শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র

বাংলা-ইংরেজি দুই ভাষায় প্রকাশ করা হবে, ইতোমধ্যে ইংরেজি ভার্সন প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা
কাজী সোহাগ
প্রিন্ট ভার্সন
শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র

টানা প্রায় সাত মাস অনুসন্ধান শেষে প্রস্তুত করা হয়েছে আওয়ামী সরকারের আমলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে শ্বেতপত্র। এতে হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির চিত্র পাওয়া গেছে। শিগগিরই ৩ হাজারের বেশি পৃষ্ঠার শ্বেতপত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। প্রাথমিকভাবে ইংরেজি ভাষায় তৈরি করে প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু শ্বেতপত্রটি বাংলায়ও করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এখন বাংলা ভাষায় শ্বেতপত্রটি তৈরির কাজ চলছে। প্রযুক্তির উন্নয়নের কথা বলে ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ প্রকল্পের নামে যে ঢাকঢোল পিটিয়েছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী সরকার, সেটি ছিল মূলত অর্থ পাচারের প্রকল্প। শ্বেতপত্রে বলা হয়, এ প্রকল্প ছিল ‘রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগের ওপর রাজনৈতিক প্রভাব’। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ (বর্তমান নাম বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১) প্রকল্প অনুমোদনেই দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে যথাযথ সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়নি। অতিরিক্ত ব্যয়, অস্পষ্ট ব্যবসায়িক পরিকল্পনা এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়ে বহু প্রশ্ন থাকলেও সেগুলো উপেক্ষা করা হয়। অডিট আপত্তিও নিষ্পত্তি করা হয়নি। টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনে আইসিটি খাতে প্রকল্পের নামে পরিকল্পিত অপচয়, একই কোম্পানিকে বারবার কাজ দেওয়া, প্রশিক্ষণের নামে রাষ্ট্রের অর্থ লোপাট ও এ-টু আই প্রকল্পে ভ্যালু ফর মানি পর্যালোচনা না করে আইসিটি খাতকে প্রকল্পভিত্তিক অর্থ বিতরণে একটি রাজনৈতিক ইকো সিস্টেমে পরিণত করা হয়। অন্যদিকে, টেলিকম খাতে এসওএফ (সোশ্যাল অবলিগেশন ফান্ড) থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকা লোপাট, টেলিকম লাইসেন্সের নীতিতে সাধারণ মানুষের জন্য এক নিয়ম এবং আওয়ামী ঘনিষ্ঠদের জন্য ছিল আরেক (ভিআইপি) নিয়ম, পছন্দের প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে দেওয়া হয় হাজার কোটি টাকার জাতীয় ফাইবার নেটওয়ার্ক। একই সঙ্গে বিটিসিএল ও টেলিটককে করা হয় ভঙ্গুর।

