শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০০:৪৯, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

হানাদার বাহিনীর বর্বরতা

ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে

শাহ্ দিদার আলম নবেল, সিলেট
প্রিন্ট ভার্সন
ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে

২৬ মে, ১৯৭১। সকাল প্রায় ১০টা। পাকিস্তানি আর্মিরা শান্তি কমিটি গঠনের নামে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার বুরুঙ্গা হাইস্কুলে জড়ো করে বিভিন্ন গ্রামের সহজ-সরল নারী-পুরুষদের। পাকসেনারা আগের দিন বাজারে এসে জানিয়ে যায় কেউ যেন কারও ওপর অত্যাচার করতে না পারে, সেজন্য সবাইকে ‘শান্তি কার্ড’ দেওয়া হবে। স্কুলের অফিস কক্ষে হিন্দুদের, আর ক্লাসরুমগুলোতে মুসলমানদের আলাদা করে রাখা হয়। এরপর ঘটে নারকীয় হত্যাকাণ্ড। ব্রাশফায়ার করে হত্যা করা হয় হিন্দু সম্প্রদায়ের শতাধিক লোককে, যা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ‘বুরুঙ্গা গণহত্যা’ নামে পরিচিত। ওই সময় ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান বুরুঙ্গা হাইস্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক শ্রীনিবাস চক্রবর্তী। শ্রীনিবাস চক্রবর্তী জানান, সে সময় তিনি ছিলেন আঠারো বছরের কলেজপড়ুয়া যুবক। অন্যদের সঙ্গে তাকেও স্কুলের অফিস কক্ষে আলাদা করে রাখা হয়। সেখানে পরিবারের অন্য সদস্যদের দেখে হতবাক হয়ে পড়েন তিনি। নিজে বেঁচে গেলেও পাক হানাদারদের হাতে শহীদ হন তাঁর বাবা ও ছোটভাই।

শ্রীনিবাস বলেন, সেদিন মুসলমানদের নেতৃস্থানীয় ১০-১২ জনকে রেখে বাকিদের ছেড়ে দেওয়া হয়। আটক কয়েকজনকে দিয়ে পাক আর্মিরা দড়ি ও কেরোসিন আনায়। এরপর হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনদের দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলা হয়। একেক দড়ি দিয়ে চার-পাঁচজন করে বেঁধে স্কুলের পেছনে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় বুরুঙ্গা উচ্চবিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক প্রীতিরঞ্জন চৌধুরী পেছন দিকে লাফ দিয়ে পালাতে চেষ্টা করেন। তখন আর্মিরা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি করলেও সৌভাগ্যক্রমে তিনি বেঁচে যান। একইভাবে সেদিন রানু মালাকার নামেরও একজন পালাতে সক্ষম হন। শ্রীনিবাস চক্রবর্তীর সঙ্গে আটক ছিলেন তার বাবা ও ছোটভাই। সেদিনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে শ্রীনিবাস বলেন, ছোট ভাইটি ঘটনার পরিণতি আঁচ করতে পেরে তখন কাতর স্বরে চুপিচুপি বলে, ‘দাদা আমি বুঝি আর মাকে দেখতে পারব না’। ছোট ভাইয়ের এই কথাটা আজও আমাকে বেদনায়ভারাক্রান্ত করে তোলে। তিনি বলেন, প্রায় ১০০ জন হিন্দুকে লাইনে দাঁড় করানো হয়। প্রাণভয়ে সিলেট থেকে পালিয়ে আসা জজকোর্টের উকিল রামরঞ্জন ভট্টাচার্যকে স্কুলের বারান্দায় চেয়ারে বসিয়ে রাখা হয়। পরে তাকে চলে যাওয়ার কথা বলে পেছন থেকে গুলি করে মারে পাক আর্মিরা। এরপর লাইন করে যারা দাঁড়িয়ে ছিলেন, তাদের লক্ষ্য করে দুজন পাক আর্মি মেশিনগান দিয়ে ব্রাশফায়ার করে। তিনি বলেন, আমার দুই হাত বাঁধা ছিল। স্কাউটের ট্রেনিং থাকায় জানতাম কোন পজিশনে থাকলে গুলি কম লাগবে। গুলি শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি কাত হয়ে পড়ে গেলাম।

