শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০০:৪৭, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

দুর্নীতি বন্ধে দরকার সরকারের নিয়ন্ত্রণে জনশক্তি রপ্তানি

জনশক্তি রপ্তানি ধাপে ধাপে দুর্নীতি - শেষ পর্ব
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
দুর্নীতি বন্ধে দরকার সরকারের নিয়ন্ত্রণে জনশক্তি রপ্তানি

বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য জনশক্তি রপ্তানি অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু বেসরকারি জনশক্তি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর সীমাহীন দুর্নীতি এবং অনিয়মের কারণে জনশক্তি রপ্তানি আজ হুমকির মুখে। আর এজন্যই দরকার জনশক্তি রপ্তানিতে সরকারের একক নিয়ন্ত্রণ।

বিশ্বব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, বিদেশ যেতে বাংলাদেশি কর্মীদেরই সবচেয়ে বেশি টাকা খরচ হয়। দুর্নীতিবিষয়ক গবেষণা সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) তথ্য, ফিলিপাইনের কর্মীরা মধ্যপ্রাচ্যে বিনা খরচে কাজের অনুমতি বা ওয়ার্ক পারমিট পান। সে একই অনুমতিপত্র পেতে বাংলাদেশি কর্মীদের মাথাপিছু খরচ হয় ২ থেকে ৩ লাখ টাকা। এভাবে জনশক্তি রপ্তানিতে বিদেশ থেকে চাহিদাপত্র, যা ‘ভিসা কেনা’ নামে পরিচিত, সংগ্রহ করে দেশে তা প্রক্রিয়াকরণে বছরে হাজার হাজার কোটি টাকার অনিয়ম হয়।

বিদেশে কাজের জন্য যাওয়া কর্মীদের কাছ থেকে মধ্যস্বত্বভোগী ও রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো যথেচ্ছ টাকা আদায় করছে। এর জন্য ভিসা কেনাবেচাকে দায়ী করেছেন জনশক্তি খাত সংশ্লিষ্টরা।

টিআইবির তথ্যানুযায়ী, বিদেশগামী ৯০ ভাগ পুরুষ কর্মী দুর্নীতির শিকার হন। ‘ভিসা কেনা’ বাবদ প্রতি বছর ১৫ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে যায়। এ টাকার একটি অংশ পায় প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সিন্ডিকেট। সরকার নির্ধারিত ব্যয়ের চেয়ে ২ থেকে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত বেশি আদায় করে এজেন্সিগুলো। এ বাড়তি টাকা চাহিদাপত্র কিনতে যায় বলে এজেন্সিগুলো দাবি করে। প্রায় প্রতিটি চাহিদাপত্র কিনে আনেন জনশক্তি রপ্তানিকারকরা। তা দেশে এনে কর্মীদের কাছে বিক্রি করেন। গন্তব্য দেশ ও বাংলাদেশ দুই দেশের দালালরা এ কেনাবেচায় জড়িত। এতে বিদেশ যাওয়ার খরচ (অভিবাসন ব্যয়) সরকার নির্ধারিত সীমার চেয়ে তিন গুণ পর্যন্ত বেশি হয়। বিদেশ থেকে কর্মীর চাহিদাপত্র সংগ্রহ করে রিক্রুটিং এজেন্সি। এর বিপরীতে কর্মীরা ভিসা পান। ভিসা প্রক্রিয়াকরণে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি), ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে ছাড়পত্র সংগ্রহ, ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়া, দূতাবাস থেকে ভিসা সত্যায়ন করতে হয়। এগুলো এজেন্সির মাধ্যমে করতে হয় এবং এর প্রতিটি ধাপে অনিয়ম হয় বলে অনুসন্ধানে দেখা যায়।

এজেন্সির কর্মকর্তারা জানান, সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে প্রবাসীকল্যাণ ভবনে ‘বই’প্রতি ২০ হাজার টাকা দিতে (পাসপোর্টকে বই বলা হয় এখানে)। মধ্যপ্রাচ্যে নারী কর্মীদের বিনা খরচে বিদেশ যাওয়ার কথা থাকলেও তাদের ‘বই’ থেকেও টাকা আদায় হয়। গত বছরে প্রায় ১০ লাখ কর্মী বিদেশে গেছেন। কর্মীপ্রতি ২০ হাজার টাকা হিসেবে ২ হাজার কোটি টাকা ঘুষ লেনদেন হয়েছে।