শ্বেতপত্র প্রসঙ্গে টেলিকম খাতের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘শ্বেতপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই এটা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। এখন বাংলা ভাষায় শ্বেতপত্রটি তৈরি করা হচ্ছে। এর আগে এটি ইংরেজি ভাষায় তৈরি করা হয়।’ দুর্নীতি প্রসঙ্গে তিনি জানান, আওয়ামী সরকারের আমলে টেলিকম সেক্টরকে বানানো হয়েছিল দুর্নীতির আখড়া। যাচাইবাছাই ছাড়া কোটি কোটি টাকার প্রকল্প ছাড় দেওয়া হয়েছে। শ্বেতপত্র প্রকাশ পেলে জাতির সামনে এসব বিষয় উঠে আসবে। একই প্রসঙ্গে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, শ্বেতপত্র তৈরি কমিটি সিলগালা আকারে আমার কাছে দিয়েছে। শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে এটা প্রকাশ করা হবে। কমিটির সদস্যরা নিরলস পরিশ্রম করে বিগত সরকারের অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরেছেন। এতে হাজার হাজার কোটি টাকার অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।  সংশ্লিষ্টরা জানান, শ্বেতপত্রে উঠে এসেছে, ‘ডিজিটালাইজেশনের নামে কীভাবে ধ্বংস করা হয়েছে নীতি, শাসনব্যবস্থা ও জনস্বার্থ।’ শুধু তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) খাতের ৬৫০ পৃষ্ঠার শ্বেতপত্রে অনিয়ম, পরিকল্পিত পদ্ধতিগত অপচয় আর দুর্নীতির প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে। এতে ডিজিটাল কানেকটিভিটি, হাইটেক পার্ক, এ-টু আই, প্রশিক্ষণ প্রকল্প সবখানেই কেস স্টাডিভিত্তিক দুর্নীতির চিত্র উঠে আসে। এতে দেখানো হয়েছে, আওয়ামী সরকারের সময় আইসিটি খাতের প্রায় সব প্রকল্পেই ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে উপস্থাপন করা হতো। একই কোম্পানি বারবার ভিন্ন নামে টেন্ডার পেত। প্রশিক্ষণের নামে কোটি কোটি টাকা গেছে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে। হাইটেক পার্কে জমি বরাদ্দ ও নির্মাণ ব্যয়ে ক্ষমতাসীনদের দৌরাত্ম্য ছিল লাগামহীন। এ-টু আই প্রকল্পে ভ্যালু ফর মানি পর্যালোচনা করা হয়নি কখনোই। অন্যদিকে টেলিকম খাত নিয়ে প্রস্তুতকৃত আড়াই হাজার পৃষ্ঠার শ্বেতপত্রটি আরও বিস্ফোরক। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ৪২টি প্রকল্প পর্যালোচনা করে দেখানো হয়েছে, প্রায় অর্ধেক প্রকল্পেই গুরুতর অনিয়ম, অদক্ষতা ও স্বার্থসংঘাতের দৃষ্টান্ত পাওয়া গেছে। সবচেয়ে আলোচিত বিষয় সোশ্যাল অবলিগেশন ফান্ড (এসওএফ)। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সাশ্রয়ী ইন্টারনেট নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকার তহবিল গঠন করা হলেও এর মধ্যে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ৭টি প্রকল্প অনুমোদনে চরম অনিয়ম পাওয়া গেছে। প্রকল্প অনুমোদনের মানদণ্ড না মানা, অযোগ্য প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া, প্রাথমিক সম্ভাব্যতা যাচাই না করা, এসব অভিযোগ শ্বেতপত্রে স্পষ্টভাবে লেখা রয়েছে। টেলিকম খাত পর্যালোচনাকারী কমিটির মন্তব্য, ‘এসওএফ ফান্ড কার্যত রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক সিন্ডিকেটের হাতে চলে গিয়েছিল।’  শ্বেতপত্রে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ার যে চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, তা পুরো খাতের নীতি ও শাসনব্যবস্থার ভয়াবহ ভাঙনকে স্পষ্ট করে। নথিতে বলা হয়েছে, ক্ষমতাসীনদের ঘনিষ্ঠ কয়েকটি কোম্পানি লাইসেন্স পেয়েছে অস্বাভাবিক দ্রুত সময়ে। অথচ একই শর্তে থাকা অন্যান্য আবেদনকারীকে বছরের পর বছর অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে। একাধিক ক্ষেত্রে নীতিমালা উপেক্ষা করে নিয়মবহির্ভূতভাবে লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে। এমনকি রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী উদ্যোক্তাদের সুবিধা দিতে বিশেষ শর্তও বাতিল করে দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রের হাজার কোটি টাকার সম্পদ জাতীয় ফাইবার নেটওয়ার্ককে বেসরকারি কোম্পানির আধিপত্যে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জাতীয় নেটওয়ার্ক-নিরাপত্তাকেও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। এই প্রেক্ষাপটে সামিট কমিউনিকেশনস ও ফাইবার অ্যাটহোম নামে দুটি প্রতিষ্ঠান কীভাবে বাজার দখলদারিত্ব, নিয়ন্ত্রক সংস্থার ওপর প্রভাব এবং নীতিভিত্তিক অসমতা তৈরি করেছে সে তথ্যও উঠে এসেছে এতে। শ্বেতপত্রে বিটিআরসির বিষয়ে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি বছরের পর বছর ধরে অনিয়মিত নিয়োগ, যোগ্যতা-অযোগ্যতার ইচ্ছাকৃত ব্যতিক্রম এবং নিয়ম পরিবর্তনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সুবিধা তৈরির সংস্কৃতি গড়ে তোলে। কমিটির ভাষায়, ‘বিটিআরসি নিজেই নিয়ম ভাঙার সংস্কৃতি’ তৈরি করেছে।