একটা গুলি আমার হাতে লেগে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। কিন্তু সেদিকে না তাকিয়ে পড়ে রইলাম। ব্রাশফায়ারে আহতদের পরে রাইফেল দিয়ে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পাক আর্মিরা। আমি তখনো মরার মতো পড়ে থাকায়, আমার দিকে রাইফেল তাক করা হয়নি। পাকসেনাদের বর্বরতার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রাক্তন এই শিক্ষক বলেন, সবাই মরে গেছে নিশ্চিত হয়ে স্থানীয় লোকদের দিয়ে লাশের ওপর কেরোসিন ঢালায় পাকিরা। আমার গায়েও কেরোসিনের ছিটে পড়ায় বেঁচে থাকার আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম। আমি লাইনের শেষ প্রান্তে ছিলাম। আগুন দেওয়ার পর পড়ে থাকা জীবিতরা চিৎকার শুরু করে। তখন পাকসেনারা ফের এসে তাদের গুলি করে। দ্বিতীয়বার যখন আর্মিরা গুলি চালায় তখন দুটি গুলি আমার পিঠ স্পর্শ করে চলে যায়। আগুনে পুড়ে যাব জেনেও আমি প্রায় ১৫ মিনিট মরার মতো পড়ে রইলাম। এরপর পাক আর্মিরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে নিশ্চিত হয়ে আমি উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলাম। কিন্তু আমার একটা হাত প্রায় অবশ হয়ে গিয়েছিল। পিঠে গুলি লাগায় রক্ত ঝরছিল। অনেক চেষ্টায় হাতের বাঁধন খুলে স্কুলের পেছন দিকে গিয়ে এক বাড়িতে উঠি। এরপর বাড়িতে ফিরি।

এই বিভাগের আরও খবর
হাদির পরিবার  ফ্ল্যাট পাচ্ছেন
হাদির পরিবার ফ্ল্যাট পাচ্ছেন
বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২০
বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২০
আগুনে পুড়ে গেছে শতাধিক ঘর
আগুনে পুড়ে গেছে শতাধিক ঘর
সাদা বক
সাদা বক
কুমিল্লা-১ ও ২ আসনে ইসির নির্ধারিত সীমানা বহাল
কুমিল্লা-১ ও ২ আসনে ইসির নির্ধারিত সীমানা বহাল
রংপুরে রোকেয়া স্মৃতি কেন্দ্রে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে গোলাপ
রংপুরে রোকেয়া স্মৃতি কেন্দ্রে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে গোলাপ
শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
হিমাগারে বস্তার ওজন ৫০ কেজির বেশি না করার দাবি
হিমাগারে বস্তার ওজন ৫০ কেজির বেশি না করার দাবি
১০ দিন পর উদ্ধার তিন জেলের লাশ
১০ দিন পর উদ্ধার তিন জেলের লাশ
রায়পুরায় জেল পলাতক আসামিকে কুপিয়ে হত্যা
রায়পুরায় জেল পলাতক আসামিকে কুপিয়ে হত্যা
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে মাঠে উপদেষ্টারা
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে মাঠে উপদেষ্টারা
মা-মেয়ে হত্যায় সেই শিক্ষিকার স্বামী রিমান্ডে
মা-মেয়ে হত্যায় সেই শিক্ষিকার স্বামী রিমান্ডে
সর্বশেষ খবর
কেরানীগঞ্জে বিষপানে গৃহবধূর মৃত্যু
কেরানীগঞ্জে বিষপানে গৃহবধূর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোরগঞ্জের ছয় আসনে বৈধ প্রার্থী ৪৮ জন
কিশোরগঞ্জের ছয় আসনে বৈধ প্রার্থী ৪৮ জন

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সাভারের চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান, আটক ৩
সাভারের চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান, আটক ৩

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

করাচিতে শপিং মলে আগুন : নিহত ২৮, নিখোঁজ ৮১
করাচিতে শপিং মলে আগুন : নিহত ২৮, নিখোঁজ ৮১

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের আমন্ত্রণে গাজা বোর্ড অব পিসে যুক্ত হলো ইউএই
ট্রাম্পের আমন্ত্রণে গাজা বোর্ড অব পিসে যুক্ত হলো ইউএই

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাণীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় নবীজি (সা.)
প্রাণীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় নবীজি (সা.)