এভাবেই ঘুষ এবং দুর্নীতির কারণে অভিবাসন ব্যয় বেড়ে যায় কয়েক গুণ। অভিবাসন বিশ্লেষকরা বলছেন, এ তো গেল সরকার আর এজেন্সির উপরি আয়। কিন্তু এর বাইরেও টাকা গুনতে হয়, বিদেশে গমনেচ্ছুকদের। গবেষণায় দেখা যায়, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রিক্রুটিং এজেন্সির সঙ্গে বিদেশে যেতে আগ্রহী ব্যক্তিদের যোগাযোগ হয় দালালদের মাধ্যমে। এসব দালাল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে। তারা মূলত বিদেশে কাজের সন্ধানে যেতে আগ্রহীদের তালাশ করে। তাদের নানারকম প্রলোভন দেখায়। দেয় মিথ্যা আশ্বাস। এ দালালদের মাধ্যমেই জনশক্তি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো খদ্দের সংগ্রহ করে। এ দালালরাও অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে বিদেশে যেতে আগ্রহীদের কাছ থেকে। দীর্ঘদিন ধরে মাঠে কাজ করার কারণে মানব পাচারকারী চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে এ দালালরা। এরা অবৈধ পথে ইউরোপে যাওয়ার প্রলোভন দেখায়। আর এ কারণেই অবৈধভাবে সমুদ্র পথে ইউরোপে যাওয়ার হার বাড়ছে। সমুদ্রপথে অবৈধ অভিবাসন দেশের অন্যতম বড় দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনো বৈধ প্রক্রিয়া ছাড়াই নিয়মিতভাবে এ পথে বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করছেন অভিবাসনেচ্ছুরা। এমনকি জীবনের ঝুঁকি উপেক্ষা করেও ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন অনেক বাংলাদেশি। সম্প্রতি ইতালিতে অভিবাসন প্রত্যাশায় ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে সাতজন ঠান্ডায় নৌকাতেই মারা গেছেন বলে খবর মিলেছে। অবৈধ অভিবাসনের প্রচেষ্টাকালে মারা যাওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগেও বেশ কয়েকবার এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। মাঝেমাঝেই এ ধরনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হচ্ছে। এটা উদ্বেগজনক। এতে একদিকে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের প্রাণ বিপন্ন হচ্ছে, অন্যদিকে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