এই বিভাগের আরও খবর
হাদির পরিবার  ফ্ল্যাট পাচ্ছেন
হাদির পরিবার ফ্ল্যাট পাচ্ছেন
বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২০
বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২০
আগুনে পুড়ে গেছে শতাধিক ঘর
আগুনে পুড়ে গেছে শতাধিক ঘর
সাদা বক
সাদা বক
কুমিল্লা-১ ও ২ আসনে ইসির নির্ধারিত সীমানা বহাল
কুমিল্লা-১ ও ২ আসনে ইসির নির্ধারিত সীমানা বহাল
রংপুরে রোকেয়া স্মৃতি কেন্দ্রে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে গোলাপ
রংপুরে রোকেয়া স্মৃতি কেন্দ্রে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে গোলাপ
শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
হিমাগারে বস্তার ওজন ৫০ কেজির বেশি না করার দাবি
হিমাগারে বস্তার ওজন ৫০ কেজির বেশি না করার দাবি
১০ দিন পর উদ্ধার তিন জেলের লাশ
১০ দিন পর উদ্ধার তিন জেলের লাশ
রায়পুরায় জেল পলাতক আসামিকে কুপিয়ে হত্যা
রায়পুরায় জেল পলাতক আসামিকে কুপিয়ে হত্যা
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে মাঠে উপদেষ্টারা
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে মাঠে উপদেষ্টারা
মা-মেয়ে হত্যায় সেই শিক্ষিকার স্বামী রিমান্ডে
মা-মেয়ে হত্যায় সেই শিক্ষিকার স্বামী রিমান্ডে
সর্বশেষ খবর
কেরানীগঞ্জে বিষপানে গৃহবধূর মৃত্যু
কেরানীগঞ্জে বিষপানে গৃহবধূর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোরগঞ্জের ছয় আসনে বৈধ প্রার্থী ৪৮ জন
কিশোরগঞ্জের ছয় আসনে বৈধ প্রার্থী ৪৮ জন

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সাভারের চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান, আটক ৩
সাভারের চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান, আটক ৩

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

করাচিতে শপিং মলে আগুন : নিহত ২৮, নিখোঁজ ৮১
করাচিতে শপিং মলে আগুন : নিহত ২৮, নিখোঁজ ৮১

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের আমন্ত্রণে গাজা বোর্ড অব পিসে যুক্ত হলো ইউএই
ট্রাম্পের আমন্ত্রণে গাজা বোর্ড অব পিসে যুক্ত হলো ইউএই

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাণীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় নবীজি (সা.)
প্রাণীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় নবীজি (সা.)

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

দিনভর বিক্ষোভ-রাতভর বৈঠকের পর ইউএপি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত
দিনভর বিক্ষোভ-রাতভর বৈঠকের পর ইউএপি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

যশোরে মুদি দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা, ‘গণপিটুনিতে হামলাকারী’ নিহত
যশোরে মুদি দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা, ‘গণপিটুনিতে হামলাকারী’ নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আইনশৃঙ্খলার উন্নতি নেই
আইনশৃঙ্খলার উন্নতি নেই

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২১ জানুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২১ জানুয়ারি)

