শহরের কোলাহলেই গাছগাছালিতে ফিরে এসেছে শামুকখোল আর পানকৌড়ি। প্রতি বছরই নিয়ম করে তারা আসছে, বাসা বাঁধছে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আশপাশের গাছে। উঁচু গাছের পাশাপাশি নিচু গাছেও তারা আশ্রয় নিয়েছে, যা মুগ্ধ করছে সবাইকে।
হাসপাতালের পাশের দোকানি সমশের আলী জানান, প্রতি বছর জুন-জুলাই মাসে পাখিগুলো আসে। আবার ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসের দিকে চলে যায়। গত ১০-১২ বছর থেকে তিনি এমনটিই দেখছেন। সোহেলী পারভীন হাসপাতালে এসেছেন কাজে। তিনি পাখিগুলোর ছবি তুলছিলেন। জানালেন, এত কোলাহলে পাখি বাসা বাঁধে, আগে কখনো দেখেননি। তাই ছবি তুলে রাখছেন।
প্রাণিবিজ্ঞানী ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এএম সালেহ রেজা বলেন, প্রতি বছরই নিয়ম করে আসে শামুকখোল আর পানকৌড়ি। পাখিদের আগমনে খুশি স্থানীয় মানুষও। কেউ ছবি তোলে, কেউ আবার মুগ্ধ হয়ে চেয়ে থাকে। নগরায়ণের চাপে হারিয়ে যাচ্ছে অনেক গাছ, কমে আসছে পাখিদের আবাস। হাসপাতাল ও তার আশপাশে পাখিগুলো প্রতি বছর আসছে, মানে সেখানে তারা নিরাপদ, খাদ্য নিরাপত্তা ও বাচ্চা উৎপাদনের অনুকূল পরিবেশ পাচ্ছে।