শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:০৮, শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

ধর্মীয় কাজে বাধা দেওয়া অমার্জনীয় পরিণতি

মাওলানা সাখাওয়াত উল্লাহ
অনলাইন ভার্সন
ধর্মীয় কাজে বাধা দেওয়া অমার্জনীয় পরিণতি

বহু মানুষ ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থে কিংবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য আল্লাহর দ্বিনের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে, তারা সাময়িকভাবে সফল হলেও চূড়ান্ত পরিণতিতে ব্যর্থতা তাদের জন্য অবধারিত। এরা ইহকালে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, পরকালেও জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিঃসন্দেহে যেসব লোক কাফির, তারা ব্যয় করে নিজেদের ধন-সম্পদ, যাতে বাধা দান করতে পারে আল্লাহর পথে। বস্তুত এখন তারা আরো ব্যয় করবে।

তারপর তা-ই তাদের জন্য আক্ষেপের কারণ হবে এবং শেষ পর্যন্ত তারা হেরে যাবে। আর যারা কাফির, তাদের জাহান্নামের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।’
(সুরা : আনফাল, আয়াত : ৩৬)

যুগে যুগে মানুষ আল্লাহদ্রোহী কাজে লিপ্ত হয়েছে। এবং আল্লাহর দ্বিনের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে।

আদ, সামুদ, কওমে লুত, আহলে মাদইয়ান প্রভৃতি গোত্র আল্লাহদ্রোহী কাজে লিপ্ত হয়েছে। ফলে আল্লাহ তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়েছেন। কিন্তু মানুষ তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে না বলেই এ যুগেও সুনামি, সিডর, নার্গিস, ভূমিকম্প, ভূমিধস প্রভৃতি প্রাকৃতিক বিপর্যয় দিয়ে আল্লাহ পৃথিবীর মানুষকে সতর্ক-সাবধান করেন। তবে মানুষ খুব কমই উপদেশ গ্রহণ করে।

দ্বিনের কাজ করা আল্লাহর নির্দেশ। এ নির্দেশ বাস্তবায়নে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.) বিভিন্নভাবে নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি দ্বিনি কাজে বাধা প্রদান করতে মহান আল্লাহ কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা পথে-ঘাটে এ কারণে বসে থেকো না যে আল্লাহ বিশ্বাসীদের হুমকি দেবে, আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করবে এবং তাতে বক্রতা অনুসন্ধান করবে। স্মরণ করো, যখন তোমরা সংখ্যায় অল্প ছিলে অতঃপর আল্লাহ তোমাদের অধিক করেছেন এবং লক্ষ করো—কেমন অশুভ পরিণতি হয়েছে অনর্থকারীদের!’

(সুরা : আরাফ, আয়াত : ৮৬)

আল্লাহর দ্বিনের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা মূলত শয়তানি কাজ।

মানব সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকে শয়তান এ কাজ করে আসছে। প্রথম মানব ও প্রথম নবী আদম (আ.) থেকে অদ্যাবধি শয়তানের এ কাজ অব্যাহত আছে। শয়তানের সঙ্গে কিছু মানুষও দ্বিনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘শয়তান তো চায় মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের পরস্পরের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চারিত করে দিতে এবং আল্লাহর স্মরণ ও সালাত থেকে তোমাদের বিরত রাখতে। অতএব, তোমরা এখনো কি নিবৃত্ত হবে?’
(সুরা : মায়িদা, আয়াত : ৯১)

আল্লাহর দ্বিনে বাধা দেওয়া ইহুদি-নাসারাদের কাজ। তারা একদিকে নবী-রাসুলদের অস্বীকার করত, অন্যদিকে কেউ কেউ আল্লাহর দ্বিনের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করত। মহান আল্লাহ বলেন, ‘বলুন, হে কিতাবধারীরা! কেন তোমরা আল্লাহর পথে ঈমানদারদের বাধা দান করো, তোমরা তাদের দ্বিনের মধ্যে বক্রতা অনুপ্রবেশ করানোর পন্থা অনুসন্ধান করো, অথচ তোমরা এ পথের সত্যতা প্রত্যক্ষ করছ। বস্তুত আল্লাহ তোমাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অনবগত নন।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ৯৯)

