সংসদ নির্বাচনের অনিয়ম তদন্ত করে শাস্তি দিতে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের নিয়ে ৩০০ অনুসন্ধান কমিটি গঠন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সংস্থাটি। এতে বলা হয়েছে, নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি মাঠপর্যায়ে ভোটের অনিয়ম অনুসন্ধান ও বিচারকার্যক্রম পরিচালনা করবে। এজন্য সংশ্লিষ্টদের সহায়তার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এতে ছোট ভুলে মনোনয়নপত্র বাতিল না করতে বলা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, নির্বাচনি অভিযোগ পর্যালোচনা করে কমিশনের কাছে উত্থাপনের জন্য ১০ অঞ্চলের ক্ষেত্রে ১০ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এরই মধ্যে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা সংশ্লিষ্টদের পাঠিয়েছেন। এতে বলা হয়েছে, ছোটখাটো ত্রুটির জন্য কোনো মনোনয়নপত্র বাতিল করা যাবে না। যদি বাছাইয়ের সময় এমন কোনো ত্রুটিবিচ্যুতি নজরে আসে, যা তাৎক্ষণিকভাবে সংশোধন সম্ভব তাহলে মনোনয়নপত্র দাখিলকারীর দ্বারা তা সংশোধন করিয়ে নিতে হবে। তবে বিশেষভাবে উল্লেখ্য, হলফনামায় উল্লিখিত কোনো তথ্য পরিবর্তন বা সংশোধন করা যাবে না। এ ছাড়া কোনো প্রার্থীর একটি মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার কারণে ওই প্রার্থীর অন্য কোনো বৈধ মনোনয়নপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে না। অর্থাৎ শুধু একটি মনোনয়নপত্র বৈধ হলেই তার প্রার্থিতা অটুট থাকবে। যদি কোনো প্রার্থী একাধিক মনোনয়নপত্র দাখিল করেন তবে বাছাইয়ের সময় একটি মনোনয়নপত্র বৈধ পাওয়া গেলে অন্য মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রয়োজন হবে না। মনোনয়নপত্র গ্রহণ অথবা বাতিল প্রসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্ত মনোনয়নপত্রের নির্দিষ্ট স্থানে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৯ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ও প্রতীক বরাদ্দ হবে ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচার চলবে ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।