সুন্দরবনে শেলারচর এলাকায় একটি ফিশিং ট্রলারসহ পাঁচ জেলেকে অপহরণ করে বনদস্যুরা। শনিবার রাত ১২টার দিকে এ অপহরণের ঘটনা ঘটে। পরে দস্যুরা প্রত্যেক জেলের মুক্তির জন্য ১ লাখ টাকা করে দাবি করেছে পরিবারের কাছে। অপহৃত জেলেরা হলেন- কচি (৪৫), হিরক (৩৫), সালাম (৪০), রবিউল (৩৫) ও মুজাহিদ (২৬)। তাদের বাড়ি বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বাঁশতলী এলাকায়। অপহৃত জেলেদের মহাজন রামপালের শেখ নুরুল হক গতকাল মোবাইল ফোনে জানান, শনিবার রাত ১২টার দিকে তার আটজন জেলে ট্রলার দিয়ে মাছ ধরছিলেন। এ সময় বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা নৌকায় এসে তাদের মারধর করে তিনজনকে একটি নৌকায় উঠিয়ে দিয়ে পাঁচ জেলেকে ট্রলারসহ অপহরণ করে। যাওয়ার সময় ১ লাখ করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে ছেড়ে দেওয়া জেলেদের কাছে মোবাইল নম্বর দিয়ে যায়। সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা শরিফুল জানান, অপহৃত জেলেদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশসহ সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে।
মুক্তিপণ দিয়ে ফিরলেন দুজন : এ ঘটনার তিন দিন আগে দুবলার আমবাড়ীয়া এলাকা থেকে অপহৃত দুই জেলে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন। গতকাল সকালে শেলারচরে ফিরে এসেছেন তারা। দস্যুদের জিম্মিদশা থেকে ফিরে আসা জেলেদের মহাজন পাথরঘাটা উপজেলার শহিদ নাজির জানান, শনিবার বিকালে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা বনদস্যুদের দেওয়া দুটি বিকাশ নম্বরে পাঠানো হয়। এরপর দুজনকে একটি নৌকায় উঠিয়ে দেয়। ফিরে আসা দুই জেলে হলেন- বাগেরহাটের শারণখোলা উপজেলার রাজৈর গ্রামের আবদুল কাদের ও খোন্তাকাটা গ্রামেরর বিউল মোল্লা।