দ্বিনের পথে বাধা দান করলে বহু কল্যাণকর জিনিস থেকে বঞ্চিত হতে হয়। ইহুদিরা আল্লাহর দ্বিনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করত। ফলে তাদের জন্য অনেক কল্যাণকর বস্তু হারাম করা হয়, যা আগে তাদের জন্য হালাল ছিল। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘বস্তুত ইহুদিদের জন্য আমি হারাম করে দিয়েছি বহু পূতঃপবিত্র বস্তু, যা তাদের জন্য হালাল ছিল, তাদের পাপের কারণে এবং আল্লাহর পথে অধিক পরিমাণে বাধা দানের দরুন।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ১৬০)

অনুরূপভাবে এখনো কেউ আল্লাহর দ্বিনে বাধা দিলে সেও কল্যাণকর বহু জিনিস থেকে বঞ্চিত হবে।

দ্বিনি কাজে বাধা দান করা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। এ অপরাধ করে কেউ তাওবা না করলে আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করবেন না। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই যারা কাফির এবং আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে ফিরিয়ে রাখে, অতঃপর কাফির অবস্থায় মারা যায়, আল্লাহ কখনোই তাদের ক্ষমা করবেন না।’ (সুরা : মুহাম্মদ, আয়াত : ৩৪)

দ্বিনের পথে বাধা দান জঘন্য অপরাধ। এ জন্য আল্লাহ পরকালে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা রেখেছেন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে ঈমানদাররা, পণ্ডিত ও সংসারবিরাগীদের অনেকে মানুষের মালপত্র অন্যায়ভাবে ভোগ করে চলেছে এবং আল্লাহর পথ থেকে লোকদের নিবৃত রেখেছে। আর যারা স্বর্ণ ও রৌপ্য জমা করে রাখে এবং তা ব্যয় করে না আল্লাহর পথে, তাদের কঠোর আজাবের সংবাদ শুনিয়ে দিন।’ (সুরা : তাওবা, আয়াত : ৩৪)

অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘যারা কাফির হয়েছে এবং আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করেছে, আমি তাদের আজাবের পর আজাব বাড়িয়ে দেব। কারণ তারা অশান্তি সৃষ্টি করত।’

(সুরা : নাহল, আয়াত : ৮৮)

অন্যত্র তিনি বলেন, ‘তোমরা নিজেদের কসমগুলোকে পারস্পরিক কলহ-দ্বন্দ্বের বাহানা কোরো না। তাহলে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর পা ফসকে যাবে এবং তোমরা শাস্তির স্বাদ আস্বাদন করবে এ কারণে যে তোমরা আমার পথে বাধা দান করেছ এবং তোমাদের কঠোর শাস্তি হবে।’ (সুরা : নাহল, আয়াত : ৯৪)

আল্লাহ আরো বলেন, ‘যারা কুফরি করে ও আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করে এবং সেই মসজিদে হারাম থেকে বাধা দেয়, যাকে আমি প্রস্তুত করেছি স্থানীয় ও বহিরাগত সব মানুষের জন্য সমভাবে এবং যে মসজিদে হারামে অন্যায়ভাবে কোনো ধর্মদ্রোহী কাজ করার ইচ্ছা করে, আমি তাদের যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি আস্বাদন করাব।’ (সুরা : হজ, আয়াত : ২৫)

দ্বিনের পথে বাধা দানকারীরা যত কৌশল অবলম্বন করুক, তারা যতই প্রভাবশালী হোক, একসময় ব্যর্থ হতে হবে। পরাজয়ের মালা তাদের গলায় পরতেই হবে। এটা মহান আল্লাহর ঘোষণা। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা কুফরি করে এবং আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করে, আল্লাহ তাদের সব কর্ম ব্যর্থ করে দেন।’ (সুরা : মুহাম্মদ, আয়াত : ১)

