাণ করিয়ে এনেছিলেন। জ্যামিতিক মোটিফ ও নকশার নিখুঁত কারুকাজ সংবলিত মিম্বারটি খলিফা হারুনর রশিদের আমলে নির্মিত বলে ধারণা করা হয়। খোদাইশিল্পের বিস্ময়কর এই নিদর্শন এখনো সমকালীন বিমূর্ত শিল্পের জন্য অনুপ্রেরণা। উন্নত নকশা ও বিন্যাস শিল্পকর্মটিকে এখনো প্রাসঙ্গিক করে রেখেছে।

আব্বাসীয় আমলে মুসলিম খোদাইশিল্পীরা রোমান ও পারস্য আমলের প্রভাব কাটিয়ে স্বতন্ত্র ধারা সৃষ্টি করে। আর তুলুনীয় শাসন আমলে মিসরের খোদাইশিল্পীরা আব্বাসীয় ধারাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। এই সময় শাম ও মিসরে এই ধারা ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। মিসরীয় শিল্পীরা আব্বাসীয় ধারাকে আরো পরিমার্জন করে এবং খ্রিস্টীয় দশম শতকের মধ্যে তারা একে স্বতন্ত্র শৈল্পিক রূপ দেয়। 

খোদাইয়ের গভীরতা ও গোলাকৃতি তাদের কাজের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য, এটা মিসরীয় শিল্পীদের সৃজনশীলতারও প্রমাণ। মূলত হাজার বছরের প্রাচীন সভ্যতার দেশ মিসর সমৃদ্ধ কারুশিল্প ও শিল্প ঐতিহ্যের ধারক, যা শিল্পীদের মধ্যে খোদাইশিল্পের বিকাশ ও তাদের উচ্চতর দক্ষতা অর্জনে সহায়ক ছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মুসলিম বিশ্বের খোদাইশিল্পে জ্যামিতিক নকশার পরিবর্তে বিভিন্ন ধরনের অলংকরণ শুরু হয়। যেমন- প্রাণীর সূক্ষ্ম খোদাই ও আরাবেস্ক স্ক্রল। এসবে শিল্পীদের কাজের সূক্ষ্মতা, উচ্চতর দক্ষতা ও গভীর মনোযোগ স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।

ফাতেমীয় শাসকদের সময় খোদাইশিল্পের আরো অগ্রগতি ঘটে। তবে ইসলামের মৌলিক বিশ্বাসের পরিপন্থী কিছু বিষয় তাতে যুক্ত হয়। যেমন- প্রাচীন মিসরীয়দের অনুকরণে বিভিন্ন প্রাণীর প্রতীকী ব্যবহার। আইয়ুবীয় যুগের খোদাইশিল্পে দুটি বড় পরিবর্তন দেখা যায় : ক. আরাবেস্ক স্ক্রলের আরো জটিল ব্যবহার, খ. কুফি লিপির পরিবর্তে নাসখ লিপির ব্যবহার। দীর্ঘ সময় মিসরীয় শিল্পীরা খোদাইশিল্পে মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্ব দিলেও খ্রিস্টীয় ১৫ শতকের পর তাদের অবক্ষয় শুরু হয়।

খ্রিস্টীয় দশম শতক থেকে ত্রয়োদশ শতক পর্যন্ত মধ্য এশিয়া, ইরান ও আফগানিস্তানের খোদাইশিল্পীদের দক্ষতা মিসরীয় খোদাইশিল্পীদের সমতুল্য ছিল। আগ্রা জাদুঘরে সুলতান মাহমুদ গজনভি (রহ.)-এর সমাধির একটি দরজা সংরক্ষিত আছে। এই শিল্পকর্ম থেকে অত্র অঞ্চলের শিল্পীদের প্রতিভা, শৈলী ও কৌশলের ধারণা পাওয়া যায়। এই শিল্পকর্মের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো গভীর খোদাই ও বহুস্তরীয় পৃষ্ঠ ব্যবহার।

সুপ্রাচীন কাল থেকে মালয় সমাজে খোদাইশিল্পের ধারাবাহিক চর্চা ছিল। খোদাইশিল্প মালয় সমাজ ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই অঞ্চলে ইসলাম আগমনের পর খোদাইশিল্পে দুটি মৌলিক সংযোজন ঘটে। তা হলো- ১. আরবি ক্যালিগ্রাফির সংযোজন, যাতে সাধারণত কোরআনের আয়াত, হাদিস ও মুসলিম মনীষীদের বাণী উত্কীর্ণ হতো, ২. মালয় মোটিফের সঙ্গে ইসলামিক মোটিফের সমন্বয়। যেমন- উদ্ভিদভিত্তিক মালয় মোটিফের সঙ্গে আরাবেস্ক স্ক্রলের সুষম সমন্বয়।