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

দিনভর বিক্ষোভ-রাতভর বৈঠকের পর ইউএপি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত
দিনভর বিক্ষোভ-রাতভর বৈঠকের পর ইউএপি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

যশোরে মুদি দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা, ‘গণপিটুনিতে হামলাকারী’ নিহত
যশোরে মুদি দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা, ‘গণপিটুনিতে হামলাকারী’ নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আইনশৃঙ্খলার উন্নতি নেই
আইনশৃঙ্খলার উন্নতি নেই

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২১ জানুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২১ জানুয়ারি)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভুটান লিগের সেরা উইঙ্গারকে দলে নিলো ফর্টিস
ভুটান লিগের সেরা উইঙ্গারকে দলে নিলো ফর্টিস

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রিনল্যান্ড প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র ইইউ সম্পর্ক কি ভাঙনের পথে?
গ্রিনল্যান্ড প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র ইইউ সম্পর্ক কি ভাঙনের পথে?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের বিষয়টি জনগণকে বোঝাতে হবে: উপদেষ্টা শারমীন মুরশিদ
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের বিষয়টি জনগণকে বোঝাতে হবে: উপদেষ্টা শারমীন মুরশিদ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নড়াইলের দুটি আসনে তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার
নড়াইলের দুটি আসনে তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার

৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ফুটবলারদের জন্য মঞ্চ মাতাবে ‘গ্রিন ডে’
ফুটবলারদের জন্য মঞ্চ মাতাবে ‘গ্রিন ডে’

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকীতে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আলোচনা সভা
জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকীতে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আলোচনা সভা

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুরে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেন পাঁচজন
দিনাজপুরে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেন পাঁচজন

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের সেরা অবস্থানে মরক্কো
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের সেরা অবস্থানে মরক্কো

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমার হাঁস যেন চুরি না হয়: রুমিন ফারহানা
আমার হাঁস যেন চুরি না হয়: রুমিন ফারহানা

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জামায়াত-এনসিপিসহ ৪ দলকে সতর্ক করল ইসি
জামায়াত-এনসিপিসহ ৪ দলকে সতর্ক করল ইসি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে জরিমানা
চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে জরিমানা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় ১০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার
কুমিল্লায় ১০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বগুড়ায় তিন প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার
বগুড়ায় তিন প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রাজশাহীকে হারিয়ে বিপিএলের ফাইনালে চট্টগ্রাম
রাজশাহীকে হারিয়ে বিপিএলের ফাইনালে চট্টগ্রাম

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জিয়াউর রহমানকে হত্যার মাধ্যমে বিএনপিকে হত্যাচেষ্টা করা হয়েছিল : খন্দকার মোশাররফ
জিয়াউর রহমানকে হত্যার মাধ্যমে বিএনপিকে হত্যাচেষ্টা করা হয়েছিল : খন্দকার মোশাররফ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শীতে এলার্জি ঠেকাতে কার্যকর ৫ উপায়
শীতে এলার্জি ঠেকাতে কার্যকর ৫ উপায়

৮ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

চোখের নিচে কালো দাগ!
চোখের নিচে কালো দাগ!

৮ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ট্রাম্পকে এক হাত নিলেন ম্যাক্রোঁ
ট্রাম্পকে এক হাত নিলেন ম্যাক্রোঁ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দৌলতপুরে বাঁশঝাড় ও মাঠ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, দুটি মামলা
দৌলতপুরে বাঁশঝাড় ও মাঠ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, দুটি মামলা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জামায়াত-এনসিপিসহ ৪ দলকে সতর্ক করল ইসি
জামায়াত-এনসিপিসহ ৪ দলকে সতর্ক করল ইসি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’
‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ: কঠিন সমীকরণের সামনে বাংলাদেশ
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ: কঠিন সমীকরণের সামনে বাংলাদেশ

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিক্ষার টাকা সুদে লাগিয়ে তিন বাড়ির মালিক, রয়েছে প্রাইভেট কারও!
ভিক্ষার টাকা সুদে লাগিয়ে তিন বাড়ির মালিক, রয়েছে প্রাইভেট কারও!

৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মানুষ খুন করা সম্রাটের নেশায় পরিণত হয়েছিল, পুলিশকে স্বীকারোক্তি
মানুষ খুন করা সম্রাটের নেশায় পরিণত হয়েছিল, পুলিশকে স্বীকারোক্তি

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরিবর্তন হচ্ছে মন্ত্রণালয়ের নাম
পরিবর্তন হচ্ছে মন্ত্রণালয়ের নাম

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের চাল আমদানির খবরে খুশি ভারতীয় ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশের চাল আমদানির খবরে খুশি ভারতীয় ব্যবসায়ীরা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্পেনের হাই-স্পিড ট্রেন দুর্ঘটনা: কী ঘটেছিল?
স্পেনের হাই-স্পিড ট্রেন দুর্ঘটনা: কী ঘটেছিল?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২ বছরের আগে বাড়ি ভাড়া না বাড়ানোর নির্দেশনা ঢাকা উত্তর সিটির
২ বছরের আগে বাড়ি ভাড়া না বাড়ানোর নির্দেশনা ঢাকা উত্তর সিটির

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুনামগঞ্জ-১: জামায়াত প্রার্থীকে তালাবদ্ধ করে রেখেছে কর্মীরা
সুনামগঞ্জ-১: জামায়াত প্রার্থীকে তালাবদ্ধ করে রেখেছে কর্মীরা

১৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রতিদিন মধু খাওয়ার উপকারিতা
প্রতিদিন মধু খাওয়ার উপকারিতা

২১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

গাজায় তুরস্ক-কাতারের সেনা মোতায়েনের বিরোধিতা করে যা বললেন নেতানিয়াহু
গাজায় তুরস্ক-কাতারের সেনা মোতায়েনের বিরোধিতা করে যা বললেন নেতানিয়াহু

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান
বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, দুই বন্ধু গ্রেফতার
স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, দুই বন্ধু গ্রেফতার

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফিফা র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ, বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়
ফিফা র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ, বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমার হাঁস যেন চুরি না হয়: রুমিন ফারহানা
আমার হাঁস যেন চুরি না হয়: রুমিন ফারহানা

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়ার প্রশ্নে যা বললেন লিটন
বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়ার প্রশ্নে যা বললেন লিটন

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্বাস্থ্যের দুই বিভাগ একত্রিত করার অনুমোদন
স্বাস্থ্যের দুই বিভাগ একত্রিত করার অনুমোদন

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ভারতের চাপে আইসিসি কোনো অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দিলে মানবো না’
‘ভারতের চাপে আইসিসি কোনো অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দিলে মানবো না’

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গ্রিনল্যান্ডে সামরিক প্লেন পাঠালেন ট্রাম্প
গ্রিনল্যান্ডে সামরিক প্লেন পাঠালেন ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইভ্যালির রাসেল-শামীমাকে ফের গ্রেফতার করলো ডিবি
ইভ্যালির রাসেল-শামীমাকে ফের গ্রেফতার করলো ডিবি

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

২৯ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
২৯ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নয়াদিল্লিতে আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে যেভাবে শুভেচ্ছা জানালেন মোদি
নয়াদিল্লিতে আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে যেভাবে শুভেচ্ছা জানালেন মোদি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকার ১৩টি আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৮ প্রার্থীর
ঢাকার ১৩টি আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৮ প্রার্থীর

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

উত্তেজনা বাড়িয়ে গ্রিনল্যান্ডে আরও সেনা মোতায়েন করল ডেনমার্ক
উত্তেজনা বাড়িয়ে গ্রিনল্যান্ডে আরও সেনা মোতায়েন করল ডেনমার্ক

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুঁড়া দুধে ৬৭ ভাগই ভেজাল, শিশুস্বাস্থ্যে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি
গুঁড়া দুধে ৬৭ ভাগই ভেজাল, শিশুস্বাস্থ্যে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি

২০ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

জামায়াত আমিরসহ ৭ নেতাকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ ইসির
জামায়াত আমিরসহ ৭ নেতাকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ ইসির