এই বিভাগের আরও খবর
জিলহজের প্রথম দশকের আমল
জিলহজের প্রথম দশকের আমল
সৌদি পৌঁছেছেন ৫৫৬৯৩ বাংলাদেশি হজযাত্রী
সৌদি পৌঁছেছেন ৫৫৬৯৩ বাংলাদেশি হজযাত্রী
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৪ মে ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৪ মে ২০২৬
হজের প্রতিবিধান ও কাফফারা
হজের প্রতিবিধান ও কাফফারা
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৩ মে ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৩ মে ২০২৬
ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা
ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১২ মে ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১২ মে ২০২৬
সৌদিতে পৌঁছেছেন ৫২৩৩৪ বাংলাদেশি হজযাত্রী
সৌদিতে পৌঁছেছেন ৫২৩৩৪ বাংলাদেশি হজযাত্রী
ইসলামে আলো যেভাবে ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে
ইসলামে আলো যেভাবে ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে
বাহ্যিক সাজসজ্জা মানুষের মর্যাদার মানদণ্ড নয়
বাহ্যিক সাজসজ্জা মানুষের মর্যাদার মানদণ্ড নয়
সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৫১৫৮১ বাংলাদেশি হজযাত্রী
সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৫১৫৮১ বাংলাদেশি হজযাত্রী
সৌদিতে পৌঁছেছেন ৫১ হাজার ১৯৪ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী
সৌদিতে পৌঁছেছেন ৫১ হাজার ১৯৪ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী
সর্বশেষ খবর
জিলহজের প্রথম দশকের আমল
জিলহজের প্রথম দশকের আমল

১৪ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে

১৭ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম
ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম

২৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন
বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অনির্ধারিত ট্রেন থামিয়ে তল্লাশি, টয়লেটে মিলল ১০ কেজি গাঁজা
অনির্ধারিত ট্রেন থামিয়ে তল্লাশি, টয়লেটে মিলল ১০ কেজি গাঁজা

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভারতে বজ্রপাত ও ভারী বর্ষণে ১১১ জনের মৃত্যু
ভারতে বজ্রপাত ও ভারী বর্ষণে ১১১ জনের মৃত্যু

৫৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃষ্ণচূড়ায় রঙিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
কৃষ্ণচূড়ায় রঙিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মুন্সীগঞ্জে করবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্থগিতের দাবিতে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর
মুন্সীগঞ্জে করবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্থগিতের দাবিতে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাঙালি নদী থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার
বাঙালি নদী থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: ডেপুটি স্পিকার
দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: ডেপুটি স্পিকার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুন্সীগঞ্জে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ
মুন্সীগঞ্জে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ
মুন্সীগঞ্জে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে গাঁজাসহ আটক ৫ মাদকসেবীর জেল
নোয়াখালীতে গাঁজাসহ আটক ৫ মাদকসেবীর জেল

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় জাদুঘরে রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণে বর্ণাঢ্য আয়োজন
জাতীয় জাদুঘরে রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণে বর্ণাঢ্য আয়োজন

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুমিল্লায় বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
কুমিল্লায় বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আয়কর আইনজীবী সমিতির নির্বাচন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আয়কর আইনজীবী সমিতির নির্বাচন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৯ জেলায় নতুন এডিসি নিয়োগ
৯ জেলায় নতুন এডিসি নিয়োগ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. এম এম শরীফুল করীম
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. এম এম শরীফুল করীম

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পাহাড়ে পশুর হাটে অজ্ঞান পার্টির আতঙ্ক
পাহাড়ে পশুর হাটে অজ্ঞান পার্টির আতঙ্ক

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, চারজন গ্রেফতার
স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, চারজন গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সাপের কামড়ে গৃহবধূর মৃত্যু
সাপের কামড়ে গৃহবধূর মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা শেষ ১৫ মে
আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা শেষ ১৫ মে

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

খাদ্য গুদামের সাবেক কর্মকর্তার ৮ বছরের কারাদণ্ড
খাদ্য গুদামের সাবেক কর্মকর্তার ৮ বছরের কারাদণ্ড

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল গঠন, নেতৃত্বে আবদুল হাই-জুবায়ের বাবু
টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল গঠন, নেতৃত্বে আবদুল হাই-জুবায়ের বাবু