আন্দালুস বা মুসলিম স্পেনের শিল্পীরা খোদাইশিল্পকে বহুমাত্রিক রূপ দেয়। তারা খোদাইয়ের জন্য নানা ধরনের উপাদান ও পদ্ধতি ব্যবহার করত। আন্দালুসীয় খোদাইশিল্পের সবচেয়ে বিখ্যাত উদাহরণ হলো খোদাই ও ছাঁচে তৈরি প্লাস্টার বা দেয়াল-প্রলপ, যা কঠিন দেয়াল ও গম্বুজকে লেসের মতো সূক্ষ্ম ক্যানভাসে রূপান্তরিত করত। গ্রানাডার নাসরিদ শাসকদের আমলে ১৪ শতকে নির্মিত আলহামরার দেয়াল ও ছাদে এই কাজের সর্বোত্তম নমুনা বিদ্যমান।

আন্দালুসীয় খোদাইশিল্পীরা পাথর খোদাই করে সূক্ষ্ম কারুকাজ করত। কর্ডোভায় অবস্থিত উমাইয়া প্রাসাদ মাদিনাত আল জাহরার ধ্বংসাশেষে কারুকাজ সংবলিত পাথরের স্তম্ভ রয়েছে। এতে মুসলিম শিল্পশৈলীর সঙ্গে প্রাচীন ও ধ্রুপদি যুগের শৈলীর অপূর্ব মিশ্রণ দেখা যায়। এতে পাতা, ফুল, স্ক্রল, বেণির মতো নকশা এবং আরাবেস্ক মোটিফ খোদিত হয়েছে। মুসলিম স্পেনের শিল্পীরা আফ্রিকা থেকে আমদানি করা হাতির দাঁতেও অত্যন্ত গভীর ও সূক্ষ্ম খোদাইকর্ম করত। ৯৬৬ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত মাদিনাত আল জাহরার একটি হাতির দাঁতের ছোট বাক্সে পাতার নকশা, লতা ও ফুলের অপূর্ব সূক্ষ্ম অলংকরণ রয়েছে, যাতে ঢাকনার চারপাশ ঘিরে আরবি ক্যালিগ্রাফির বন্ধন আছে।

ভারতবর্ষের মোগল শাসকরা মূলত পারস্য শিল্পরীতির ধারক ও পৃষ্ঠপোষক ছিল। অবশ্য তারা পারস্যরীতির সঙ্গে ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী ধারার সংমিশ্রণে আগ্রহী ছিল। খোদাইশিল্পেও তাদের এই রীতির প্রভাব দেখা যায়। ভারতবর্ষ জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মোগল স্থাপত্য ও শিল্পকর্ম তার উত্কৃষ্ট উদাহরণ। মোগল আমলে খোদাইশিল্পের অন্যতম প্রধান উপকরণ ছিল জেড পাথর। সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে জেড পাথরে খোদাইশিল্পের বিকাশ ঘটে। জেড পাথর ব্যবহার করা হতো বিভিন্ন ধরনের বস্তু তৈরিতে। যেমন- পাত্র, অস্ত্রের অলংকার ও ব্যক্তিগত অলংকারসামগ্রী। মোগল জেড পাথরের নিদর্শনগুলো তাদের সূক্ষ্ম কারিগরি দক্ষতার জন্য বিখ্যাত।

তথ্যঋণ : মিউজিয়াম ভলেন্টিয়ার্স জেএমএম ডটকম, ক্রাউন মিউমিয়াম ডটঅর্গ ও সিটিজ অব লাইটস।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ
 

