Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ জানুয়ারি, ২০১৯ ২২:৫৮

রা জ নী তি

যুদ্ধাপরাধীর সম্পদ বাজেয়াপ্তের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে

প্রতিদিন ডেস্ক

যুদ্ধাপরাধীর সম্পদ বাজেয়াপ্তের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার জন্য আইনি কাঠামো তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

গতকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধীদের পরিবারের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার কাজ গত বছরই শুরু হয়েছে। এখন এটা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।’ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ২০১০ সালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হলে তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করারও দাবি ওঠে। একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহায়তা করে জামায়াতে ইসলামীসহ বেশ কয়েকটি ধর্মভিত্তিক দল। রাজাকার, আলবদর, আলশামস নামে বিভিন্ন দল গঠন করে তারা ধর্ষণ, অপহরণ, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ, ধর্মান্তরে বাধ্য করার মতো যুদ্ধাপরাধ ঘটায়। মুক্তিযুদ্ধকালীন জামায়াত আমির গোলাম আযমের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ মামলার রায়ের পর্যবেক্ষণে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বলেছে, ‘সাধারণ জ্ঞান ও দালিলিক প্রমাণাদি থেকে এটা স্পষ্ট যে, জামায়াত ও এর অধীনস্থ সংগঠনের প্রায় সবাই সক্রিয়ভাবে বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছেন। গোলাম আযমের নেতৃত্বে জামায়াতে ইসলামী একটি ক্রিমিনাল দল হিসেবে উদ্দেশ্যমূলকভাবে কাজ করেছে।’ ২০১৩ সালে শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন গড়ে উঠলে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্তদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার দাবিও জোরালো হয়ে ওঠে। সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী আওয়ামী লীগ নেতা শাজাহান খানও ২০১৫ সালে এক অনুষ্ঠানে যুদ্ধাপরাধে দ প্রাপ্তদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার দাবিতে সমর্থন দেন।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ওই বছর আরেক অনুষ্ঠানে বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার জন্য কোনো আইন নেই। সেজন্য সরকার আইন প্রণয়ন করবে।

এরপর ২০১৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধুর খুনি ও দি ত যুদ্ধাপরাধীদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার একটি প্রস্তাব সংসদে তোলা হলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সেদিন সংসদে বলেন, ‘যাদের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে, তাদের সম্পত্তি ওয়ারিশের হাতে চলে যাওয়ায় আইনের মাধ্যমে তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে সময় লাগবে। তবে যারা পলাতক রয়েছে, তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে কোনো অসুবিধা নেই।’

কসবায় একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গতকাল ট্রেনে ঢাকা থেকে আখাউড়ায় আসেন আইনমন্ত্রী। সেখান থেকে সড়কপথে যান কসবায়। এ সময় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীরা মন্ত্রীর হাতে কাগজের নৌকা তুলে দেয়। পাশাপাশি ফুল ছিটিয়ে তাকে বরণ করা হয়।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর