শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:৩৬, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

তারেক রহমান

ষড়যন্ত্র রুখতে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
ষড়যন্ত্র রুখতে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ

জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র রুখতে ভোটের দিন ভোট কেন্দ্রে ফজরের নামাজ আদায় করতে দলীয় নেতা-কর্মীসহ সাধারণ ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই আপনারা ভোট কেন্দ্রে থাকবেন। ফজরের নামাজ ভোট কেন্দ্রে গিয়ে আদায় করবেন। ওখানে গিয়ে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে যাবেন, যাতে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে কেউ কিছু না করতে পারেন। শুধু ভোট দিলেই চলবে না, ভোট দিয়ে ভোট বুঝে নিয়ে আসবেন। হিসাব বুঝে আনতে হবে। বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে ধানের শীষের পক্ষে জনগণের রায় চান বিএনপি চেয়ারম্যান। গতকাল দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ছয়টি নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নিয়ে সমালোচনা করে নয়, জনগণের ভাগ্য বদলের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা দিয়েই দেশের উপকার করা সম্ভব। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে একটি মহল ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তাদের লোকজন ভোটারদের কাছে গিয়ে বিভ্রান্ত করছে। বিশেষ করে মা-বোনদের কাছে গিয়ে বিভিন্ন অবাস্তব প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। প্রকৃত অর্থে তাদের প্রতিশ্রুতিগুলো বায়বীয়। আমরা জনগণকে এমন প্রতিশ্রুতি দিতে চাই, যেগুলো মানুষের পক্ষে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

আমরা ভোটারদের এমন কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না, যা মানুষের সাধ্যের বাইরে। যা মানুষের আওতার ভিতর নয়। সর্বপ্রথম জনসভাটি অনুষ্ঠিত হয় তারেক রহমানের নিজের নির্বাচনি এলাকা ঢাকা-১৭ আসনের বনানী কামাল আতাতুর্ক মাঠে। এতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৭ এর নির্বাচনি কার্যক্রমের প্রধান সমন্বয়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, যুগ্ম সমন্বয়ক ফরহাদ হালিম ডোনার, বিএনপি নেতা নাজিম উদ্দিন আলম, কৃষিবিদ শামিমুর রহমান শামীম, যুবদল সভাপতি মোনায়েম মুন্না, ঢাকা উত্তর সিটির সাবেক মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল এবং গুলশান, বনানী, ক্যান্টনমেন্ট, ভাসানটেক ও বাড্ডা থানা বিএনপি ও বিভিন্ন ওয়ার্ড কমিটি নেতারা। অনুষ্ঠানের শুরুতেই এ এলাকার মোরগ মার্কার সংসদ সদস্য প্রার্থী কাজী এনায়েত উল্লাহ ধানের শীষের প্রার্থী তারেক রহমানের পক্ষে তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার ঘোষণা দেন। তিনি তার নেতা-কর্মীদের ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার অনুরোধ জানান। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তারেক রহমান নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেন, বিএনপির লক্ষ্য এমন একটি রাষ্ট্র গঠন করা, যেখানে সব নাগরিক দিন-রাত যে কোনো সময় নিরাপদে চলাফেরা এবং পরিবার-পরিজন নিয়ে নিশ্চিন্তে বসবাস করতে পারেন। তিনি বলেন, বিদেশগামীদের যেন জমিজমা বিক্রি করতে না হয়, সেজন্য সরকারিভাবে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে। এ ঋণের মাধ্যমে তারা সহজেই বিদেশে যাওয়ার খরচ মেটাতে পারবেন এবং সেখান থেকে উপার্জিত অর্থ দিয়ে পরবর্তীতে তা পরিশোধ করতে পারবেন। পরে কলাবাগান ক্রীড়াচক্র মাঠে ঢাকা-১০ আসনের নির্বাচনি জনসভায় অংশ নেন তারেক রহমান। ওই আসনের প্রার্থী শেখ রবিউল আলম রবির সভাপতিত্বে জনসভায় তারেক রহমান বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে বিশ্বাস শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ধারণ করতেন এবং দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ধারণ করেছেন ‘বাংলাদেশই আমাদের প্রথম এবং শেষ ঠিকানা। সব অত্যাচার-নির্যাতনের মধ্যেও তিনি দেশ ছেড়ে যাননি। বলেছেন, এই দেশের মানুষই তাঁর পরিবার।

বিএনপির হাইকমান্ড বলেন, আমরা চাইলে প্রতিপক্ষদের নিয়ে অনেক কথা বলতে পারি। কিন্তু শুধু কথা বললেই কি দেশের বা জনগণের কোনো লাভ হয়? না লাভ হয় না। দেশ ও জনগণের প্রকৃত লাভ তখনই হয়, যখন একটি রাজনৈতিক দলের হাতে থাকে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ও কার্যকর কর্মসূচি। বিএনপি কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে কৃষি কার্ড, মায়েদের তথা গৃহিণীদের পাশে দাঁড়াতে ফ্যামিলি কার্ড চালুর কথা জানান তারেক রহমান। গ্রাম ও শহরের প্রান্তিক, খেটে খাওয়া নারীদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতেই এটি করা হবে। সারা দেশের স্কুলশিক্ষকদের পর্যায়ক্রমে কম্পিউটার প্রদানের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা নিশ্চিতের কথা বলেন তারেক রহমান। শহর ও গ্রাম সব জায়গায় প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। তারেক রহমান বলেন, প্রায় দেড় কোটির মতো প্রবাসী ভাই-বোনের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রায় দেশ চলে। তিনি বলেন, তাঁদের হয়রানি কমাতে এবং দেশে ফিরে সম্মানজনক জীবন নিশ্চিত করতে চালু করা হবে ‘প্রবাসী কার্ড’। তারেক রহমান বলেন, মসজিদের ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করেন। বিএনপি সরকার গঠন করলে তাঁদের জন্য সম্মানজনক জীবনের নিশ্চয়তা দেওয়া হবে। বিএনপির আরও অনেক পরিকল্পনা আছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, এগুলোর (পরিকল্পনা) মূল লক্ষ্য হলো মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র আছে, অপচেষ্টা আছে। আমরা দেখেছি, একটি পক্ষের লোকজন জাল ব্যালটের সিল বানাতে গিয়ে ধরা পড়েছে। তারেক রহমান পরে ঢাকা-৮ আসনে (কমলাপুর) পীরজঙ্গী মাজার রোডে, ঢাকা-৯ আসনে মান্ডা তরুণ সংঘ মাঠে, ঢাকা-৫ আসনে যাত্রাবাড়ী শহীদ ফারুক রোডে, ঢাকা-৪ আসনে জুরাইন-দয়াগঞ্জ রোডে, ঢাকা-৬ আসনে ধূপখোলা মাঠে এবং ঢাকা-৭ আসনে লালবাগ বালুর মাঠে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রাখেন। এসব জনসভায় তারেক রহমান বলেন, নারীরা জনগোষ্ঠীর অর্ধেক। বেগম খালেদা জিয়া নারীদের জন্য উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেন। ফলে নারী শিক্ষা আজ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। এখন দরকার তাদের স্বাবলম্বী করা।

মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই যোদ্ধাদের ত্যাগের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে পারলেই তাদের রক্তের ঋণ শোধ করা হবে।

তিনি বলেন, দেশের তরুণদের সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে দেশজুড়ে আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র করা হবে। এর মাধ্যমে তারা যেন দেশে এবং বিদেশে সম্মানজনক কাজ করে স্বাবলম্বী হতে পারেন এবং দেশের বেকারত্ব ঘোচাতে পারেন।

তারেক রহমান বলেন, এ নির্বাচন শুধু গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য নয়, এটা দেশ গঠনের নির্বাচন। বিগত ১৬ বছর আমরা দেখেছি, বহু মেগা প্রজেক্ট হয়েছে। যার মাধ্যমে মেগা দুর্নীতি হওয়ায় মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের গ্রামগঞ্জের হাসপাতালগুলোতে গেলে ওষুধ পাওয়া যায় না। স্কুল-কলেজ ভেঙেচুরে পড়ে যাচ্ছে। রাস্তাঘাট নষ্ট হয়ে গেছে। চলাচল করা যায় না।

এদিকে, উত্তর যাত্রাবাড়ী শহীদ ফারুক সড়কে আয়োজিত জনসভায় তারেক রহমান ঢাকা-৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী নবী উল্লাহ নবীর হাতে ধানের শীষ তুলে দিয়ে পরিচয় করিয়ে দেন। তিনি বলেন, নবী উল্লাহ নবীর জনপ্রিয়তা দেখে মনে হচ্ছে তাকে মনোনয়ন দিয়ে বিএনপি ভুল করেনি। মঞ্চের সামনে থাকা নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা সমস্বরে এলাকার গ্যাসসংকটের কথা জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে তারেক রহমান বলেন, আগের সরকার তাদের নিজেদের লোকজন যাতে কমিশন পায় সেজন্য বিদেশ থেকে গ্যাস নিয়ে আসত। কিন্তু দেশের মধ্যে নতুন গ্যাসের খনি অনুসন্ধান করেনি। বাংলাদেশে প্রচুর গ্যাসের খনি আছে। সেই খনি থেকে গ্যাস উত্তোলন করে সংকট মোকাবিলা করা হবে।