এই বিভাগের আরও খবর
সৌদি পৌঁছেছেন ৬২৫২৮ বাংলাদেশি হজযাত্রী, মৃত বেড়ে ১৭
সৌদি পৌঁছেছেন ৬২৫২৮ বাংলাদেশি হজযাত্রী, মৃত বেড়ে ১৭
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৮ মে ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৮ মে ২০২৬
মন্দ কাজ হয়ে গেলে দ্রুত ভালো কাজ করা
মন্দ কাজ হয়ে গেলে দ্রুত ভালো কাজ করা
চাঁদ দেখা গেছে, সৌদিতে ঈদুল আজহা ২৭ মে
চাঁদ দেখা গেছে, সৌদিতে ঈদুল আজহা ২৭ মে
ঈদুল আযহার তারিখ ঘোষণা করলো ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া
ঈদুল আযহার তারিখ ঘোষণা করলো ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া
নতুন মৌসুমের ওমরাহ ক্যালেন্ডার প্রকাশ করল সৌদি আরব
নতুন মৌসুমের ওমরাহ ক্যালেন্ডার প্রকাশ করল সৌদি আরব
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি সভা ডেকেছে সোমবার
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি সভা ডেকেছে সোমবার
আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ মে ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ মে ২০২৬
কোরবানি : ত্যাগের মহিমা
কোরবানি : ত্যাগের মহিমা
জিলহজের প্রথম ১০ দিনে বেশি বেশি নেক আমল করুন: সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি
জিলহজের প্রথম ১০ দিনে বেশি বেশি নেক আমল করুন: সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি
উত্তরায় হজের প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
উত্তরায় হজের প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৫৯০৫৫ বাংলাদেশি হজযাত্রী
সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৫৯০৫৫ বাংলাদেশি হজযাত্রী
সর্বশেষ খবর
এবার দুদকের মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী গ্রেফতার
এবার দুদকের মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী গ্রেফতার

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

মহেশপুরে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে, যুবক নিহত
মহেশপুরে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে, যুবক নিহত

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হামে প্রাপ্তবয়স্করাও আক্রান্ত হচ্ছে কেন?
হামে প্রাপ্তবয়স্করাও আক্রান্ত হচ্ছে কেন?

২ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

রূপগঞ্জে দুই মহাসড়ক নির্মাণে ধীরগতি, ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা
রূপগঞ্জে দুই মহাসড়ক নির্মাণে ধীরগতি, ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্র থেকে বছরে অন্তত ১৭ বিলিয়ন ডলারের কৃষিপণ্য কিনবে চীন
যুক্তরাষ্ট্র থেকে বছরে অন্তত ১৭ বিলিয়ন ডলারের কৃষিপণ্য কিনবে চীন

১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বপ্নপূরণের পথে নতুন আলো: বিইউএফটি স্কলারশিপ
স্বপ্নপূরণের পথে নতুন আলো: বিইউএফটি স্কলারশিপ

২৪ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

গাজার ধ্বংসস্তূপ সরাতে লাগবে ৭ বছর, মরদেহ দাফনের অপেক্ষায় স্বজনেরা
গাজার ধ্বংসস্তূপ সরাতে লাগবে ৭ বছর, মরদেহ দাফনের অপেক্ষায় স্বজনেরা

২৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাল কাগজপত্র জমা দিলে প্রত্যাখ্যান হবে শেনজেন ভিসার আবেদন
জাল কাগজপত্র জমা দিলে প্রত্যাখ্যান হবে শেনজেন ভিসার আবেদন

৩০ মিনিট আগে | জাতীয়

নেতৃত্বের দ্বন্দ্বে রাজশাহী থেকে বাস চলাচল বন্ধ
নেতৃত্বের দ্বন্দ্বে রাজশাহী থেকে বাস চলাচল বন্ধ

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভারতের সেনাপ্রধানের হুমকির কী জবাব দিলো পাকিস্তান
ভারতের সেনাপ্রধানের হুমকির কী জবাব দিলো পাকিস্তান

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘এমপি হয়েও ৭ দিন ধরে ডিআইজিকে পাচ্ছি না, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী’
‘এমপি হয়েও ৭ দিন ধরে ডিআইজিকে পাচ্ছি না, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী’

৫০ মিনিট আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের লিড ২০০ ছাড়াল
বাংলাদেশের লিড ২০০ ছাড়াল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এনইসি সভা চলছে
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এনইসি সভা চলছে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিলেটে মানব পাচারকারীসহ ১৪ অনুপ্রবেশকারী আটক
সিলেটে মানব পাচারকারীসহ ১৪ অনুপ্রবেশকারী আটক