বিভিন্ন সময়ে উদ্যোগ সত্ত্বেও অবৈধ অভিবাসন রোধ করা যাচ্ছে না। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবৈধ পন্থায় বিদেশে পাড়ি দিচ্ছেন অভিবাসনপ্রত্যাশী বাংলাদেশি তরুণরা। মূলত দালাল ও পাচারকারীদের প্ররোচনা-প্রতারণায় ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসনের পথে পা বাড়াচ্ছেন তারা। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক কমিশনের (ইউএনএইচসিআর) তথ্যমতে, অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশের শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে। অবৈধ অভিবাসনের ক্ষেত্রে ‘পুশ’ ও ‘পুল’ উভয় ফ্যাক্টরই কাজ করছে। দেশে চাকরিপ্রত্যাশীদের তুলনায় বাজার অনেক ছোট। তার ওপর চাকরিপ্রত্যাশীদের অনেকেই অদক্ষ কিংবা কম দক্ষ। এসব কারণে প্রতিযোগিতার বাজারে তারা জায়গা করে নিতে পারেন না। আবার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে শ্রমবাজারে বৈষম্য তো রয়েছেই। সামাজিক অস্থিরতা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণেও জীবন অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। এগুলো হলো পুশ ফ্যাক্টর। আর পুল ফ্যাক্টর হলো বিদেশে উচ্চ মজুরি, নিরাপদ জীবন, নাগরিক সুবিধা, সামাজিক ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার হাতছানি। সব মিলিয়ে বাড়ছে ঝুঁকিপূর্ণ অবৈধ অভিবাসন। অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গে মানব পাচারের একটা সংযোগ আছে। একে তো অর্থনৈতিক সচ্ছলতা আনার স্বপ্নে নিজেরাই মরিয়া হয়ে বাইরে যেতে চায়, আবার পাচার চক্রের প্রলোভনেও ঝুঁকিপূর্ণ পথ বেছে নিতে প্রলুব্ধ হয়। দেশে অবৈধ অভিবাসন তথা মানব পাচার প্রতিরোধে শক্ত আইন রয়েছে। এর যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা দরকার। ২০১২ সালে আইনটি প্রণীত হলেও দুঃখজনকভাবে মানব পাচারবিষয়ক অপরাধের তদন্ত, মামলা পরিচালনা ও অপরাধীর দণ্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রগতি সামান্য। অনেক মামলা দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলে আছে। এসব মামলার বিচারপ্রক্রিয়ায় গতি আনতে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল দাবি করছে সংশ্লিষ্টরা।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, সব দেশে জনশক্তি রপ্তানি সরাসরি সরকারের মাধ্যমে হলেই কেবল এ ধরনের দুর্নীতি এবং অনিয়ম বন্ধ হতে পারে। একজন অভিবাসনপ্রত্যাশী যে দেশেই যেতে চান না কেন, তাকে সরাসরি সরকারের মাধ্যমেই যেতে হবে। বাংলাদেশের প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়, সব দেশকে অনুরোধ করবে তারা যেন তাদের চাহিদাপত্র সরকারের কাছে পাঠায়। বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোর একটি প্রধান কাজ হবে যে, তারা ওই দেশে কর্মসংস্থানের কি কি সুযোগ আছে তা নিয়মিতভাবে অনুসন্ধান চালাবে। এজন্য প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগ দিতে হবে। বিভিন্ন দেশ তাদের দূতাবাসের মাধ্যমে জনশক্তির চাহিদা জানাবে। প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রাপ্ত চাহিদার ভিত্তিতে যোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা প্রণয়ন করবে এবং অভিবাসন-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবে। এ ক্ষেত্রে একজন অভিবাসীপ্রত্যাশী সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি দিয়ে বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য যেতে পারবে। এর ফলে যেমন অভিবাসন ব্যয় কমবে, তেমনি বন্ধ হবে জালিয়াতি ও প্রতারণা। বিদেশেও বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে। ফলে বহু দেশ বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে আগ্রহী হবে।

এই বিভাগের আরও খবর
হাদির পরিবার  ফ্ল্যাট পাচ্ছেন
হাদির পরিবার ফ্ল্যাট পাচ্ছেন
বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২০
বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২০
আগুনে পুড়ে গেছে শতাধিক ঘর
আগুনে পুড়ে গেছে শতাধিক ঘর
সাদা বক
সাদা বক
কুমিল্লা-১ ও ২ আসনে ইসির নির্ধারিত সীমানা বহাল
কুমিল্লা-১ ও ২ আসনে ইসির নির্ধারিত সীমানা বহাল
রংপুরে রোকেয়া স্মৃতি কেন্দ্রে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে গোলাপ
রংপুরে রোকেয়া স্মৃতি কেন্দ্রে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে গোলাপ
শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
হিমাগারে বস্তার ওজন ৫০ কেজির বেশি না করার দাবি
হিমাগারে বস্তার ওজন ৫০ কেজির বেশি না করার দাবি
১০ দিন পর উদ্ধার তিন জেলের লাশ
১০ দিন পর উদ্ধার তিন জেলের লাশ
রায়পুরায় জেল পলাতক আসামিকে কুপিয়ে হত্যা
রায়পুরায় জেল পলাতক আসামিকে কুপিয়ে হত্যা
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে মাঠে উপদেষ্টারা
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে মাঠে উপদেষ্টারা
মা-মেয়ে হত্যায় সেই শিক্ষিকার স্বামী রিমান্ডে
মা-মেয়ে হত্যায় সেই শিক্ষিকার স্বামী রিমান্ডে
সর্বশেষ খবর
কেরানীগঞ্জে বিষপানে গৃহবধূর মৃত্যু
কেরানীগঞ্জে বিষপানে গৃহবধূর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোরগঞ্জের ছয় আসনে বৈধ প্রার্থী ৪৮ জন
কিশোরগঞ্জের ছয় আসনে বৈধ প্রার্থী ৪৮ জন

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সাভারের চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান, আটক ৩
সাভারের চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান, আটক ৩

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

করাচিতে শপিং মলে আগুন : নিহত ২৮, নিখোঁজ ৮১
করাচিতে শপিং মলে আগুন : নিহত ২৮, নিখোঁজ ৮১

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের আমন্ত্রণে গাজা বোর্ড অব পিসে যুক্ত হলো ইউএই
ট্রাম্পের আমন্ত্রণে গাজা বোর্ড অব পিসে যুক্ত হলো ইউএই

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাণীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় নবীজি (সা.)
প্রাণীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় নবীজি (সা.)