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারের সাফল্য প্রচারে মঙ্গলবার সমাবেশের ডাক দিল সিলেট মহানগর বিএনপি
সরকারের সাফল্য প্রচারে মঙ্গলবার সমাবেশের ডাক দিল সিলেট মহানগর বিএনপি

৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সমুদ্রপথে বিদেশযাত্রা বন্ধ করতে হবে : প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
সমুদ্রপথে বিদেশযাত্রা বন্ধ করতে হবে : প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

হবিগঞ্জে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার
হবিগঞ্জে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক সংস্কারের কারণে যান চলাচলে ধীরগতি
ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক সংস্কারের কারণে যান চলাচলে ধীরগতি

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় শিশু হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার
গাইবান্ধায় শিশু হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ওমানে গাড়ির ভেতর বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু
ওমানে গাড়ির ভেতর বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু

১৪ ঘণ্টা আগে | পরবাস

পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি
পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলাভেসের কাছে হেরে স্বপ্ন ভাঙল বার্সেলোনার
আলাভেসের কাছে হেরে স্বপ্ন ভাঙল বার্সেলোনার

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদুল আজহায় ছুটি ৭ দিন, প্রজ্ঞাপন জারি
ঈদুল আজহায় ছুটি ৭ দিন, প্রজ্ঞাপন জারি

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজীপুরে ৫ খুনের পর উধাও ফোরকান, সিসিটিভিতে নদীতে ঝাঁপের দৃশ্য
গাজীপুরে ৫ খুনের পর উধাও ফোরকান, সিসিটিভিতে নদীতে ঝাঁপের দৃশ্য

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধের মাঝে গোপনে আমিরাত সফর নেতানিয়াহুর
ইরান যুদ্ধের মাঝে গোপনে আমিরাত সফর নেতানিয়াহুর

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সংঘাত হতে পারে, ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা শি’র
তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সংঘাত হতে পারে, ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা শি’র

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জীবনের মূল্যবান ১৭টি বছর নষ্ট করেছি’, তিন বিয়ে নিয়ে আক্ষেপ অভিনেত্রীর
‘জীবনের মূল্যবান ১৭টি বছর নষ্ট করেছি’, তিন বিয়ে নিয়ে আক্ষেপ অভিনেত্রীর

১৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৭ জানুয়ারি শুরু এসএসসি পরীক্ষা, এইচএসসি ৬ জুন
৭ জানুয়ারি শুরু এসএসসি পরীক্ষা, এইচএসসি ৬ জুন

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আপনার বন্ধু হতে পারা সম্মানের, শি’র উদ্দেশে ট্রাম্প
আপনার বন্ধু হতে পারা সম্মানের, শি’র উদ্দেশে ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আদালতে আইনজীবীর ভূমিকায় মমতা, লড়বেন ভোট পরবর্তী প্রতিহিংসা মামলা
আদালতে আইনজীবীর ভূমিকায় মমতা, লড়বেন ভোট পরবর্তী প্রতিহিংসা মামলা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠতা’র জেরে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে স্ত্রীর ‘চড়’
ইরানি অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠতা’র জেরে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে স্ত্রীর ‘চড়’

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোচিং সেন্টার নিয়ে যে কড়া বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
কোচিং সেন্টার নিয়ে যে কড়া বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস, ১৪ হাজার রানে প্রথম ভারতীয় কোহলি
টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস, ১৪ হাজার রানে প্রথম ভারতীয় কোহলি

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চীন-পাকিস্তানের ভয়ে বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা ভারতের
চীন-পাকিস্তানের ভয়ে বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা ভারতের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দ্বিতীয় টেস্টে পরিবর্তন আনল বাংলাদেশ
দ্বিতীয় টেস্টে পরিবর্তন আনল বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পকে যে রাজকীয় খাবার খাওয়াল চীন
ট্রাম্পকে যে রাজকীয় খাবার খাওয়াল চীন

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসির হ্যাটট্রিকে সিনসিনাটিকে বিধ্বস্ত করল মায়ামি
মেসির হ্যাটট্রিকে সিনসিনাটিকে বিধ্বস্ত করল মায়ামি