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

বিআরটি প্রকল্প বাতিলে মত বুয়েট বিশেষজ্ঞদের, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা
বিআরটি প্রকল্প বাতিলে মত বুয়েট বিশেষজ্ঞদের, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চীনে ভূমিকম্পে ধসে পড়ল ১৩ ভবন, নিহত ২
চীনে ভূমিকম্পে ধসে পড়ল ১৩ ভবন, নিহত ২

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানা দ্বিতীয়বার ‘বেস্ট ডোমেস্টিক এয়ারলাইন্স’ পুরস্কার জিতল ইউএস-বাংলা
টানা দ্বিতীয়বার ‘বেস্ট ডোমেস্টিক এয়ারলাইন্স’ পুরস্কার জিতল ইউএস-বাংলা

১ ঘণ্টা আগে | এভিয়েশন

ষষ্ঠ ও একাদশ শ্রেণির উপবৃত্তির তথ্য এন্ট্রির সময় বাড়লো
ষষ্ঠ ও একাদশ শ্রেণির উপবৃত্তির তথ্য এন্ট্রির সময় বাড়লো

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউএইতে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার পর তেলের দাম দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ
ইউএইতে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার পর তেলের দাম দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কুলব্যাগে লুকানো ছিল ৪০ হাজার ইয়াবা, ২ জন গ্রেফতার
স্কুলব্যাগে লুকানো ছিল ৪০ হাজার ইয়াবা, ২ জন গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারের নাটকীয় বিদায়, প্রশ্নে ম্যাচ অফিসিয়ালরা
বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারের নাটকীয় বিদায়, প্রশ্নে ম্যাচ অফিসিয়ালরা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঝিনাইদহে স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল স্ত্রীরও
ঝিনাইদহে স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল স্ত্রীরও

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গজারিয়ায় নানা বাড়ির আঙিনায় কারিনার দাফন সম্পন্ন
গজারিয়ায় নানা বাড়ির আঙিনায় কারিনার দাফন সম্পন্ন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপে কারা হতে পারেন নতুন সুপারস্টার, নজরে ৫ তরুণ
বিশ্বকাপে কারা হতে পারেন নতুন সুপারস্টার, নজরে ৫ তরুণ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সৌদি পৌঁছেছেন ৬২৫২৮ বাংলাদেশি হজযাত্রী, মৃত বেড়ে ১৭
সৌদি পৌঁছেছেন ৬২৫২৮ বাংলাদেশি হজযাত্রী, মৃত বেড়ে ১৭

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন মাথিস ডি লিট
বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন মাথিস ডি লিট

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের এয়ার শোতে মাঝ আকাশে দুই যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষ, বেঁচে গেলেন চার ক্রু
যুক্তরাষ্ট্রের এয়ার শোতে মাঝ আকাশে দুই যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষ, বেঁচে গেলেন চার ক্রু

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালির পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিল ইরান
হরমুজ প্রণালির পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিল ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিউইয়র্কে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘বাংলাদেশ ডে প্যারেড’
নিউইয়র্কে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘বাংলাদেশ ডে প্যারেড’

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

দলে জায়গা নিয়ে অনিশ্চয়তা, আনচেলত্তির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় নেইমার
দলে জায়গা নিয়ে অনিশ্চয়তা, আনচেলত্তির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় নেইমার

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
সৌদি আরবে আটক হবিগঞ্জের জেলা পরিষদের প্রশাসক
সৌদি আরবে আটক হবিগঞ্জের জেলা পরিষদের প্রশাসক

১১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ড. ইউনূস ও তার উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট
ড. ইউনূস ও তার উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চাঁদ দেখা গেছে, সৌদিতে ঈদুল আজহা ২৭ মে
চাঁদ দেখা গেছে, সৌদিতে ঈদুল আজহা ২৭ মে

১৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

নাইকি-অ্যাডিডাসকে টেক্কা দিচ্ছে চীনা ব্র্যান্ড ‘অ্যানটা’
নাইকি-অ্যাডিডাসকে টেক্কা দিচ্ছে চীনা ব্র্যান্ড ‘অ্যানটা’

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ ইতিহাসে অ্যাসিস্টের শীর্ষে ম্যারাডোনা-মেসি
বিশ্বকাপ ইতিহাসে অ্যাসিস্টের শীর্ষে ম্যারাডোনা-মেসি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজা সম্পন্ন, অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজা সম্পন্ন, অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আবুধাবির পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা, জেনারেটরে আগুন
আবুধাবির পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা, জেনারেটরে আগুন