ডেমরা-যাত্রাবাড়ী এলাকায় ইপিজেড করার ঘোষণা দেন তারেক রহমান। এ এলাকায় বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো চালু করে নতুন

কর্মসংস্থান সৃষ্টির ঘোষণা দেন তিনি। নবী উল্লাহ নবীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা-৫ আসনের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য এ এলাকায় হাসপাতাল করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন।

 

এই বিভাগের আরও খবর
দুর্বৃত্তদের গুলিতে শ্রমিক লীগ নেতা সোহাগ নিহত
দুর্বৃত্তদের গুলিতে শ্রমিক লীগ নেতা সোহাগ নিহত
মার্কিন করদাতাদের সুবিধার অপব্যবহার করলে ভিসা বাতিল
মার্কিন করদাতাদের সুবিধার অপব্যবহার করলে ভিসা বাতিল
বাংলাদেশিসহ ১০ জন আমিরাতে গ্রেপ্তার
বাংলাদেশিসহ ১০ জন আমিরাতে গ্রেপ্তার
দুজনের লাশ আসছে আজ, আহতরা হাসপাতালে
দুজনের লাশ আসছে আজ, আহতরা হাসপাতালে
হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার
হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার
শ্রীকাইল-৫ থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু
শ্রীকাইল-৫ থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু
শাহজালালে ১৫ দিনে ৪৭৫ ফ্লাইট বাতিল
শাহজালালে ১৫ দিনে ৪৭৫ ফ্লাইট বাতিল
প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করবে সরকার
প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করবে সরকার
ভাসানচর থেকে পালানো ৩৭ রোহিঙ্গা সন্দ্বীপে আটক
ভাসানচর থেকে পালানো ৩৭ রোহিঙ্গা সন্দ্বীপে আটক
‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’
‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’
আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা
আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা
সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত
সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত
সর্বশেষ খবর
ফিলিপাইনকে বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে জাপান
ফিলিপাইনকে বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে জাপান

২৪ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকায় আত্মীয়স্বজন না থাকলে অর্থ-স্বর্ণালংকার থানায়ও রাখা যেতে পারে: ডিএমপি
ঢাকায় আত্মীয়স্বজন না থাকলে অর্থ-স্বর্ণালংকার থানায়ও রাখা যেতে পারে: ডিএমপি

৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

সংসার বাঁচাতে প্রয়োজনে মিডিয়া ছেড়ে দিতে চান পূজা চেরি
সংসার বাঁচাতে প্রয়োজনে মিডিয়া ছেড়ে দিতে চান পূজা চেরি

৬ মিনিট আগে | শোবিজ

মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত সৌদি ছাড়ার নির্দেশ
মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত সৌদি ছাড়ার নির্দেশ

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

৭ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

খাগড়াছড়িতে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবসে আলোচনা সভা
খাগড়াছড়িতে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবসে আলোচনা সভা

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিজিটাল শিক্ষক বদলি ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের কথা ভাবছে সরকার
ডিজিটাল শিক্ষক বদলি ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের কথা ভাবছে সরকার

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

বান্দরবানে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা
বান্দরবানে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদ আনন্দ ছড়িয়ে দিতে অসহায়দের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ
ঈদ আনন্দ ছড়িয়ে দিতে অসহায়দের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ

২০ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ৯২৯ মামলা
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ৯২৯ মামলা

২১ মিনিট আগে | নগর জীবন

‘গ্লোবাল ফ্রড সামিটে’ যোগ দিতে ভিয়েনা যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
‘গ্লোবাল ফ্রড সামিটে’ যোগ দিতে ভিয়েনা যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

ইরানের আগুনেই কি পুড়ে ছাই হবে ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার?
ইরানের আগুনেই কি পুড়ে ছাই হবে ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার?

