৮ লাখ ভোট কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ শুরু, চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ভোটার। প্রচারণা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ভোটের প্রচারে ড্রোন ব্যবহার করা যাবে না। পোস্টারবিহীন ভোটে প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে প্রার্থীরা। ভোটের সময় মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সীমিত করা হবে। ৪০০ পোস্টাল ব্যালটের জন্য একটি বাক্স, চার লকে সিল
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) চলছে কর্মযজ্ঞ। এক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ে ৮ লাখ ভোট কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। গতকাল (২২ জানুয়ারি) থেকে ইসি এ প্রশিক্ষণ শুরু করেছে। ৭ ফেব্রুয়ারি তা শেষ হবে।
নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান জানিয়েছেন, প্রতি কেন্দ্রে একজন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, প্রতি ভোটকক্ষে একজন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা এবং ভোটকক্ষে প্রতি দুজন পোলিং কর্মকর্তা থাকবে। সবমিলিয়ে ৮ লাখের বেশি ভোট গ্রহণ কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ চলছে।
এর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, নির্বাহী হাকিম, বিচারিক হাকিম, বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে ইসি। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
আসনভিত্তিক ভোটার সংখ্যা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সংসদ ও গণভোটে ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৫ জন ভোট দিতে পারবেন। মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫১ জন। নারী ভোটার সংখ্যা ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৪ জন। আর হিজড়া ভোটার রয়েছে ১ হাজার ১২০ জন।
ইতোমধ্যে আসনভিত্তিক ভোট কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে ভোট কেন্দ্রের নাম ও অবস্থান; নারী, পুরুষ ও হিজড়া ভোটার সংখ্যার পাশাপাশি প্রথমবারের মতো নিবন্ধিত পোস্টাল ব্যালটে নিবন্ধিতদের সংখ্যাও তুলে ধরা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখার পাঠানো আসনভিত্তিক ভোটার সংখ্যা পর্যালোচনায় দেখা যায়, ৩০০ আসনে সর্বনিম্ন ভোটার রয়েছে ঝালকাঠি-১ আসনে। এ আসনের ভোটার ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন। আর সর্বোচ্চ ভোটার রয়েছে গাজীপুর-২ আসনে। এ আসনে ৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন।
নির্বাচনি প্রচারণা শুরু : গতকাল আনুষ্ঠানিক প্রচারণায় নেমেছে রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলে প্রায় ২ হাজার প্রার্থী। বুধবার নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। গতকাল থেকে ভোট গ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত তথা ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত নির্বাচনি প্রচারণা চালানো যাবে। নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ছাড়া আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে প্রার্থিতা বাতিল করার ক্ষমতাও রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিতে প্রথমবারের মতো নির্বাচনি প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভোটের প্রচারে ড্রোন ব্যবহার করা যাবে না। আচরণবিধিতে বিদেশে প্রচারণার ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। প্রচার-প্রচারণাসহ নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভোটের মাঠে রয়েছেন ১ হাজার ৯৮১ জন প্রার্থী। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ ৫১টি রাজনৈতিক দল এবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।
প্রচারণায় কোনো প্রকার পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। অনুপযোগী দ্রব্য যেমন রেক্সিন, পলিথিন, প্লাস্টিকসহ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কোনো উপাদানে তৈরি প্রচারপত্র, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন ও ব্যানার ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোনো প্রার্থী কিংবা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকায় অবস্থিত কোনো দালান, দেয়াল, গাছ, বেড়া, বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি, সরকারি বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের স্থাপনা এবং বাস, ট্রাক বা অন্য কোনো যানবাহনে কোনো ধরনের লিফলেট বা হ্যান্ডবিল কিংবা ফেস্টুন সাঁটাতে পারবেন না। ফেস্টুন অবশ্যই কাপড় বা চটের তৈরি হতে হবে।
প্রচারণায় আরও যেসব বিধিনিষেধ মানতে হবে : প্রচারণায় বিলবোর্ড ব্যবহার করা যাবে। তবে প্রতি সংসদীয় আসনের প্রত্যেক ইউনিয়ন, পৌরসভা বা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে ওয়ার্ডপ্রতি একটি অথবা সমগ্র নির্বাচনি এলাকায় সর্বোচ্চ ২০টির বেশি বিলবোর্ড ব্যবহার করা যাবে না। বিলবোর্ডের আকার ১৬ ফুট লম্বা ও ৯ ফুট চওড়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল মাধ্যম ব্যতীত নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল এবং ফেস্টুন সাদা-কালো রঙের হতে হবে। এসব প্রচারসামগ্রীতে প্রতীক ও প্রার্থীর নিজের ছবি ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির ছবি বা প্রতীক ছাপানো যাবে না।