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাঝ-আকাশে মুখোমুখি সংঘর্ষ, ভেঙে পড়ল দুই মার্কিন যুদ্ধবিমান
মাঝ-আকাশে মুখোমুখি সংঘর্ষ, ভেঙে পড়ল দুই মার্কিন যুদ্ধবিমান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালির পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিল ইরান
হরমুজ প্রণালির পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিল ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলে রেকর্ড গড়লেন বিরাট কোহলি
আইপিএলে রেকর্ড গড়লেন বিরাট কোহলি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজের তলদেশে ‘নতুন শক্তির উৎসের’ দিকে নজর ইরানের!
হরমুজের তলদেশে ‘নতুন শক্তির উৎসের’ দিকে নজর ইরানের!

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আড়াইহাজার হয়ে ঢাকা-কুমিল্লা বিকল্প মহাসড়কের প্রস্তাব
আড়াইহাজার হয়ে ঢাকা-কুমিল্লা বিকল্প মহাসড়কের প্রস্তাব

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শাহজালালে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু, একসঙ্গে উপকৃত হবেন ৩৭ হাজার যাত্রী
শাহজালালে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু, একসঙ্গে উপকৃত হবেন ৩৭ হাজার যাত্রী

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে ডুয়েটে সংঘর্ষ, শহীদ মিনার এলাকা রণক্ষেত্র
ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে ডুয়েটে সংঘর্ষ, শহীদ মিনার এলাকা রণক্ষেত্র

২৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইসরায়েলের ‘ফাঁদে’ না পড়তে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সতর্কবার্তা
ইসরায়েলের ‘ফাঁদে’ না পড়তে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সতর্কবার্তা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্ট্রেলিয়া সিরিজের সময়সূচি প্রকাশ করল বিসিবি
অস্ট্রেলিয়া সিরিজের সময়সূচি প্রকাশ করল বিসিবি

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৪,৫০০ বছরের প্রাচীন বৃক্ষ যেন ইরানি সভ্যতার শক্তি : পেজেশকিয়ান
৪,৫০০ বছরের প্রাচীন বৃক্ষ যেন ইরানি সভ্যতার শক্তি : পেজেশকিয়ান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোটরসাইকেলে করের পরিকল্পনা থেকে সরে আসার আহ্বান জামায়াত আমিরের
মোটরসাইকেলে করের পরিকল্পনা থেকে সরে আসার আহ্বান জামায়াত আমিরের

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কুমারী মেয়ের’ নীরবতাই বিয়ের সম্মতি, নতুন আইন আফগানিস্তানে
‘কুমারী মেয়ের’ নীরবতাই বিয়ের সম্মতি, নতুন আইন আফগানিস্তানে

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদুল আযহার তারিখ ঘোষণা করলো ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া
ঈদুল আযহার তারিখ ঘোষণা করলো ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া

১৬ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মাদারীপুরে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার
মাদারীপুরে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রে মার্কিন পতাকা, ইরানকে নতুন বার্তা ট্রাম্পের
মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রে মার্কিন পতাকা, ইরানকে নতুন বার্তা ট্রাম্পের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতকে সতর্ক করলো ইরান
আমিরাতকে সতর্ক করলো ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসা ফি নির্ধারণ কর‌ল মিসর
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসা ফি নির্ধারণ কর‌ল মিসর

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাহিদ রানাকে প্রশংসায় ভাসালেন বাবর আজম
নাহিদ রানাকে প্রশংসায় ভাসালেন বাবর আজম

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে কারা হতে পারেন নতুন সুপারস্টার, নজরে ৫ তরুণ
বিশ্বকাপে কারা হতে পারেন নতুন সুপারস্টার, নজরে ৫ তরুণ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনবিআরের সামনে বাইকারদের মানববন্ধন
এনবিআরের সামনে বাইকারদের মানববন্ধন

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মুফতি আমির হামজাকে গ্রেফতারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ
মুফতি আমির হামজাকে গ্রেফতারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেসি জাদুতে নু স্টেডিয়ামে অবশেষে জয়ের হাসি মায়ামির
মেসি জাদুতে নু স্টেডিয়ামে অবশেষে জয়ের হাসি মায়ামির

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদ নেতাদের বৈঠক
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদ নেতাদের বৈঠক

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
মুফতি আমির হামজাকে গ্রেপ্তারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ
মুফতি আমির হামজাকে গ্রেপ্তারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

