শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:৩৭, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

উৎসবে ভোটের মাঠ

চ্যালেঞ্জে জামায়াতের কৃষ্ণ নন্দী

খুলনা-১
কাজী সোহাগ, খুলনা থেকে
প্রিন্ট ভার্সন
চ্যালেঞ্জে জামায়াতের কৃষ্ণ নন্দী

জামায়াতের মনোনয়ন ক্যারিশমায় রাতারাতি আলোচিত হয়ে উঠেছে খুলনা-১ আসন। বলা যায়, ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা বাংলাদেশের দৃষ্টি এ আসনকে ঘিরে। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জামায়াতের হিন্দু প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী নির্বাচনি মাঠে লড়াই করছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে। হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় জামায়াত এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কৃষ্ণ নন্দী প্রতিদিনই স্থানীয় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের নিয়ে গণসংযোগ করছেন। হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে ভোট চাইছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে। অন্যদিকে জামায়াতের নেতা-কর্মীরাও অংশ নিচ্ছেন প্রচারে। নির্বাচনে আসনটি থেকে মোট ১২ জন প্রার্থী লড়ছেন। এর মধ্যে আটজনই হিন্দু ধর্মাবলম্বী। এক সময়ের জাতীয় পার্টির নেতা সুনীল শুভ রায় এ আসনে ভোটের মাঠে আছেন আরেকটি ইসলামী দলের মোমবাতি প্রতীক নিয়ে। বাটিয়াঘাটা ও দাকোপ উপজেলা নিয়ে গঠিত খুলনা-১ আসনটি বাংলাদেশের সংসদীয় আসনের ৯৯ নম্বর। এখানে মোট ভোটার ৩ লাখ ৭ হাজারের মতো। আগের ১২টি নির্বাচনে এ আসনে আওয়ামী লীগ এমপি হিসেবে পেয়েছে নয়জনকে, বিএনপি দুজনকে ও জাতীয় পার্টি একজনকে। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাও এ আসন থেকে লড়েছেন একবার। এবারের নির্বাচনে এ আসনে ধর্মীয় বিষয়টিকে বড় ফ্যাক্টর বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা। সরেজমিন নির্বাচনি এলাকায় গেলে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে তারা জানান, এখানে হিন্দু ভোটার বেশি থাকায় রাজনৈতিক দলগুলো প্রার্থী দেওয়ার ক্ষেত্রে হিন্দুদের গুরুত্ব দিয়েছে বেশি। বিশেষ করে জামায়াত চমক দেখিয়ে প্রার্থী করেছে কৃষ্ণ নন্দিকে। স্থানীয়ভাবে ভালো ভাবমূর্তির অধিকারী কৃষ্ণ নন্দীর হাতে দাঁড়িপাল্লা তুলে দিয়ে মূলত জামায়াত এ আসনটি নিজেদের অধীনে আনতে চাইছে।  এদিকে আসনটিকে আলাদা গুরুত্ব দিতে দেখা গেছে স্থানীয় প্রশাসনকে। শহর থেকে দূরে হওয়ায় আসনটি কিছুটা প্রত্যন্ত এলাকা হিসেবে পরিচিত।  সরেজমিন এ আসনটিতে গেলে দেখা গেছে, প্রশাসনের ভালো তৎপরতা। বাজার, বাসস্ট্যান্ড মোড়ে অবস্থান নিতে দেখা গেছে পুলিশ টিমকে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজনও কড়া দৃষ্টি রাখছে। এ ছাড়া সেনাবাহিনী সদস্যদেরও টহল দিতে দেখা গেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আসনটিকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাই যেকোনো ধরনের অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা এড়াতে বাড়তি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সরেজমিন বাংলাদেশ প্রতিদিনের পক্ষ থেকে প্রায় ৩০ জন ভোটারের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। বাটিয়াঘাটা বাজারের মুরগি ও মাছ ব্যবসায়ী টুলু ঢালী ও আরোহী মণ্ডল এ সময় বলেন, এখানে ভোটের হিসাব কিছুটা জটিল। আমাদের মতো হিন্দুদের নিয়ে এখানে রাজনীতি শুরু হয়েছে। ১২ জনের মধ্যে আটজন হিন্দু প্রার্থী। আবার আমাদের মধ্যেও রয়েছে চারটি ভাগ। তাই হিন্দুদের সব ভোট একতরফাভাবে কেউ পাবেন- এমন নিশ্চয়তা নেই। এখানে হবে ভাগাভাগির ভোট। তারা বলেন, এলাকার উন্নয়নে যিনি বেশি কাজ করতে সক্ষম তাকেই নির্বাচিত করার চেষ্টা করা হবে।