ব্যানারের আকার সর্বোচ্চ ১০ ফুট বাই ৪ ফুট; ফেস্টুনের আকার ১৮ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি এবং লিফলেট এ-ফোর সাইজের মধ্যে রাখতে হবে। পিভিসি, পলিথিন, প্লাস্টিক, রেক্সিন বা অন্যান্য অ-পচনশীল উপাদান ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পরিবেশবান্ধব উপাদান ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রচার শুরুর আগে দল ও প্রার্থীকে বিস্তারিত প্রচার পরিকল্পনা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। এতে ব্যবহৃত প্রচারসামগ্রী এবং অনলাইন প্রচারণায় ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্যও অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। হেলিকপ্টার ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে, তবে তা শুধু দলীয় শীর্ষ নেতাদের যাতায়াতের জন্য। কোনো ধরনের প্রচারসামগ্রী নিক্ষেপ বা প্রদর্শন করা যাবে না। লাউডস্পিকার ব্যবহারের সংখ্যা প্রতি সমাবেশে সর্বোচ্চ তিনটি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সাধারণ প্রচারণার জন্য ব্যবহৃত মাইক্রোফোন বা লাউডস্পিকারের ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য হবে না। শব্দের মাত্রা ৬০ ডেসিবেলের বেশি হতে পারবে না। ব্যবহার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। ঘৃণাসূচক বক্তব্য, ভুয়া বা বিকৃত তথ্য, ব্যক্তিগত আক্রমণ কিংবা উসকানিমূলক ভাষা ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিশেষ করে নারী, সংখ্যালঘু বা কোনো সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করা যাবে না। ধর্মীয় বা জাতিগত অনুভূতি উসকে দিয়ে ভোট আদায়ের চেষ্টাও নিষিদ্ধ। প্রচারণায় ড্রোন বা অনুরূপ যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা যাবে না। নির্বাচনের দিনও এসব নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালানো যাবে, তবে ব্যবহৃত সব অ্যাকাউন্ট আগেই রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে নিবন্ধন করতে হবে। অনলাইনে ক্ষতিকর বা নিষিদ্ধ কোনো কনটেন্ট পোস্ট করা যাবে না। নির্বাচনি আচরণবিধিতে দল ও প্রার্থীকে পৃথক অঙ্গীকারনামা দিতে হবে। কোনো প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দলকেও জরিমানার আওতায় আনা হবে। বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী আচরণবিধি ভঙ্গ করলে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকেও আর্থিক শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। আচরণবিধি ভাঙলে ব্যক্তির জন্য সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা দেড় লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। দলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করা যেতে পারে। বিধান লঙ্ঘনে আরপিও অনুযায়ী প্রার্থিতা বাতিলের ব্যবস্থাও রয়েছে। ইসির জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন, অনিয়ম ও অপপ্রচার-সংক্রান্ত অভিযোগ বা তথ্য টেলিফোনের মাধ্যমে সমন্বয় সেলে জানাতে পারবেন সাধারণ নাগরিকরা। সমন্বয় সেলে যোগাযোগের টেলিফোন নম্বরগুলো হলো : ০২৫৫০০৭৪৭০, ০২০৫০০৭৪৭১, ০২৫৫০০৭৪৭২, ০২৫৫০০৭৪৭৪ এবং ০২৫৫০০৭৫০৬।
৪০০ পোস্টাল ব্যালটের জন্য একটি বাক্স, চার লকে সিল : পোস্টাল ব্যালট সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ৪০০টি পোস্টাল ব্যালটের জন্য একটি করে ব্যালট বাক্স ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়েছে ইসি। প্রতিটি ব্যালট বাক্স প্রার্থী বা তাদের নির্বাচনি এজেন্টদের উপস্থিতিতে চারটি লক দিয়ে সিল করার বিধান রাখা হয়েছে। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই ডাকযোগে প্রাপ্ত পোস্টাল ব্যালট এসব নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে সংরক্ষণ করা হবে এবং গণনার দিন লক ও বাক্সের নম্বর প্রার্থী বা তাদের নির্বাচনি এজেন্টদের সামনে মিলিয়ে খোলার সুযোগ থাকবে। গতকাল ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বিএনপি-জেএসডির প্রার্থীকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ : সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. রুহুল আমীন দুলাল ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) ঢাকা-১০ আসনের প্রার্থীকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে পাঠানো হয়েছে। গতকাল ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নির্বাচনি মালামাল পরিবহনে হেলিকপ্টার, তথ্য চেয়েছে ইসি : দুর্গম পার্বত্য ভোট কেন্দ্রগুলোতে নির্বাচনি মালামাল পরিবহনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি। এ লক্ষ্যে কোন কোন ভোট কেন্দ্রে হেলিকপ্টার ব্যবহার প্রয়োজন হবে, সে সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য আজ (বৃহস্পতিবার) ২২ জানুয়ারির মধ্যে জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছে ইসি। গতকাল ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ব্রিজ-কালভার্ট রক্ষণাবেক্ষণে এলজিইডি প্রকল্পের অর্থ ছাড়ে সম্মতি : স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের পরিচালন বাজেটের আওতায় চলমান সড়ক ও ব্রিজ-কালভার্ট রক্ষণাবেক্ষণসহ অনুমোদিত উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর জন্য অর্থ ছাড় দিতে সম্মতি দিয়েছে ইসি। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত চিঠি স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবকে পাঠানো হয়েছে। গতকাল ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ভোটে মোবাইল ও আই-ব্যাংকিং সীমিত থাকবে : নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, মোবাইল ব্যাংকিং ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা পুরোপুরি বন্ধ না করে সীমিত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। গতকাল জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মোবাইল ব্যাংকিং নিয়ে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-বিভাগ ও মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ৮৩ জন বিদেশি পর্যবেক্ষককে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এর মধ্যে ৩৬ জন নিশ্চিত করেছেন। পাঁচজন রিজেক্ট করেছেন। আর এখনো কনফার্মেশন আসা বাকি আছে। বিদেশি ৫০ জন সাংবাদিক ও ৭৮ জন পর্যবেক্ষক আসতে চান। আমরা যাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছি তাঁরা ইন্টারকন্টিনেন্টালে থাকবেন। ইইউ পর্যবেক্ষক ৫৮ জনের মতো আছে। এটি ৩০০-এর কাছাকাছি যেতে পারে।
তিনি বলেন, ভোটগণনার ক্ষেত্রে একটু সময় বেশি লাগবে। এবার ভোটাররা দুটো ব্যালটে ভোট দেবেন। এ কারণে গণনায় এবার স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগবে। তিনি বলেন, বিএনসিসি ১৬ হাজারের অধিক। তারা ভলেনটিয়ার হিসেবে কাজ করবেন।