রাজধানীর বাজারে পিঁয়াজের দামে অস্থিরতা এখনো কাটেনি। দাম সামান্য কমলেও হাতের নাগালে আসেনি প্রায় দুই মাস ধরে ঊর্ধ্বগতিতে থাকা নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যটি। পিঁয়াজের এই ঝাঁজে বেশ অস্বস্তিতে সাধারণ মানুষ। অন্যদিকে বাজারে সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে শীতের সবজির। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, নতুন পিঁয়াজের সরবরাহ এখনো সেভাবে না বাড়ায় এ অস্থিরতা কাটছে না। বাজারে যেটুকু সরবরাহ এসেছে, সেগুলোও নানা দামে বিক্রি হচ্ছে।
গতকাল মিরপুর-১১ কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত নতুন পিঁয়াজ ৯০-১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে পুরোনো দেশি পিঁঁয়াজের দাম এখনো চড়া। প্রতি কেজি পিঁয়াজ ১২০-১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে শীতকালীন সবজি শিম প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০-৮০ টাকায়। এর মধ্যে বিচি ছাড়া শিম বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায় আর বিচিসহ শিম বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকায়। ফুলকপি পিস ৩০-৫০, বাঁধাকপি ২০, টম্যাটো প্রতি কেজি ৬০-৮০, গোল বেগুন ৪০-৫০ ও লম্বা বেগুন ৪০, পটোল ৬০, করলা ৫০, ঝিঙ্গা ৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। নতুন আলু কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়, যা গত সপ্তাহেও ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। পুরোনো আলু ২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া বাজারে মুলা প্রতি কেজি ২০-৩০ ও লাউ ৬০-৮০ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের দাম স্থির আছে, বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজিতে। পেঁপে ৩০-৪০, মিষ্টিকুমড়া ৩০, দেশি শসা ৫০-৬০ ও হাইব্রিড শসা ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। খিরা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা দরে।
বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজি ১৬০-১৭০, আর সোনালি মুরগি ২৬০-২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ফার্মের প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০-১২৫ টাকায়।
বাজারে মানভেদে রুই ২৬০-৩২০ টাকায় কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া কাতলা ৩২০-৩৫০, পাঙাশ ১৮০-২০০, তেলাপিয়া ১৬০-২০০, চিংড়ি ৬৫০-৭০০, মাঝারি কই ২৫০-৩০০, দেশি শিং ৬৫০-৭৫০, শোল ৬৫০, সুরমা ৩০০, পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ডালের বাজারে ছোট মসুর ডাল ১৫৫, মোটা মসুর ডাল ৯০, বড় মুগ ডাল ১৪০, ছোট মুগ ডাল ১৭০, খেসারি ডাল ১০০, বুটের ডাল ১১৫, ছোলা ১১০ ও মাষকলাই ডাল ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকায়। বাজারে মোটা স্বর্ণা চাল বর্তমানে ৫৫-৫৮ টাকা এবং মাঝারি মানের পাইজাম ও বিআর-২৮ চাল ৫৮-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে মিনিকেট ৭৮-৮৫ টাকা এবং নাজিরশাইল ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।