এ আসনে জামায়াতের হিন্দু প্রার্থীর পাশাপাশি রয়েছেন বিএনপির আমির এজাজ খান। স্থানীয়রা জানান, এখানে ‘ধর্ম কার্ডে’র পাশাপাশি ব্যক্তিগত ইমেজও একটা বড় ফ্যাক্টর। কৃষ্ণ নদীর ব্যক্তিগত ইমেজ ভালো থাকলেও তিনি একজন দাদন ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় অনেক ভোটার তার কাছ থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা ও সংসার পরিচালনা করছেন। শেষ মুহূর্তে ঋণের সুদ মওকুফ করার ‘টনিক’ ব্যবহার করে তিনি ভোটারদের কাছে ভোট চাইছেন বলে জানান অনেকে। অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থী আমির এজাজ খান ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নির্যাতিত নেতা হিসেবে চিহ্নিত। তবে ৫ আগস্ট ঘটনার পর বালুমহাল দখল ও নির্বিচারে চাঁদাবাজি করেছেন, এমন অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।  কৃষ্ণ নন্দী হিন্দু হয়ে জামায়াতের মতো ইসলামী দলের প্রার্থী কীভাবে হলেন- এমন বিষয় নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন বিএনপি প্রার্থী আমির এজাজ খান। অন্যদিকে জামায়াতের পক্ষ থেকে আমির এজাজকে একজন চিহ্নিত দখলবাজ ও চাঁদাবাজ হিসেবে প্রচার চালানো হচ্ছে। সব মিলিয়ে আসনটি নিজেদের অধীনে রাখতে দুই দলই মরিয়া। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে এ আসনের চিত্র তত পাল্টাচ্ছে। বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী-সমর্থকরা আক্রমণাত্মক হয়ে উঠছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি অনেক বহিরাগত এ আসনে প্রচারে অংশ নিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভোটাররা। তারা জানান, প্রচারে অনেক অপরিচিত মুখ দেখতে পাচ্ছি, যাদের এলাকায় কখনো দেখিনি। তবে এ ধরনের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন দুই দলের দুই প্রার্থীই। জামায়াতের আলোচিত হিন্দুপ্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী বলেন, ‘এটা অবান্তর অভিযোগ। আমার কাছে হিন্দু-মুসলিম নিয়ে কোনো ভেদাভেদ নেই। নির্বাচিত হলে এখানে হিন্দুদের নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি মুসলমানদেরও বুকের মধ্যে রাখব।’ নির্বাচনে কোনো চ্যালেঞ্জ রয়েছে কি না- এ প্রশ্নে তিনি জানান, বড় ধরনের কোনো চ্যালেঞ্জ দেখছি না। তবে বিএনপি প্রার্থী আমার নেতা-কর্মীদের নানা সময় হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছেন। নির্বাচন কমিশনে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেছেন কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোনো অভিযোগ করিনি।

জামায়াত প্রার্থীর এ ধরনের অভিযোগ প্রসঙ্গে বিএনপির আমির এজাজ খান বলেন, ‘হুমকি-ধমকির কোনো প্রমাণ উনি দেখাতে পারবেন না। ৪০ বছর ধরে রাজনীতি করছি। এ আসনে ১১৯টি কেন্দ্র রয়েছে। আমার বিশ্বাস, প্রতিটা কেন্দ্রে আমি ফার্স্ট হব। তাই আমার জন্য কোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ নেই। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা রয়েছে, ভোটারদের মধ্যেও শঙ্কা রয়েছে।’ তিনি জানান, অনেক ভোটার আমাকে বলেছেন, আমরা আপনাকে ভোট দেব কিন্তু সেই ভোট আপনি বুঝে নিতে পারবেন তো?

বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীরা আরও জানান, শেষ তিনটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ব্যাপক কারচুপি করেছে। নির্বাচন তো দূরের কথা, কোনো ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রমও এখানে পরিচালনা করতে দেওয়া হয়নি। বলা যায়, আসনগুলো তারা জবরদখল করেছিল। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ এবারে নির্বাচনে নেই। জনগণের মধ্যে ভোট ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা এখানে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করেছি। এতে তৃণমূল ভোটারদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।

এই বিভাগের আরও খবর
দুর্বৃত্তদের গুলিতে শ্রমিক লীগ নেতা সোহাগ নিহত
দুর্বৃত্তদের গুলিতে শ্রমিক লীগ নেতা সোহাগ নিহত
মার্কিন করদাতাদের সুবিধার অপব্যবহার করলে ভিসা বাতিল
মার্কিন করদাতাদের সুবিধার অপব্যবহার করলে ভিসা বাতিল
বাংলাদেশিসহ ১০ জন আমিরাতে গ্রেপ্তার
বাংলাদেশিসহ ১০ জন আমিরাতে গ্রেপ্তার
দুজনের লাশ আসছে আজ, আহতরা হাসপাতালে
দুজনের লাশ আসছে আজ, আহতরা হাসপাতালে
হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার
হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার
শ্রীকাইল-৫ থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু
শ্রীকাইল-৫ থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু
শাহজালালে ১৫ দিনে ৪৭৫ ফ্লাইট বাতিল
শাহজালালে ১৫ দিনে ৪৭৫ ফ্লাইট বাতিল
প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করবে সরকার
প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করবে সরকার
ভাসানচর থেকে পালানো ৩৭ রোহিঙ্গা সন্দ্বীপে আটক
ভাসানচর থেকে পালানো ৩৭ রোহিঙ্গা সন্দ্বীপে আটক
‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’
‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’
আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা
আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা
সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত
সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত
সর্বশেষ খবর
আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

এই মাত্র | অর্থনীতি

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে ঈদের জামা
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে ঈদের জামা

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে হামলা, বাহরাইনে বড় বিস্ফোরণ
ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে হামলা, বাহরাইনে বড় বিস্ফোরণ

৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে ড্রোন পাঠানোর কথা ভাবছে যুক্তরাজ্য
হরমুজ প্রণালিতে ড্রোন পাঠানোর কথা ভাবছে যুক্তরাজ্য

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে ৩ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা
মধ্যপ্রাচ্যে ৩ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

১২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইফতারে কেন খাবেন বেলের শরবত, জেনে নিন উপকারিতা
ইফতারে কেন খাবেন বেলের শরবত, জেনে নিন উপকারিতা

২৭ মিনিট আগে | জীবন ধারা

কমলাপুর থেকে সময় মতো ছাড়ছে ট্রেন, যাত্রীদের ভীড়
কমলাপুর থেকে সময় মতো ছাড়ছে ট্রেন, যাত্রীদের ভীড়

৩১ মিনিট আগে | জাতীয়

মিত্রদের ওপর ইরানের হামলাকে ‘অপ্রত্যাশিত’ বললেন ট্রাম্প
মিত্রদের ওপর ইরানের হামলাকে ‘অপ্রত্যাশিত’ বললেন ট্রাম্প

৩৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন
জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন

৩৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্যস্থল না করতে ইরানের প্রতি আহ্বান হামাসের
প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্যস্থল না করতে ইরানের প্রতি আহ্বান হামাসের

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রংপুরে দেড় বছরের সন্তানকে হত্যা করে মায়ের আত্মহত্যা
রংপুরে দেড় বছরের সন্তানকে হত্যা করে মায়ের আত্মহত্যা

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পয়েন্ট হারাল ম্যানসিটি
পয়েন্ট হারাল ম্যানসিটি

৫৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইরাকে বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৬ মার্কিন সেনার নাম প্রকাশ
ইরাকে বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৬ মার্কিন সেনার নাম প্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুবিধাবঞ্চিতদের সেবায় তহবিল সংগ্রহে ‘হিউম্যানিটি ফার্স্ট’-এর ইফতার মাহফিল
সুবিধাবঞ্চিতদের সেবায় তহবিল সংগ্রহে ‘হিউম্যানিটি ফার্স্ট’-এর ইফতার মাহফিল

