বরিশাল জেলার ছয়টি আসনের অর্ধেকের বেশি ভোট কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্র্ণ। এর মধ্যে অতি ঝুঁকিপূর্র্ণ কেন্দ্র রয়েছে প্রায় ৩০০। এসব ঝুঁকিপূর্র্ণ ও অতি ঝুঁকিপূর্র্ণ কেন্দ্রের জন্য বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা করবে পুলিশ। এ ছাড়াও সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট করতে নিরাপত্তায় থাকবে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, বিজিবি, র্যাবসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা। ভোটের দিন জেলায় সেনাবাহিনীর ১৫০০ এবং পুলিশের আড়াই হাজারের বেশি সদস্য মাঠে তৎপর থাকবে। বরিশাল জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলার ছয়টি আসনে মোট ৮৩৩টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৩৪২টি, গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্র ১৯৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ২৫৪টি। বরিশাল-১ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১২৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি। বরিশাল-২ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪০টি। এর মধ্যে সাধারণ কেন্দ্র ২৫টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ৬৪টি। বরিশাল-৩ আসনের মোট ভোট কেন্দ্র ১২৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৩৭টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩৯টি ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি। বরিশাল-৪ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৮টি, গুরুত্বপূর্ণ ১৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৪টি। বরিশাল-৫ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৭৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৪৬টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৭টি। বরিশাল-৬ আসনে ১১৩টি ভোট কেন্দ্র। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৬টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩২টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি। বরিশাল মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্রে পাঁচজন করে এবং অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ছয়জন করে পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। এ ছাড়াও থাকবে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। গুরুত্বপূর্ণ ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্রের জন্য একটি করে মোবাইল টিম থাকবে।
বরিশালের সেনা ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সৈকত বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি ২০২৪ সালের ২০ জুলাই থেকে সেনাবাহিনী দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করছে। নির্বাচন কমিশন ও সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বেসামরিক প্রশাসন ও অন্যান্য বাহিনীকে সহায়তা দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সেনাবাহিনী কাজ করে যাচ্ছে।