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পবিত্র রমজানের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ
পবিত্র রমজানের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পদ্মা সেতুতে টোল আদায়ের অনন্য মাইলফলক
পদ্মা সেতুতে টোল আদায়ের অনন্য মাইলফলক

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ভয়ংকর জঙ্গল সলিমপুর
ভয়ংকর জঙ্গল সলিমপুর

প্রথম পৃষ্ঠা

দ্বৈত অবস্থানে এনসিপি
দ্বৈত অবস্থানে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

৪৪ পুলিশ নিহতের ঘটনায় ২০ মামলা
৪৪ পুলিশ নিহতের ঘটনায় ২০ মামলা

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রত্যাহার ৩০৫ লড়াইয়ে ১৯৬৭
প্রত্যাহার ৩০৫ লড়াইয়ে ১৯৬৭

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দেশি পোশাকে বিদেশি ট্যাগ
দেশি পোশাকে বিদেশি ট্যাগ

পেছনের পৃষ্ঠা

তিনটি ভোটও নেই হুমকি দিচ্ছেন নির্বাচন হতে দেবেন না
তিনটি ভোটও নেই হুমকি দিচ্ছেন নির্বাচন হতে দেবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

অ্যাম্বুলেন্স থেকে গাড়ি সব সিন্ডিকেটে জিম্মি
অ্যাম্বুলেন্স থেকে গাড়ি সব সিন্ডিকেটে জিম্মি

প্রথম পৃষ্ঠা

জুলাই গণ অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন প্রধান উপদেষ্টার
জুলাই গণ অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন প্রধান উপদেষ্টার

প্রথম পৃষ্ঠা

মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করি
মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুখোমুখি পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ীরা
মুখোমুখি পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

কী হবে কুড়িয়ে পাওয়া শিশুর
কী হবে কুড়িয়ে পাওয়া শিশুর

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ ইতালি সামরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা
বাংলাদেশ ইতালি সামরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

অন্যরকম পেট কার্নিভাল
অন্যরকম পেট কার্নিভাল

পেছনের পৃষ্ঠা

জাসদ সর্বহারার আত্মঘাতী রাজনীতি
জাসদ সর্বহারার আত্মঘাতী রাজনীতি

সম্পাদকীয়

বিশ্বকাপ নিয়ে লিটন কিছুই জানেন না
বিশ্বকাপ নিয়ে লিটন কিছুই জানেন না

মাঠে ময়দানে

মধুমিতার নতুন অধ্যায়
মধুমিতার নতুন অধ্যায়

শোবিজ

স্বামীকে খুঁটিতে বেঁধে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ গৃহবধূকে
স্বামীকে খুঁটিতে বেঁধে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ গৃহবধূকে

দেশগ্রাম

ভিন্ন লুকে জয়া
ভিন্ন লুকে জয়া

শোবিজ

বয়স কমাতে নিন এসব কৌশল
বয়স কমাতে নিন এসব কৌশল

রকমারি লাইফ স্টাইল

সিনেমায় কবির সুমন আসিফের রসায়ন
সিনেমায় কবির সুমন আসিফের রসায়ন

শোবিজ

চার বছর পর শপথ
চার বছর পর শপথ

দেশগ্রাম

শুটিংয়ে ব্যস্ত শীর্ষ তারকারা
শুটিংয়ে ব্যস্ত শীর্ষ তারকারা

শোবিজ

যুবদল সদস্যসচিবের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার দাবিতে বিক্ষোভ
যুবদল সদস্যসচিবের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার দাবিতে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থীকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার
স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থীকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার

দেশগ্রাম

মাহির দুঃস্বপ্ন
মাহির দুঃস্বপ্ন

শোবিজ

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল যুবকের
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল যুবকের

দেশগ্রাম

দূষণে বিপন্ন পরিযায়ী পাখি
দূষণে বিপন্ন পরিযায়ী পাখি

সম্পাদকীয়

পূর্বাচলে গাইবেন পার্থ বড়ুয়া-মারুফ
পূর্বাচলে গাইবেন পার্থ বড়ুয়া-মারুফ

শোবিজ

অবৈধ ট্রাক্টরের বিরুদ্ধে অভিযান
অবৈধ ট্রাক্টরের বিরুদ্ধে অভিযান

দেশগ্রাম