Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১৯ জুলাই, ২০১৭ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ জুলাই, ২০১৭ ০২:৫৪

জাতিসংঘ ফোরামে আলোচনা

এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের সাফল্য

এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের সাফল্য

২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য অর্জন করতে হলে জলবায়ু পরিবর্তন রোধ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার ইস্যুকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। সামাজিক শান্তি এবং মানুষের জীবনমানের উন্নয়নেও সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। এমন অভিমত পোষণ করেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেজ। খবর এনআরবি নিউজের।  নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে এসডিজির অগ্রগতির আলোকে তিন দিনব্যাপী শীর্ষ পর্যায়ের রাজনৈতিক ফোরামের (হাই লেভেল পলিটিক্যাল ফোরাম তথা এইচএলপিএফ) প্রথম দিন সোমবার, এসডিজির অনেক বিষয়েই গত দুই বছরের অগ্রগতি সন্তোষজনক হলেও বেশকিছু ইস্যুতে হতাশা ব্যক্ত করেছেন মহাসচিব। যদিও বাংলাদেশের বক্তব্য উপস্থাপনের পর মন্ত্রী পর্যায়ের এ শীর্ষ সম্মেলনের সবাই আশাবাদী হয়ে ওঠেন। নানা প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ এসডিজির লক্ষ্য অর্জনে অত্যন্ত আস্থার সঙ্গে কাজ করছে বলে উল্লেখ করা হয়। এসডিজি বাস্তবায়নের অগ্রগতিবিষয়ক বাংলাদেশের জাতীয় রিপোর্ট উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ সরকারের এসডিজি বাস্তবায়নের মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ। মন্ত্রী পর্যায়ের এই সেগমেন্টে ৪৪টি দেশ তাদের ন্যাশনাল রিপোর্ট উপস্থাপন করছে। এ পর্বে বাংলাদেশের পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল মূল মঞ্চে উপবেশন করেন অন্যতম প্যানেলিস্ট হিসেবে। তিনি বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের পক্ষ থেকে উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশের জাতীয় রিপোর্ট উপস্থাপন করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্যসচিব ও বর্তমানে প্রধান সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদকে আহ্বান জানান। আবুল কালাম আজাদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের স্বপ্নের সোনার বাংলা রচনায় তারই সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্বে গোটা জাতি ঐক্যবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন। এ সময় এসডিজির সাতটি অভীষ্ট লক্ষ্য যথা : দারিদ্র্য নির্মূল (অভীষ্ট-১), ক্ষুধা (অভীষ্ট-২), সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ (অভীষ্ট-৩), লিঙ্গসমতা (অভীষ্ট-৫), শিল্প উদ্ভাবন ও অবকাঠামো (অভীষ্ট-৯), জলজ জীবন (অভীষ্ট-১৪) ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব (অভীষ্ট-১৭) বাস্তবায়নে বাংলাদেশের অর্জনসমূহ উল্লেখ করা হয়। বাংলাদেশকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঁচটি ভিশন যথা : ২০২১ সালের মধ্যে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত করা, ২০৩০ সালে এসডিজি বাস্তবায়নের মাধ্যমে উন্নয়নের মহাসড়কে উপনীত হওয়া, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হওয়া, ২০৭১ সালে স্বাধীনতার শতবর্ষ পূর্তিতে বাংলাদেশকে উন্নয়নের বিস্ময়ে পরিণত করা এবং ২১০০ সালে ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে নিরাপদ ব-দ্বীপ হিসেবে গড়ে তোলা— এ রিপোর্টে সন্নিবেশিত হয়।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর