রাজধানীর বাজারে পিঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। এখন পুরোনো পিঁয়াজের বদলে মৌসুমের নতুন মুড়িকাটা পিঁয়াজ বেশি বিক্রি হতে দেখা গেছে। শুরুতে নতুন পিঁয়াজ প্রতি কেজি ১৩০-১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, এরপর ধীরে ধীরে সেটা কমতে শুরু করে। গতকাল মিরপুর-১১ কাঁচা বাজারে প্রতি কেজি নতুন পিঁয়াজ ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আর আমদানি করা পিঁয়াজও একই দামে বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহ বাড়ায় কিছু কিছু সবজির দাম গত সপ্তাহের চেয়ে কেজিতে ৫-১০ টাকা কমেছে।
বাজারে আলুর দামও অনেক কমেছে। পুরোনো আলুর সরবরাহ নেই বললেই চলে। এক মাস ধরে রাজধানীর বাজারে নতুন আলুই বিক্রি হচ্ছে। শুরুতে নতুন আলুর কেজি ছিল ১০০ টাকার ওপরে। এখন ২০-২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকায়।
বিক্রেতারা জানিয়েছেন, এক মাস আগেও বাজারে পিঁয়াজ, সবজি, আলু, টম্যাটো সাধারণ মানুষের হাতের নাগালের বাইরে ছিল। তবে সরবরাহ বাড়ায় এসব পণ্যের দাম এখন অর্ধেকে নেমে এসেছে। বাজারে শীতকালীন সবজি শিম প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায়। ফুলকপি পিস ২০, বাঁধাকপি ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টম্যাটো কেজি ৬০-৮০, গোল বেগুন ৪০ ও লম্বা বেগুন ৪০, পটোল ৬০, করলা ৫০, ঝিঙ্গে ৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। মুলা প্রতি কেজি ২০-৩০ ও লাউ ৫০-৬০ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ৩০, মিষ্টিকুমড়া ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। খিরা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি দরে। ডালের বাজারে ছোট মসুর ডাল ১৫৫, মোটা মসুর ডাল ৯০, বড় মুগ ডাল ১৪০, ছোট মুগ ডাল ১৭০, খেসারি ডাল ১০০, বুটের ডাল ১১৫, ছোলা ১১০ ও মাষকলাই ডাল ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকায়। বাজারে মোটা স্বর্ণা চাল বর্তমানে ৫৫-৫৮ টাকা এবং মাঝারি মানের পাইজাম ও বিআর-২৮ চাল ৫৮-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে মিনিকেট ৭৮-৮৫ টাকা এবং নাজিরশাইল ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৬০ টাকা আর সোনালি মুরগি ২৬০-২৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ফার্মের প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়।
বাজারে মানভেদে রুই ২৬০-৩২০ টাকায় কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া কাতলা ৩২০-৩৫০, পাঙাশ ১৮০-২০০, তেলাপিয়া ১৬০-২০০, চিংড়ি ৬৫০-৭০০, মাঝারি কই ২০০-২৫০, দেশি শিং ৬৫০-৭৫০, শোল ৬৫০, সুরমা ৩০০, পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।