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ
ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার
ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

রেললাইনে বসে মোবাইলে গেমস খেলার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ কিশোরের মৃত্যু
রেললাইনে বসে মোবাইলে গেমস খেলার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ কিশোরের মৃত্যু

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘রেড লাইন’ না মানলে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা নয় : জেডি ভ্যান্স
‘রেড লাইন’ না মানলে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা নয় : জেডি ভ্যান্স

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দক্ষিণ কোরিয়া গমনেচ্ছুদের বিক্ষোভ, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস মন্ত্রীর
দক্ষিণ কোরিয়া গমনেচ্ছুদের বিক্ষোভ, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস মন্ত্রীর

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোটে হারের পর আদালতে মমতা, পুরনো পেশায় প্রত্যাবর্তন
ভোটে হারের পর আদালতে মমতা, পুরনো পেশায় প্রত্যাবর্তন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের সিদ্ধান্ত
পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের সিদ্ধান্ত

১৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৪ মে)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৪ মে)

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্যালেসকে হারিয়ে শিরোপার লড়াই জমিয়ে তুলল ম্যানসিটি
প্যালেসকে হারিয়ে শিরোপার লড়াই জমিয়ে তুলল ম্যানসিটি

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান
নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইনুর মামলার রায় যেকোনো দিন
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইনুর মামলার রায় যেকোনো দিন

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দিল্লিতে আবারও বাসের ভেতরে গণধর্ষণ
দিল্লিতে আবারও বাসের ভেতরে গণধর্ষণ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক
চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক

প্রথম পৃষ্ঠা

জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?
জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

শর্টকাটে বড়লোক!
শর্টকাটে বড়লোক!

প্রথম পৃষ্ঠা

জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস
জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

সড়ক যেন বিভীষিকা
সড়ক যেন বিভীষিকা

পেছনের পৃষ্ঠা

আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’
আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’

মাঠে ময়দানে

রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা
রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

কুমার নদের করুণ দশা
কুমার নদের করুণ দশা

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা
ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা

নগর জীবন

আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের
আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব
রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব

সম্পাদকীয়

মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী
আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী

পেছনের পৃষ্ঠা

কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান
কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান

নগর জীবন

ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১
ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১

দেশগ্রাম

২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু
২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু

দেশগ্রাম

রেললাইনে মোবাইলে গেম খেলছিল দুই কিশোর কাটা পড়ল ট্রেনে
রেললাইনে মোবাইলে গেম খেলছিল দুই কিশোর কাটা পড়ল ট্রেনে

দেশগ্রাম

দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’
দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’

শোবিজ

মহাসড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি
মহাসড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি

দেশগ্রাম

মায়ের ছায়া
মায়ের ছায়া

ডাংগুলি

ভালোবাসি মাগো
ভালোবাসি মাগো

ডাংগুলি

শিশু শিক্ষার্থী নির্যাতন শিক্ষক গ্রেপ্তার
শিশু শিক্ষার্থী নির্যাতন শিক্ষক গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

শিক্ষাবঞ্চিত চরের শিশুরা
শিক্ষাবঞ্চিত চরের শিশুরা

দেশগ্রাম

ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন মৌনী রায়
ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন মৌনী রায়

শোবিজ

নারীর টাকা ছিনতাই, প্রাণনাশের হুমকি
নারীর টাকা ছিনতাই, প্রাণনাশের হুমকি

দেশগ্রাম

পাথরবোঝাই ট্রাকে নিষিদ্ধ ইনজেকশন
পাথরবোঝাই ট্রাকে নিষিদ্ধ ইনজেকশন

দেশগ্রাম

ট্রেনের বগি বিচ্ছিন্ন, অল্পে রক্ষা যাত্রীরা
ট্রেনের বগি বিচ্ছিন্ন, অল্পে রক্ষা যাত্রীরা

দেশগ্রাম

‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমার সেন্সর বাতিল
‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমার সেন্সর বাতিল

শোবিজ