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকায় বৃষ্টির পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস
ঢাকায় বৃষ্টির পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প
মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে বাংলাদেশ
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সংসদ অধিবেশন শুরু বেলা ১১টায়
সংসদ অধিবেশন শুরু বেলা ১১টায়

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর খবর নাকচ করল ফ্রান্স
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর খবর নাকচ করল ফ্রান্স

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভালভার্দের জোড়া গোলে রিয়ালের দাপুটে জয়
ভালভার্দের জোড়া গোলে রিয়ালের দাপুটে জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা হয়নি: আব্বাস আরাগচি
হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা হয়নি: আব্বাস আরাগচি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষ হচ্ছে একুশে বইমেলা
শেষ হচ্ছে একুশে বইমেলা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৮২৬
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৮২৬

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন
বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে চুক্তির সময় এখনও আসেনি: ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে চুক্তির সময় এখনও আসেনি: ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উন্নত চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে আজ
উন্নত চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে আজ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৫ মার্চ)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৫ মার্চ)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আজ মিলছে ২৫ মার্চের ট্রেনের টিকিট
আজ মিলছে ২৫ মার্চের ট্রেনের টিকিট

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হতে পারে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টি
হতে পারে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন
ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একযোগে ১০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার
একযোগে ১০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন
এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য
ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ
ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আহত মোজতবা খামেনির স্বাস্থ্য নিয়ে মুখ খুলল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান
আহত মোজতবা খামেনির স্বাস্থ্য নিয়ে মুখ খুলল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্রের ভিডিও প্রকাশ : আমিরাতে গ্রেফতার এক বাংলাদেশিসহ ১০ জন
ক্ষেপণাস্ত্রের ভিডিও প্রকাশ : আমিরাতে গ্রেফতার এক বাংলাদেশিসহ ১০ জন

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের দিকে একযোগে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান
ইসরায়েলের দিকে একযোগে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’
‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান যুদ্ধে অংশ নিতে ২৫০০ ‘স্থলসেনা’ পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র
ইরান যুদ্ধে অংশ নিতে ২৫০০ ‘স্থলসেনা’ পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি
আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি
আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির
জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র কল্পনাও করেনি ইরান এভাবে পাল্টা আঘাত করে চমকে দেবে
যুক্তরাষ্ট্র কল্পনাও করেনি ইরান এভাবে পাল্টা আঘাত করে চমকে দেবে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের
ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি
ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক
মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান
ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আটকে গেল সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের কারামুক্তি
আটকে গেল সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের কারামুক্তি

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধ লাইভ: এক নজরে সর্বশেষ পরিস্থিতি
ইরান যুদ্ধ লাইভ: এক নজরে সর্বশেষ পরিস্থিতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি
যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?
হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরাকে দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ২৪ ঘণ্টায় আটবার হামলা
ইরাকে দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ২৪ ঘণ্টায় আটবার হামলা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার ১৫তম দিনে যা ঘটছে
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার ১৫তম দিনে যা ঘটছে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অল্প দিনে যুদ্ধ শেষের প্রতিশ্রুতি, ট্রাম্প ১৪ দিন পরেও খুঁজছেন বের হওয়ার পথ
অল্প দিনে যুদ্ধ শেষের প্রতিশ্রুতি, ট্রাম্প ১৪ দিন পরেও খুঁজছেন বের হওয়ার পথ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা
বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?
১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা
আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত
সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত

পেছনের পৃষ্ঠা

দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু
বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সেই ১৮ মাস
আমাদের সেই ১৮ মাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা
তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে
সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

এক সুতোয় বাঁধা
এক সুতোয় বাঁধা

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা
আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু
চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু

মাঠে ময়দানে

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু
ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু

প্রথম পৃষ্ঠা

নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী
গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক
আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক

পেছনের পৃষ্ঠা

‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’
‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’

পেছনের পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে
শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে

দেশগ্রাম

রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু
রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু

সম্পাদকীয়

হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার
হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন
এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন

সম্পাদকীয়

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি

প্রথম পৃষ্ঠা