৫ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

দিনভর বিক্ষোভ-রাতভর বৈঠকের পর ইউএপি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত
দিনভর বিক্ষোভ-রাতভর বৈঠকের পর ইউএপি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

যশোরে মুদি দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা, ‘গণপিটুনিতে হামলাকারী’ নিহত
যশোরে মুদি দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা, ‘গণপিটুনিতে হামলাকারী’ নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আইনশৃঙ্খলার উন্নতি নেই
আইনশৃঙ্খলার উন্নতি নেই

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২১ জানুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২১ জানুয়ারি)

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভুটান লিগের সেরা উইঙ্গারকে দলে নিলো ফর্টিস
ভুটান লিগের সেরা উইঙ্গারকে দলে নিলো ফর্টিস

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রিনল্যান্ড প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র ইইউ সম্পর্ক কি ভাঙনের পথে?
গ্রিনল্যান্ড প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র ইইউ সম্পর্ক কি ভাঙনের পথে?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের বিষয়টি জনগণকে বোঝাতে হবে: উপদেষ্টা শারমীন মুরশিদ
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের বিষয়টি জনগণকে বোঝাতে হবে: উপদেষ্টা শারমীন মুরশিদ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নড়াইলের দুটি আসনে তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার
নড়াইলের দুটি আসনে তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ফুটবলারদের জন্য মঞ্চ মাতাবে ‘গ্রিন ডে’
ফুটবলারদের জন্য মঞ্চ মাতাবে ‘গ্রিন ডে’

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকীতে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আলোচনা সভা
জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকীতে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আলোচনা সভা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুরে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেন পাঁচজন
দিনাজপুরে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেন পাঁচজন

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের সেরা অবস্থানে মরক্কো
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের সেরা অবস্থানে মরক্কো

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমার হাঁস যেন চুরি না হয়: রুমিন ফারহানা
আমার হাঁস যেন চুরি না হয়: রুমিন ফারহানা

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জামায়াত-এনসিপিসহ ৪ দলকে সতর্ক করল ইসি
জামায়াত-এনসিপিসহ ৪ দলকে সতর্ক করল ইসি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে জরিমানা
চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে জরিমানা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় ১০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার
কুমিল্লায় ১০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বগুড়ায় তিন প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার
বগুড়ায় তিন প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রাজশাহীকে হারিয়ে বিপিএলের ফাইনালে চট্টগ্রাম
রাজশাহীকে হারিয়ে বিপিএলের ফাইনালে চট্টগ্রাম

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জিয়াউর রহমানকে হত্যার মাধ্যমে বিএনপিকে হত্যাচেষ্টা করা হয়েছিল : খন্দকার মোশাররফ
জিয়াউর রহমানকে হত্যার মাধ্যমে বিএনপিকে হত্যাচেষ্টা করা হয়েছিল : খন্দকার মোশাররফ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শীতে এলার্জি ঠেকাতে কার্যকর ৫ উপায়
শীতে এলার্জি ঠেকাতে কার্যকর ৫ উপায়

৯ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

চোখের নিচে কালো দাগ!
চোখের নিচে কালো দাগ!

৯ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ট্রাম্পকে এক হাত নিলেন ম্যাক্রোঁ
ট্রাম্পকে এক হাত নিলেন ম্যাক্রোঁ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দৌলতপুরে বাঁশঝাড় ও মাঠ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, দুটি মামলা
দৌলতপুরে বাঁশঝাড় ও মাঠ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, দুটি মামলা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জামায়াত-এনসিপিসহ ৪ দলকে সতর্ক করল ইসি
জামায়াত-এনসিপিসহ ৪ দলকে সতর্ক করল ইসি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’
‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ: কঠিন সমীকরণের সামনে বাংলাদেশ
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ: কঠিন সমীকরণের সামনে বাংলাদেশ

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভিক্ষার টাকা সুদে লাগিয়ে তিন বাড়ির মালিক, রয়েছে প্রাইভেট কারও!
ভিক্ষার টাকা সুদে লাগিয়ে তিন বাড়ির মালিক, রয়েছে প্রাইভেট কারও!

৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মানুষ খুন করা সম্রাটের নেশায় পরিণত হয়েছিল, পুলিশকে স্বীকারোক্তি
মানুষ খুন করা সম্রাটের নেশায় পরিণত হয়েছিল, পুলিশকে স্বীকারোক্তি

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরিবর্তন হচ্ছে মন্ত্রণালয়ের নাম
পরিবর্তন হচ্ছে মন্ত্রণালয়ের নাম

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের চাল আমদানির খবরে খুশি ভারতীয় ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশের চাল আমদানির খবরে খুশি ভারতীয় ব্যবসায়ীরা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২ বছরের আগে বাড়ি ভাড়া না বাড়ানোর নির্দেশনা ঢাকা উত্তর সিটির
২ বছরের আগে বাড়ি ভাড়া না বাড়ানোর নির্দেশনা ঢাকা উত্তর সিটির

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুনামগঞ্জ-১: জামায়াত প্রার্থীকে তালাবদ্ধ করে রেখেছে কর্মীরা
সুনামগঞ্জ-১: জামায়াত প্রার্থীকে তালাবদ্ধ করে রেখেছে কর্মীরা

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রতিদিন মধু খাওয়ার উপকারিতা
প্রতিদিন মধু খাওয়ার উপকারিতা

২২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

ফিফা র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ, বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়
ফিফা র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ, বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজায় তুরস্ক-কাতারের সেনা মোতায়েনের বিরোধিতা করে যা বললেন নেতানিয়াহু
গাজায় তুরস্ক-কাতারের সেনা মোতায়েনের বিরোধিতা করে যা বললেন নেতানিয়াহু

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান
বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, দুই বন্ধু গ্রেফতার
স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, দুই বন্ধু গ্রেফতার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমার হাঁস যেন চুরি না হয়: রুমিন ফারহানা
আমার হাঁস যেন চুরি না হয়: রুমিন ফারহানা

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়ার প্রশ্নে যা বললেন লিটন
বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়ার প্রশ্নে যা বললেন লিটন

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্বাস্থ্যের দুই বিভাগ একত্রিত করার অনুমোদন
স্বাস্থ্যের দুই বিভাগ একত্রিত করার অনুমোদন

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ভারতের চাপে আইসিসি কোনো অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দিলে মানবো না’
‘ভারতের চাপে আইসিসি কোনো অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দিলে মানবো না’

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গ্রিনল্যান্ডে সামরিক প্লেন পাঠালেন ট্রাম্প
গ্রিনল্যান্ডে সামরিক প্লেন পাঠালেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইভ্যালির রাসেল-শামীমাকে ফের গ্রেফতার করলো ডিবি
ইভ্যালির রাসেল-শামীমাকে ফের গ্রেফতার করলো ডিবি

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পদ্মা সেতুতে টোল আদায়ের অনন্য মাইলফলক
পদ্মা সেতুতে টোল আদায়ের অনন্য মাইলফলক

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২৯ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
২৯ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

১৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ঢাকার ১৩টি আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৮ প্রার্থীর
ঢাকার ১৩টি আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৮ প্রার্থীর

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নয়াদিল্লিতে আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে যেভাবে শুভেচ্ছা জানালেন মোদি
নয়াদিল্লিতে আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে যেভাবে শুভেচ্ছা জানালেন মোদি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুঁড়া দুধে ৬৭ ভাগই ভেজাল, শিশুস্বাস্থ্যে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি
গুঁড়া দুধে ৬৭ ভাগই ভেজাল, শিশুস্বাস্থ্যে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি

২১ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

উত্তেজনা বাড়িয়ে গ্রিনল্যান্ডে আরও সেনা মোতায়েন করল ডেনমার্ক
উত্তেজনা বাড়িয়ে গ্রিনল্যান্ডে আরও সেনা মোতায়েন করল ডেনমার্ক