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাইব্যুনালের স্বচ্ছতায় কোনো ছাড় নয়: চিফ প্রসিকিউটর
ট্রাইব্যুনালের স্বচ্ছতায় কোনো ছাড় নয়: চিফ প্রসিকিউটর

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ঝিনাইদহে কৃষক দল নেতা হত্যার বিচার দাবি
ঝিনাইদহে কৃষক দল নেতা হত্যার বিচার দাবি

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কলাপাড়ায় ১৪ হাজার জাল টাকাসহ যুবক গ্রেফতার
কলাপাড়ায় ১৪ হাজার জাল টাকাসহ যুবক গ্রেফতার

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত: শাহজালাল বিমানবন্দরে বাতিল ৫০০ ফ্লাইট
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত: শাহজালাল বিমানবন্দরে বাতিল ৫০০ ফ্লাইট

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

শেরপুরের তেরাবাজারে জমজমাট ঈদ বাজার, স্বল্প আয়ের মানুষের ভিড়
শেরপুরের তেরাবাজারে জমজমাট ঈদ বাজার, স্বল্প আয়ের মানুষের ভিড়

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানকে ‘শাহেদ’ ড্রোন সরবরাহ করছে রাশিয়া: জেলেনস্কি
ইরানকে ‘শাহেদ’ ড্রোন সরবরাহ করছে রাশিয়া: জেলেনস্কি

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামলায় ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় আহত ১০৮
হামলায় ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় আহত ১০৮

৪৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সভা
হরিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সভা

৪৭ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশ সংসদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে
অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশ সংসদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে

৫০ মিনিট আগে | জাতীয়

৫৩ কেজি গাঁজা ও ৭৬ বোতল এস্কাফ রেখে পালাল কারবারিরা
৫৩ কেজি গাঁজা ও ৭৬ বোতল এস্কাফ রেখে পালাল কারবারিরা

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মাদারীপুরে সাথী হত্যায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
মাদারীপুরে সাথী হত্যায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কোটচাঁদপুরে ট্রেনের ধাক্কায় ট্রাক্টরচালক নিহত
কোটচাঁদপুরে ট্রেনের ধাক্কায় ট্রাক্টরচালক নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের একাদশে তিন পরিবর্তন
টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের একাদশে তিন পরিবর্তন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজবাড়ীতে আলুবোঝাই ট্রাকচাপায় চালকের সহকারী নিহত
রাজবাড়ীতে আলুবোঝাই ট্রাকচাপায় চালকের সহকারী নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজশাহীতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের ইফতার মাহফিল
রাজশাহীতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের ইফতার মাহফিল

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

লোকালয়ে মদের ভাটি: অবাধ বিক্রিতে কিশোর-তরুণদের আসক্তির শঙ্কা
লোকালয়ে মদের ভাটি: অবাধ বিক্রিতে কিশোর-তরুণদের আসক্তির শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা
দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিদ্ধিরগঞ্জে সাড়ে ৪ হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ
সিদ্ধিরগঞ্জে সাড়ে ৪ হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন
এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য
ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ
ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’
‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি
আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি
আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির
জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা
যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের
ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক
মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি
ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের
তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা
হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি
যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান
ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন
জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প
মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প
মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?
হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা
বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?
১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতে থাকা মার্কিন আস্তানাকে বৈধ লক্ষ্যবস্তুর হুঁশিয়ারি আইআরজিসির
আমিরাতে থাকা মার্কিন আস্তানাকে বৈধ লক্ষ্যবস্তুর হুঁশিয়ারি আইআরজিসির

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়াই ইরানকে ড্রোন সরবরাহ করেছে, দাবি জেলেনস্কির
রাশিয়াই ইরানকে ড্রোন সরবরাহ করেছে, দাবি জেলেনস্কির

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের সেনাদেরই রক্ষা করতে পারছে না'
যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের সেনাদেরই রক্ষা করতে পারছে না'

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তার জন্য হুমকি’
‘যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তার জন্য হুমকি’

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু
বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা
আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সেই ১৮ মাস
আমাদের সেই ১৮ মাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত
সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত

পেছনের পৃষ্ঠা

দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা
তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে
সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

এক সুতোয় বাঁধা
এক সুতোয় বাঁধা

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা
আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু
চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু

মাঠে ময়দানে

গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী
গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু
ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক
আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক

পেছনের পৃষ্ঠা

কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন
এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন

সম্পাদকীয়

রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু
রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু

সম্পাদকীয়

শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে
শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে

দেশগ্রাম

‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’
‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’

পেছনের পৃষ্ঠা

হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার
হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি

প্রথম পৃষ্ঠা