সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আজিজ খানসহ তার স্ত্রী এবং মেয়ের নামে প্রায় ৭১১ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও অর্থ পাচারের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রাথমিক অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে আজিজ খানের ঘোষিত আয় ও প্রাপ্ত সম্পদের মধ্যে সুস্পষ্ট অসংগতি রয়েছে। তিনি সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে অর্থ পাচারের মাধ্যমে সম্পদ অর্জন করেছেন। অন্যদিকে তার স্ত্রী আঞ্জুমান আজিজ খানের নামে প্রায় ৯২ কোটি ৬২ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তাদের মেয়ে আয়েশা আজিজ খানের নামে প্রায় ২৮৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তার আয়ের সঙ্গে এসব সম্পদের কোনো সামঞ্জস্য নেই। তারা দুজনের আয়কর নথিতে প্রদর্শিত সম্পদের মূল্য প্রকৃত মূল্যের তুলনায় অনেক কম বলে দুদকের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে। এ ক্ষেত্রেও আয়ের সঙ্গে সম্পদের অসামঞ্জস্যতা এবং বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগের তথ্য মিলেছে। এজন্য তাদের প্রত্যেকের নামে থাকা সম্পদ-বিবরণী চেয়ে নোটিস জারি করা হয়েছে।
গতকাল বিকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক প্রধান কার্যালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এসব জানান সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন। তিনি বলেন, মোহাম্মদ আজিজ খানের নামে ৩৩০ কোটি ৯৩ লাখ ৫০ হাজার ১০৯ টাকা, তার স্ত্রী আঞ্জুমান আজিজ খানের নামে প্রায় ৯২ কোটি ৬২ লাখ ৭৮ হাজার ৭৯ টাকা এবং কন্যা আয়েশা আজিজ খানের নামে প্রায় ২৮৭ কোটি ৪৩ লাখ ২২ হাজার ৯৬৪ টাকার অস্বাভাবিক সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আজিজ খানের নামে প্রায় ৩৩০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।