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামায়াত আমিরসহ ৭ নেতাকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ ইসির
জামায়াত আমিরসহ ৭ নেতাকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ ইসির

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পকে এক হাত নিলেন ম্যাক্রোঁ
ট্রাম্পকে এক হাত নিলেন ম্যাক্রোঁ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পবিত্র রমজানের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ
পবিত্র রমজানের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ভয়ংকর জঙ্গল সলিমপুর
ভয়ংকর জঙ্গল সলিমপুর

প্রথম পৃষ্ঠা

দ্বৈত অবস্থানে এনসিপি
দ্বৈত অবস্থানে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

৪৪ পুলিশ নিহতের ঘটনায় ২০ মামলা
৪৪ পুলিশ নিহতের ঘটনায় ২০ মামলা

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রত্যাহার ৩০৫ লড়াইয়ে ১৯৬৭
প্রত্যাহার ৩০৫ লড়াইয়ে ১৯৬৭

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশি পোশাকে বিদেশি ট্যাগ
দেশি পোশাকে বিদেশি ট্যাগ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তিনটি ভোটও নেই হুমকি দিচ্ছেন নির্বাচন হতে দেবেন না
তিনটি ভোটও নেই হুমকি দিচ্ছেন নির্বাচন হতে দেবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

মুখোমুখি পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ীরা
মুখোমুখি পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

জুলাই গণ অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন প্রধান উপদেষ্টার
জুলাই গণ অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন প্রধান উপদেষ্টার

প্রথম পৃষ্ঠা

অ্যাম্বুলেন্স থেকে গাড়ি সব সিন্ডিকেটে জিম্মি
অ্যাম্বুলেন্স থেকে গাড়ি সব সিন্ডিকেটে জিম্মি

প্রথম পৃষ্ঠা

কী হবে কুড়িয়ে পাওয়া শিশুর
কী হবে কুড়িয়ে পাওয়া শিশুর

পেছনের পৃষ্ঠা

মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করি
মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করি

প্রথম পৃষ্ঠা

অন্যরকম পেট কার্নিভাল
অন্যরকম পেট কার্নিভাল

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ ইতালি সামরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা
বাংলাদেশ ইতালি সামরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

জাসদ সর্বহারার আত্মঘাতী রাজনীতি
জাসদ সর্বহারার আত্মঘাতী রাজনীতি

সম্পাদকীয়

বিশ্বকাপ নিয়ে লিটন কিছুই জানেন না
বিশ্বকাপ নিয়ে লিটন কিছুই জানেন না

মাঠে ময়দানে

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে লাগবে তিন-চার মাস
নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে লাগবে তিন-চার মাস

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বামীকে খুঁটিতে বেঁধে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ গৃহবধূকে
স্বামীকে খুঁটিতে বেঁধে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ গৃহবধূকে

দেশগ্রাম

মধুমিতার নতুন অধ্যায়
মধুমিতার নতুন অধ্যায়

শোবিজ

ভিন্ন লুকে জয়া
ভিন্ন লুকে জয়া

শোবিজ

বয়স কমাতে নিন এসব কৌশল
বয়স কমাতে নিন এসব কৌশল

রকমারি লাইফ স্টাইল

স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থীকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার
স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থীকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার

দেশগ্রাম

শুটিংয়ে ব্যস্ত শীর্ষ তারকারা
শুটিংয়ে ব্যস্ত শীর্ষ তারকারা

শোবিজ

সিনেমায় কবির সুমন আসিফের রসায়ন
সিনেমায় কবির সুমন আসিফের রসায়ন

শোবিজ

চার বছর পর শপথ
চার বছর পর শপথ

দেশগ্রাম

মাহির দুঃস্বপ্ন
মাহির দুঃস্বপ্ন

শোবিজ

যুবদল সদস্যসচিবের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার দাবিতে বিক্ষোভ
যুবদল সদস্যসচিবের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার দাবিতে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল যুবকের
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল যুবকের

দেশগ্রাম

দূষণে বিপন্ন পরিযায়ী পাখি
দূষণে বিপন্ন পরিযায়ী পাখি

সম্পাদকীয়

পূর্বাচলে গাইবেন পার্থ বড়ুয়া-মারুফ
পূর্বাচলে গাইবেন পার্থ বড়ুয়া-মারুফ

শোবিজ