১৬২ পয়েন্টে ১৬০০ গডফাদার
১৬২ পয়েন্টে ১৬০০ গডফাদার

প্রথম পৃষ্ঠা

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন উত্তেজনা
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন উত্তেজনা

প্রথম পৃষ্ঠা

‘বর্ডার ক্রস’ গরুতে শঙ্কায় খামারিরা
‘বর্ডার ক্রস’ গরুতে শঙ্কায় খামারিরা

নগর জীবন

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নির্বাচন করছেন না মাহাবুব-ইশতিয়াক
নির্বাচন করছেন না মাহাবুব-ইশতিয়াক

মাঠে ময়দানে

১৬ মাসে ঢুকেছে দেড় লাখ রোহিঙ্গা
১৬ মাসে ঢুকেছে দেড় লাখ রোহিঙ্গা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্রান্সই বিশ্বকাপের ভয়ংকরতম দল!
ফ্রান্সই বিশ্বকাপের ভয়ংকরতম দল!

মাঠে ময়দানে

ভিসির যোগদান নিয়ে ডুয়েট রণক্ষেত্র
ভিসির যোগদান নিয়ে ডুয়েট রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

দালাল দেয় ওয়ান স্টপ সার্ভিস
দালাল দেয় ওয়ান স্টপ সার্ভিস

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদ্যুতের দামে চাপে পড়বে নিম্ন মধ্যবিত্ত
বিদ্যুতের দামে চাপে পড়বে নিম্ন মধ্যবিত্ত

পেছনের পৃষ্ঠা

চোরাইপথে ঢুকছে মসলা
চোরাইপথে ঢুকছে মসলা

নগর জীবন

রেকর্ড ঘাটতির ব্যয় বিলাসী বাজেট
রেকর্ড ঘাটতির ব্যয় বিলাসী বাজেট

পেছনের পৃষ্ঠা

ম্যানসিটিতে গার্ডিওলার ২০ ট্রফি
ম্যানসিটিতে গার্ডিওলার ২০ ট্রফি

মাঠে ময়দানে

নীরবতা, নেতৃত্ব, রোগ আর রাজনীতির অদ্ভুত সময়
নীরবতা, নেতৃত্ব, রোগ আর রাজনীতির অদ্ভুত সময়

সম্পাদকীয়

কনার ‘আমপাতা জোড়া জোড়া’
কনার ‘আমপাতা জোড়া জোড়া’

শোবিজ

সাইবার সুরক্ষা আইনে অরক্ষিত জনগণ
সাইবার সুরক্ষা আইনে অরক্ষিত জনগণ

প্রথম পৃষ্ঠা

রোনালদোকে কাঁদাল জাপানিরা
রোনালদোকে কাঁদাল জাপানিরা

মাঠে ময়দানে

নতুন লুকে তাসনিয়া ফারিণ
নতুন লুকে তাসনিয়া ফারিণ

শোবিজ

নাহিদ রানার বাবর বধ
নাহিদ রানার বাবর বধ

মাঠে ময়দানে

সৌন্দর্যচর্চা নিয়ে তমা
সৌন্দর্যচর্চা নিয়ে তমা

শোবিজ

কিয়ারার ভাবনা
কিয়ারার ভাবনা

শোবিজ

জোর ব্যবসাবান্ধব অর্থনীতিতে
জোর ব্যবসাবান্ধব অর্থনীতিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

দ্রুততম মানব ইমরানুর মানবী শিরিন
দ্রুততম মানব ইমরানুর মানবী শিরিন

মাঠে ময়দানে

রোমে সভিতোলিনার হ্যাটট্রিক শিরোপা
রোমে সভিতোলিনার হ্যাটট্রিক শিরোপা

মাঠে ময়দানে

ঈদে বিপ্লবের ‘তারপর’
ঈদে বিপ্লবের ‘তারপর’

শোবিজ

আমের রাজ্যে লিচুর সম্ভাবনা
আমের রাজ্যে লিচুর সম্ভাবনা

পেছনের পৃষ্ঠা

আইনের অগণতান্ত্রিক ধারা বাতিল ও পরিবর্তনের দাবি
আইনের অগণতান্ত্রিক ধারা বাতিল ও পরিবর্তনের দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

‘নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো’
‘নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো’

সম্পাদকীয়

জুলাই থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন হবে পে-স্কেল
জুলাই থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন হবে পে-স্কেল

প্রথম পৃষ্ঠা