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভুটান লিগের সেরা উইঙ্গারকে দলে নিলো ফর্টিস
ভুটান লিগের সেরা উইঙ্গারকে দলে নিলো ফর্টিস

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রিনল্যান্ড প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র ইইউ সম্পর্ক কি ভাঙনের পথে?
গ্রিনল্যান্ড প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র ইইউ সম্পর্ক কি ভাঙনের পথে?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের বিষয়টি জনগণকে বোঝাতে হবে: উপদেষ্টা শারমীন মুরশিদ
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের বিষয়টি জনগণকে বোঝাতে হবে: উপদেষ্টা শারমীন মুরশিদ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নড়াইলের দুটি আসনে তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার
নড়াইলের দুটি আসনে তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ফুটবলারদের জন্য মঞ্চ মাতাবে ‘গ্রিন ডে’
ফুটবলারদের জন্য মঞ্চ মাতাবে ‘গ্রিন ডে’

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকীতে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আলোচনা সভা
জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকীতে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আলোচনা সভা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুরে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেন পাঁচজন
দিনাজপুরে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেন পাঁচজন

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের সেরা অবস্থানে মরক্কো
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের সেরা অবস্থানে মরক্কো

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমার হাঁস যেন চুরি না হয়: রুমিন ফারহানা
আমার হাঁস যেন চুরি না হয়: রুমিন ফারহানা

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জামায়াত-এনসিপিসহ ৪ দলকে সতর্ক করল ইসি
জামায়াত-এনসিপিসহ ৪ দলকে সতর্ক করল ইসি

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে জরিমানা
চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে জরিমানা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় ১০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার
কুমিল্লায় ১০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বগুড়ায় তিন প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার
বগুড়ায় তিন প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রাজশাহীকে হারিয়ে বিপিএলের ফাইনালে চট্টগ্রাম
রাজশাহীকে হারিয়ে বিপিএলের ফাইনালে চট্টগ্রাম

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জিয়াউর রহমানকে হত্যার মাধ্যমে বিএনপিকে হত্যাচেষ্টা করা হয়েছিল : খন্দকার মোশাররফ
জিয়াউর রহমানকে হত্যার মাধ্যমে বিএনপিকে হত্যাচেষ্টা করা হয়েছিল : খন্দকার মোশাররফ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শীতে এলার্জি ঠেকাতে কার্যকর ৫ উপায়
শীতে এলার্জি ঠেকাতে কার্যকর ৫ উপায়

৯ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

চোখের নিচে কালো দাগ!
চোখের নিচে কালো দাগ!

৯ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ট্রাম্পকে এক হাত নিলেন ম্যাক্রোঁ
ট্রাম্পকে এক হাত নিলেন ম্যাক্রোঁ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দৌলতপুরে বাঁশঝাড় ও মাঠ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, দুটি মামলা
দৌলতপুরে বাঁশঝাড় ও মাঠ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, দুটি মামলা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জামায়াত-এনসিপিসহ ৪ দলকে সতর্ক করল ইসি
জামায়াত-এনসিপিসহ ৪ দলকে সতর্ক করল ইসি

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’
‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ: কঠিন সমীকরণের সামনে বাংলাদেশ
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ: কঠিন সমীকরণের সামনে বাংলাদেশ

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভিক্ষার টাকা সুদে লাগিয়ে তিন বাড়ির মালিক, রয়েছে প্রাইভেট কারও!
ভিক্ষার টাকা সুদে লাগিয়ে তিন বাড়ির মালিক, রয়েছে প্রাইভেট কারও!

৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মানুষ খুন করা সম্রাটের নেশায় পরিণত হয়েছিল, পুলিশকে স্বীকারোক্তি
মানুষ খুন করা সম্রাটের নেশায় পরিণত হয়েছিল, পুলিশকে স্বীকারোক্তি

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরিবর্তন হচ্ছে মন্ত্রণালয়ের নাম
পরিবর্তন হচ্ছে মন্ত্রণালয়ের নাম

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের চাল আমদানির খবরে খুশি ভারতীয় ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশের চাল আমদানির খবরে খুশি ভারতীয় ব্যবসায়ীরা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২ বছরের আগে বাড়ি ভাড়া না বাড়ানোর নির্দেশনা ঢাকা উত্তর সিটির
২ বছরের আগে বাড়ি ভাড়া না বাড়ানোর নির্দেশনা ঢাকা উত্তর সিটির

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুনামগঞ্জ-১: জামায়াত প্রার্থীকে তালাবদ্ধ করে রেখেছে কর্মীরা
সুনামগঞ্জ-১: জামায়াত প্রার্থীকে তালাবদ্ধ করে রেখেছে কর্মীরা

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রতিদিন মধু খাওয়ার উপকারিতা
প্রতিদিন মধু খাওয়ার উপকারিতা

২২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

গাজায় তুরস্ক-কাতারের সেনা মোতায়েনের বিরোধিতা করে যা বললেন নেতানিয়াহু
গাজায় তুরস্ক-কাতারের সেনা মোতায়েনের বিরোধিতা করে যা বললেন নেতানিয়াহু

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান
বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, দুই বন্ধু গ্রেফতার
স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, দুই বন্ধু গ্রেফতার

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফিফা র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ, বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়
ফিফা র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ, বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমার হাঁস যেন চুরি না হয়: রুমিন ফারহানা
আমার হাঁস যেন চুরি না হয়: রুমিন ফারহানা

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়ার প্রশ্নে যা বললেন লিটন
বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়ার প্রশ্নে যা বললেন লিটন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্বাস্থ্যের দুই বিভাগ একত্রিত করার অনুমোদন
স্বাস্থ্যের দুই বিভাগ একত্রিত করার অনুমোদন

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ভারতের চাপে আইসিসি কোনো অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দিলে মানবো না’
‘ভারতের চাপে আইসিসি কোনো অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দিলে মানবো না’

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গ্রিনল্যান্ডে সামরিক প্লেন পাঠালেন ট্রাম্প
গ্রিনল্যান্ডে সামরিক প্লেন পাঠালেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইভ্যালির রাসেল-শামীমাকে ফের গ্রেফতার করলো ডিবি
ইভ্যালির রাসেল-শামীমাকে ফের গ্রেফতার করলো ডিবি

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

২৯ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
২৯ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ঢাকার ১৩টি আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৮ প্রার্থীর
ঢাকার ১৩টি আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৮ প্রার্থীর

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নয়াদিল্লিতে আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে যেভাবে শুভেচ্ছা জানালেন মোদি
নয়াদিল্লিতে আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে যেভাবে শুভেচ্ছা জানালেন মোদি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে গ্রিনল্যান্ডে আরও সেনা মোতায়েন করল ডেনমার্ক
উত্তেজনা বাড়িয়ে গ্রিনল্যান্ডে আরও সেনা মোতায়েন করল ডেনমার্ক

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুঁড়া দুধে ৬৭ ভাগই ভেজাল, শিশুস্বাস্থ্যে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি
গুঁড়া দুধে ৬৭ ভাগই ভেজাল, শিশুস্বাস্থ্যে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি

২১ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

পদ্মা সেতুতে টোল আদায়ের অনন্য মাইলফলক
পদ্মা সেতুতে টোল আদায়ের অনন্য মাইলফলক

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জামায়াত আমিরসহ ৭ নেতাকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ ইসির
জামায়াত আমিরসহ ৭ নেতাকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ ইসির

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পবিত্র রমজানের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ
পবিত্র রমজানের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধর্মকে ব্যবহার না করে সোজাপথে রাজনীতি করুন : মির্জা ফখরুল
ধর্মকে ব্যবহার না করে সোজাপথে রাজনীতি করুন : মির্জা ফখরুল

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
ভয়ংকর জঙ্গল সলিমপুর
ভয়ংকর জঙ্গল সলিমপুর

প্রথম পৃষ্ঠা

দ্বৈত অবস্থানে এনসিপি
দ্বৈত অবস্থানে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

৪৪ পুলিশ নিহতের ঘটনায় ২০ মামলা
৪৪ পুলিশ নিহতের ঘটনায় ২০ মামলা

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রত্যাহার ৩০৫ লড়াইয়ে ১৯৬৭
প্রত্যাহার ৩০৫ লড়াইয়ে ১৯৬৭

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দেশি পোশাকে বিদেশি ট্যাগ
দেশি পোশাকে বিদেশি ট্যাগ

পেছনের পৃষ্ঠা

তিনটি ভোটও নেই হুমকি দিচ্ছেন নির্বাচন হতে দেবেন না
তিনটি ভোটও নেই হুমকি দিচ্ছেন নির্বাচন হতে দেবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

অ্যাম্বুলেন্স থেকে গাড়ি সব সিন্ডিকেটে জিম্মি
অ্যাম্বুলেন্স থেকে গাড়ি সব সিন্ডিকেটে জিম্মি

প্রথম পৃষ্ঠা

জুলাই গণ অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন প্রধান উপদেষ্টার
জুলাই গণ অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন প্রধান উপদেষ্টার

প্রথম পৃষ্ঠা

মুখোমুখি পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ীরা
মুখোমুখি পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

কী হবে কুড়িয়ে পাওয়া শিশুর
কী হবে কুড়িয়ে পাওয়া শিশুর

পেছনের পৃষ্ঠা

মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করি
মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করি

প্রথম পৃষ্ঠা

অন্যরকম পেট কার্নিভাল
অন্যরকম পেট কার্নিভাল

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ ইতালি সামরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা
বাংলাদেশ ইতালি সামরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

জাসদ সর্বহারার আত্মঘাতী রাজনীতি
জাসদ সর্বহারার আত্মঘাতী রাজনীতি

সম্পাদকীয়

বিশ্বকাপ নিয়ে লিটন কিছুই জানেন না
বিশ্বকাপ নিয়ে লিটন কিছুই জানেন না

মাঠে ময়দানে

স্বামীকে খুঁটিতে বেঁধে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ গৃহবধূকে
স্বামীকে খুঁটিতে বেঁধে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ গৃহবধূকে

দেশগ্রাম

মধুমিতার নতুন অধ্যায়
মধুমিতার নতুন অধ্যায়

শোবিজ

ভিন্ন লুকে জয়া
ভিন্ন লুকে জয়া

শোবিজ

বয়স কমাতে নিন এসব কৌশল
বয়স কমাতে নিন এসব কৌশল

রকমারি লাইফ স্টাইল

স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থীকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার
স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থীকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার

দেশগ্রাম

সিনেমায় কবির সুমন আসিফের রসায়ন
সিনেমায় কবির সুমন আসিফের রসায়ন

শোবিজ

চার বছর পর শপথ
চার বছর পর শপথ

দেশগ্রাম

শুটিংয়ে ব্যস্ত শীর্ষ তারকারা
শুটিংয়ে ব্যস্ত শীর্ষ তারকারা

শোবিজ

মাহির দুঃস্বপ্ন
মাহির দুঃস্বপ্ন

শোবিজ

যুবদল সদস্যসচিবের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার দাবিতে বিক্ষোভ
যুবদল সদস্যসচিবের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার দাবিতে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল যুবকের
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল যুবকের

দেশগ্রাম

দূষণে বিপন্ন পরিযায়ী পাখি
দূষণে বিপন্ন পরিযায়ী পাখি

সম্পাদকীয়

পূর্বাচলে গাইবেন পার্থ বড়ুয়া-মারুফ
পূর্বাচলে গাইবেন পার্থ বড়ুয়া-মারুফ

শোবিজ

অবৈধ ট্রাক্টরের বিরুদ্ধে অভিযান
অবৈধ ট্রাক্টরের বিরুদ্ধে অভিযান

দেশগ্রাম